হোয়াটসঅ্যাপের সব চ্যাট পড়ছে ফেসবুককর্মীরা!
হোয়াটসঅ্যাপের সব চ্যাট পড়ছে ফেসবুককর্মীরা!

হোয়াটসঅ্যাপের সব চ্যাট পড়ছে ফেসবুককর্মীরা!

অনলাইন ডেস্ক

ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার ফিচারের ব্যাপারে জনপ্রিয় হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজিং অ্যাপের প্রচারণায় দাবি করা হয়, তাদের মূল মালিকানা কোম্পানি- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক তাদের ব্যবহারকারীদের মধ্যে আদানপ্রদান হওয়া মেসেজ পড়তে পারে না। কিন্তু সেটা যে আসলে পুরোটাই মিথ্যা সেটা সামনে এলো ৭ সেপ্টেম্বর মার্কিন গণমাধ্যম প্রো-পাবলিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গোপনীয়তার নিশ্চয়তা দিলেও ফেসবুক ইঙ্কের আওতাধীন হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজিং সার্ভিস মোটেই গোপনীয় কিছু নয়।  
সারাবিশ্বের হোয়াটসঅ্যাপের মেসেজ পড়তে ও সেগুলো প্রয়োজন অনুসারে সংশোধন করতে এক হাজারের বেশি বেতনভুক্ত কর্মী রেখেছে ফেসবুক।

তথাকথিত প্রাইভেট বা ডিজিটাল কোডিংয়ের মাধ্যমে সুরক্ষিত (ইনক্রিপটেড) মেসেজ পড়ছেন বেতনভুক্ত এসব কর্মী।

শুধু তাই নয় ফেসবুক ইঙ্ক হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের তথ্য বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা- যেমন, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের সঙ্গেও শেয়ার করে।

হোয়াটসঅ্যাপে কোন নতুন ব্যবহারকারী যখন অ্যাপটিতে সাবস্ক্রাইব করেন, তারা শুরুতেই ব্যক্তিগত গোপনীয়তার আশ্বাস দেখেন, যা মূলত একটি বিজ্ঞাপন। সেখানে বলা হয়, আপনার মেসেজ ও কলগুলো এখানে সুরক্ষিত, শুধু আপনি এবং যার সঙ্গে আপনি যোগাযোগ করছেন, কেবল তিনিই এসব দেখতে পাবেন। এছাড়া অন্য কেউ, এমনকি হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষও দেখতে বা শুনতে পাবে না।

কিন্তু প্রো-পাবলিকার প্রতিবেদন বলছে, এসব আশ্বাস ভাঁওতামাত্র। মেসেজ মডারেট করাসহ কল আড়ি পাততে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস, আয়ারল্যান্ডের ডাবলিন ও সিঙ্গাপুরে রীতিমতো বহুতল অফিস রয়েছে ফেসবুকের। এসব অফিসের এক হাজার নিয়মিত কর্মী প্রতিনিয়ত কোটি কোটি বার্তা ও কল বিশ্লেষণ করছেন। '

এসব কর্মীর অস্তিত্ব স্বীকার করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। প্রতিজন মডারেটর দিনে গড়ে ৬০০-এর অধিক অভিযোগ সংক্রান্ত বার্তা নিরীক্ষা করেন, ফলে প্রতিটি বার্তা চেকের ক্ষেত্রে তারা এক মিনিটের কম সময় ব্যয় করতে পারেন।

আরও পড়ুন:


দুই মেয়েসহ মা নিখোঁজ উৎকন্ঠায় পরিবার

রশি দিয়ে বাধা প্রতিবন্ধী শহিদের বন্দী জীবন

বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্রিকেটার রিদু নিহত

স্কুল খোলার পর যেভাবে চলবে প্রাথমিকের ক্লাস!


 

প্রো-পাবলিকা তাদের প্রতিবেদনে আরও জানায়, হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী মেটাডাটা বা ইনক্রিপশনের আওতামুক্ত তথ্যের রেকর্ডও পায়, যা ব্যবহারকারীর অনলাইন গতিবিধি সম্পর্কে অনেক কিছু জানাতে সক্ষম। এখান থেকে অনেক কিছুই মার্কিন বিচার বিভাগের মতো বিশ্বের অনেক আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে জানানো হয়।

news24bd.tv/আলী

;