কাল প্রেসিডেন্ট বক্সে পাপনের সঙ্গে কী কথা হয়েছিলো সাকিবের?

অনলাইন ডেস্ক

কাল প্রেসিডেন্ট বক্সে পাপনের সঙ্গে কী কথা হয়েছিলো সাকিবের?

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে কাল মাঠে নামেননি দেশসেরা পারফরমার সাকিব আল হাসান। শেষ ম্যাচে তাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়।

বিশ্রাম পাওয়ার পর শুক্রবার সিরিজের শেষ ম্যাচটিতে দলের সঙ্গে ড্রেসিংরুমেও ছিলেন না সাকিব। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট বক্সে বসে খেলা দেখতে দেখা যায় বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারকে। সেই সময় সাকিব ও বিসিবিপ্রধানের মধ্যে আলাপ করতে দেখা যায়। সাকিবের সঙ্গে কী কথা হয়েছিল বিসিবি বসের?

গতকাল ম্যাচ শেষে এই প্রশ্নের জবাবে নাজমুল হাসান জানান, মূলত ওই সময় সাকিবের সঙ্গে বিশ্বকাপ পরিকল্পনা নিয়েই কথা হয়েছে।

এই সম্পর্কে নাজমুল হাসান বলেন, ‘সাকিবের সঙ্গে কথা হয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে। বিশ্বকাপের জন্য আমাদের যে পরিকল্পনা তা ঠিক করতে পারিনি। দেড় বছর আমাদের যে পরিকল্পনা মাথায় ছিল, সেটার বাস্তবায়ন করতে পারিনি। অনেক দেশ হয়তো পেরেছে। প্রথম এক বছর তো গেছে করোনা মহামারি নিয়ে, খেলাধুলা নিয়ে কিছুই ছিল না। একটা লম্বা সময় বিরতি ছিল। আমি বলব না প্রস্তুতি খুব একটা ভালো হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী হয়নি। তারপরও যতটুকু করতে পেরেছি কিছুটা ভালোই বলা যায়। এসব নিয়ে কথা হয়েছে সাকিবের সঙ্গে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাকিব আমাকে বলছে, আমাদের ভালো সুযোগ আছে এবার (বিশ্বকাপে)। সাকিবের মতো খেলোয়াড় যখন বলে এবার ভালো সুযোগ আছে, তার মানে দলের ওপর আস্থা রাখা যায়। যেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

যেভাবে মূলপর্বে যেতে পারে বাংলাদেশ!

অনলাইন ডেস্ক

যেভাবে মূলপর্বে যেতে পারে বাংলাদেশ!

বিশ্বকাপের টি২০ বাছাইপর্বে টিকে থাকতে বাঁচা মরার লড়াইয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে মঙ্গলবার ওমানকে ২৬ রান হারিয়েছে টাইগাররা। ১৫৪ রান লক্ষ্য খেলতে নেমে ২০ ওভার  ৯ উইকেট হারিয়ে ওমান সংগ্রহ করে ১২৭ রান। আর ওমানকে হারানোর কারণেই বিশকাপের মূলপর্বে খেলার আশা জিইয়ে রাখল বাংলাদেশ। 

বাংলাদেশ শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে পাপুয়া নিউগিনির। অন্যদিকে স্কটল্যান্ড ও ওমান মুখোমুখি হবে গ্রুপের শেষ ম্যাচে। সুপার টুয়েলভে খেলতে হলে বাংলাদেশকে পাপুয়া নিউ গিনিকে হারাতেই হবে। তবে জিতেলই বাংলাদেশের পরবর্তী পর্ব নিশ্চিত হবে না। 

আরও পড়ুন:


এখনও যেভাবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবার সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের!

প্রোগ্রামে ‘বোরকা না পরার’ নির্দেশ ঢাবি ছাত্রলীগ নেত্রীর!

রাজধানীতে ১৭ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ

‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে সাকিব-মুস্তাফিজের কার্যকর বোলিংয়ে স্বস্তির জয়


এদিকে স্কটল্যান্ড যদি ওমানের কাছে হেরে যায়, তখন তিন দলেরই পয়েন্ট হবে ৪। তখন কোন দুই দল সুপার টুয়েলভে যাবে, সেটা নির্ধারণ করতে হবে নেট রানরেট বিবেচনায়। তাই ম্যাচ জিতলে বড় ব্যবধানে জেতার দিকেও নজর দিতে হবে বাংলাদেশকে। 

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

এখনও যেভাবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবার সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের!

অনলাইন ডেস্ক

এখনও যেভাবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবার সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের!

এখনও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবার সুযোগ রয়েছে টাইগারদের ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে জানালেন ম্যাচ সেরা সাকিব আল হাসান। 

বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে দ্বিতীয় ম্যাচে মঙ্গলবার রাতে ওমানের বিপক্ষে ২৬ রানের জয় পেয়েছে টাইগাররা। আর এই জয়ের মাধ্যমে বিশকাপের মূলপর্বে খেলার আশা জিইয়ে রাখল বাংলাদেশ।  

তবে বিশ্বকাপের মূলপর্বে যাওয়া অনিশ্চিত হলেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ারও সুযোগ রয়েছে। 

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সাকিব বলেন, “আমাদের কম্পিউটার অ্যানালিসিস্টের সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি বললেন- যে অবস্থায় আছে রান রেট, আমরা যদি পাপুয়া নিউ গিনির সঙ্গে মোটামুটি ভালো ব্যবধানে জিততে পারি, যেটা আমরা আশা করি জেতার, আর ওমান-স্কটল্যান্ডের ম্যাচে একটা দল অবশ্যই হারবে। তাতে রান রেটটা পিছিয়ে যাবে আর পাপুয়া নিউ গিনিকে হারালে আমাদের রান রেটটা বাড়বে। এখনও হয়তো আমাদের সম্ভাবনা আছে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাওয়ারও।”

আরও পড়ুন:


প্রোগ্রামে ‘বোরকা না পরার’ নির্দেশ ঢাবি ছাত্রলীগ নেত্রীর!

রাজধানীতে ১৭ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ

‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে সাকিব-মুস্তাফিজের কার্যকর বোলিংয়ে স্বস্তির জয়

বিশ্বে আবারও করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়েছে


দুই ম্যাচ শেষে দুই জয়ে স্কটল্যান্ডের ৪ পয়েন্ট ও ০.৫৭৫ রান রেট, এক জয়ে ওমানের ২ পয়েন্ট ও ০.৬১৩ রান রেট এবং এক জয়ে বাংলাদেশের ২ পয়েন্ট ও ০.৫০০ রান রেট।

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে সাকিব-মুস্তাফিজের কার্যকর বোলিংয়ে স্বস্তির জয়

অনলাইন ডেস্ক

‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে সাকিব-মুস্তাফিজের কার্যকর বোলিংয়ে স্বস্তির জয়

ওমানের বিপক্ষে ২৬ রানের জয়ে খাদের কিনার থেকে ফিরে এসে টিকে থাকল বিশ্বকাপে। ‘সুপার টুয়েলভ’ পর্বে যাওয়ার সম্ভাবনার রেখাও রাতের আল আমরাত স্টেডিয়ামের ৩২০০ লাক্স আলোর চেয়েও উজ্জ্বল করে রাখল।

অথচ বাজে ফিল্ডিংয়ে ওমানের সঙ্গে কম পাল্লা দেয়নি তাঁরাও। স্বাগতিকদের তিন-তিনটি ক্যাচ ফেলার বিপরীতে বাংলাদেশের ক্যাচ ফেলা হতে পারত স্বপ্নভঙ্গের কারণও। মুস্তাফিজুর রহমানের বলে যেমন ১৪ রানে থাকা যতিন্দার সিংয়ের সহজ ক্যাচ ফেলেন মাহমুদ নিজেই। ওমানের এই ব্যাটসম্যান যে ম্যাচই বের করে নিচ্ছিলেন

প্রায়। নিজের প্রথম ওভারেই উইকেট তুলে নেওয়া মুস্তাফিজও পাঁচটি ওয়াইড বল দিয়ে হতাশার বুদবুদও তোলেন। সেই হতাশার বিস্ফোরণও ঘটে, যখন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিনের বলে কাশ্যপ প্রজাপতির ক্যাচ ফেলেন মুস্তাফিজও।

কিন্তু ওই যে বলা হলো বাংলাদেশের জন্য এই ম্যাচটি ছিল একই সঙ্গে ছুটে যাওয়ার সম্ভাবনার এবং প্রবলভাবে ফিরে আসারও। তাই মুস্তাফিজও করেন প্রায়শ্চিত্ত। মাহমুদের সৌজন্যে বেঁচে যাওয়া যতিন্দারকে নিয়ে বড় জুটির দিকে ধাবমান ওমানের অধিনায়ক জিশান মাকসুদকে (১২) ফেরান তো এই ‘কাটার মাস্টার’ই। তবে বোলার মুস্তাফিজ নন, ফিল্ডার মুস্তাফিজ। অফস্পিনার মেহেদী হাসানের সোজা বলে সুইপ করেছিলেন জিশান। বলের নাগাল পেতে ডিপ স্কয়ার লেগে কিছুটা দৌড়ে আসা মুস্তাফিজ বল হাতে জমাতেই এতক্ষণের হতাশা ফুঁড়ে জেগে ওঠে আশা।

সেই আশার পালে তীব্র হাওয়ার জোগান দিতে দৃশ্যপটে আবির্ভূত হয়ে যান সাকিব আল হাসানও। জিশান গেলেও যতিন্দার ছিলেন। তাঁকে ফেরানোও জরুরি হয়ে পড়েছিল ভীষণ। সাকিবের বলে ক্যাচও উঠল যতিন্দারের (৩৩ বলে ৪০), এই ম্যাচেও ব্যাট হাতে ব্যর্থ লিটন কুমার দাসও ভুল করলেন না কোনো, ক্যাচ ধরলেন ঠিকঠাক। ১৩ ওভারেই ৯০ রান তুলে ফেলা ওমানেরও ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ার শুরু তখনই। এতক্ষণ অনিশ্চয়তার ঘূর্ণাবর্তে পাক খেতে থাকা বাংলাদেশের সামনে জয়ের নিশ্চয়তাও প্রথম উঁকি দেয় তখনই।

সেটিকে আরো নিশ্চিত করতে ‘জুটি’ গড়ে ফেলেন সাকিব-মুস্তাফিজ। জোড়ায় জোড়ায় আঘাতও হানেন তাঁরা। প্রথমে সাকিব, পরে মুস্তাফিজও। তাই ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের হাসিতে এই দুই বোলারকে সর্বাগ্রেই রাখতে হয়। ৩৬ রানে ৪ শিকার মুস্তাফিজের। ২৮ রানে তিন শিকার ধরে আবারও অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে সাকিবও এমন উজ্জ্বল যে ম্যাচসেরা হিসেবে তাঁকে বেছে নেওয়ার বিকল্প ছিলই না। ব্যাটিংয়ে দলের বাজে শুরুর পর ওপেনার নাঈম শেখকে নিয়ে তৃতীয় উইকেটে ৮০ রান যোগ করে বিপর্যয় সামলানোতেও ছিলেন সাকিব।

তবে এর আগে কিছুক্ষণের জন্য যেন ফিরে এলেন ‘টু ডাব্লিউ’। বিলাল খান আর কলিমউল্লাহরা কার্যকারিতায় হয়ে উঠলেন ওয়াসিম আকরাম-ওয়াকার ইউনিসের দুর্ধর্ষ সেই জুটি। ওমানের এই দুই পেসারের সুইং আর ইয়র্কারে প্রথম ৩ ওভারে রীতিমতো কাঁপল বাংলাদেশ। এই সময় ক্যাচও যেমন পড়ল, তেমনি উইকেটও হারালেন তাঁরা। দুয়ে মিলে বাঁচা-মরার ম্যাচে অবস্থা মোটামুটি ‘গেল গেল’ রব উঠে যাওয়ার মতোই।

যেতে যেতে মাহমুদ উল্লাহর দল আবার ফিরলও। গল্পের শুরুটা নিজেদের পোড়ার হলেও পরের অংশটি প্রতিপক্ষকে পোড়ানোরও। তাই পাল্টা পুড়তে থাকল ওমানও। সেই সঙ্গে সমান তালে আরো দুটো বিষয়ও চলল। একদিকে ভাগ্য বাংলাদেশের ভীষণ সহায় হলো। অন্যদিকে স্বাগতিকরাও বাজে ফিল্ডিংয়ের প্রদর্শনী চালাতে থাকল। নাঈমই যেমন ১৮ ও ২৬ রানে জীবন পেলেন দুইবার। শুরুর নড়বড়ে বাংলাদেশ এই সুযোগে নাঈম আর সাকিবের ব্যাটে ধরে ফেলে হারানো ছন্দও।

আরও পড়ুন:


বিশ্বে আবারও করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়েছে

ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!


সেই ছন্দে দুলতে দুলতে অনেক বড় স্কোরের আশাও জাগে। কিন্তু ম্যাচটি যে বাংলাদেশের জন্য বারবার রং বদলানোর। তাই প্রত্যাশিত রূপ পায় না ইনিংস। আবার ওমানও যেন বাজে ফিল্ডিংয়ের মধ্যেও ঝলক দেখায় কিছু। তাই ২৯ বলে ৬ চারে ৪২ রান করে সাকিব সরাসরি থ্রোয়ে রানআউট হয়ে যান। ৪৩ বলে ক্যারিয়ারে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ফিফটি করা নাঈমও ৩ চার ও ৪ ছক্কায় ৬৪ রানের ইনিংস খেলে পা দেন ওমানের ডানহাতি পেসার কলিমউল্লাহর শর্ট বলের ফাঁদে। সেই ফাঁদ ভোগায় পরের ব্যাটসম্যানদের কয়েকজনকেও। রং বদলানোর ম্যাচে বাংলাদেশ ব্যাটিং অর্ডারও এমন বদলে ফেলে যে ২০০৯ সালের পর আবার ৮ নম্বরে নামেন মুশফিকুর রহিম। তেমন কিছু করতে পারেননি অবশ্য। পারেননি শেষের দিকের অন্যরাও। তাই রান যত হওয়ার কথা, হয় না তত।

ওমানও তাই রান তাড়ায় চোখ রাঙানি দিতে থাকে। অন্তত ১২ ওভার পর্যন্ত। এরপর মুস্তাফিজের সেই ক্যাচ এবং যতিন্দারকে ফিরিয়ে সাকিবের উল্লাস। ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ার স্বস্তিটাও তখনই প্রথম অনুভব করতে শুরু করে বাংলাদেশ।

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

দুই জায়গাতে আমাদের উন্নতি করতে হবে : মাহমুদউল্লাহ

অনলাইন ডেস্ক

দুই জায়গাতে আমাদের উন্নতি করতে হবে : মাহমুদউল্লাহ

বাংলাদেশ ও পাপুয়া নিউগিনিকে হারিয়ে সুপার টুয়েলভে আগেই একটি পা দিয়ে রেখেছে স্কটল্যান্ড। অন্যদিকে বিশ্বকাপে টিকে থাকতে হলে আজকের ম্যাচ জিততেই হতো টাইগারদের। এই কঠিন সমিকরণে দাড়িয়ে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসরের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে ওমানের মুখোমুখি হয়ে বাংলাদেশ। নিজেদের বাঁচা মরার লড়াইয়ে ওমানকে ২৬ রান হারিয়েছে টাইগাররা।

নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে নেমে প্রথম জয়ে উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘হ্যা, অবশেষে কাঙ্ক্ষিত জয়টা পেয়েছি। এই জয়ে সবাই খুশি।  তবুও আমাদের বেশ কয়েকটি জায়গায় উন্নতির দরকার আছে। দর্শকদের ধন্যবাদ যে, তারা খেলা দেখতে এসেছেন। তারা বাংলাদেশের জয় আশা করেছিলেন। দেশের জন্য জেতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাকিব ও নাঈম অসাধারণ ব্যাটিং করেছে। তারা একটি বড় জুটি গড়েছে, যা আমাদের সংগ্রহ দেড়শ ছাড়িয়ে যাওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। 

মাহমুদউল্লাহ বলেন,নতুন বলে আমাদের আরো ভালো করার কথা ছিল। কিন্তু বোলাররা অনেক অতিরিক্ত রান দিয়ে ফেলেছে। আমাদের এই জায়গাগুলোতে আরো নজর রাখতে হবে এবং শুদ্ধ করতে হবে। আসলে আমরা খেলার মধ্যবর্তী পর্যায় থেকে আমাদের নিয়ন্ত্রণে নিতে পেরেছি। প্রথম ৬ ওভার সেটা ব্যাটিং বা বোলিং - দুই জায়গাতেই আমাদের উন্নতি আনতে হবে।’

‘বি’ গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে খেলতে হবে পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে। সুপার টুয়েলভে যেতে হলে প্রথমবারের মত বিশ্বকাপ খেলতে আসা পাপুয়া নিউগিনিকে হারাতেই হবে টাইগারদের।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

সুপার টুয়েলভের আশা বাঁচিয়ে রাখলো টাইগাররা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সুপার টুয়েলভের আশা বাঁচিয়ে রাখলো টাইগাররা

বাংলাদেশ ও পাপুয়া নিউগিনিকে হারিয়ে সুপার টুয়েলভে আগেই একটি পা দিয়ে রেখেছে স্কটল্যান্ড। অন্যদিকে বিশ্বকাপে টিকে থাকতে হলে আজকের ম্যাচ জিততেই হতো টাইগারদের। এই কঠিন সমিকরণে দাড়িয়ে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সপ্তম আসরের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে ওমানের মুখোমুখি হয়ে বাংলাদেশ। নিজেদের বাঁচা মরার লড়াইয়ে ওমানকে ২৬ রান হারিয়েছে টাইগাররা।

১৫৪ রান লক্ষ্য খেলতে নেমে ২০ ওভার  ৯ উইকেট হারিয়ে ওমান সংগ্রহ করে ১২৭ রান। 

এর আগে ওমানের আল আমেরাত ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে পাওয়ারপ্লেতে ভালো শুরু পায়নি বাংলাদেশ।  বাঁচা-মরার লড়াইয়ে স্বাগতিকদের সামনে ১৫৪ রান লক্ষ্য দেয় টাইগাররা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৩ রানে অল আউট হয়েছে লাল-সবুজরা।

ব্যাটিং এ নেমে ২১ রানে দুই উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। ওপেনার নাইম শেখকে নিয়ে তৃতীয় উইকেটে ৮০ রানের জুটি গড়েন সাকিব আল হাসান। দুজনে মিলে বল খরচ করেন মাত্র ৫৩টি।

১৪তম ওভারের তৃতীয় বলে রান আউট হয়ে বিদায় নেন সাকিব। এই জুটি ভাঙার পর নুরুল হাসান সোহান ও আফিফ হোসেন দ্রুব দ্রুত ফিরে যান। ৪ বলে ৩ রান তুলেন সোহান। ৫ বল খেলে আফিফ করেন ১ রান। অন্যদিকে ১২২ রানের মাথায় আউট হন নাইম।

সৌম্য সরকারের জায়গায় সুযোগ পেয়েই বাজিমাত নাঈমের। ৫০ বলে ৬৪ রান আসে তার ব্যাট থেকে। তিনটি চার ও চারটি ছক্কা হাঁকান তিনি।

১৯তম ওভারের প্রথম বলেই ফিরে যান আট নম্বরে ব্যাট করতে নামা মুশফিকুর রহিম। ৪ বলে ৬ রান আসে তার ব্যাট থেকে। পরের বলেই বিদায় নিতে হয় মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিনকে।

শেষ ওভারের তৃতীয় বলে বোল্ড হন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ১০ বলে ১৭ রান আসে অধিনায়কের ব্যাট থেকে। একটি করে ছক্কা ও চার হাঁকান তিনি। ওভারের শেষ বলে আউট হতে হয় মোস্তাফিজুর রহমানকে। ৩ বলে ২ রান করে মাঠ ছাড়েন তিনি। ৩ বলে ১ রান করে ক্রিজে ছিলেন তাসকিন আহমেদ।

ওমানের পক্ষে ফায়াজ বাট ও বিলাল খান তিনটি করে উইকেট তুলেন। কালিমুল্লাহ পেয়েছেন দুই উইকেট। অধিনায়ক জিশান মাকসুদ একটি উইকেট আদায় করেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

টস : বাংলাদেশ

বাংলাদেশ : ১৫৩/১০ (২০ ওভার)
নাঈম ৬৪, সাকিব ৪২, রিয়াদ ১৭
বিলাল ১৮/৩, ফায়াজ ৩০/৩, কলিমউল্লাহ ৩০/২

ওমান : ১২৭/৯ (২০ ওভার)
জতিন্দর ৪০, প্রজাপতি ২১, জিশান ১২, নাদিম ১৪*
মুস্তাফিজ ৩৬/৪, সাকিব ২৮/৩, সাইফউদ্দিন ১৬/২, মেহেদী ১৪/১

ফল : বাংলাদেশ ২৬ রানে জয়ী।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর