সৌরঝড়ের সম্ভাবনা, হুমকির মুখে ইন্টারনেট ব্যবস্থা

অনলাইন ডেস্ক

সৌরঝড়ের সম্ভাবনা, হুমকির মুখে ইন্টারনেট ব্যবস্থা

পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়তে পারে সোলার স্টর্ম বা সৌরঝড়। একে বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলা হয়, করোনাল ম্যাস ইজেকশান। এর ফলে ইন্টারনেট ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং তা কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আরভিনে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক একটি গবেষণা এই অশনিসঙ্কেত দিয়েছে। গবেষণাপত্রটি পিয়ার রিভিউ পর্যায় পেরিয়ে একটি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকায় প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে। গত মঙ্গলবার গবেষণাপত্রটি অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে।

এর আগে ১৮৫৯ এবং ১৯২১ সালে আধুনিক বিশ্ব সৌরঝড় দেখেছিল বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা। গবেষকেরা বলেন, ‘এমন ভয়ঙ্কর সৌরঝড় বা সিএমই’র পৃথিবীর ওপর আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা প্রতি দশকে থাকে ১ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে ১২ শতাংশ। এ বার তেমনই একটি সিএমই’র ঝাপটা সইতে হতে পারে পৃথিবীকে। যার সম্ভাবনা খুব বেশি।’

পৃথিবীর চার পাশে থাকা শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্রই আমাদের সৌরঝড়-সহ সূর্য থেকে ছুটে আসা নানা ধরনের পদার্থের হাত থেকে বাঁচায়। দুই মেরুতে চৌম্বক ক্ষেত্র সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী থাকে বলে সৌরকণারা ধেয়ে এলে তাদের বেশির ভাগকেই ফিরিয়ে দেয় দুই মেরুর চৌম্বক ক্ষেত্র। সেই সংঘর্ষেই মেরুজ্যোতির জন্ম হয়। 

পৃথিবীসহ সৌরমণ্ডলের সব গ্রহের দিকেই ধেয়ে যায় এই সৌরঝড়। তবে যেসব গ্রহের চৌম্বক ক্ষেত্র খুবই দুর্বল এবং বায়ুমণ্ডল প্রায় নেই বললেই চলে সেসব গ্রহকে এই ঝাঁপটা সহ্য করতে হয়। 

মূল গবেষক, আরভিনের ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক সঙ্গীতা আবদু জ্যোতি বলেছেন, ‘যেটা সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় তা হলো, আমরা মহামারির জন্য যেমন আদৌ প্রস্তুত ছিলাম না, এক্ষেত্রেও তেমনটাই হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ, সূর্যের বায়ুমণ্ডলে (করোনা) কখন ভয়ঙ্কর সৌরঝড় উঠবে তার পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয় এখনও। তবে এটুকু বলা যায়, সেই ভয়ঙ্কর সৌরঝড়ের পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসতে অন্তত ১৩ ঘণ্টা সময় লাগবে।’

আরও পড়ুন:

টাইগারদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা

ছেলেকে সামলাতে গিয়ে রাতে ঘুম হচ্ছে না নুসরাতের, বেড়েছে ওজনও

সরকার আমলা ও কয়েকজন লোকের উপর নির্ভর করে টিকে আছে: মির্জা ফখরুল

ময়মনসিংহে গ্রেপ্তার জঙ্গিরা সন্ধান দেয় বসিলার, জেএমবির শীর্ষ নেতা আটক


এবারের সৌরঝড়ে পৃথিবীতে ইন্টারনেট সংযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এর আগে ১৯২১ সালে শেষবার যখন পৃথিবীতে সৌরঝড় আঘাত হানে তখন পৃথিবীতে ইন্টারনেট ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। ফলে ইন্টারনেটের ওপর এই প্রভাব সম্পর্কিত কোন তথ্য বিজ্ঞানীদের হাতে নেই।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

গোঁফ প্রতিযোগিতায় অংশ নিলেন শতাধিক মানুষ (ভিডিও)

চন্দ্রানী চন্দ্রা

জার্মানিতে হয়ে গেলো ব্যতিক্রমধর্মী গোঁফ প্রতিযোগিতা।পূর্ব বাভারিয়ান জার্মানিতে আয়োজিত বার্ষিক এ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেন বিভিন্ন শহরের শতাধিক মানুষ।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের কারো গোঁফ সূচালো, কারোটা চন্দ্রাকৃতির, কেউ আবার গোঁফ পাকিয়েছেন ঊর্ধ্বমুখী। বাহারি এমন নকশার গোঁফেরও আছে বাহারি নামও। ইংলিশ, শেভরণ, ডালি, পিরামিড কিংবা হর্স স্যু আকৃতির গোঁফ সবার নজর কেড়েছে।

জার্মানিতে আয়োজিত বার্ষিক এ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেন বিভিন্ন শহরের শতাধিক মানুষ।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে সেরা তিন গোঁফওয়ালাকে নির্বাচিত করেন বিচারকরা।

আর ভারতের হরিয়ানায় চুলের ছাটে তাজমহল, মাইকেল জ্যাকসন ও মিকিমাউসসহ এমন অনেক কিছুর ছবিই ফুটিয়ে তুলছেন দুই নরসুন্দর রাজবিন্দর সিং সিধু ও গুরবিন্দর সিং সিধু। তাদের হেয়ার কাট অন্য যেকোনো সেলুনের চেয়ে আলাদা।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

যে ক্লাবের সদস্য হতেই লাগে দেড়শ' কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক

যে ক্লাবের সদস্য হতেই লাগে দেড়শ' কোটি টাকা

বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের জন্য নতুন একটি ক্লাব খোলা হয়েছে যেখানের সদস্য হতেই লাগবে ১ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় অঙ্কটা ১৫৪ কোটি টাকারও বেশি। তবে পকেটে টাকা থাকলেই যে এই এক্সক্লুসিভ ক্লাবের সদস্য হওয়া যাবে তা নয়, টাকার অঙ্কটা হতে হবে ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি! তারপরেও এই ক্লাবের সদস্য হওয়া যাবে না, প্রয়োজন হবে আমন্ত্রণের। কেননা এই এক্সক্লুসিভ ক্লাবটি একটি 'ইনভাইট অনলি' ক্লাব।

এক্সক্লুসিভ এই ক্লাবের নাম আর-৩৬০। এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য চার্লস গারসিয়া। এবছরই ক্লাবটি প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি। সম্মিলিতভাবে এই ক্লাবের উদ্দেশ্য এর সদস্যদের মধ্যে বিনিয়োগ ও সেবামূলক সুযোগ তৈরি করা।

এরই মধ্যে দুইজন বিলিয়নিয়ারকে ফিরিয়েও দেওয়া হয়েছে বলে জানান ক্লাবটির প্রতিষ্ঠাতা গারসিয়া। তিনি বলেন, 'তাদের একজন ক্লাবের মধ্যে নিজের ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে এসেছিল, আরেকজন কিছু পারিবারিক সমস্যার সমাধান করতে চায় নি।

চার্লস গারসিয়া

আর-৩৬০ ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা চার্লস গারসিয়া এই ক্লাবের সদস্য সংখ্যা ১০০০ হাজার করতে চান, যেখানে ৫০০ সদস্য থাকবে যুক্তরাষ্ট্রের এবং বাকি ৫০০ জন বিশ্বের অন্যান্য দেশের। দুজন বিলিয়নিয়ারকে ফিরিয়ে দিলেও এই সংখ্যা পূরণ করতে পারবেন বলে বিশ্বাস করেন চার্লস।

এই ক্লাবের সদস্য হলে তাকে তিন বছরের সদস্যপদ দেওয়া হয়। সদস্যদের লক্ষ্য হল ছয়টি ভিন্ন ধরনের পুঁজিতে সম্পদ অর্জন করা: আর্থিক, বৌদ্ধিক, আধ্যাত্মিক, মানবিক, মানসিক এবং সামাজিক।

আর-৩৬০ ক্লাবের ব্যবস্থাপনা অংশীদারদের একজন ৬১ বছর বয়সী মাইকেল কোল। তিনি বলেন, যখন কারো ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি সম্পদ থাকে, তখন তাদের সমস্যাগুলো তাদের স্তরের যারা নয় তাদের চেয়েও বেশি থাকে।

আরও পড়ুন:

মূল পর্ব শুরুর আগেই দল ছাড়লেন জয়াবর্ধনে

আগামী মাসেই ফেসবুকের প্রতিদ্বন্দ্বী নিয়ে আসছেন ট্রাম্প

মার্কিন ড্রোন হামলায় আল কায়েদার শীর্ষ নেতা নিহত

জাপানী নারীদের দীর্ঘ যৌবনলাভের গোপন রহস্য


তিনি আরও বলেন, তারা তাদের সাফল্য অর্জন করেছে। এখন তারা নিজেদের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমন, নিজের জন্য, নিজের পরিবারের জন্য, সমাজের জন্য প্রভাব ফেলে এমন বিষয়ে মনোযোগ দিতে পারে।

এর আগেও চার্লস গারসিয়া নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে স্টারলিং ফাইনান্সিয়াল ইনভেস্টমেন্ট গ্রুপ নামে একটি গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। 

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

জাপানী নারীদের দীর্ঘ যৌবনলাভের গোপন রহস্য

অনলাইন ডেস্ক

জাপানী নারীদের দীর্ঘ যৌবনলাভের গোপন রহস্য

চারটি বড় ও গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপের সঙ্গে প্রায় ৬ হাজার ছোট ছোট দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে ছোট্ট একটি দেশ জাপান। সহজ, সরল ও অনাড়ম্বর জীবনযাপনের জন্য জাপানের অধিবাসীরা সারা বিশ্বে সুপরিচিত। সেই সঙ্গে পরিচিত সদা যৌবনময়ী হাসিখুশি, প্রাণবন্ত ও সুঠাম জাপানি নারীরাও। এর সবচেয়ে বড় কারণ জাপানের সংস্কৃতি ও তাদের বেছে নেয়া জীবনযাপনের ধরণ।

সৌন্দর্যের বিষয়টি আপেক্ষিক হলেও জাপানী নারীদের দেখে যে তাদের বয়স অনুমান করা যায় না, তা সকলেই মানেন। কিন্তু এর পেছনে রহস্য কী? অনেক সময় তাদেরকে স্বাস্থ্য ধরে রাখার বিষয়ে সরাসরি প্রশ্ন করলে তারা হয়তো শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকবে। কারণ এর জন্য তাদেরকে আলাদা কিছু করতে হয় না। দীর্ঘ জীবন ও সুস্বাস্থ্যের রহস্য লুকিয়ে আছে তাদের জীবনাচরণের মধ্যেই।

দেখে নেয়া যাক জাপানী নারীদের সৌন্দর্য ও সুস্বাস্থ্যের গোপন রহস্য-

১. সবুজ চা পান করা

গ্রীন টি বা সবুজ চা বিশ্বের সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর পানীয় হিসেবে পরিচিত। এটি ৮ম শতাব্দী থেকেই চীনে পান করা হয়ে থাকে। বিভিন্ন ভেষজ রোগের চিকিৎসায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গ্রীন টি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। 

ভারতীয় সংস্কৃতিতে এটি রক্তপাত বন্ধে ও ক্ষত সারানোর কাজে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া এটি মানসিক স্বাস্থ্য ও হৃদযন্ত্র ভালো রাখে। এটি শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখে। গ্রীন টি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও পুষ্টিতে ভরপুর একটি পানীয়।

এছাড়া গ্রীন টিতে রয়েছে ক্যাফেইন এবং অ্যামাইনো এসিড এল-থেনাইন, এই দুটি উপাদানের সংমিশ্রণ একসঙ্গে মস্তিষ্কের গঠনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। নিয়মিত গ্রীন টি পান করলে স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এবং আলঝেইমার রোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়। 

গ্রীন টি থেকে সর্বোচ্চ উপকার পেতে দিনে ২ থেকে ৩ কাপ গ্রীন টি পান করা উচিত।

২. ফারমেন্টেড খাবার গ্রহণ

ফারমেন্টেড খাবার গ্রহণের প্রক্রিয়া দেখতে ভালো না লাগলে বা শুনতে খুব ভালো না শোনালেও এর কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। ফারমেন্টেশন বা গাঁজানো প্রক্রিয়াটি ব্যাকটেরিয়া বা ইস্টকে সুগার বা স্টার্চ খাওয়ানোর একটি প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে খাদ্যে উপকারী এনজাইম, বি-ভিটামিন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড এবং প্রোবায়োটিক ইত্যাদি উপাদান নষ্ট হয় না।

পরিচিত ফারমেন্টেড খাবারের মধ্যে রয়েছে সাওয়ারক্রাউট, কিমচি, দই, আচার এবং মিসো সুপ। পানীয়ের মধ্যে রয়েছে কম্বুচা, কেফির ইত্যাদি।

৩. সামুদ্রিক খাবার

দ্বীপরাষ্ট্র হওয়ায় জাপানে সামুদ্রিক খাবারের কোন অভাব নেই। দেশটির খাবার টেবিলে অহরহই দেখতে পাওয়া যায় স্কুইড, মাছ, অক্টোপাস, ঈল কিংবা শেলফিশ। এছাড়া জাপানি খাবার সুশি, সালাদ, কারি এবং টেম্পুরাতেও সামুদ্রিক খাবার ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে। কখনো গ্রীল, আবার কখনো জাপানী নিজস্ব ভাত ও মিসো সুপের সঙ্গে দেখতে পাওয়া যায় সামুদ্রিক খাবার।

সামুদ্রিক খাবার প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড ইত্যাদিতে পরিপূর্ণ থাকে। কাজেই খাবারের টেবিলে এসব খাবারের উপস্থিতি একটি শক্তিশালী হৃদযন্ত্রের নিশ্চয়তা দেয়।

৪. স্বল্প আহারের অভ্যাস

জাপানী সংস্কৃতিতে 'ইচিজু-সানসাই' বা 'ওয়ান স্যুপ, থ্রি সাইডস' নামে একটি কথা প্রচলিত আছে যা খাবারের সময় মেনে চলা হয়। সাধারনত একবেলার জাপানি খাবারে সামান্য ভাত বা নুডলস থাকে, এরসঙ্গে প্রধান খাবার হিসেবে থাকে মাছ, মুরগী, শূকরের মাংস বা গরুর মাংস। এর সঙ্গে 'সাইড ডিশ' হিসেবে থাকে আচার দেওয়া সবজি এবং মিসো স্যুপ। 

প্রথমে শুনতে এটাকে অনেক বেশি খাবার মনে হলেও প্রতিটি খাবারই থাকে সামান্য পরিমাণে। ফলে প্রতি বেলায় শরীরে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের সমন্বয় ঘটে। এছাড়া জাপানি আদবকায়দা অনুযায়ী, প্রতিটি খাবারই থাকে আলাদা আলাদা পাত্রে যেন একটার সঙ্গে আরেকটি খাবারের স্বাদ মিশে না যায়। ফলে প্রত্যেকে কতোটুকু খাবার গ্রহণ করছে তা সে সহজেই বুঝতে পারে।

আরও পড়ুন:

পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা কে এই ইকবাল?

আগামী মাসেই ফেসবুকের প্রতিদ্বন্দ্বী নিয়ে আসছেন ট্রাম্প

পূজামণ্ডপে কোরআন শরিফ রেখে গদা নিয়ে যায় ইকবাল

মানবদেহে প্রতিস্থাপিত হল শূকরের কিডনী


৫. চলতি পথে খাবার নয়

খাবার গ্রহণকে জাপানে প্রায় উপাসনার পর্যায়ে দেখা হয়। ফলে ব্যস্ততার অজুহাত দিয়ে চলার পথে বা হাঁটতে চলতে তারা কখনোই খাবার গ্রহণ করে না। আর দিনের মাঝে যত ব্যস্ততাই থাকুক, খাবার গ্রহণের সময়টা তারা খুবই মনোযোগ দিয়ে নিয়ম মেনে খাবার গ্রহণ করে। 

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

ভুবন চিল নামেই বেশি পরিচিত, পৃথিবী জুড়েই এদের বসবাস

আব্দুল লতিফ লিটু, ঠাকুরগাঁও

ভুবন চিল নামেই বেশি পরিচিত, পৃথিবী জুড়েই এদের বসবাস

ছবি: রেজাউল হাফিজ রাহী, ছবিটি তোলা হয়েছে মহিপুরব্রীজ, গংগাচড়া, রংপুর

চিল নামেই এই পাখিকে আমরা চিনি তবে এই পাখির আরো কিছু বাংলা নাম আছে যেমন, ভুবন চিল, বাদামি চিল, গোদা চিল, ডোম চিল, চিলা। আর এই পাখিকে ইংরেজিতে বলা হয় ব্লাক কাইট/Black Kite এবং বৈজ্ঞানিক নাম Milvus migrans

অনেক উপরে আকাশে কোন পাখি উড়তে দেখলেই আমরা ভাবি এটা চিল। তবে এই চিল পাখির অনেক প্রজাতি আছে আমাদের দেশে। শুধু দুই মেরু আর দুই আমেরিকা মহাদেশ বাদে প্রায় পুরো পৃথিবী জুড়ে এদের দেখা পাওয়া যায়।

তবে বিগত কয়েক বছরে এই চিল এর সংখ্যা কি হারে কমছে বা বাড়ছে সে সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায়নি। এখনো এরা সন্তোষজনক সংখ্যায় রয়েছে। সে কারণে আইইউসিএন এই প্রজাতিটিকে নূন্যতম বিপদগ্রস্থ বলে ঘোষণা করেছে। পৃথিবীতে মোট ভুবন চিলের সংখ্যা আনুমানিক ১০ লক্ষ থেকে ৬০ লক্ষটি বলে বার্ডলাইফ ইন্টারন্যাশনাল উল্লেখ করেছে।

খোলা বিস্তীর্ণ এলাকা ভুবন চিলের প্রিয় এলাকা। এছাড়া ঘন বন, পাতলা বন, পার্বত্য অঞ্চল, নদীর পাড়, বেলাভূমি, বন প্রান্ত, ঘাসবন, সাভানা প্রভৃতি অঞ্চলে দেখা যায় এদেরকে। মাঝে মাঝে বড় বড় বন্দর, শহরাঞ্চল ও গ্রামাঞ্চলেও দেখা যায়। Govinda উপ-প্রজাতিটি নগর এলাকায় বেশি দেখা যায়। lineatus উপ-প্রজাতি আর্দ্র ও জনহীন এলাকায় ঘুরে বেড়ায়। বড় বড় গাছে এরা দলবদ্ধভাবে রাত কাটায়। ভোরে সূর্য উঠলে এরা দল বেঁধে আকাশে ওড়ে আর অনেক্ষণ ঝাঁক বেঁধে চক্রাকারে উড়ে বেড়ায়। তারপর খাদ্যের সন্ধানে বিভক্ত হয়ে যায়। সন্ধ্যা বেলায় এরা তাদের আবাসে ফিরে আসে এবং পুনরায় ভোর বেলার মত চক্রাকারে কিছুক্ষণ ওড়ে। তারপর গাছে এসে বসে পড়ে।

শীতে বিপুলসংখ্যক পরিযায়ী ভুবন চিল এসে বাংলাদেশে আবাসিক পাখির দলে যোগ দেয়। ভুবন চিল সুযোগসন্ধানী খাদক। এর খাদ্যতালিকা বেশ বিশাল। এর খাদ্যতালিকা স্থানীয় খাদ্যের যোগানের উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। পানির আশেপাশে আবাস হলে মাছই এদের প্রধান শিকার হয়। অনেকসময় এরা মৃত বা রুগ্ন মাছও খায়। আহত, মৃত বা অপ্রাপ্তবয়স্ক পাখি, স্থন্যপায়ী, ব্যাঙ, সরিসৃপ ও পোকামাকড়ও খায়। অন্য ভুবন চিল, পাখি বা প্রাণীর কাছ থেকে এরা খাবার ছিনিয়ে খায়। গ্রামে হাঁস-মুরগির ছানা ছিনতাই করতে এরা ওস্তাদ। বর্জ্যভূক পাখি হিসেবে কসাইখানা, বর্জ্যস্থুপ, ময়লাপোঁতা, মাছবাজার ও পোতাশ্রয়ে ওরা উচ্ছিষ্ট ও বর্জ্য খায়। প্রায়ই শকুনের সাথে মিলে উচ্ছিষ্ট বা পশুর মৃতদেহ খায়।

খাদ্যের সন্ধানে এরা আকাশে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অলস ভঙ্গিমায় চক্কর কেটে বেড়ায়। এরা খুব কমই ডানা ঝাপটায়। ডানার তুলনায় শরীর হালকা হওয়ায় এরা অনেক্ষণ ডানা না ঝাপটে ভেসে বেড়াতে পারে। নৌকার হালের মতো লেজ ব্যবহার করে ঝটপট দিক বদল করতে পারে। উড়তে পারে বাতাসের প্রতিক‚লেও। খাদ্যের সন্ধান পেলে এরা ডানা গুটিয়ে ফেলে ও ঝাঁপ দিয়ে শিকার ধরে।

আরও পড়ুন


রাজধানীর মুগদা হাসপাতালের আগুন নিয়ন্ত্রণে

একটি অশুভ মহল জনগণকে বিভ্রান্ত করতে গুজব ছড়াচ্ছে: ওবায়দুল কাদের

মাদককাণ্ড: শাহরুখ খানের বাড়ি ‘মান্নাতে’ এনসিবি’র অভিযান

আপত্তিকর অবস্থায় প্রেমিকার সঙ্গে ধরা শিক্ষক, প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে বিয়ে


মার্চ থেকে মে ভুবন চিলের প্রধান প্রজনন ঋতু। এ সময় পুরুষ চিল আকাশে চক্রাকারে উড়তে থাকে এবং হঠাৎ ঝাঁপ দিয়ে ডালে বসে থাকা স্ত্রী চিলের পিঠে এসে নামে। স্থানভেদে প্রজনন মৌসুমে বিভিন্নতা দেখা যায়।

উঁচু গাছে কাঠি, ডালপালা ও কাঠি দিয়ে এলোমেলো মাচার মত বাসা বানায়। উঁচু দালানে পানির ট্যাঙ্কেও বাসা করতে পারে। বাসায় নষ্ট কাগজ, পাখির পালক, ছেঁড়া কাপড়, শুকনো গোবর, কাদা, উজ্জ্বল প্লাস্টিকের বস্তুও থাকে। বাসার উচ্চতা ভূমি থেকে ৫ মিটার থেকে ৩০ মিটার পর্যন্ত হয়। বাসা বানানো হয়ে গেলে ২-৪টি ডিম পাড়ে। ডিমের রঙ পাটল-সাদা। ডিমের মাপ ৫.৩ দ্ধ ৪.৩ সেন্টিমিটার। ৩০ থেকে ৩৪ দিনে ডিম ফুটে ছানা বের হয়। ছানারা প্রায় দুই মাস বাসায় থাকে। স্ত্রী ও পুরুষ উভয় চিলই বাসা বানায়, ডিমে তা দেয় ও সন্তান লালন-পালনের ভার নেয়। দুই বছর বয়সে ছানারা প্রজননক্ষম হয়।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

হারিয়ে যাচ্ছে ডেড সী, সাগরতীরে ২০০ নারী-পুরুষের নগ্ন ফটোশ্যুট (ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক

হারিয়ে যাচ্ছে ডেড সী, সাগরতীরে ২০০ নারী-পুরুষের নগ্ন ফটোশ্যুট (ভিডিও)

নাটকীয়ভাবে ইসরাইলের মৃত সাগরের (Dead Sea) উপকূল হারিয়ে যেতে থাকায় সচেতনতা সৃষ্টিতে একটি নগ্ন ফটোশ্যুটে প্রায় ২০০ জন অংশ নিয়েছেন। মার্কিন ফটোগ্রাফার স্পেন্সার টিউনিকের একটি প্রকল্পের অংশ হিসেবে এ ফটোশ্যুটে অংশ নেন তারা। খবর বিবিসির।

স্পেন্সার টিউনিক পরিবেশগত পরিবর্তনকে তুলে ধরার জন্য বিশ্বব্যাপী বেশ পরিচিত একজন ফটোগ্রাফার। জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করেন স্পেন্সার। বিশেষ করে চলমান পরিবেশগত সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে চান বলে বিবিসিকে জানান তিনি।

তিনি বলেন, "২০১১ সালে ডেড সীতেই আমার প্রথম কাজটা করি। মিনারেল বিচ নামে যে উপকূলে আমি কাজটা করেছিলাম সেটি এখন আর নেই। এটি বিশালাকার সিঙ্কহোলের (sinkhole) কারণে ধ্বংস হয়ে গেছে। সিঙ্কহোলগুলো বাস্কেটবল কোর্টের মতো বড়। এটা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।"

ডেড সী পৃথিবীর সবচেয়ে নিচু জায়গায় অবস্থিত। এর উপকূলে রয়েছে জর্ডান, ইসরাইল ও এর অধিকৃত পশ্চিম তীর।

স্পেন্সার বলেন, ডেড সী হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং এটা খুবই দ্রুত ঘটছে। 

ফটোশ্যুটে অংশগ্রহণকারী ২০০ জনের শরীরে সাদা রঙ করা হয়। এগুলো ডেড সীতে অবস্থিত সামুদ্রিক লবণের কলামের মতো করে আঁকা হয়েছে।

তিনি বলেন, নগ্ন ব্যক্তি খুবই শক্তিশালী একটি সত্তা। এটি মানুষের দুর্বলতা ও ভঙ্গুরতাকে প্রকাশ করে। এটি একটি শক্তিশালী বার্তা দিতে পারে। আমরা পরিবেশ থেকে শুরু করে রোগ, সুপেয় পানি সবকিছুর দ্বারাই প্রভাবিত।

আরও পড়ুন:

মেয়াদ-বেতন দুটোই বাড়ছে টাইগার কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর

পরের দুই ম্যাচ জিতলেও মূল পর্ব অনিশ্চিত টাইগারদের

নবীর ভবিষ্যদ্বাণী, বৃষ্টির মতো বিপদ নেমে আসবে

ডেলিভারি বয় থেকে বিশ্বকাপে অঘটনের নায়ক


তবে এই ফটোশ্যুটে স্থানীয় ইহুদী জনগোষ্ঠীর কিছু ব্যক্তি আপত্তি জানায়। এর আগেই স্পেন্সার ছবি তুলতে গিয়ে এমন আপত্তির মুখে পড়েছিলেন। এমনকি তার চিত্রকর্ম নিষিদ্ধের দাবিতে আদালতে বিল উত্থাপন করা হয়।

এর জবাবে তিনি বিবিসিকে বলেন, আমাকে থামানোর জন্য বিল উত্থাপন করা হয়েছে। এটা আমার জন্য একটি সম্মান। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি এমন একটি বিল থাকা উচিত যেখানে আমার কাজে অংশ নেয়ার জন্য আপনাকে জীবনে অন্তত একবার নগ্ন হওয়া প্রয়োজন।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর