ধামাকা শপিং মালিকের বিরুদ্ধ মামলা : ১১৭ কোটি টাকা পাচারের প্রমাণ পেয়েছে সিআইডি
ধামাকা শপিং মালিকের বিরুদ্ধ মামলা : ১১৭ কোটি টাকা পাচারের প্রমাণ পেয়েছে সিআইডি

ধামাকা শপিং মালিকের বিরুদ্ধ মামলা : ১১৭ কোটি টাকা পাচারের প্রমাণ পেয়েছে সিআইডি

অনলাইন ডেস্ক

ইনভেরিয়েন্ট টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেডের নামে নিবন্ধন ও ট্রেড লাইসেন্স নিয়েছিলেন এস এম ডি জসীম উদ্দিন চিশতী নামের এক ব্যক্তি। পরে ই–কমার্স ‘ধামাকা’ শপিং নামের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভিন্ন পণ্যের লোভনীয় অফার ও ভার্চ্যুয়াল সিগনেচার কার্ড বিক্রির প্রলোভন দিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে ৮০৩ কোটি টাকা আদায় করেন। সেখান থেকে তিনি ও তার প্রতিষ্ঠানের অন্যরা ১১৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকা অন্য প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসেবে স্থানান্তর করে মানি লন্ডারিং আইনে অপরাধ করেছেন বলে তথ্য পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

এ অভিযোগে ইনভেরিয়েন্ট টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেডের মালিক জসীম উদ্দিন চিশতিসহ তার স্ত্রী ও তিন সন্তান ও ধামাকা শপিংয়ের এক পরিচালক এবং চারটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে সিআইডি।

সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইমের বিশেষ পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবির আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনিবলেন, ই–কমার্স ধামাকার বিরুদ্ধে প্রথমে অনুসন্ধান করে সিআইডি। পরে প্রতিষ্ঠানটির মালিকদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের তথ্য পাওয়ার পর তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। তিনি বলেন, তদন্তের পর্যায়ে মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করা হবে।

মামলার আসামি যারা
মামলায় আসামিরা হলেন- ধামাকা শপিংয়ের ও ইনভেরিয়েন্ট টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএস জসিম উদ্দিন চিশতি, তার স্ত্রী ও ইনভেরিয়েন্ট টেলিকমের পরিচালক সাইদা রোকসানা খানম, তার সন্তান ও ইনভেরিয়েন্ট টেকনোলজিসের চেয়্যারম্যান তাসরিফ রিদয়ান চিশতি, ইনভেরিয়েন্ট টেকনোলজিসের পরিচালক মাসফিক রিদয়ান চিশতি, ইনভেরিয়েন্ট টেকনোলজিসের এমডি নাজিমুদ্দিন আসিফ এবং ধামাকা শপিং ও ইনভেরিয়েন্ট টেলিকমের পরিচালক সাফওয়ান আহমেদ। এছাড়াও মামলায় ইনভেরিয়েন্ট টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেড, মাইক্রো ট্রেড, ইনভেরিয়েন্ট টেকনোলজিস লিমিটেড ও মাইক্রো ট্রেড ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডকেও আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবসমূহের জমা ও উত্তোলন স্লিপ এবং দেশের বাইরে সম্পদের তথ্য পাওয়া গেলে পাচারকৃত অর্থ ও সম্পদের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

এজাহার সূত্রে জানায়, ধামাকা শপিং প্রায় ৫ লাখ গ্রাহকের কাছ থেকে বিভিন্ন লোভনীয় অফারে পণ্য দেওয়ার নামে ৮০৩.৫১ কোটি টাকা গ্রহণ করে। শুরুতে কিছু গ্রাহককে পণ্য দিলেও পরবর্তীতে আর কাউকেই পণ্য না দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেছে ধামাকা শপিং।

শুধু তাই-ই নয়, ধামাকা শপিং পণ্য সরবরাহকারী ৬০০ প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ২০০ কোটি টাকার পণ্য নিলেও এপর্যন্ত কোনো টাকা পরিশোধ করেনি।

উল্লেখ্য, ধামাকা শপিংয়ের এমডি জসিম উদ্দিন চিশতি, তার স্ত্রী ও সন্তান গত জুলাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আছেন। তাদের দ্বৈত নাগরিকত্ব রয়েছে। কেবলমাত্র ধামাকা শপিংয়ের পরিচালক (অপারেশন) সাফওয়ান আহমেদ দেশে অবস্থান করছে। এই পাচারের একটি অংশ চিশতি পরিবার যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গেছে বলেও তদন্ত জানতে পেরেছে সিআইডি।


বিয়ে ছাড়াই আবারও মা হচ্ছেন কাইলি জেনার

বলিউড পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের প্রস্তাবে মিমের না!

দেশমাতা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন


ধামাকা শপিংয়ের বিষয়ে গত ৩০ জুন থেকে অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে ই-কমার্সের নামে বিভিন্ন পণ্যের লোভনীয় অফার ও ভার্চুয়াল সিগনেচার কার্ড বিক্রি করে অর্থ পাচারের অনুসন্ধানে নামে সিআইডি।

দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের তথ্য পাওয়ায় গতকাল বৃহস্পতিবার সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আল আমিন হোসেন বনানী থানায় অর্থপাচার আইনে মামলা করেছেন।

news24bd.tv/আলী