প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা

রাজশাহী-খুলনা মহাসড়কে কুষ্টিয়ার ৫০ কিলোমিটার পথের বেহাল দশা

জাহিদুজ্জামান:

দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগের জাতীয় মহাসড়কের কুষ্টিয়ার ৫০ কিলোমিটার অংশের প্রায় সবটুকুই বেহাল। কোথাও সড়কের পিচ তুলে গ্রাম্য মেঠো রাস্তার মতো ফেলে রাখা হয়েছে। 

কোথাও আবার খানা-খন্দ। কোন কোন জায়গায় সড়ক ভেঙে দেবে গেছে। সড়ক বিভাগ বলছে- অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ নিতে পারছে না এই সড়ক। চরম দুর্ভোগে পড়া যাত্রী ও চালকরা এই দু:সহ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি চান।

খুলনা থেকে রাজশাহী, জাতীয় মহাসড়ক। কুষ্টিয়া অংশে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আলামপুর পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার অংশে এভাবে পিচ তুলে ফেলে রাখা হয়েছে। দ্রুতগতিতে যান চলাচলতো দূরের কথা এটুকু পেরুতে যানবাহন চালকদের সড়কে যুদ্ধ করতে হচ্ছে।

বটতৈল ও ত্রিমোহনীতে বাইপাস রোডের মোড়ে সড়কে এরকম বড় বড় ক্ষত দেখা দিয়েছে। বামের লেন ছেড়ে বাস-ট্রাক নিতে হচ্ছে উল্টোপথে।

আর কুষ্টিয়া-ঈশ্বরদী অংশে কয়েক জায়গায় দেবে গেছে মহাসড়ক। পরিনত হয়েছে গ্রাম্য মাটির রাস্তায়। পুরো মহাসড়ক ধরেই ধীরগতিতে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন।

আগে অল্প টাকায় যেনতেন করা হয়েছিল এ মহাসড়ক। সেই তুলনায় বেড়েছে যানবাহনের চাপ। তাই এ অবস্থা- বলছে সড়ক বিভাগ। তবে, কাঙ্খিত অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় পুরোদমে কাজ করতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন ঠিকাদাররা।

আরও পড়ুন:


সংক্রমণ বাড়লে আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্কুল খোলার পর যেভাবে চলবে প্রাথমিকের ক্লাস!

রাজশাহী মেডিকেলে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮ জনের মৃত্যু

আজ চিত্রনায়িকা পপির জন্মদিন, কত বছরে পা রাখলেন?


NEWS24.TV / কেআই

পরবর্তী খবর

গুলশান-বনানী লেক ঘিরে বৃহৎ প্রকল্প অনুমোদনের পথে হাঁটছে ডিএনসিসি

তালুকদার বিপ্লব

গুলশান-বনানী লেক ঘিরে বৃহৎ প্রকল্প অনুমোদনের পথে হাঁটছে ডিএনসিসি

প্রশাসনিকভাবে বার বার নিষেধ করা সত্বেও গুলশান-বনানী লেকগুলোর সাথে পয়োবর্জ্যের সংযোগ বন্ধ করছেন না এই অভিজাত এলাকার কিছু বাড়ি মালিক। লেক পাড়ের বাসিন্দাদের অভিযোগ, এসব কারণেই গুলশান-বনানী লেক পরিণত হয়েছে নর্দমায়। এমন সমস্যার স্থায়ী সমাধান চায় সিটি কর্পোরেশন। জানা যায় এসব লেক ঘিরে বৃহৎপ্রকল্প অনুমোদনের পথে হাঁটছে ডিএনসিসি।  

চারদিকে ময়লা-আবর্জনা আবার কোথাও কুঁচকুঁচে কালো পানিতে ছড়াচ্ছে উৎকট গন্ধ। এক নজর দেখে এটাকে বড় কোন নর্দমা মনে হতেই পারে। কিন্তু এই চিত্র রাজধানীর গুলশান-বনানী লেকের।

অভিযোগ আছে এই অভিজাত এলাকার কিছু বাড়ি মালিক লেকের সাথে পয়ঃনিষ্কাশনের সংযোগ দিয়ে আসছে। এর ফলে দুর্গন্ধে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই লেক। লেক পরিস্কার রাখতে রাজউক এবং সিটি কপোরেশনের পক্ষ থেকে বহুবারই তদারকি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এতে কোন স্থায়ী প্রতিকার দেখছেন না বলে জানায় লেকপাড়ে ঘুরতে আসা মানুষেরা।

আরও পড়ুন


সুনামগঞ্জে চলছে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট

টেকনাফে অস্ত্রসহ মাদক কারবারি আটক

চীনকে ঠেকাতে অকাস চুক্তি তীব্র সমালোচনার মুখে

রাজধানীর পল্লবীতে অটোরিকশা চাঁদা আদায়ের রমরমা বাণিজ্য


তবে এমন সমস্যার স্থায়ী সমাধানে এবার ডিএনসিসির নানা উদ্যোগের কথা জানালেন স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর। 

এদিকে লেকে ময়লা-আবর্জনা আর মশার উপদ্রব থেকে বাঁচার উপায় হিসেবে এবার গুলশান-বনানী লেকে মাছ চাষের উদ্যেগ নিয়েছে স্থানীয় কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

দুর্ভোগের শেষ নেই বাসাবো কদমতলার বাসিন্দাদের

তালুকদার বিপ্লব

রাজধানীর পূর্ব বাসাবো কদমতলার বাসিন্দাদের দুর্ভোগের যেনো শেষ নেই। একদিকে জলাবদ্ধতা নিরসনে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি, অন্যদিকে তীব্র যানজটে নাকাল এ এলাকার মানুষ। 

এছাড়া বেশিরভাগ ফুটপাতই দখলদারদের দখলে, সড়কেও নেই কোন বাতি। দীর্ঘদিন ধরে চলমান এমন নানা অব্যবস্থাপনার জন্য সিটি কপোরেশনের উদাসীনতাকে দুষছেন ভুক্তভোগীরা। 

রাস্তায় ছোট বড় গর্ত সাথে যানজট বাড়িয়েছে মানুষের দুর্ভোগ। এমন চিত্র ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৫ নম্বর ওয়াড পূর্ব বাসাবো কদমতলা বৈদ্যমন্দির থেকে কালিমন্দির পর্যন্ত সড়কের।

অভিযোগ আছে ওয়ার্ডের বেশিরভাগ সড়কে কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই। সামান্য বৃষ্টিতে তৈরি হয় জলাবদ্ধতা। এছাড়া রাস্তায় সড়ক বাতি আছে কিন্তু বেশিরভাগই অকেজো। রাতের বেলা চলতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে নানা দুর্ঘটনা।

এছাড়া অবৈধ অটো রিকশা আর সিএনজি দৌরাত্ম্যে দিনরাত যানজট লেগেই থাকে এই সড়কে।

তবে এবার শুধু প্রতিশ্রুতি নয় সমস্যা সমাধানে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানান স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর।

এদিকে রাস্তা সংষ্কার এবং দখলমুক্ত রাখতে ডিএসসিসি মেয়রের হস্তক্ষেপ চাইলেন ভুক্তভোগীরা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরের রাজৈরে নদীগর্ভে বিলীন পাকা সড়ক

বেলাল রিজভী, মাদারীপুর

মাদারীপুরের রাজৈরে নদীগর্ভে বিলীন পাকা সড়ক

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট-কালীবাড়ী ফিডার সড়কের একাংশ কুমার নদে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙ্গন প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলে পাশের বিলের কয়েকশ হাজার একর জমির আমন ধান নষ্ট হয়ে যাবে। এছাড়াও যে কোনো মুহুর্তে সড়কটির পুরো অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে কয়েকটি ইউনিয়নের হাজারো মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাবে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে ভাঙন প্রতিরোধে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।

পানি উন্নন বোর্ড ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট-কালীবাড়ী ফিডার সড়কের গোয়ালবাথান নামক স্থানে প্রায় ৩০০ মিটার পাকা সড়কের একাংশ কুমার নদে বিলীন হয়ে গেছে। সড়কটি ব্যবহার করে এই অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ জেলা ও উপজেলা শহরে যাতায়ত করে। এছাড়াও সড়কটি কুমার নদের বেড়ি বাঁধ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ভাঙ্গন প্রতিরোধ করা না গেলে অল্প সময়ের মধ্যে পুরো সড়কটি নদে বিলীন হয়ে যেতে পারে। সড়কটি পুরো বিলীন হয়ে গেলে বিদ্যানন্দী বিলের হাজার হাজার একর জমির ধান নদের পানিতে তলিয়ে যাবে। দ্রুত ভাঙ্গন প্রতিরোধের দাবি স্থানীয়দের।

আরও পড়ুন:


চীনের ১৯ যুদ্ধবিমান ঢুকল তাইওয়ানে

গাজীপুরে তুরাগ ও বংশী নদীর পানি বৃদ্ধি

খিলগাঁও ও কেরানীগঞ্জ থেকে ফেনসিডিল-গাঁজা উদ্ধার

কারাভোগ শেষে ভারত ফিরল তিনজন


স্থানীয় বাসিন্দা শহর আলী বলেন, কুমার নদ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলণের ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এখনই এটা রোধ না করা হলে বিদ্যানন্দী মাঠের সকল ফসলী জমি নদের পানিতে ডুবে যাবে। আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে যাব।

ইউএনও মো. আনিসুজ্জামান জানান, পানি উন্নয়নবোর্ডের প্রকৌশলীর সাথে কথা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ভাঙ্গন রোধে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মাদারীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী পার্থ প্রতিম সাহা বলেন, বর্ষাকালে নদের ভাঙনে কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকে। এ ব্যাপারে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এছাড়াও মাদারীপুরে নদ-নদীর ভাঙ্গন রোধে বড় প্রকল্প পাঠানো হয়েছে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

রাজধানীর তেজগাওঁয়ে রাস্তা উন্নয়নের কাজে ধীরগতি, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ

তালুকদার বিপ্লব

রাজধানীর তেজগাওঁয়ে রাস্তা উন্নয়নের কাজে ধীরগতি, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ

রাজধানীর তেজগাওঁ শিল্প এলাকায় চলছে রাস্তা উন্নয়নের খোঁড়াখুড়ি। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। তাদের দাবি, দ্রুত কাজ শেষ করতে উদ্যোগ নিবে সিটি কর্পোরেশন। এদিকে, সিডিউল অনুযায়ি কাজ শেষ করা হবে বলে জানালেন ঢাকা উত্তর সিটি কপোরেশনের প্রকৌশল বিভাগ।

রাস্তায় জলাবদ্ধতা আর খানাখন্দ। নগরবাসির ভোগান্তি দূর করতে রাস্তা উন্নয়নে কয়েকটি প্রকল্প হাতে নেয় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা উত্তর সিটি কপোরেশনের ২৪ নম্বর ওয়ার্ড তেজগাওঁ শিল্প এলাকার বিভিন্ন সড়কে চলছে গভীর ড্রেন নির্মারসহ রাস্তা ও ফুটপাত মেরামতের কাজ।

জানা যায়, প্রকল্প এলাকার ভিতরে বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ফলে প্রতিদিন কয়েক লক্ষ মানুষকে এসব এলাকার রাস্তা ব্যবহার করে কর্মক্ষেত্রে যেতে হয়। অভিযোগ আছে, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাজে ধীর গতির কারণে চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়ছে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ। 

এদিকে, ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ বলছেন, একবার কাজ করলে যেন টানা ১৫ থেকে ২০ বছর রাস্তায় কাজ করতে না হয়।

আরও পড়ুন


বিএনপির ৪৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আজ

পাকিস্তানে মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হবে না

সালমান শাহের মৃত্যু রহস্য তদন্তে নতুন শুনানি ৩১ অক্টোবর

স্বামীর পর্ণোকাণ্ডে সম্পর্কের ভাঙন, সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ছাড়ছেন শিল্পা


চলাচলের ভোগান্তি দূর করতে ঠিকাদার দ্রুত কাজ শেষ করবেন এমন দাবি স্থানীয়দের। তবে নির্ধারিত সময়েই কাজ শেষের প্রতিশ্রুতি দিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশল বিভাগ।

এদিকে আগামী বর্ষা মৌসুমের আগে টেকসই রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণে সিটি কর্পোরশন মেয়র তদারকি করবেন এমন দাবি সড়ক ব্যবহারকারীদের।

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর

কুষ্টিয়া-হরিপুর সেতুর প্রতিরক্ষা বাঁধে আবার ভাঙন

জাহিদুজ্জামান, কুষ্টিয়া:

কুষ্টিয়া-হরিপুর সেতুর প্রতিরক্ষা বাঁধে আবার ভাঙন

সময়মতো ধস মেরামত না করায় একের পর এক ভাঙনের মুখে পড়ছে কুষ্টিয়া-হরিপুর সেতুর প্রতিরক্ষা বাঁধ। বুধবার রাতে আরেক দফায় ভেসে গেছে বাঁধের অন্তত ১৫ মিটার অংশ। 

এবার জনপদের দিকে ৫ থেকে ৭মিটার পাড়ও ভেঙ্গে গেছে। গত ১৫ আগস্ট ভোর বেলায় প্রতিরক্ষা বাধের ৪০ মিটার অংশের ব্লক বাঁধ ভেঙ্গে নদীতে চলে যায়। 

এরপর দেরীতে বালুর বস্তা ফেলা শুরু করায় ভাঙন নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি পানি উন্নয়ন বোর্ড। গত বছরের অক্টোবর মাসে বাঁধের এসব পয়েন্টের ব্লক ধসে যায়। এরপর পুরো শুষ্ক মৌসুমে তার মেরামত করতে পারেনি সেতু ও বাঁধের তত্ত্বাবধানকারী প্রতিষ্ঠান এলজিইডি। 

কুষ্টিয়া শহরের সঙ্গে হরিপুর ইউনিয়নকে যুক্ত করেছে শেখ রাসেল কুষ্টিয়া-হরিপুর সংযোগ সেতু। ২০১৭ সালে গড়াই নদীর ওপর শতকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সেতু উদ্বোধন করা হয়। 

গত ১৫ আগস্ট বড় আকারের ভাঙন দেখা দেয়ার পর দুই দিনেও প্রতিরোধের কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। ১৭ আগস্ট কিছু বালুর বস্তা ফেলে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এরপর বুধবার আরও বালুর বস্তা ফেলা হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ড দুই দিনে ১ হাজার ৬০০ বস্তা ফেলে। বুধবার বিকেলেও দুইটি ট্রলিতে করে এনে বস্তা ফেলতে দেখা গেছে। কিন্তু তা ছিল অপ্রতুল, পানির লেভেলের উপরে উঠতে পারেনি। 

অন্যদিকে প্রতিনিয়ত পানির চাপ বাড়তে থাকায় সন্ধ্যার পরে ভাঙনের দুই পাশ থেকে ব্লক বাঁধ ধসে নদীতে চলে যেতে থাকে। ভাঙন বড় হতে থাকে জনপদের দিকে। এরই মধ্যে মো. সামসুল ও মোজাম্মেলের দুটি বাড়ি নদীতে চলে গেছে। তীরবর্তী বাসিন্দারা তাদের বাড়ির অংশ খুলে ও মালামাল দ্রুত অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছে। তারা আতঙ্কে রাত কাটাচ্ছে। ভাঙনস্থলের ১২০ মিটারের মধ্যেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অবস্থান করছে। 

স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইসলাম বলেন, সব সময়ই অবহেলা করা হয়েছে। গত অক্টোবরে যখন ধস হয়েছিল। তখন তা ছোট ছিল। কিছু টাকা খরচ করে মেরামত করলেই ঝুকি কমে যেত। কিন্তু এরপর গত রোববার যখন বড় আকারের ভাঙন হলো তখনও বালুর বস্তা ফেলে প্রতিরোধে দেরী করা হলো। এভাবে অবহেলা করতে থাকলে এখানকার কোন বাড়িঘরই আর থাকবে না। সব নদীতে যাবে। 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো, আব্দুল হামিদ বলেছেন, পদ্মা এবং গড়াই উভয় নদীতেই পানি বাড়ছে।বিপদসীমার কাছে চলে এসেছে। তিনি বলেন, নদী ভাঙন ও বন্যা প্রতিরোধে উপযুক্ত উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। 

আরও পড়ুন:


ফজরের ওয়াক্তে ঘুম থেকে জেগে ওঠার আমল ও দোয়া

পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে পালাল ধর্ষণ মামলার দুই আসামি

আফগানিস্তান: পলাতক আশরাফ গনিকে আশ্রয় দিয়েছে আরব আমিরাত

বেগমগঞ্জে গৃহবধূকে ধর্ষণ মামলায় বাদীর স্বাক্ষ গ্রহণ


NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর