নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডকে মেটাল শার্ক ও ডিফেন্ডার টহল বোট উপহার যুক্তরাষ্ট্রের

অনলাইন ডেস্ক

নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডকে মেটাল শার্ক ও ডিফেন্ডার টহল বোট উপহার যুক্তরাষ্ট্রের

বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের কাছে ২০টি নৌযান উপহার দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের ঢাকা দূতাবাস থেকে দেয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উপহারের এ তথ্য জানানো হয়।

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সহকারী নৌবাহিনী প্রধান (অপারেশনস) রিয়ার অ্যাডমিরাল এম. আশরাফুল হক এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল আশরাফ হক চৌধুরীর উপস্থিতিতে এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব হস্তান্তর করেন।

দূতাবাস থেকে পাঠানো ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডকে ১০টি ৩৮ ফুট বা ১১ মিটার দৈর্ঘ্যের ডিফিয়ান্ট ক্লাস মেটাল শার্ক বোট এবং ১০টি ২৫ ফুট বা ৮ মিটার দৈর্ঘ্যের ডিফেন্ডার ক্লাস বোট উপহার দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং কোস্ট গার্ডের সামুদ্রিক নিরাপত্তা অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলাদেশে উপকূলীয় এলাকা ও বাংলাদেশের আওতাধীন সামুদ্রিক অর্থনৈতিক অঞ্চলে নজরদারি, টহল ও হুমকি মোকাবেলার সামর্থ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই মেটাল শার্ক ও ডিফেন্ডার নৌযানগুলো উপহার দিয়েছে।

আরও পড়ুন


ম্যাচ জিতেও অঝোরে কাঁদলেন মেসি

নিষ্ক্রিয়দের কমিটিতে স্থান না দিয়ে যোগ্যদের মূল্যায়ন করতে চায় বিএনপি

শেষ ম্যাচে মাঠে নামছে বাংলাদেশ, থাকছে একাধিক পরিবর্তন

খুলনা-রাজশাহী মহাসড়কের কুষ্টিয়া অংশের বেহাল দশা


এই ২০টি বোট বাংলাদেশ কোস্টগার্ড এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর স্পেশাল অপারেশনস ফোর্সের অধীন স্পেশাল ওয়ারফেয়ার ডাইভিং অ্যান্ড স্যালভেজ ইউনিটের সামুদ্রিক বাধা মোকাবেলা ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাব উন্নত ও জোরদার করবে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নাবিকদের - তাদের বাহিনীতে নতুন সংযোজিত আইন প্রয়োগ ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ - নতুন এই সামরিক সরঞ্জামগুলো ব্যবহার ও কাজে লাগানোর উপায় সম্পর্কিত প্রশিক্ষণের জন্য আগামীতে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ যৌথ মহড়া পরিচালনা করবে।

রাষ্ট্রদূত মিলার বলেন, "এই বোটগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে চলমান দীর্ঘকালের ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা সহযোগিতার ইতিহাসে আরেকটি বড় উদাহরণ।"

এই উপহারের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা ও বঙ্গোপসাগরে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ও সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করল।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ধীরে ধীরে কমছে ডেঙ্গুর প্রকোপ

আরেফিন শাকিল

ধীরে ধীরে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমছে। গেলো তিনদিনে হাসপাতালে রোগী ভর্তির সংখ্যা ক্রমান্বয়ে কমেছে। এক সপ্তাহ আগের তিনশো ছুঁইছুঁই রোগীর সংখ্যা এখন দুইশো ত্রিশের নিচে। 

চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গু রোগী কমতে থাকলেও এখন বাড়ছে নিউমোনিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা। কিটতত্ত্ববিদরা বলছেন, রোগী কমলেও সেপ্টেম্বরের শেষ পযন্ত ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব থাকবে কিছুটা। 

চলতি সপ্তাহের শুরুতে তিনশো ছুই ছুই ছিলো সারাদেশে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির সংখ্যা। সোমবার ২৭৫জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তির হ্ওয়ার তথ্য দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কিন্তু মঙ্গল আর বুধবার ক্রমান্বয়ে সেই সংখ্যা কমে দাড়িয়েছে ২২৯ এ।   

আরও পড়ুন:


ফুটবলে ক্যারিশমা দেখিয়ে অষ্টমবারের মতো গিনেস বুকে বাংলাদেশের ফয়সাল

ইসরায়েলের আয়রন ডোমের জন্য ১০০ কোটি ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র

বিশ্বব্যাপী স্থিতিশীল খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাত ঘণ্টা বৈঠক শেষ যা বললেন মির্জা ফখরুল!


এবছর ডেনভি-থ্রিতে আক্রান্ত হয় মানুষ। রোগীর তালিকায় সবচাইতে বেশি ছিলো শিশু। তবে সময় বাড়ার সাথে সাথে প্রাপ্ত বয়স্কদের হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যাটা্ও কম নয়। গায়ে জ্বর অনুভব হ্ওয়ার পরপরই বেশিরভাগ মানুষের শারীরিক পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটে।

হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের উপ-পরিচালক জানান, শীতের আগমন আর বৃষ্টিপাত কমতে থাকায় গেলো কয়েকদিন ধরে হাসপাতালে ডেঙ্গু শনাক্তের সংখ্যা কমতে শুরু করে। আগে দিনে পনেরোজন ভর্তি হলেও  এখন সংখ্যাটা ৬ কিংবা ৭।

কিটতত্ত্ববিদ কবীরুল বাশার বলেছেন, রোগী কমতে থাকলেও এখনো বিপদমুক্ত হয়নি দেশ। আর বৃষ্টি না হলেও আরো সপ্তাহখানিক থাকবে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব। 

চলতি বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে রোগী ভর্তির সংখ্যা ষোল হাজার পাঁচশ’র মতো। এর মধ্যে সবচাইতে বেশি রোগী মেলে আগষ্ট মাসে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু কমলেও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে নিউমোনিয়া।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

বিশ্বব্যাপী স্থিতিশীল খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বব্যাপী স্থিতিশীল খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার জন্য অধিক খাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী একটি ‘স্থিতিশীল খাদ্য ব্যবস্থা’ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে পাঁচ দফা সুপারিশ পেশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ‘জাতিসংঘ ফুড সিস্টেমস সামিট ২০২১’ এ ভার্চুয়াল যোগদান করে এ সুপারিশ উত্থাপন করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পর্যাপ্ত খাবার পাওয়ার অধিকার একটি মৌলিক অধিকার, যা সকল নাগরিকের কল্যাণ ও স্বাস্থ্যের সাথে যুক্ত এবং বৈশ্বিক ব্যবস্থার সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও পরিবেশগত প্রভাব রয়েছে।’

পূর্ব-রেকর্ডকৃত বক্তৃতায় ‘২০৫০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক জনসংখ্যা ১০ বিলিয়ন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই অতিরিক্ত জনসংখ্যার জন্য আরও খাদ্য উৎপাদন করা অপরিহার্য।’

৭৬তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ)’র উচ্চ পর্যায়ের সপ্তাহে বক্তৃতাকালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, খাদ্য নিরাপত্তা জলবায়ু পরিবর্তনের আন্তঃসংযুক্ত।

শীর্ষ সম্মেলনে আয়োজনে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য জাতিসংঘ মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মহামারী পরবর্তী পুনরুদ্ধার এবং স্থিতিশীল খাদ্য ব্যবস্থার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে এই অনুষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধানে খাদ্য ও পর্যাপ্ত পুষ্টিকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

রও পড়ুন:

প্রেমের স্বীকৃতি না পেয়ে প্রেট্রোল ঢেলে আগুন দিলেন নারী!

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

শুক্রবার রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দর্শনীয় স্থান বন্ধ থাকবে

মাদাগাস্কারে গরু চুরি নিয়ে সংঘর্ষে ৪৬ জন নিহত


তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির হার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারকে ছাড়িয়ে গেছে। আমরা খাদ্য ঘাটতির দেশ থেকে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠেছি এবং আমরা দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য নিরাপত্তার জন্য কাজ করছি।’

তবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঘনঘন চরম আবহাওয়া-জনিত দুর্যোগ এই গতিবেগকে প্রভাবিত করছে।

শেখ হাসিনা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার বৈশ্বিক নেতা হিসেবে বাংলাদেশ জলবায়ু-সহিষ্ণু কৃষি ও খাদ্য ব্যবস্থা নিয়েও কাজ করছে।

তিনি বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তার পাশাপাশি আমরা সবার জন্য মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করতে আমাদের প্রচেষ্টা জোরদার করেছি।’ 

সূত্র : বাসস

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

ঢাকায় যানজটে দৈনিক নষ্ট ৩৭ হাজার কোটি টাকার কর্মঘণ্টা (ভিডিও)

ফখরুল ইসলাম

ঢাকায় গাড়ির গতি আর হাটার গতির গড় একই। গবেষণা বলছে, পিক আওয়ারে গাড়ির গতির গড় ঠেকেছে মাত্র ৫ কিলোমিটারে। বুয়েটের এক্সিডেন্ট রিসার্চ ইন্সটিটিউটের গবেষণায় যানজটে রাজধানীতেই প্রতিদিন নষ্ট হচ্ছে ৩৭ হাজার কোটি টাকার কর্মঘণ্টা। এর জন্য রাস্তার তুলনায় অতিরিক্ত গাড়ির চাপকেই দুষলেন বিশেষজ্ঞরা। বিআরটিএ বলছে, গেল ১ দশকে দেশে গাড়ি বেড়েছে ৩৩ লাখ। বিপরীতে নতুন রাস্তা বেড়েছে যৎসামাণ্যই।

বিশ্বের ১৪০টি রাজধানীর মধ্যে বসবাসযোগ্যতার বিচারে ঢাকার অবস্থান ১৩৭তম।দ্যা ইকোনোমিস্টের  সাম্প্রতিক জরিপে উঠে আসে এমনই তথ্য । ঢাকার এই তলানীতে অবস্থানের অন্যতম কারণ দুঃসহ যানজট। 

বুয়েটের এক্সিডেন্ট রিসার্চ ইন্সটিটিউটের গবেষণা বলছে এক দশক আগে ঢাকায় গাড়ির গতি ছিলো ২১ কিলোমিটার। তা নেমে গড়ে এখন ৫ কিলোমিটার। রাস্তা যা আছে বিপরীতে উদ্বেগজনকহারে বাড়ছে গাড়ির সংখ্যা। বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি বলছে গত এক দশকে দেশে গাড়ি বেড়েছে ৩৩ লাখের বেশি। ঢাকাতেই ১১ লাখ বেড়ে ছোটবড় মিলিয়ে গাড়ির সংখ্যা্ প্রায় ১৭ লাখ। এরমধ্যে সারাদেশে ব্যাক্তিগত সাড়ে ৪ লাখ গাড়ির ৪ লাখই চলে ঢাকায়।

আরও পড়ুন:

অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


 

যাত্রী ভোগান্তি নিরসনে দশকের পর দশক কার্যকর গণপরিবহণ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা নেয়া হলেও অদৃশ্য কারণে বরাবরই ভেস্তে যাচ্ছে সে উদ্যোগ।  তবে রাজধানী জুড়ে নির্মিত বেশ কয়েকটি ফ্লাইওভার, নির্মাণাধীন এলিভেটেডে এক্সপ্রেসওয়ে ও মেট্রোরেল এর কাজ অচিরেই শেষ হলে, যানজট নিসরসনে আশার আলো দেখছে রাজধানীবাসী। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ই-অরেঞ্জের গ্রাহকদের পুলিশের লাঠিচার্জ (ভিডিও)

সুলতান আহমেদ

এবার ই-অরেঞ্জের গ্রাহকদের পেটালো পুলিশ। বুধবার মানববন্ধন শেষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিতে চাইলে প্রথমে পুলিশের বাধার মুখে পরে আন্দোলনরত গ্রাহকরা। পরে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়। কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে বলেও অভিযোগ গ্রাহকদের।

এদিকে ইভ্যালীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাসেলের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অন্যদিকে পরিকল্পনামন্ত্রীও বলছেন, এমন ঘটনায় কোনভাবেই দায় এড়াতে পারেনা সরকার। 

চটকদারি বিজ্ঞাপনের প্রলোভনে পরে বিনিয়োগ করে এখন রাজপথে ই-ভ্যালী, ই-অরেঞ্জের হাজার হাজার গ্রাহক। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিভিন্ন ব্যানার হাতে নিয়ে দলে দলে জড়ো হতে থাকে প্রেসক্লাব এলাকায়। এসময় ইভ্যালী, ই-অরেঞ্জের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবি করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় গ্রাহকদের। 

মানবন্ধন শেষে বাণিজ্যমন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিতে যেতেই পুলিশি বাধার মুখে পরে তারা। এসময় পুলিশের সাথে বাক বিতন্ডায় জড়ায় ভুক্তভোগীরা। পরে প্রেসক্লাব থেকে মৎস ভবনের দিকে যেতেই ঘটে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা। যেখানে আহত হয় অন্তত ১০ জন। এছাড়া বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারি গ্রেফতার হয়েছে বলেও অভিযোগ গ্রাহকদের। 

নামধারি ই-কমার্স কোম্পানিগুলোর দায় নিয়ে মঙ্গলবার পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দেয় অর্থমন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার নিউজটোয়েন্টিফোরকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, গ্রাহকদের ক্ষতির প্রথম দায়ভারটি সরকারের। 

এদিকে বৃহস্পতিবার ধানমন্ডি থানার প্রতারণার মামলায় সিএমএম আদালতে আনা হয় ইভ্যালীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাসেলকে। আদালত এসময় তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশনা দেন। 

পরবর্তী খবর

ই-কমার্সের প্রতারণা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ চান রাষ্ট্রপতি

অনলাইন ডেস্ক

ই-কমার্সের প্রতারণা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ চান রাষ্ট্রপতি

ই-কমার্সে প্রতারণা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ভোক্তা প্রতারণা বন্ধ করার কার্যকর উপায় বের করতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন। ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগেই তাদের জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিনি কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের একটি প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে কমিশনের ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন হস্তান্তর করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।

বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির উপ-প্রেস সচিব মুন্সী জালাল উদ্দিন প্রেস ব্রিফিং করেন। 

প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, সাম্প্রতিককালে ই-কমার্সে ভোক্তাদের প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি পত্রপত্রিকা ও অন্যান্য সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ায় রাষ্ট্রপতি দেশে দ্রুত প্রসারণশীল ই-কমার্স ব্যবস্থায় ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ই-কমার্স একটি সম্ভাবনাময় খাত। কিছু সংখ্যক লোকের কারণে এ খাতটি যেন শুরুতেই মুখ থুবড়ে না পড়ে সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক হতে হবে। এ খাতে প্রতারণাসহ ভোক্তার স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর বিষয়গুলো চিহ্নিত করে সেগুলো কঠোর হস্তে দমনের জন্য তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন:

অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


 

তিনি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক বাজার সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সব পদক্ষেপে ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি ভোক্তারা যেন যৌক্তিক মূল্যে ও প্রত্যাশিত সময়ে মানসম্মত পণ্য পায়- তা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা থাকতে হবে।

সাক্ষাৎকালে কমিশন চেয়ারম্যান মো. মফিজুল ইসলাম প্রতিবেদনের উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয়সহ কমিশনের চলমান কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতে আরও অংশ নেন বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ এবং কমিশনের সদস্য জি এম সালেহ উদ্দিন, ড. এ এফ এম মনজুর কাদির ও নাসরিন বেগম। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম এবং সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর