রাজধানীর যে এলাকায় গ্যাস থাকবে না রোববার

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীর যে এলাকায় গ্যাস থাকবে না রোববার

রোববার রাজধানীর মোহাম্মদপুরের কিছু এলাকায় গ্যাস সংযোগ বন্ধ থাকবে।

শনিবার তিতাস গ্যাসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন:


দুই মেয়েসহ মা নিখোঁজ উৎকন্ঠায় পরিবার

রশি দিয়ে বাধা প্রতিবন্ধী শহিদের বন্দী জীবন

বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্রিকেটার রিদু নিহত

স্কুল খোলার পর যেভাবে চলবে প্রাথমিকের ক্লাস!


এতে বলা হয়,গ্যাস পাইপলাইন প্রতিস্থাপনের সংস্কার কাজের জন্য রোববার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টা আওরঙ্গজেব রোড, শের শাহপুরী রোড, তাজমহল রোড এলাকায় গ্যাসের সরবরাহ বন্ধ থাকবে। 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ সময় আশপাশের এলাকায় গ্যাসের চুলায় অল্প চাপ থাকতে পারে। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ফার্নিচার গোডাউনের আগুন নিয়ন্ত্রণে

অনলাইন ডেস্ক

ফার্নিচার গোডাউনের আগুন নিয়ন্ত্রণে

রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় সাতারকুল জিএম বাড়ি এলাকায় একটি ফার্নিচারের গোডাউনে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিটের প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় শনিবার (২৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আবদুল হালিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।


 আরও পড়ুন : ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৫৫ রান টপকালো ৫০ বলে ইংল্যান্ড!


 

আগুনে পুড়ে যাওয়া মার্কেটের পাশের দোকানের মালিক রাব্বি হাসান বলেন, আমি রাত পৌনে ১০টায় দোকান বন্ধ করেছি। এসময় ওই দোকানের ম্যানেজারও দোকান বন্ধ করছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে দোকানের একদম ভেতর আগুন দেখতে পান তিনি। কিছুক্ষণ পর বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

পরিচ্ছন্নতাকর্মী বন্ধুকে ভোলেননি প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

পরিচ্ছন্নতাকর্মী বন্ধুকে ভোলেননি প্রতিমন্ত্রী

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরিচ্ছন্নতাকর্মী (সুইপার) এর দায়িত্ব থেকে অবসর নিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মোঃ এনামুর রহমানের বাল্যবন্ধু  ছিতুয়ার। ডা. মোঃ এনামুর রহমান মন্ত্রী হলেও আকস্মিকভাবে বাল্যবন্ধুর সাথে দেখা হওয়ার পর তার সাথে ছবি তোলেন তিনি। এরপর সেই ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে শৈশবের স্মৃতিচারণ করে একটি স্ট্যাটাস লিখেছেন তিনি।

সেখানে তিনি লিখেন, আমি বুঝতে পারছিলাম, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে চারপাশের প্রটোকলের আবহ ছিতুয়া আর আমার সম্পর্কের মধ্যে এক অদৃশ্য দেয়াল টেনে দিচ্ছে।

নিউজ টোয়েন্টিফোর টেলিভিশনের দর্শক-পাঠকদের জন্য সে স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো,
“পতাকাবাহী গাড়ি। পুলিশ প্রটোকল। বাড়তি লোকজনের ভিড়। এসব দেখে কিছুটা হতভম্ব ছিতুয়া। আমাদের সেই বন্ধুত্বের আবেগ আর আমার দুরন্তপনার দিনগুলো তখন অতীতের স্মৃতির ঝাঁপি খুলে জ্বলজ্বলে তারা হয়ে উপস্থিত আমার চোখের সামনে। কিন্তু ছিতুয়া প্রচন্ড আড়ষ্ট। নিজেকে আড়াল করার কি ব্যর্থ চেষ্টা! আমি বুঝতে পারছিলাম, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে চারপাশের প্রটোকলের আবহ ছিতুয়া আর আমার সম্পর্কের মধ্যে এক অদৃশ্য দেয়াল টেনে দিচ্ছে। জনারণ্যে “এ্যাই ছিতুয়া “বলে ডাকতেই ফিরে তাকালো সে। 

পড়ন্ত বয়সেও যেন সেই হারানো যৌবনের চকচকে চোখে মৃদু হাসিতে তাকালো আমার দিকে। দৃষ্টি বিনিময় হতেই বন্ধুকে বুকে টেনে নিয়ে বুক ফুলিয়ে গর্বের সাথে বললাম, এই ছিতুয়াই আমার স্কুলের বন্ধু। ছিতুয়ার তখন ছল ছলে চোখ। আমারও গোপন অশ্রুবিন্দু গুলো তখন স্মৃতির মণিমুক্তা হয়ে ভিজিয়ে দিচ্ছে দুই নয়ন। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরিচ্ছন্নতাকর্মী (সুইপার) থেকে সম্প্রতি অবসর নিয়েছে ছিতুয়া। ছিতুয়ার পর পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে ধারাবাহিক পেশাগত সম্পর্ক ধরে রেখেছে বৌদি গীতা রানী। সেও এখন সুইপার পদে কর্মরত। তো আসছি ছিতুয়ার প্রসঙ্গে। আমার বাবা মরহুম আক্তারুজ্জামান খান ছিলেন এই অফিসেরই উচ্চমান সরকারি ( ইউডি এসিস্ট্যান্ট)। আর ছিতুয়ার মা (আমাদের প্রিয় মাসি মা) চানিয়া রানী ছিলেন সুইপার।তখন ছিলো স্বর্ণালীযুগ।

 আমরা যে মূল্যবোধে বেড়ে উঠছিলাম, সেখানে জাতপাতের কোন বালাই ছিল না। আরো অন্যান্য বন্ধুদের মতো ছিতুয়া ও ছিলো আমার দুরন্ত শৈশব আর কৈশোরের অসাধারণ এক বন্ধু। রংপুরের রবার্টসনগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত আমাদের সঙ্গেই ছিলো ছিতুয়া। তারপর পড়াশোনায় সে ইস্তফা দিলেও আমাদের বন্ধুত্বে ভাটা পড়েনি কখনো। আহারে জীবন। আমার সোনালী অতীত। সোনালী কৈশোরের কত শত স্মৃতি মাখা এই রংপুর। আজ ছিতুয়া ঝাপসা করে দিচ্ছে আমার চোখদুটো। 

ছিতুয়া আর আমার দূরন্তপনায় রীতিমতো অস্থির থাকতো পানি উন্নয়ন বোর্ডের কলোনি। আমি দুঃসাহসী “গেছো” ছিলাম। যে কোন গাছে কাঠবিড়ালের মতো তরতর উঠে পড়তে আমার আর ছিতুয়ার ছিলো জুড়ি মেলা ভার। তো কলোনির আঙিনায় সারি সারি নারিকেল গাছের নারকেল পরিপক্ক হবার আগেই তা আমাদের কারণে সাবাড় হয়ে যেতো। তেমনি আম কাঁঠাল-ও। জীবনের পড়ন্ত বেলায় এসে কৈশোরের হারিয়ে যাওয়া স্মৃতিগুলো একদিকে যেমন আনন্দের অন্যদিকে অনেক কষ্টের। 

আরও পড়ুন :  নামাজরত অবস্থায় মসজিদে ঢুকে হাফেজ-ইমামসহ ৪ জনকে হত্যা : গ্রেফতার ৮

সেই আনন্দ আর কষ্টের মিশেলে ভিন্ন‌ এক অনুভূতি আজ উপহার হিসেবে তুলে দিয়েছে আমার বন্ধু ছিতুয়া। সরকারী চাকরী কনটিনিউ করলে বেশ কয়েক বছর আগে আমার নিজেরও অবসর নিতে হতো। আমার বন্ধুদের অনেকেই দেশবরেণ্য চিকিৎসক, সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত লেফটেনেন্ট জেনারেল, অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিবসহ আরো কত কি! ছিতুয়া অবশ্যই তাদের তুলনায় কম কিছু নয়। বন্ধু মানে আস্থা, নির্ভরতা। বন্ধু মানে ভালোবাসা, যেখানে থাকে না কোনো স্বার্থ। গাড়ির পতাকা,প্রটোকল,পদ-পদবী,সামাজিক অবস্থান এগুলো সব কিছুই সাময়িক। কিন্তু বন্ধুত্বের বন্ধন চিরদিনের। ছিতুয়া বন্ধু আমার। তোর জন্য ভালোবাসা।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মাদ্রাসার নামকরণ নিয়ে উত্তেজনা, হাতাহাতিতে বৃদ্ধের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

মাদ্রাসার নামকরণ নিয়ে উত্তেজনা, হাতাহাতিতে বৃদ্ধের মৃত্যু

মাদ্রাসার নামকরণ নিয়ে বিরোধ শুরু হয়। বিরোধ এক পর্যায়ে  কথা কাটাকাটিতে রুপ নেয়। কিন্তু কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে  রুহুল আমিন (৭০) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত রুহুল চট্টগ্রামের পটিয়ায়র আমিন উপজেলার আশিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মৃত শফিউর রহমানের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আশিয়া মল্লাপাড়ার মুন্সি পুকুর পাড় এলাকায় আশিয়া মল্লাপাড়া আহমদিয়া রহমানিয়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসাটি ১৯৮০ সালে স্থাপিত হয়। স্থানীয় কবির আহমদ চৌধুরী, রুহুল আমিন ও নুরুল আমিন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান করেছিলেন। তৎকালীন আবুল বাড়ির বংশের লোকেরা এই মাদ্রাসা পরিচালনা করতেন। পরে মাদ্রাসাটা একই এলাকার জামাল উদ্দিনকে পরিচালনার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেসময় মাদ্রাসা কমিটি বিহীন এককভাবে পরিচালনা করেন, ফলে ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যায় মাদ্রাসার কার্যক্রম। বর্তমানে মাদ্রাসা ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে ।

এ অবস্থায় মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা কবির আহমদ চৌধুরীর চার ছেলে মাদ্রাসাটি সংস্কারের উদ্যোগ নেন। কিন্তু স্থানীয় কামাল উদ্দিন ও তার ছেলে রাসেল সহ কয়েকজন মাদ্রাসাটি দখলে নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে।

কামাল উদ্দিন ও তার ভাইরা মাদ্রাসার দখল না ছাড়ায় সংস্কার কাজ করা যাচ্ছিল না। এর মধ্যে গত ৬ অক্টোবর রুহুল আমিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখত অভিযোগ দাখিল করেন। এতে অভিযোগ করা হয়, কামাল উদ্দিন, জামাল উদ্দিনরা মিলে মাদ্রাসা কক্ষগুলো নিজস্ব মালামাল, মুরগী ও গো-খাদ্য রাখার গোডাউন হিসেবে ব্যবহার করছে।

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর বৈঠকের আয়োজন করা হয়। কিন্তু বৈঠকের আগেই রুহুল আমিন সকাল এগারোটার দিকে মুন্সি পুকুর পাড় মাদ্রাসা এলাকায় আসলে তাকে দেখে কামাল উদ্দিন ও তার অনুসারীরা গালিগালাজ করতে থাকেন। তখন উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়।

একপর্যায়ে রুহুল আমিনের শরীরে সজোরে ধাক্কা লাগলে তিনি সাথে সাথে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এসময় তাকে উদ্ধার করে পটিয়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন :  ১২০ সেকেন্ডে মুহিবুল্লাহকে হত্যা করেন তারা

পটিয়া থানার পরিদর্শক (ওসি) রেজাউল করিম মজুমদার বলেন, মুন্সি পুকুর পাড় এলাকায় একটা মাদ্রাসার নাম করনের বিরোধের জের ধরে এ ঘটনাটি ঘটেছে। শুক্রবার দুপুরে এ মাদ্রাসা নামকরণের বিরোধ নিয়ে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই সকালে উভয় পক্ষের লোকজনের কথা-কাটাকাটির সময় রুহুল আমিন থামাতে গেলেই এক পর্যায়ে তিনি মাথা ঘুরে পড়ে যান। ধারণা করা হচ্ছে তিনি স্ট্রোক করেছেন। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিব।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

বাবার মৃত্যুর পর কাঁদতে কাঁদতে মারা গেলেন মেয়েও

অনলাইন ডেস্ক

বাবার মৃত্যুর পর কাঁদতে কাঁদতে মারা গেলেন মেয়েও

নেত্রকোণার বারহাট্টায় বাবার মৃত্যুর শোকে কাঁদতে কাঁদতে ৯ ঘণ্টার ব্যবধানে মেয়ের মৃত্যু হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলেন- ওই গ্রামের চন্দন খান (৬০) ও তারন মেয়ে নিতু সুলতানা (২০)। নিতু নেত্রকোণা সরকারি মহিলা কলেজের সম্মান শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

আরও পড়ুন


বঙ্গবন্ধু যেতেই গুলি বন্ধ করল বিডিআর

মানুষের সঙ্গে যেভাবে কথা বলতেন বিশ্বনবী

সূরা বাকারা: আয়াত ১২৮-১৩৩, আল্লাহর নির্দেশ ও হয়রত ইব্রাহিম (আ.)

কলকাতা প্রেস ক্লাবে ‘বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার


 

নিহত নিতুর চাচাতো ভাই আখিকুর ইসলাম সানি (২৪) জানান, চাচা চন্দন খান দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়। বাবার মৃত্যুর শোকে নিতুসহ তিন বোন সারাদিন কান্নাকাটি করে। দুপুর ২টার দিকে হঠাৎ নিতু অজ্ঞান হয়ে খাট থেকে পড়ে যায়। তাকে নেত্রকোণা জেলা সদরের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদের গান ও নাচের ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক

প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদের গান ও নাচের ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)

বেশ কয়েকদিন থেকে হঠাৎ আলোচনায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম নিয়ে তার বক্তব্যের একটি ভিডিও ক্লিপ ভাইরালের পরই মূলত আলোচনার-সমালোচনার ঝড় বইছে। এই ঘটনার পর পর প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদের পুরনো কিছু ভিডিও ভাইরাল হয়েছে নেটমাধ্যমে।

নতুন পুরোনো বা কিছু বক্তব্যের ভিডিও ক্লিপ ভাইরালের পর নেটদুনিয়ায় এখন চর্চিত বিষয় প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান। তবে এসব ভিডিওয়ের মধ্যে নেটদুনিয়ায় সবচেয়ে বেশি সাড়া ফেলেছে একটি বাংলা গানের তালে নাচের। আরও ওই গানে অভিনয় করেছেন ডা. মুরাদ হাসান নিজেই। তার সাথে ছিলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং কুষ্টিয়া-৪ এর সাবেক সংসদ সদস্য সুলতানা তরুন।

ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, এই প্রতিমন্ত্রী শুধু গানে অভিনয়ই করেননি। গানের তালে নেচেছেন এবং নিজেরাই কণ্ঠ দিয়েছেন কিংবদন্তি শিল্পী সুবীর নন্দীর কালজয়ী ‘বন্ধু তোর বারাত নিয়ে আমি যাব’ গানটিতে।

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, লুঙ্গি পরে কোমরে গামছা বেঁধে গ্রামীণ যবুক বেশে জুনায়েদ আহমেদ পলক তার প্রিয় শহুরে বন্ধু ডা. মুরাদের অপেক্ষা করছেন। বন্ধুকে পেয়ে খুশি পলক। গান গাইছেন তিনি। তালে তালে নাচছেন ডা. মুরাদ। দুই বন্ধু হাতে হাত ধরে গ্রামীণ মেঠো পথ ধরে দৌড়ে চলে গেলেন বাড়িতে। যেখানে তাদের জন্য অপেক্ষা করছেন বড় বোন সুলতানা তরুন।

আরও পড়ুন


মেসির জোড়া গোলে জয় পেল পিএসজি (ভিডিও)

‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে সাকিব-মুস্তাফিজের কার্যকর বোলিংয়ে স্বস্তির জয়

বিশ্বে আবারও করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়েছে

সুপার টুয়েলভের আশা বাঁচিয়ে রাখলো টাইগাররা


পলক ও ডা. মুরাদের কণ্ঠে কালজয়ী গানের এই ভিডিও দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা। ভিডিওটি শেয়ার করতে দেখা গেছে অনেককে।

জানা গেছে, ১০ বছর আগের ভিডিও এটি। ২০১১ সালে বেসরকারি টিভি চ্যানেল চ্যানেল আই- এর ঈদ আয়োজনে গান গেয়েছিলেন জুনাইদ আহমেদ পলক ও ডা. মুরাদ হাসান।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর