এহসান গ্রুপের চেয়ারম্যান সহযোগীসহ গ্রেপ্তার

শরীয়া ভিত্তিক ব্যবসার কথা বলে ১৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাত

মাসুদা লাবণী

সুদবিহীন, শরীয়া ভিত্তিক ব্যবসা পরিচালনার লোভ দেখিয়ে ৫৫ হাজার গ্রাহকের ১৭ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে শেষ রক্ষা হলোনা এহসান গ্রুপ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের। বৃহস্পতিবার রাতে গ্রাহকদের বিপুল পরিমান টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে অবশেষে চক্রের মূলহোতা রাগীবসহ দুজন গ্রেপ্তার হলেন র‌্যাবের হাতে। শুক্রবার রাজধানীর কাওরানবাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব জানায়, ২০০৮ সাল থেকে ১০ হাজার গ্রাহক নিয়ে সমবায় সমিতির নামে প্রতারণা করে আসছিলো এই চক্র। 

২০০৮ সালে ১০ হাজার গ্রাহক নিয়ে এহসান মাল্টি সমব্যায়ের নামে  সমিতি চালু করেছিলেন রাগিব আহসান। এরপর ধর্মীয় অনুভূতিকে পুঁজি করে গ্রাহকদের কাছ থেকে নেয়া কোটি কোটি টাকায় এহসান মাল্টি মিডিয়ার নামে ১৭ টি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এইসব প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সহজ সরল গ্রাহকদের নিয়ে জেলায় জেলায় গড়ে তোলেন।

প্রথমে সমবায় সমিতির মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে পরে শুরু করেন এমএলএম ব্যবসা। যেখানকার চেয়ারম্যান ছিলেন এই রাগিব আহসান। দীর্ঘ ১১ বছরে গ্রাহকের শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিলেও র‌্যাবের কাছে ১১০ কোটি টাকার তথ্য দেয় প্রতারক রাগিব আহসান।


বিয়ে ছাড়াই আবারও মা হচ্ছেন কাইলি জেনার

বলিউড পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের প্রস্তাবে মিমের না!

দেশমাতা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন


র‌্যাব জানায় ২০১৯ সাল থেকে সর্বস্বান্ত গ্রাহকরা টাকার জন্য দেশের বিভিন্ন জেলায় মানববন্ধন ও অভিযোগ করলে রাগিব আহসানকে ধরতে অভিযান শুরু হয়। র‌্যাব বলছে, গত এক দশকে অন্তত ৫৫ হাজার গ্রাহকের ১৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পেয়েছেন তারা।

গ্রেপ্তারকৃত রাগিব আহসানের নামে  অন্তত ১৫ টি মামলা রয়েছে৷ গ্রাহকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া অর্থ জঙ্গী কার্যক্রম, বা বিদেশে পাচার হয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে র‌্যাব।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

বিয়ের দিন সকালেই ধর্ষণের শিকার তরুণী, রাতে ভেঙে গেল বিয়ে!

অনলাইন ডেস্ক

বিয়ের দিন সকালেই ধর্ষণের শিকার তরুণী, রাতে ভেঙে গেল বিয়ে!

ধুমধাম করে আয়োজন হচ্ছিলো কনে বাড়িতে। বিয়ের দিন সকালেই ধর্ষণের শিকার হয় তরুণী। বিষয়টি শুরুতে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল কনের পরিবার। পরে রাতে জানাজানি হলে বিয়ে ভেঙে যায় তরুণীর।

এ ঘটনায় রোববার ধর্ষণের অভিযোগে আব্দুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগে রোববার দুপুরে থানায় ধর্ষণের মামলা করেন কনের মা। 

এদিকে ধর্ষণের শিকার তরুণীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

জানা যায়, আব্দুর রহমান বাবলু শনিবার সকাল ১০টার দিকে প্রতিবেশী তরুণীকে রান্না করে দেওয়ার জন্য তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। তরুণীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে বাবলুকে আটক করে। তবে রাতেই ওই তরুণীর বিয়ে হওয়ার কথায় সারাদিন বিষয়টি চেপে রাখার চেষ্টা করেন মেয়ের পরিবার। কিন্তু বিষয়টি রাতে প্রকাশ পাওয়ায় বিয়ে ভেঙে যায়।

আরও পড়ুন:


সোমবার যে আমলটি করলে মনের আশা পূরণ হবে!

ট্রফি জয়ের ঘোষণা দিয়ে বিশ্বকাপে যাব: তামিম

ইউপি নির্বাচনী সহিংসতায় বৃদ্ধা নিহত, আহত ৩


এ বিষয়ে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গ্রামবাসী ধর্ষককে আটক করলে সে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে। পরে সে অসুস্থ বোধ করায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে রোববার সকালে পুলিশ বাবলুকে গ্রেপ্তার করে। 

ধর্ষণের শিকার তরুণীর দাদা জানান, শনিবার রাতে তার নাতনীর বিয়ে হওয়ার কথা ছিল একই গ্রামের রবিউলের সাথে। কিন্তু সকালে ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ হওয়ায় বিয়ে ভেঙ্গে গেছে।

পার্বতীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমাম জাফর বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ধর্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। 

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

যে ২৬টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গোয়েন্দা নজরদারিতে

অনলাইন ডেস্ক

যে ২৬টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গোয়েন্দা নজরদারিতে

প্রতারণার অভিযোগ ওঠায় অন্তত ২৬টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ড নজরদারি করা হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০টির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ও সুপারিশ করেছে। এর ধারাবাহিকতায় ইভ্যালির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে ই-অরেঞ্জের কয়েকজন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলছে অন্য আটটির বিরুদ্ধে।

গতকাল রবিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সচিবালয়ে তাঁর দপ্তরে সাংবাদিকদের বলেছেন, ই-কমার্সের মাধ্যমে প্রতারণার বিষয়ে তদন্ত চলছে। এতে কারো কোনো অপরাধ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ই-বিজনেস বলুন আর যেটাই বলুন, কতগুলো প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছে—ইভ্যালি, ধামাকা, ই-অরেঞ্জের মধ্যে কিভাবে যেন আমাদের বেশ কয়েকজনের নামও জড়িত করে ফেলেছে। একজনের নাম তো বলতেই হয়—প্রখ্যাত নিউরোসার্জন এম আলী। তিনি তো আমার কাছে এসে কেঁদে কেঁদে বলেছেন, তিনি কিছুই জানতেন না।’ মন্ত্রী বলেন, ‘তিনি (এম আলী) একজন প্রখ্যাত ডাক্তার। টেলিমেডিসিন কিভাবে প্রসার করা যায়, সে বিষয়ে ধামাকার সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়েছিল। এখন তাঁর নামটি ধামাকায় দিয়ে...সেই বেচারা বিপদেই পড়েছেন আমরা দেখছি।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ইভ্যালি একটা, আরো কয়েকটা মানুষের কাছ থেকে অনেক টাকা নিয়েছে। কিভাবে তারা তাদের কমিটমেন্ট পূরণ করবে, এটা আমার এখন জানা নেই। আমরা মনে করি, তারা যে কমিটমেন্ট জনগণকে দিয়েছে, তা যদি পূরণ না করে, তবে আইন অনুযায়ী আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং করতেই হবে।’ তিনি বলেন, ‘যারা প্রতারণা করবে তাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী খুঁজে বের করবে, তাদের শাস্তির ব্যবস্থা আমরা করব। কেউ যদি প্রতারণার উদ্দেশ্যে করে। আমাদের কাছে খবর আসছে, এগুলো তদন্তে কমিটি কাজ করছে।’

তদন্ত শুরু হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, ‘প্রতারক সব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ 

এর আগে গত শনিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনেও এই কর্মকর্তা একই ধরনের তথ্য জানান। তিনি বলেছেন, ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জসহ এমন আরো প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যারা প্রতারণা করেছে। বাজারমূল্যের চেয়ে অনেক কম মূল্যে পণ্য বিক্রির অফার দিয়ে যারা গ্রাহকদের পণ্য দেয় না তারা মূলত প্রতারণা করছে। তিনি যোগ করেন, ‘এ ধরনের প্রতারকদের বেশি বেশি ধরা হলে ধীরে ধীরে প্রতারণা কমে আসবে। আমরা চাই, সুন্দর একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ফিরে আসুক।’

জানা গেছে, পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের পাশাপাশি অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), র‌্যাবসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীও এ নিয়ে কাজ করছে। দুর্নীতি দমন কমিশনসহ (দুদক) সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশনও নিজেরা তদন্ত শুরু করেছে।

আরও পড়ুন:


ঘরের মাঠে ২-১ গোলে পিএসজি'র জয়

পাকিস্তানের কাছ থেকে ১২টি জঙ্গিবিমান কিনবে আর্জেন্টিনা

রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে আজ


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১০টি ই-কর্মাস প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ তদন্ত করছে সিআইডি। এসব প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, ধামাকা শপিং, কিউকম, আলেশা মার্ট, বুমবুম, আদিয়ান মার্ট, নিডস, সিরাজগঞ্জ শপ ও আলাদিনের প্রদীপ। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সুপারিশও করেছে। এগুলো ছাড়াও আরো অন্তত ১৬টি প্রতিষ্ঠানের নাম জানা গেছে যাদের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ পেয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। এগুলোর মধ্যে আছে এসপিসি ওয়ার্ল্ড, দালাল, নিরাপদ ডটকম, এসকে ট্রেডার্স ও মোটরস, ২৪ টি কে টি ডট কম, গ্রিনবাংলা, এক্সিলেন্টবিগবাজার, ফাল্গুনিশপ।

অভিযুক্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ প্রতারণার কথা জানা যাচ্ছে। তবে এই অঙ্ক আরো বাড়তে পারে।

সূত্র: কালের কণ্ঠ  

পরবর্তী খবর

পুলিশ সদস্যের যমজ শিশু সন্তানকে এসপি অফিসের সামনে ফেলে মায়ের প্রতিবাদ

এস এম রেজাউল করিম, ঝালকাঠি

পুলিশ সদস্যের যমজ শিশু সন্তানকে এসপি অফিসের সামনে ফেলে মায়ের প্রতিবাদ

ঝালকাঠিতে আরাফ ও আয়ান নামের ১৬ মাসের জমজ দুই ছেলে সন্তানকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে ফেলে রেখে গেলেন এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রী। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে। খবর পেয়ে শিশু দুটিকে ঝালকাঠি থানার নারী ও শিশু ডেস্কে এনে রাখা হয়।  দুই শিশুকে নিয়ে বিপাকে পড়েছে থানা পুলিশ। স্বামী ভরণপোষণ ও চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন না করায় রোববার বিকেলে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে রেখে চলে যান শিশু দুটির মা সুমাইয়া আক্তার।   

থানা পুলিশ ও  শিশুদের মা সূত্রে জানা যায়, শিশু দুটির বাবা ইমরান হোসেন কাঁঠালিয়া থানায় পুলিশ কনস্টেবল পদে কর্মরত আছেন। সে বর্তমানে এক মাসের প্রশিক্ষণের জন্য জামালপুরে অবস্থান করছেন। তাঁর বাড়ি বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার মালুহার গ্রামে। ২০১৯ সালের মে মাসে শিশু দুটির মা ঝালকাঠি সদরের খাওক্ষির গ্রামের সুমাইয়া আক্তারের সাথে বিয়ে হয় কনস্টেবল ইমরানের। দাম্পত্য কলহের জেরে এ বছরের মার্চ মাসে স্ত্রীকে তালাক নোটিশ পাঠান ইমরান। তালাক নোটিশ পেয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক মামলা করে সুমাইয়া । শিশু দুটির মা সুমাইয়ার দাবি তালাক নোটিশ পাঠানোর আরও আগ  থেকে তাঁর এবং সন্তানদের কোন ভরণপোষণ দিচ্ছেনা ইমরান।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে চায়ের দোকানী মাহফূজ মিয়া বলেন,  বিকালে একজন নারী তাঁর দুই শিশু সন্তানকে এসপি অফিসের চেক পোস্টের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের সামনে রেখে যান। যাবার সময় সে বলে যায়,  তোমাদের সন্তান তোমাদের কাছেই থাক।

সন্ধ্যায় ঝালকাঠি সদর থানায় গিয়ে দেখা যায়, শিশু দুটির কান্নায় থানার পারিবেশ ভারি হয়ে উঠেছে। নারী ও শিশু হেল্প ডেস্কের এক নারী কনস্টেবল শিশু দুটিকে সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। এ সময় শিশু দুটির শরীরের তাপমাত্রা ছিল অনেক বেশি।

সুমাইয়া আক্তার মুঠোফোনে জানায়, গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে শিশু আরাফ ও আয়ান ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে। রোববার সকালে চিকিৎসকরা শিশু দুটির বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে বলেন। এতে প্রায় প্রায় ৬ হাজার টাকার প্রয়োজন ছিল। বিষয়টি কনস্টেবল ইমরানকে জানানো হলেও তিনি টাকা দিতে অপরগতা প্রকাশ করেন। তাই বাধ্য হয়ে শিশু দুটিকে নিয়ে পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিনের সাক্ষাতে জন্য যাই। কিন্তু প্রধান ফটকের সামনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ইমরান মিয়া ও  মো. সুমন নামে দুই পুলিশ সদস্য ভিতরে প্রবেশ করতে দেয়নি। তাই বাধ্য হয়ে শিশু সন্তানদের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে রেখে চলে এসেছি। ওদের লালন পালন করতে আমার কোন আপত্তি নেই, কিন্তু খরচ চালানোর মত সংগতি আমার নেই । বাচ্চা রেখে আসার পরে সদর থানার ওসি খলিলুর রহমান আমাকে ফোন দিয়ে উল্টোপাল্টা কথা বলে, আমি থানায় না যাওয়ায় বাচ্চার বাবার ফুফাত ভাই কামরুল পুলিশের জিম্মা দিয়ে দেয়।

কনস্টেবল ইমরান মোবাইলে জানান, প্রতি মাসে শিশু দুটির ভরণপোষণের জন্য তিন হাজার টাকা সুমাইয়ার ব্যাংক হিসেবে পাঠিয়ে দিচ্ছি। আমি আমার সাধ্য অনুযায়ী তাঁদের খোঁজ খবর  নেই। কিন্তু মা হয়ে সে কিভাবে সন্তানদের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে ফেলে গেল ?।

ঝালকাঠি সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. খলিলুর রহমান বলেন, আমরা বিষয়টি দুই পরিবারের সাথে কথা বলে মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করছি। শিশুদের মা না আসায় তাদের দাদীকে খবর দিয়ে রাতেই শিশু দুটিকে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:


পাঁচ বিভাগে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা

এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?

রাজপথে নামার আহ্বান মোশাররফ-মান্নার

বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টা পর প্লাইউড ফ্যাক্টরির আগুন নিয়ন্ত্রণে


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

‌‘কস্ট সহ্য করতে’ না পেরে স্বামীর বিশেষ অঙ্গ ও গলাকেটে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক

‌‘কস্ট সহ্য করতে’ না পেরে স্বামীর বিশেষ অঙ্গ ও গলাকেটে হত্যা

কষ্ট সহ্য করতে না পেরে স্বামীর বিশেষ অঙ্গ ও গলাকেটে হত্যা করেছে স্ত্রী। এমন স্বীকারোক্তি দিয়েছেন তিনি। ভোলার লালমোহনের ঘটনা এটি।

পুলিশের কাছেও এমন ওই স্ত্রী জানিয়েছেন, স্বামী তাকে কষ্ট দিতো এই ক্ষোভ থেকে তিনি হত্যা করেছেন।

এর আাগে রোববার দুপুরে ভোলার লালমোহনে নিজ বসতঘর থেকে আব্দুল মান্নান বেপারী (৪০) নামের এক কাঠ ব্যবসায়ীর বিশেষ অঙ্গ ও গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

উপজেলার ধলিগৌরনগর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের দরবেশ বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার পর দুই সন্তান নিয়ে পালিয়ে যান ওই ব্যবসায়ীর স্ত্রী নূরুন্নাহার। সন্ধ্যার দিকে ওই ইউনিয়নের নতুন মসজিদ এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।
 
ঘটনা নিয়ে রাতে লালমোহন থানায় প্রেস ব্রিফিং করেন ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আবুল কালাম আজাদ। 

এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, কাঠ ব্যবসায়ী আ. মান্নান বেপারীকে রোববার সকাল ৬টার দিকে নিজ ঘরে ঘুমন্ত অবস্থায় দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন স্ত্রী নূরুন্নাহার। পরে নিজের ৫ ও ৭ বছরের দুই সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে যান তিনি। 

হত্যার ঘটনা স্বীকার করে স্ত্রী নূরুন্নাহার পুলিশকে বলেছেন, স্বামী তাকে কষ্ট দিতো, এ কারণে তিনি স্বামীকে হত্যা করেছেন। 

এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদি হয়ে লালমোহন থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

আরও পড়ুন:


প্রেমিকের গোপনাঙ্গ কর্তন প্রেমিকার

পরকীয়ার জেরে জবাইয়ের পর কেটে ফেলা হলো গোপনাঙ্গ!

ঘুমন্ত ‘প্রেমিকের’ গোপনাঙ্গ কাটলেন নারী, পরে গ্রেপ্তার

নিজের গোপনাঙ্গ ও গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম

পাঁচ বিভাগে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা

এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?

রাজপথে নামার আহ্বান মোশাররফ-মান্নার

বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টা পর প্লাইউড ফ্যাক্টরির আগুন নিয়ন্ত্রণে


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

এমএলএম ই-কমার্সের নামে গ্রাহকের পকেট থেকে গেছে ১৭ হাজার কোটি টাকা

রিশাদ হাসান

দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন সময় এমএলএম ও ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো হাতিয়ে নিয়েছে গ্রাহকের ১৭ হাজার কোটি টাকা। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও গ্রাহকের পকেট এখনও শূণ্য।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ই-কমার্স ব্যবসার নামে এ পর্যন্ত দেশে যা হয়ে আসছে তার সিংহ ভাগই প্রতারণা। শুধু গ্রেপ্তার নয় গ্রাহকের অর্থ ফেরত সহ প্রয়োজন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি বলছে টিআইবি।

২০০৬ সালে এমএলএম কোম্পানী যুবক হাতিয়ে নিয়েছে গ্রাহকের ২৬শ কোটি টাকা। একইভাবে ডেসটিনি ও ইউনিপেটুইউ নিয়েছে ১১ হাজার কোটি টাকা। ২০২১ সালে ১১টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের কাছে গ্রাহকের পাওয়া ৩৩শ কোটি টাকার বেশি।

এই চিত্রই বলে দিচ্ছে বিভিন্ন লোভ লালসার ফাঁদে ফেলে গ্রাহকের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে বিপুল অংকের টাকা। যার কোনটা এমএলএম কোম্পানী আধুনিক কালে বলা হচ্ছে ই-কামর্স মূল কাজটাই যেন অর্থ লোপাট।

২০২১ সালের বার্তাটা আরও ভয়াবহ। ইভ্যালি, ধামাকা, ই-অরেঞ্জসহ দেশের ১১টি প্রতিষ্ঠানের নামে অভিযোগ অর্থ আত্মসাতের। মাত্র ১১টি কোম্পানীর কাছে গ্রাহকের ৩৩১৭ কোটি টাকা। পুরো ব্যবসাই হয়েছে ই-কমার্স ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের নামে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে ই-কমার্সের নামে যা হয়েছে তার পুরোটাই প্রতারণা।

বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা গ্রহণ করলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান গুলোর মালিক গ্রেপ্তার, তদন্ত চলমান ও গ্রাহকের পকেটে ফেরেন বিনোয়োগের অর্থ।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ বলছে, শুধু গ্রেপ্তার নয় প্রয়োজন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, সাথে ফেরাতে হবে গ্রাহকের অর্থও।

বিপুল পরিমাণে অর্থপাচার বন্ধে স্বচ্ছ জবাবদিহিতাও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন:


পাঁচ বিভাগে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা

এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?

রাজপথে নামার আহ্বান মোশাররফ-মান্নার

বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টা পর প্লাইউড ফ্যাক্টরির আগুন নিয়ন্ত্রণে


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর