দ্বিতীয়বার ডেঙ্গু হলে বেশি ভয়

অন্তরা বিশ্বাস

দ্বিতীয়বার ডেঙ্গু হলে বেশি ভয়

দ্বিতীয়বার ডেঙ্গু হলে বেশি ভয়াবহ আকার ধারণ করে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। তবে একবার যে ধরণের এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু হয় পরের বার সেই ধরণের মশার কামড়ে ডেঙ্গু হয় না বলে জানান তারা। এদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সময় ডেঙ্গুর বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ চিকিৎসকদের। 

ডেঙ্গু ভাইরাসের চার ধরনের স্ট্রেইন। ডেন-১, ডেন-২, ডেন-৩ ও ডেন-৪। ২০০২ সালের পর থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ডেন-১ ও ডেন-২ স্ট্রেইন দেখা যেত। কিন্তু ২০১৭ সালের পর থেকে ডেন-৩ এ বেশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। অনেকেই দ্বিতীয় বার ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন। দ্বিতীয়বার আক্রান্তদের ভয়াবহতা বেশি হবার সম্ভাবনা থাকে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে তা নাও হতে পারে। 

ডেঙ্গু হলে কেউ কেউ শকে চলে যান। চামড়া ভেদ করে রক্ত চলে এসে চামড়ার ওপর কালো দাগ পড়া, কালো পায়খানা হওয়া, প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত ঝরাসহ বেশ বেশ কিছু সমস্যা ডেঙ্গু শকের উপসর্গ। ডেঙ্গু শক হলে শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। লিভার ও হার্টের ক্রিয়া ক্ষমতা হ্রাস পায়। ডেঙ্গুকে কোনভাবেই হালকাভাবে নেয়া যাবে না বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।


বিয়ে ছাড়াই আবারও মা হচ্ছেন কাইলি জেনার

বলিউড পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের প্রস্তাবে মিমের না!

দেশমাতা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন


 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে ডেঙ্গুতে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। তবে জুলাই থেকে রোগী বাড়ায় গেল সোয়া দুই মাসেই ৫৩ জন মারা গেছেন ডেঙ্গুতে। এ মাসের প্রথম সাতদিনেই ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দুই হাজার তিনশ ছাড়িয়েছে। ২০২১ সালের অগাস্টে এই মৌসুমের সর্বাধিক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। আগস্ট মাসে হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা সাড়ে সাত হাজার ছাড়ায়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

থাইরয়েডের সমস্যা ও এর সমাধান

অনলাইন ডেস্ক

থাইরয়েডের সমস্যা ও এর সমাধান

দেশে অন্তত পাঁচ কোটি মানুষ থাইরয়েড হরমোনজনিত সমস্যায় ভুগছেন।বিশ্বজুড়ে ৩০ কোটি মানুষ থাইরয়েডের সমস্যায় ভুগছেন। দেশে প্রায় ৩ কোটি অর্থাৎ অর্ধেকের বেশি রোগীই জানেন না, তাদের এই সমস্যা রয়েছে। বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির (বিইএস) তথ্য অনুযায়ী, নারীদের থাইরয়েড হরমোনজনিত সমস্যা পুরুষদের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি।

থাইরয়েডের হরমোনের তারতম্যজনিত সমস্যা দুই রকম হতে পারে। যেমন শরীরে থাইরয়েড হরমোনের পরিমাণ কমে গেলে বা হাইপোথাইরয়েডিজম, আবার বেড়ে গেলে হাইপারথাইরয়েডিজম। হাইপোথাইরয়েডিজমের রোগের সংখ্যা হাইপারথাইরয়েডিজমের চেয়ে অনেক বেশি। আমাদের দেশে সেটি আরও প্রকট। বাংলাদেশের আয়োডিন ঘাটতিজনিত ব্যাপক জনগোষ্ঠী এ সমস্যায় আক্রান্ত। আমাদের সামগ্রিক জীবনমানের ওপরে থাইরয়েড হরমোন ঘাটতি সুগভীর ঋণাত্মক প্রভাব বিস্তার করে আছে। আমাদের দেশে ব্যাপক সংখ্যক নির্বোধ মানুষ, বন্ধ্যা দম্পতি ও স্থুলদেহী জনগোষ্ঠীর পেছনে হাইপোথাইরয়েডিজম অন্যতম কারণ।


সাধারণ লক্ষণসমূহ
অবসাদগ্রস্ততা, ঘুম ঘুম ভাব।
ওজন বৃদ্ধি।
গলার স্বরের কোমলতা কমে যাওয়া এবং অনেকটা ভারী বা কর্কশ শোনানো।

হার্ট ও ফুসফুসের সমস্যা
হৃৎস্পন্দন কমে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ, বুকে ব্যথা অনুভব করা অথবা হার্ট ফেইলর হতে পারে।
হৃদযন্ত্রের আবরণে অথবা ফুসফুসের আবরণে পানি জমা।

স্নায়ু ও মাংসপেশির সমস্যা
মাংসপেশিতে ব্যথা বা শক্ত চাপ অনুভব করা।
স্নায়ু ও মাংসপেশি নির্ভর রিফ্লেক্স কমে যাওয়া।
বিষণ্নতা ও মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা।
মাংসপেশির টান কমে যাওয়া।

চর্ম বা ত্বকের সমস্যা
শুষ্ক, খসখসে ও ব্যাঙের ত্বকের মতো হয়ে যাওয়া।
ভিটিলিগো নামক এক ধরনের শে^তী রোগে আক্রান্ত হওয়া।
চর্মে মিক্সিডিমা নামক এক ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়া।

প্রজননতন্ত্রে সমস্যা
মাসিকের সময় বেশি রক্তপাত হওয়া।
বাচ্চা হওয়ার ক্ষমতা নষ্ট হওয়া।
প্রজননে অক্ষমতা।

পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা
পায়খানা শক্ত হওয়া।
পেটে পানি জমতে পারে ।

হাইপোথাইরয়েডিজম হলে শিশুদের বেলায় অবর্ধনজনিত রোগ বা ক্রিটিনিজম হবে এবং উঠতি বয়স্কদের বা প্রাপ্তবয়স্কদের মিক্সিডিমা হয়। ক্রিটিনিজমের লক্ষণগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মাংসপেশি ও হাড় এবং স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক বর্ধন না হওয়া। ফলে শিশু বেটে হয়, বোকা বা বুদ্ধিহীন হয়ে থাকে। জিহ্বা বড় হবে ও মুখ থেকে বেরিয়ে আসে এবং নাভির হার্নিয়া হয়। হাইপোথাইরয়েডিজম হওয়ার উল্লেখযোগ্য কারণ হচ্ছে অটোইমিউন ধ্বংসপ্রাপ্ত, ওষুধ, টিএসএইচ স্বল্পতা, গর্ভাবস্থায় মায়ের থাইরয়েড হরমোন স্বল্পতা ইত্যাদি।

কম হরমোনের চিকিৎসা
রোগের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসা পদ্ধতিও ভিন্ন। তবে অধিকাংশ রোগীই ভোগেন হাইপোথাইরয়েডিজম অর্থাৎ তাদের
থাইরয়েড গ্ল্যান্ড থেকে কম পরিমাণ থাইরয়েড হরমোন থাইরক্সিন নিঃসৃত হয়। এই ঘাটতি পূরণ করার জন্য ডাক্তাররা তাদের থাইরক্সিন ট্যাবলেট খাবার পরামর্শ দেন। প্রয়োজন অনুযায়ী রোগীকে ১০০ থেকে ২০০ মাইক্রোগ্রাম থাইরক্সিন দেওয়া হয়।

ওষুধ খাওয়ার নিয়ম
সারা জীবন ওষুধ খেতে হবে কি না তা রোগের ধরনের ওপর নির্ভরশীল। যার থাইরক্সিন ঘাটতি সামান্য, উপসর্গও কম তার সারা জীবন ওষুধ খাবার প্রশ্নই ওঠে না। ৬ মাস থোক ২ বছরেই সে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যাবে। অনেক ওষুধ ছাড়াও সুস্থ হয়ে যান। কিন্তু যার একেবারেই থাইরক্সিন নিঃসরণ হয় না বা কোনো কারণে থাইরয়েড গ্ল্যান্ডটাকেই কেটে বাদ দিতে হয়েছে তাদের সারা জীবন ওষুধ না খেয়ে উপায় নেই।

ওষুধ খাওয়া হঠাৎ বন্ধ করা সম্পর্কিত বিষয়
ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ খাওয়া বন্ধ করা যেতে পারে। তবে নিজের ইচ্ছায় ওষুধ খাওয়া বন্ধ করলে অল্প দিনের মধ্যেই রোগটা ভয়ঙ্করভাবে ফিরে আসবে। জীবন সংশয় হতে পারে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

নাক ডাকা বন্ধে কার্যকর পেস-মেকার

অনলাইন ডেস্ক

নাক ডাকা বন্ধে কার্যকর পেস-মেকার

ঘুমের ঘোরে অনেকই নাক ডাকে।  নাক ডাকেন এমন করো সঙ্গে একই বিছানায় ঘুমাতে যাওয়া মানে রাতের ঘুমের একেবারে দফারফা। সাধারণত শ্বসনতন্ত্রের কম্পন ও ঘুমন্ত অবস্থায় শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বাধাগ্রস্ত বায়ু চলাচলের ফলে সৃষ্ট শব্দকেই আমরা নাক ডাকা বলে থাকি। মেডিক্যালের ভাষায় এ স্বাস্থ্য সমস্যাটিকে বলা হয় অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (ওএসএ)। স্লিপ অ্যাপনিয়ার জটিলতা হিসেবে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্ট্রোক ইত্যাদি গুরুতর সমস্যা হতে পারে।

স্লিপ অ্যাপনিয়ার চিকিৎসার জন্য অবিরাম পজিটিভ এয়ারওয়ে প্রেসার ডিভাইস ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু দেখা যায় প্রতি ৫ জন রোগীর মধ্যে ২ জন রোগীই ডিভাইস ব্যবহার করতে স্বচ্ছন্দবোধ করেন না।

সম্প্রতি একটি ইমপ্ল্যান্ট ডিভাইস তৈরি করা হয়েছে যা শ্বাসনালির পেশীসমূহকে এমনভাবে উদ্দীপিত করে যেন ঘুমের ঘোরে শ্বাস বন্ধ না হয়ে নির্বিঘ্নে চলতে পারে।


অনলাইনে পণ্য ডেলিভারি বিলম্বে করা যাবে মামলা

স্বামীর দাবীতে প্রথম বউয়ের বাড়িতে দ্বিতীয় বউ

সামাজিক মাধ্যম ছাড়ার ঘোষণা আমিরের

সাধ্যের মধ্যে ৮ জিবি র‍্যামের রেডমি ফোন


 

ডিভাইসটি পরিধানযোগ্য রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে চলে। বলা যায় এটা হচ্ছে স্লিপ অ্যাপনিয়ার পেস-মেকার। কিন্তু বর্তমানে এটার বাণিজ্যিক ব্যবহার শুরু হয়েছে। নিউরো-মডুলেশনের এমন কৌশলী প্রয়োগের ফলে আশা করা হচ্ছে ভবিষ্যতে অপ্রিয় ডিভাইস চিকিৎসা ছাড়াই নাক ডাকা এবং স্লিপ অ্যাপনিয়ার অনেক রোগীর সুচিকিৎসা করা সম্ভব।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

স্তন ক্যান্সার নিয়ে যে তথ্য অবশ্যই জানা উচিত, জানালেন দুবাইয়ের সার্জন

অনলাইন ডেস্ক

স্তন ক্যান্সার নিয়ে যে তথ্য অবশ্যই জানা উচিত, জানালেন দুবাইয়ের সার্জন

শুরুতেই শনাক্ত করা সম্ভব হলে স্তন ক্যান্সার ৯৮ শতাংশ ক্ষেত্রে নিরাময় সম্ভব বলে জানিয়েছেন দুবাইয়ের কনসালট্যান্ট সার্জন এবং স্তন বিশেষজ্ঞ ড. তাগ্রিদ আলমাহমিদ। এজন্য নারীদের নিয়মিত স্তন পরীক্ষা করানো উচিত বলেও জানান তিনি। খবর গালফ নিউজের।

ড. তাগ্রিদ দুবাইয়ের আল জাহরা হাসপাতালে কাজ করেন। স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে তিনি সচেতনতা তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। স্তন ক্যান্সারে নারীদের ঝুঁকি সবসময়ই বেশি থাকে। তাই প্রত্যেক নারীর উচিত স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ ও করণীয় সম্পর্কে সচেতন হওয়া।

তিনি বলেন, স্তন ক্যান্সার যেন না হয় এমন কোন উপায় নেই। তবে শুরুতেই এটিকে শনাক্ত করতে পারলে ঝুঁকি কমানো সম্ভব। 

ড. আলমাহমিদ নারীদেরকে নিয়মিত স্তন ক্যান্সার চেক করার উপদেশ দেন। তিনি বলেন, আপনাকে অবশ্যই প্রতিমাসে একবার নিজে নিজেই স্তন পরীক্ষা করা উচিত। কোন অস্বাভাবিকতা থাকলে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে। এর পাশাপাশি প্রতি বছর অন্তত একবার হাসপাতালে গিয়ে স্তন পরীক্ষা করানো উচিত।

আরও পড়ুন:

নরওয়েতে তীর-ধনুক নিয়ে সুপারমার্কেটে হামলা, নিহত ৫

নরওয়েতে তীর-ধনুক হাতে আক্রমণকারী ছিলেন 'ধর্মান্তরিত মুসলিম'

শাকিব খানের সঙ্গে নৈশভোজের দাওয়াত পাচ্ছেন সেই গৃহবধূ!

করোনা ছড়ানোর ভয়ে এক দম্পতির ১২ কুকুর হত্যা


তিনি আরও বলেন, ২৫ থেকে ৩৯ বছর বয়সী নারীদের হাসপাতালে ক্লিনিক্যাল টেস্ট করানো উচিত এবং যদি সম্ভব হয় তবে আলট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে এটা করাতে হবে। ৪০ এবং এর বেশি বয়সীদের প্রতিবছর ম্যামোগ্রাম করাতে হবে। এই পরীক্ষায় স্বাভাবিকভাবে বুঝতে পারার আগেই স্তন ক্যান্সার শনাক্ত করা যায়।

স্তন ক্যান্সারের লক্ষণসমূহ:

- স্তন এবং বগলের নিচে পিণ্ড, শক্ত গিট বা ঘন হওয়া

- স্তন ফুলে যাওয়া, লাল কিংবা কালো হয়ে যাওয়া

- স্তনের আকার বা আকৃতিতে পরিবর্তন

- স্তনবৃন্তে চুলকানি অথবা র‍্যাশ

- স্তনবৃন্ত উলটে যাওয়া

- কোন একটি স্তন থেকে কোন তরল পদার্থ বের হওয়া

- স্তনে অবিরত ব্যথা অনুভূত হওয়া

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

হার্ট অ্যাটাক : জীবন বাঁচাতে তাৎক্ষণিক যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

হার্ট অ্যাটাক : জীবন বাঁচাতে তাৎক্ষণিক যা করবেন

সমগ্র পৃথিবীতে মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে হৃদরোগ প্রথম স্থান দখল করে আছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এই মৃত্যুর হার কেবলমাত্র হৃদরোগীদের মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়। বিভিন্ন বয়সের মানুষ হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যাচ্ছেন। সাধারণত যাদের উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, স্থুলতার মতো সমস্যা রয়েছে তাদের হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কিন্তু তাই বলে এর নির্দিষ্ট কোনো বয়সসীমা নেই। প্রতি বছর বিভিন্ন কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজে আক্রান্ত হয়ে (যেসকল রোগের কারণে হার্ট অ্যাটাক হয়) অনেক মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।  একটু খেয়াল করলে দেখবেন, প্রায়ই যত আকস্মিক মৃত্যু সংবাদ শোনা যায় তার মাঝে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি।

হঠাৎ কেউ অসুস্থ হয়ে গেলে বা হার্ট অ্যাটাক করলে সেখানেই সঙ্গে সঙ্গে রিসাসিটেশন চিকিৎসা দিতে হয়।

যেভাবে করতে হবে
এজন্য রোগীকে প্রথমে সমতলের ওপর চিৎ করে শোয়াতে হবে। এরপর একটি হাত প্রসারিত করে অন্য হাতের আঙুল দিয়ে লক তৈরি করতে হবে। 

হাতের তালুর উঁচু অংশটি পাঁজরের নিচের অংশে ঠিক মাঝ বরাবর স্থাপন করতে হবে। 

প্রতি সেকেন্ডে ২ বার জোরে জোরে চাপ দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন হাত ভাঁজ না হয়। এমনভাবে চাপ দিতে হবে যেন বুকের ওপর-নিচ প্রতিবার দেড় থেকে দুই ইঞ্চি দেবে যায়। এ পদ্ধতিতে ৩০ বার চাপ দিয়ে রোগীর মুখ দিয়ে বাতাস প্রবেশ করাতে হবে। 

দ্রুত রিসাসিটেশন শেষ করে রোগীকে হাসপাতালে নিতে হবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

এ সময়ের সর্দি-কাশি-জ্বরে আমাদের করণীয়

অনলাইন ডেস্ক

এ সময়ের সর্দি-কাশি-জ্বরে আমাদের করণীয়

ভ্যাপসা গরমে ঠাণ্ডা কাশিতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। নাক দিয়ে ক্রমাগত পানি পড়া, নাক বন্ধ, হাঁচি-কাশি, মাথাব্যথা, হালকা জ্বর, কাঁপুনিই এর প্রধান লক্ষণ। আবহাওয়ার আকস্ট্মিক ও দ্রুত পরিবর্তন, গরমে ঘাম ও রোদের তাপ, সব কিছু মিলিয়ে প্রকোপটা এ সময়ই বেশি হয়।  করোনার সময় এসব উপসর্গ আতঙ্কের হলেও, পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তাদের কারও কারও করোনা ও ডেঙ্গিু ধরা পড়লেও অধিকাংশই ভাইরাল ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত। প্রায় ঘরে ঘরে এখন এমন রোগী।

চিকিৎসকদের মতে, হঠাৎ বৃষ্টি, ভ্যাপসা গরম আবার কিছুটা শীতল বাতাস এ সময়ের এমন আবহাওয়ায় শ্বাসতন্ত্র সহজেই সংক্রমিত হয়ে সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই। এ ছাড়া ঘামেভেজা জামাকাপড় পরে থাকা, দীর্ঘক্ষণ গোসল করা, রাতে একটানা দীর্ঘসময় এসি চালানো, ফ্রিজের ঠান্ডা পানি বা আইসক্রিম খাওয়ার কারণে ঠান্ডা লেগেও এখন সর্দি-কাশি দেখা দিচ্ছে।

যেসব  লক্ষণ দেখা যায়
জ্বর
শরীর, মাথা ও গলা ব্যথা
চোখ লাল হওয়া
নাক দিয়ে পানি পড়া
হাঁচি-কাশি
শরীর ম্যাজ ম্যাজ করা
খাওয়ার অরুচি

প্রতিকারের উপায়
* খেতে হবে তাজা ফলের জুস।
* ঘুম মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কাজেই ঠান্ডা বা সর্দিজ্বরের সময় বিশ্রাম নিলে বা বেশি ঘুমালে দ্রুত আরোগ্য লাভ সম্ভব।

* ঘরোয়া দাওয়াই হিসাবে এ সময় আদা-লেবুমিশ্রিত রং চা, আদা ও লেবুর রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে দিনে দুই থেকে তিনবার খেতে পারেন। আরামবোধ করবেন। আঙুরের রসও কাশি দ্রুত কমাতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন:


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইপিএল নিয়ে জুয়া, ৩ জনের সাজা

চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় বোমা হামলা মামলার রায় আজ

টুইটার অ্যাকাউন্ট ফিরে পেতে আদালতে ট্রাম্প

যুবলীগ নেতার সঙ্গে ভিডিও ফাঁস! মামলা তুলে নিতে নারীকে হুমকি


 

* ঋতু পরিবর্তনের এ সময় শরীরে প্রচুর পানি প্রয়োজন। শরীর ডিহাইড্রেটেড হলেই গায়ে ব্যথা, মাথাধরা শুরু হয়। সুস্থ-অসুস্থ সবাইকেই তাই এ সময় বেশি বেশি পানি পান করতে হবে। সেইসঙ্গে

* লেবু, কমলা, জাম্বুরা, আমড়াসহ বিভিন্ন টকজাতীয় ফল জ্বর-সর্দি-কাশিতে উপকারী।

যা মেনে চলবেন 
* হালকা জ্বর বা গায়ে ব্যথা হলে প্যারাসিটামল খেতে পারেন। তবে নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া একেবারেই ঠিক হবে না। এতে সমস্যা বাড়তে পারে।

* বড়দের ৭ দিনের বেশি জ্বর থাকলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর