জলাবদ্ধতা, রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি আর যানজটে নাকাল পূর্ব বাসাবোর বাসিন্দারা

তালুকদার বিপ্লব

জলাবদ্ধতা, রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি আর যানজটে নাকাল পূর্ব বাসাবোর বাসিন্দারা

রাজধানীর পূর্ব বাসাবো কদমতলার বাসিন্দাদের দুর্ভোগের যেন শেষ নেই। একদিকে জলাবদ্ধতা নিরসনে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি, অন্যদিকে তীব্র যানজটে নাকাল এ এলাকার মানুষ। এছাড়া বেশিরভাগ ফুটপাতই দখলদারদের দখলে, সড়কেও নেই কোন বাতি। দীর্ঘদিন ধরে চলমান এমন নানা অব্যবস্থাপনার জন্য সিটি কপোরেশনের উদাসীনতাকে দুষছেন ভুক্তভোগীরা।

রাস্তায় ছোট বড় গর্ত সাথে যানজট বাড়িয়েছে মানুষের দুর্ভোগ। এমন চিত্র ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৫ নম্বর ওয়ার্ড পূর্ব বাসাবো কদমতলা বৈদ্যমন্দির থেকে কালিমন্দির পর্যন্ত সড়কের।

অভিযোগ আছে ওয়ার্ডের বেশিরভাগ সড়কে কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই। সামান্য বৃষ্টিতে তৈরি হয় জলাবদ্ধতা। এছাড়া রাস্তায় সড়ক বাতি আছে কিন্তু বেশিরভাগই অকেজো। রাতের বেলা চলতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে নানা দুর্ঘটনা।

আরও পড়ুন


চিড়িয়াখানায় বাড়তি আয়োজন হাতির ফুটবল খেলা

যে কারণে স্ট্যাপলার পিন মুক্ত হচ্ছে না টাকার বান্ডিল

স্বাভাবিক হয়ে আসছে বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের ভ্রমণ যোগাযোগ

ডায়োজিনিস দ্য সিনিক হতে পারেন আমাদের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত!


এছাড়া অবৈধ অটো রিকশা আর সিএনজি দৌরাত্ম্যে দিনরাত যানজট লেগেই থাকে এই সড়কে। স্থানীয়রা বলছেন, কোন বাস এই সড়কে ঢুকলে তীব্র যানজট লেগে থাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। যানজট নিরসনে কাউকে কিছু বললে তারা নাকি মারতে আসে বলেও অভিযোগ বাসিন্দাদের।

তবে এবার শুধু প্রতিশ্রুতি নয় সমস্যা সমাধানে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানান স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন দাস।

এদিকে রাস্তা সংষ্কার এবং দখলমুক্ত রাখতে ডিএসসিসি মেয়রের হস্তক্ষেপ চাইলেন ভুক্তভোগীরা।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ভাসানটেকে ফুটপাত ও রাস্তা অবৈধ দখলে, যানজট নিত্যসঙ্গী

তালুকদার বিপ্লব

ভাসানটেকে ফুটপাত ও রাস্তা অবৈধ দখলে, যানজট নিত্যসঙ্গী

রাজধানীর মিরপুর ১৪ ভাসানটেক সড়ক। ২০১৯ সালে প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২০ ফিট এই রাস্তা ফুটপাতসহ নির্মাণ করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন। নির্মাণের পর পরই এই সড়কের অন্তত ৮০ শতাংশ ফুটপাত অবৈধ দখলে চলে গেছে। শুধু তাই নয়, কোথাও কোথাও ফুটপাত ছাড়িয়ে সড়কের ৭০ শতাংশ দখল করেছে অবৈধ দখলদাররা। ফলে সকাল কি সন্ধ্যা সবসময় যানজট লেগেই থাকে এই সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে। কিন্তু এসব অনিয়মের দায় নিতে নারাজ স্থানীয় প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিরা।

রাজধানীর  মিরপুর ১৪ নম্বর টু ভাসানটেক বাজার সড়ক। হরেক রকম দোকান, গাড়ির গ্যারেজ দেখে বোঝার উপায় নেই, এটি ১২০ ফিট কোন সড়ক। অভিযোগ আছে ২০১৯ সালে ফুটপাতসহ এই রাস্তাটি সংষ্কার হওয়ার পর থেকে এটি অবৈধ দখলদারদের কবলে।

প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তার উভয় পাশে গাড়ির স্ট্যান্ড, নির্মাণসামগ্রীর পুরাতন মালামালের দোকান। কাচাঁবাজার এবং ভাসমান হকাররা ফুটপাতের ৮০ শতাংশ দখলে রেখেছে।

এমনকি কোথাও কোথাও আবার ফুটপাত ছাড়িয়ে সড়কের প্রায় ৭০ শতাংশ গিলে খেয়েছে অবৈধ দখলদাররা। এছাড়া ভাসানটেক বাজার রাস্তায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দাপটে এখানে তীব্র যানজট ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিদিন। জানা যায় এসব দখল-বেদখল নিয়ে হয় লাখ লাখ টাকার চাঁদাবাজি।

আরও পড়ুন


ই-ভ্যালির প্রতারণায় আস্থা সংকটে গোটা ই-কমার্স খাত

বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগের নিরাপদ স্থান: প্রধানমন্ত্রী

অসময়ে বাণিজ্যিকভাবে মাচায় তরমুজ চাষ, লাভের আশায় কৃষক

সৌন্দর্যে ভরা সুনামগঞ্জের সব হাওড়গুলো পর্যটকে মুখরিত


ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সালেক মোল্লাহ জানান, আমরা থানা-পুলিশকেও জানিয়েছি। তারাও কিছু করতে পারে না। আসলে ফুটপাতে বসা এরা কোথা থেকে ইন্ধন পায় জানি না। শুনেছি দলীয় লোকজনই নাকি তাদের বসায়।

দখলদারিত্বের কথা স্বীকার করে এর স্থায়ী সমাধান চান বলে জানায় সিটি কপোরেশন। অঞ্চল ২ এর নির্বাহী কর্মকর্তা এ এস এম সফিউল আজম জানান, প্রতিদিনই পুলিশ নিয়ে টহল দেয়া হয়। কিন্তু এদের আটকানো যাচ্ছে না।

ভুক্তভোগিদের দাবি, দখলবাজদের যারা সুযোগ করে দিচ্ছে, তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হোক। দখলদারদের উৎখাত করে নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য ফুটপাত-রাস্তা উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ই-ভ্যালির প্রতারণায় আস্থা সংকটে গোটা ই-কমার্স খাত

বাবু কামরুজ্জামান

ই-ভ্যালির প্রতারণায় আস্থা সংকটে গোটা ই-কমার্স খাত

ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জসহ আরো বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের প্রতারণার পর গ্রাহকের আস্থা সঙ্কটে গোটা ই-কমার্স খাত। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছেন পুরনো উদ্যোক্তা, মাঠ পর্যায়ের সেলার ও ডিস্ট্রিবিউটররা। উদ্যোক্তারা ও বিশ্লেষকরা বলছেন, যারা গ্রাহকের সাথে প্রতারণা করেছেন তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও জবাবদিহিতার আওতায় আনা গেলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকানো সম্ভব। এছাড়া ই-কমার্স নীতিমালার যথাযথ বাস্তবায়ন ও এ খাতে প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে গ্রাহকের আস্থা ফেরানোর পরামর্শ বিশ্লেষকদের। 

বাজারমূল্যের চেয়ে অর্ধেক দামে পণ্য বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে ইভ্যালি লাখ লাখ গ্রাহকের হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এছাড়া ই-অরেঞ্জ, ধামাকাসহ নতুন নতুন বেশ কিছু কোম্পানি রাতারাতি ফুলে ফেঁপে উঠে।

সম্প্রতি এজন্য আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্রে ই-কমার্স খাত। বেশি দামে বিক্রির আশায় এসব কোম্পানিতে লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে এখন পথে বসেছেন অনেক গ্রাহক। যার প্রভাব পড়ছে পুরনো উদ্যোক্তা ও বিক্রেতাদের ওপরও।

দারাজ বাংলাদেশের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার এ এইচ এম হাসিনুল কুদ্দুস রুশো বলেন, অনেক উদ্যোক্তা সল্প পুঁজি নিয়ে অন্যদের পণ্য দিয়েছে। কিন্তু সে সেখান থেকে টাকাটা ফেরত পায়নি। সল্প পুঁজির কারণে এখন সে আর দারাজে পণ্য দিতে পারছে না।

অর্থনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, সময় এসেছে ই-কমার্স খাতে প্রয়োজনীয় সংস্কার পদক্ষেপের। সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলছেন, সরকারকে এই খাতে সংস্কার আনতে হবে। নিয়ম নীতি করতে হবে। আর ভোক্তাদেরও জানতে হবে এই খাতে ঝুঁকি কোথায়।

অর্থনীতিবিদ ড. জামালউদ্দিন আহমেদ বলছেন, নিয়ম নীতির পাশাপাশি অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের এই খাতে যুক্ত করা গেলে ঝুঁকি কমবে।

আরও পড়ুন


বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগের নিরাপদ স্থান: প্রধানমন্ত্রী

অসময়ে বাণিজ্যিকভাবে মাচায় তরমুজ চাষ, লাভের আশায় কৃষক

সৌন্দর্যে ভরা সুনামগঞ্জের সব হাওড়গুলো পর্যটকে মুখরিত

পাঁচ বছরে বাংলাদেশকে ১২০০ কোটি ডলার দেবে এডিবি


ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ই-ক্যাবের সদস্য প্রতিষ্ঠান এখন ১৬শ ছাড়িয়েছে। শুধু নীতিমালা ও আইনের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ই-অরেঞ্জের গ্রাহক ও সরবরাহকারীদের ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা নিয়েছে। কিন্তু এসব টাকা ফেরত দিচ্ছে না। বহুল আলোচিত ইভ্যালিও নিয়েছে গ্রাহকদের কাছ থেকে ১ হাজার কোটি।

ইক্যাবের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ সাহাবউদ্দিন শিপন জানান, ই-কর্মাসের মূল জায়গাটা হল ট্যানজেকশন। যার বেশিরভাগই হয়ে থাকে অনলাইনে। তাই বাংলাদেশ ব্যাংক যদি মনিটরিং করে তাহলে এমন ঘটনা আর ঘটবে না।

গেল দুই মাসে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছে ৬ হাজার। ইভ্যালি ও ই-অরেঞ্জ ছাড়া আইনি পদক্ষেপ নেই জালিয়াতি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া অন্যদের বিরুদ্ধে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

সীমান্তে পানি বাড়লে বাড়ে অস্ত্র কারবারীদের তৎপরতা

কাজী শাহেদ, রাজশাহী

সীমান্ত পেরিয়ে আসছে অস্ত্র। নদীতে পানি বাড়লে আরো বাড়ে অস্ত্র কারবারীদের তৎপরতা। এজন্য ব্যবহার করা হয় দেশের ৩০ রুট। অস্ত্র চোরাচালান রোধে বিজিবির সঙ্গে যৌথ অপারেশনের পরিকল্পনা করছে র‌্যাব। হালনাগাদ করা হচ্ছে অস্ত্র ব্যবসায়ীদের তালিকা। 

দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মিয়ানমার থেকে নানা কৌশলে অবৈধ অস্ত্র ঢোকে বাংলাদেশে। এজন্য ব্যবহার করা হয় স্থল ও জলপথের ৩০টি রুট। সাম্প্রতিক সময়ে অস্ত্রের কয়েকটি চালানের নাগাল পেয়েছে আইন-শৃংঙ্খলাবাহিনী। নদীতে পানি বাড়লে চক্রটি বেশি তৎপর হয়, বলছে আইন-শৃংঙ্খলাবাহিনী।

সম্প্রতি র‌্যাবের হাতে অস্ত্রের একটি বড় চালান আটক হয়েছে। র‌্যাব বলছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী ও নাটোর হয়ে এসব অস্ত্র চলে যায় ঢাকায়।

সীমান্ত পেরিয়ে এসব অস্ত্রের চালান আসা বন্ধে বিজিবির সঙ্গে যৌথভাবে অপারেশনের পরিকল্পনা র‌্যাবের। আর পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা বলছেন, সীমান্তে মূল দায়িত্ব বিজিবির।

আরও পড়ুন:


সিলেটে বাসার ছাদ থেকে আপন দুই বোনের মরদেহ উদ্ধার

ক্ষমতায় থাকছেন ট্রুডো, তবে গঠন করতে হবে সংখ্যালঘু সরকার

মিডিয়া ভুয়া খবর ছড়িয়েছে: বাপ্পী লাহিড়ি


অস্ত্রের চোরাচালান রোধে গডফাদার ও বহনকারীদের তালিকা হালনাগাদ করছে র‌্যাব। আর অস্ত্র চোরাচালানের উদ্বেগজন কোনো তথ্য নেই বলছেন রেঞ্জ ডিআইজি।

অবৈধ অস্ত্রগুলো কয়েক দফা হাত বদলে, বড় শহরগুলোতে পৌঁছায়, মাঝখানে লেনদেন হয় মোটা অঙ্কের টাকা-বলছে আইন-শৃংঙ্খলাবাহিনী।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে চলছে লক্কর ঝক্কর গণপরিবহন, নেওয়া যাচ্ছে না আইনি ব্যবস্থা

নাঈম আল জিকো

রাজধানীতে চলছে লক্কর ঝক্কর গণপরিবহন, নেওয়া যাচ্ছে না আইনি ব্যবস্থা

ফিটনেস নেই তবুও রাজপথে। চলার যোগ্য নয় তারপরেও চলছে। বলছি, রাজধানীর রাজপথ দাপিয়ে বেড়ানো লক্কর ঝক্কর গণপরিবহনের কথা। গাড়ির বেহাল দশা হলেও, ফিটনেস সনদ থাকায় এসবের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া যাচ্ছে না বলে জানান কর্মরত পুলিশ সদস্যরা। তবে বিআরটিএ বলছে, এমন বাস যাতে রাজপথে চলতে না পারে সেজন্য চলছে তাদের নিয়মিত অভিযান। 

প্রতিদিন রাজধানীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যেতে হাজার হাজার মানুষ নির্ভর করেন বাসের ওপর। রাজধানীর ১৯৩ টি রুটে যাত্রী নিয়ে প্রতিদিন চলে ৫ হাজারের বেশি বাস।

রাজধানীতে চলা বাসগুলোর একটা অংশের এরকম বেহাল দশা। কোন বাসের জানালার কাঁচ ভাঙ্গা, কোনটির হেডলাইট, সিগনাল লাইট নেই। আবার কোনো বাসের সিট করছে নড়বড়, খুলে পড়ছে গাড়ির বডির বিভিন্ন অংশ। কোনোটির রং চটেছে বহু আগেই।

    

পুলিশ বলছে, রাজধানীতে ফিটনেস ছাড়া গাড়ির সংখ্যা এখন ২০ থেকে ৩০ শতাংশ। এরপরও এসব বাসের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছেন তারা। তবে ফিটনেস সনদের মেয়াদ থাকায় আইনি ব্যবস্থা নিতে খানিকটা হিমশিম খেতে হয় তাদের।

পরিবহন চালকরা জানান, গাড়ি মেরামত করে ফিটনেস সনদ নেয়া হয়। এরপর যাত্রী নেয়ার তাগিদে মাস তিনেক না যেতেই গাড়ির দশা বেহাল। 

বিআরটিএ বলছে, ফিটনেস সনদ দেয়ার পরও, প্রতিদিন রাজধানীর বিভিন্ন রুটে ৯টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ডাম্পিংসহ এসব গাড়ির বিরুদ্ধে নেয়া হয় আইনি ব্যবস্থা। 

রও পড়ুন:

যশ-নুসরাতকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন নিখিল!

ব্রিটিশ রাজকুমারী বিট্রিস ও মোজ্জির ঘরে এল কন্যা সন্তান

রাজ্য সভাপতির পদ হারালেন দিলীপ ঘোষ

শেষ মুহুর্তের গোলে মান বাঁচালো বার্সেলোনা


বিআরটিএর তথ্য বলছে, গেল বছর শুধু রাজধানীতেই প্রাইভেট কার, বাস, ট্রাকের ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৩৫০ টি গাড়ির ফিটনেস সনদ দেয়া হয়েছে। যার মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন রুটে চলছে ৫ হাজারের বেশি বাস। এসব গাড়ির ফিটনেস সনদ দিতে ডিজিটাল মাধ্যমসহ চোখে দেখেও দেয়া হয় সনদ। তাই দেখে নয়, ফিটনেস পরীক্ষার পুরো প্রক্রিয়াকে অটোমেশনের আওতায় আনার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। 

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

সড়ক দুর্ঘটনার প্রায় ছয় শতাংশ-ই ঘটছে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশায়

আরেফিন শাকিল

দেশের মোট সড়ক দুর্ঘটনার প্রায় ছয় শতাংশ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশায় ঘটায় দ্রুত তা বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন যাত্রী ও পরিবহন বিশেষজ্ঞরা। যাত্রীরা বলছেন, বিশাল অংকের চাঁদাবাজিকে টিকিয়ে রাখতে অবৈধ বাহনকে টিকিয়ে রাখছে সরকারের একটি মহল। আর পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তিন চাকার হাল্কা ওজনের দ্রুত গতির  অটোরিকশা যাত্রী ও সড়কের জন্য রীতিমতো মরণফাঁদ।

গেলো শুক্রবার বগুড়ায় বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত নিয়েছে।বগুড়ার এমন ছবি মূলত গোটা দেশেরই। যাত্রী কল্যাণ সমিতির সবশেষ হিসাব বলছে, সারাদেশের মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৬.৮৪ শতাংশই ঘটে ব্যাটারিচালিত রিকশা-ইজিবাইকে।
এমন ভয়াবহ পরিসংখ্যানের কারণে আদালত সারাদেশে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা নিষিদ্ধ করেছে। অথচ ঢাকার অলি-গলি-সড়ক-মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়ায় বিপদজনক এই বাহন। বিশেষ টোকেনে চলে চাঁদাবাজির রমরমা বাণিজ্য। যাত্রীরা বলছেন, বিকল্প উপায় না পেয়ে অটোরিকশায় চড়তে হয় তাদের।

পরিবহন বিশেষজ্ঞ শামশুল হক বলছেন, হাল্কা সরঞ্জাম দিয়ে তৈরি অটোরিকশায় গতি সংযোজন করায় তা সড়কে চলার জন্য রীতিমত মরণফাঁদ। এছাড়া গতি নিয়ন্ত্রণে রাখার মতো অভিজ্ঞ চালক দ্বারা এসব বাহন পরিচালিত না হ্ওয়ায় তা যানজট আর দুর্ঘটনার বড় নিয়ামক হিসাবে কাজ করে।

এতে করে প্রতিনিয়ত মৃত্যু আর পুঙ্গত্ব তালিকায় নতুন নতুন নাম যুক্ত হয়ে জানিয়ে যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব বলেছেন, এসব বাহন রাস্তায় রাখতে বিশাল সিন্ডিকেট কাজ করে।

অটোরিকশা ঘিরে কোন সিন্ডিকেট নেই দাবি করে পুলিশ বলছে, বাহনটি রাস্তা থেকে সরাতে অভিযান অব্যাহত আছে।

পরবর্তী খবর