গ্রিসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম শুরু

অনলাইন ডেস্ক

গ্রিসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম শুরু

বাংলাদেশ দূতাবাস এথেন্স, গ্রিসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। আজ সোমবার তিনি এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনের সময় বাংলাদেশ দূতাবাসে অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধামন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি মোতাবেক মুজিববর্ষে ই-পাসপোর্ট সাধারণ জনগণের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। ২০১০ সালে বাংলাদেশ সরকার মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (MRP) এবং বাংলাদেশ ভ্রমণেচ্ছু বিদেশি নাগরিকগণকে মেশিন রিডেবল ভিসা (MRV) প্রদান করে। বর্তমানে ৭৩ টি বিদেশী মিশনে এমআরপি ও এমআরভি সেবা চালু রয়েছে। প্রবর্তনের পর অদ্যাবধি তিন কোটি ১১ লাখ ১০ হাজার এমআরপি ইস্যু করা হয় এবং ১৬ লক্ষ ১৯ হাজার এমআরভি ইস্যু করা হয়।'

তিনি আরও বলেন, ‌‘এমআরপি ও এমআরভি’র প্রবর্তন করে সরকার এই সেবার আধুনিকায়ন বন্ধ করেনি।  গত ২২ জানুয়ারি, ২০২০ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বর্তমান বিশ্বের সর্বাধুনিক ই- পাসপোর্ট এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করে বলেন, ই-পাসপোর্ট বাংলাদেশের জনগণের জন্য মুজিববর্ষের উপহার।

মন্ত্রী বলেন,বাংলাদেশের সব পাসপোর্ট অফিস থেকে ই পাসপোর্ট ইস্যু করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত দশ লক্ষ ৬২ হাজার ই পাসপোর্ট দেয়া  (জনগণকে)  হয়। এর আগে গত ০৫ সেপ্টেম্বর প্রথম বৈদেশিক মিশন হিসেবে জার্মানির বার্লিনে ই পাসপোর্ট কার্যক্রম উদ্বোধন করেন  মন্ত্রী। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ বিমানবন্দরে ই-গেইট স্থাপন করা হয়েছে যা দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম এমনকি উন্নত দেশগুলির স্বল্পসংখ্যক দেশে স্থাপিত হয়েছে। এর মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী চিন্তার সফল বাস্তবায়ন সম্ভব হলো।

এথেন্স থেকে দূরে বসবাসকারী প্রবাসীরা যেন সহজে পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করতে পারে সেজন্য ই পাসপোর্ট আবেদনের যন্ত্রপাতি সহ একটি মোবাইল ইউনিট  রাষ্ট্রদূতের নিকট হস্তান্তর করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী প্রবাসী বাংলাদেশীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। 


বিয়ে ছাড়াই আবারও মা হচ্ছেন কাইলি জেনার

বলিউড পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের প্রস্তাবে মিমের না!

দেশমাতা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন


 

সভাপতির বক্তব্যে পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আইয়ূব চৌধুরী বলেন, গ্রিস প্রবাসী সকল বাংলাদেশীদের পাসপোর্ট সংশ্লিষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আইয়ূব চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  বাংলাদেশ দূতাবাস গ্রিসের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী; জার্মান Veridos কোম্পানির Chief Operation Officer Mr. Mac Julian Siwart; গ্রিসে অবস্থানরত বাংলাদেশী প্রবাসীবৃন্দ প্রমুখ। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ঢাকা-নিউইয়র্কে বিমানের ফ্লাইট দ্রুত চালু হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা-নিউইয়র্কে বিমানের ফ্লাইট দ্রুত চালু হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

শিগগির ঢাকা থেকে নিউইয়র্কে আবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট চালু করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

সোমবার নিউ ইয়র্কের হোটেল লোটে নিউইয়র্ক প্যালেসে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এই আশার কথা জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী গতকালকে বাংলাদেশ বিমানে নিউইয়র্কে এসেছেন। বাংলাদেশ বিমানে আমরা নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশে যেতাম বহু বছর আগে। তারপর বিমানটা বন্ধ হয়ে যায়। এখন আমাদের বিমান এখানে এসেছে। আমাদের প্রত্যাশা, যে আগামীতে বাংলাদেশ বিমান নিউইয়র্ক টু ঢাকা এই লাইনটা চালু হবে।


সিলেটে বাসার ছাদ থেকে আপন দুই বোনের মরদেহ উদ্ধার

ক্ষমতায় থাকছেন ট্রুডো, তবে গঠন করতে হবে সংখ্যালঘু সরকার

মিডিয়া ভুয়া খবর ছড়িয়েছে: বাপ্পী লাহিড়ি


তিনি আরও জানান, বহু বছর আগে ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট ছিল বাংলাদেশ বিমানের। পরে ফ্লাইটটি বন্ধ হয়ে যায়। এখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) একটি চুক্তি হয়েছে। চুক্তিটি ভালো পর্যায়ে আছে এবং খুব তাড়াতাড়িই ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট পুনরায় চালু হবে বলে তিনি আশা করেন। 

জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হিসেবে আছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

বঙ্গবন্ধুর নামে জাতিসংঘের বাগানে বেঞ্চ উৎসর্গ

অনলাইন ডেস্ক

বঙ্গবন্ধুর নামে জাতিসংঘের বাগানে বেঞ্চ উৎসর্গ

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে যোগ দিতে গত রোববার নিউইয়র্কে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর সেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের বাগানে একটি ‘হানি লোকাস্ট’ গাছের চারা রোপণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করে তার বাণীসংবলিত একটি বেঞ্চও উন্মুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

গতকাল সোমবার স্থানীয় সময় সকালে জাতিসংঘ সদরদপ্তরের উত্তর লনে এ বৃক্ষরোপণ ও বেঞ্চ উন্মুক্ত করেন তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি একটি বিশেষ দিন। কারণ আমাদের যুদ্ধ বিজয়ের পর ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ১৭ সেপ্টেম্বর স্বীকৃতি পাওয়ার পর পরই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘে আসেন এবং ২৫ সেপ্টেম্বর তিনি (বঙ্গবন্ধু) ভাষণ দেন। সেই ভাষণটি তিনি দিয়েছিলেন বাংলা ভাষায়।

শেখ হাসিনা বলেন, একটি চেয়ার উৎসর্গ করা হলো, একটি বৃক্ষরোপণ করা হলো। বৃক্ষ পরিবেশও রক্ষা করে, মানুষকে খাদ্য দেয়, মানুষকে ছায়া দেয় এবং মানুষের জীবনকে রক্ষা করে। আর চেয়ারটার এটিই সবচেয়ে বড় বিষয়— মানুষ এখানে শান্তিতে বসবে, কিছুক্ষণ আরাম করবে ও চিন্তা করবে।

বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রনীতির কথা মনে করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার যে লক্ষ্য ছিল— সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়। এটিই ছিল বঙ্গবন্ধুর জীবনের লক্ষ্য— সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব রক্ষা করে চলা। কারণ তাতে শান্তি আসবে এবং শান্তির সন্ধানেই তিনি সবসময় ছিলেন, শান্তির জন্যই সংগ্রাম করেছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত   

পরবর্তী খবর

সৌদিতে বয়লার বিস্ফোরণে বাংলাদেশি যুবক নিহত

অনলাইন ডেস্ক

সৌদিতে বয়লার বিস্ফোরণে বাংলাদেশি যুবক নিহত

সৌদি আরবের আল-কাসিমে বয়লার বিস্ফোরণে সোহেল শিকদার (২৮) নামের এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। গত রোববার আল-কাসিম এলাকায় একটি নির্মাণ কোম্পানিতে কাজ করার সময় বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে  চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন বিকেলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার পাচ্চর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের রাজ্জাক শিকদারের ছেলে সোহেল শিকদার। এ ঘটনায় আরও কয়েকজনের হতাহতের খবর শোনা গেলে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জানা যায়, স্থানীয় সময় গত রোববার সকালে নিজ কর্মস্থলে যাওয়ার পর সকাল ৭টার দিকে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন সোহেল। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলেই তাঁর মৃত্যু হয়। রাতেই মৃত্যুসংবাদ সোহেলের বাড়িতে পৌঁছানো হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোহেল প্রায় আট বছর আগে সৌদি আরবে যান। দেড় বছর আগে একবার দেশে এসছিলেন। পরিবারে স্ত্রীসহ চার বছর বয়সীেএকটি ছেলে ও সাত মাস বয়সী এক মেয়ে রয়েছে সোহেলের।

আরও পড়ুন


ধীর জীবন মানেই অলস জীবন নয়

ইভা রহমান এখন ইভা 'আরমান'

সরলতার সুযোগে রোনালদোর ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ

রণবীরকে দাম্পত্য বিষয়ক সমস্যার সমাধান দিলেন কারিনা!


সোহেলের বড় ভাই আবদুল গাফফার  শিকদার জানান, ‘মেয়েটা যখন হয় তখন আমার ভাই সৌদি আরবে ছিল। মেয়েকে দেখার জন্যই আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর দেশে আসার কথা ছিল। টিকিটও কাটা ছিল। সোহেল আর মেয়েটাকে দেখতে পারবে না।’

সোহেলের মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানান পরিবার ওস্বজনরা। বর্তমানে মরদেহ সৌদি আরবের একটি হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হয়েছে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

কানাডায় জাতীয় পতাকা উড়িয়ে ম্যারাথন শেষ করল তিন বাংলাদেশী

লায়লা নুসরাত, কানাডা

কানাডায় জাতীয় পতাকা উড়িয়ে ম্যারাথন শেষ করল তিন বাংলাদেশী

কানাডায় ১৯৬৩ সাল থেকে যাত্রা শুরু করে ক্যল্গেরি ম্যারাথন দৌড়, যা কিনা বর্তমানে কানাডার দীর্ঘতম এবং অন্যতম জনপ্রিয় ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা, সর্বশেষ ২০১৯ পর্যন্ত মোট আট বার আলবার্টা প্রদেশের শ্রেষ্ঠ রোড রেস হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।

 এই প্রতিযোগিতায় দুইবছরের শিশু থেকে শুরু করে বয়োবৃদ্ধ সবার বিভিন্ন দূরত্বের দৌড় কিংবা হাঁটায় অংশগ্রহনের মাধ্যমে পুরো ক্যল্গেরি নগরী উৎসব মুখর হয়ে উঠে। এই প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন দূরত্বের মধ্যে আলট্রা (৫০ কিমি), ফুল ( ৪২.২ কিমি) আর হাফ (২১.১) ম্যারাথন দৌড় সর্বাধিক জনপ্রিয়।

সদ্য সমাপ্ত ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা ক্যল্গেরিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য একটু ভিন্ন অভিজ্ঞতা ছিল।এবারের ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ অনুস্ঠিত ফুল ম্যারাথন ক্যাটাগড়িতে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশী তিনজন অংশগ্রহণ করেন- এর মধ্যে ক্যল্গেরিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশী প্রবাসী ডঃ খোকন সিকদার ও নবাংশু শেখর দাস এবং বাংলাদেশ থেকে আগত প্রশান্ত রায়।

ম্যারাথন দৌড়ের শুরু থেকে শেষ অব্দি লাখো প্রাণের ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকা উড়িয়ে ভালোবাসা আর সম্মানে সিক্ত করেছেন তাঁরা । উল্লেখ্য, এবারের প্রতিযোগিতায় কোভিড রেস্ট্রিকশনের মধ্যেও প্রায় ৭,৫০০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহন করেন।

তিন বাংলাদেশীর পরিকল্পনাটা ছিল ২০১৯ থেকেই , তবে বাস্তবায়নটা থমকে যায় কোভিড-১৯ ভাইরাসের মহামারির কারণে ২০২০ ক্যল্গেরি ম্যারাথন দৌড়প্রতিযোগিতা সরাসরি না হয়ে ভার্চুয়ালি হবার কারনে। 

এবছরও ক্যল্গেরি ম্যারাথন দৌড় দুটো ফরম্যটে হয়েছে ভার্চুয়ালি আর সরাসরি ।তবে শুরু থেকেই একটা শঙ্কা ছিল আদৌ সরাসরি অনুষ্ঠিত হবে কিনা , কিন্তু এর ত্রয়ী উনাদের ট্রেনিং বাংলাদেশ এবং কানাডাতে সমানতালে চালিয়ে যাচ্ছিলেন। স্বপ্ন ছিল একটাই - ক্যল্গেরি ম্যারাথনে বাংলাদেশের মানচিত্র বুকে নিয়ে দৌড়ে চলা।

প্রভিন্সিয়াল গভর্ণমেন্ট এ কর্মরত স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী ডঃ খোকন চন্দ্র সিকদার বলেন, "কানাডার মাটিতে আমরা তিন বন্ধু বাংলাদেশেরজাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে বিশ্বখ্যাত আন্তর্জাতিক ম্যারাথনে অংশ নিয়ে একদিকে যেমন প্রিয় মাতৃভূমির প্রতি সম্মান জানাচ্ছি, অপরদিকে দেশের মানুষদের একটিভ লিভিং এ অভ্যস্ত হতে প্রেরনা জাগাতে চাচ্ছি। বাংলাদেশের জেলায় জেলায় এমনকি উপজেলাশহরগুলোতে দৌড়, সাইক্লিং সহ বিভিন্ন একটিভ জীবনযাপনের ট্রেনিং ইন্সিটিউট এবং এর প্রতিযোগিতা হওয়া উচিত। এতে করে প্রায় সব বয়সী মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস আবার ফিরে আসবে। অল্পতেই অসুস্থ হওয়া, ঘন ঘন ডাক্তারের সান্নিধ্যে আসার প্রয়োজনীয়তা কমে আসবে, এবং যুবসমাজের মধ্যে ইভটিজিং সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পরার প্রবনতা কমে আসবে।"

২০২১ এর ক্যল্গেরি ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বুকে নিয়ে দৌড়ের স্বপ্ন নিয়ে প্রশান্ত রায় হাজার মাইলপাড়ি দিয়ে সুদূর ঢাকা থেকে ক্যল্গেরি এসেছেন।

৪২.২ কিলোমিটার শেষে ফিনিশ লাইনে এসে প্রশান্ত রায়ের অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি শুধু একটি কথাই বললেন, “স্বপ্ন পূরণ, এবং তা সম্ভব হয়েছে শুধু মাত্র বন্ধু খোকন সিকদারের একান্ত ইচ্ছায়।” তিনি আরো যোগ করেন, “মানসিক ও শারীরিক সাস্থ্য সুস্থরাখার অন্যতম উপায় হাঁটা অথবা দৌড়। এর কোন বিকল্প নেই। অনেকেই এটাকে কস্টের মনে করেন, কিন্তু শুরু করলে যে ফিজিক্যাল ওমানসিক প্রশান্তি আসে, তা উপলব্ধি করার পর কেউ এটা ছাড়তে পারবে না। তিনি আরো বলেন, ডাক্তার ও ঔষধ এড়াতে চাইলেনিয়মিত হাঁটা এবং দৌড়ানোর কোন বিকল্প নেই।” পরিশেষে বলতে চাই, ছোট ভাই নবাংশু উৎসাহ আমাকে প্রাণবন্ত করে ফিনিশ লাইনপর্যন্ত পৌঁছাতে।”

রও পড়ুন:

ধীর জীবন মানেই অলস জীবন নয়

ইভা রহমান এখন ইভা 'আরমান'

সরলতার সুযোগে রোনালদোর ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ

রণবীরকে দাম্পত্য বিষয়ক সমস্যার সমাধান দিলেন কারিনা!


আন্তর্জাতিক খ্যতি সম্পন্ন ক্যল্গেরি ম্যারাথন দৌড় ২০২১ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা তুলে ধরতে পেরে প্রবল উচ্ছ্বসিত নবাংশু শেখর দাস বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব ক্যল্গেরি তে পি এইচ ডি গবেষণারত । তার কাছে দৌড়টা হচ্ছে মানসিক চাপ দূর করারএক হাতিয়ার। তাই ল্যাবের কাজের ফাঁকে সুযোগ পেলেই এক চক্কর দৌড় দিয়ে আসেন।তবে ম্যারাথনে দৌড়ের চিন্তা এবং উৎসাহ আসে ডঃ সিকদারের ২০১৮ এর উইন্টারে পরিচয়ের পর থেকেই। আর লাল সবুজের পতাকা উড়ানোর পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের ধাপগুলো চূড়ান্ত হয় প্রশান্ত রায়ের অংশগ্রহনের মাধ্যমে। 

প্রবাস জীবনে গত চার বছরের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে নবাংশু মনে করেন পরিবার পরিজন ছেড়ে এক নতুন সামাজিক এবং একাডেমীক পরিবেশে অনেক সময়ই মানসিক অবসাদ চলে আসে। আর এর থেকে পরিত্রাণ পেতে একটিভ লিভিং-টা খুবই জরুরী।নবাংশু বিশ্বাস মনে করেন সুস্থ দেহেই সুস্থ মনের বাস। 

ম্যারাথন দৌড়ের ফিনিশ লাইন অতিক্রম করার পরে নবাংশু বলেন, “বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা বুকে নিতে ফিনিশ লাইনে দাঁড়ানো ছিল আমার জীবনে অন্যতম শ্রেষ্ঠ অনুভূতি।” 

আগামীতে আরও ভিন্ন ভিন্ন ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করে নবাংশু আরও বলেন, আমাদের এই বাংলাদেশী তিন বন্ধুর ফুল ম্যারাথনে অংশগ্রহন ক্যাল্গেরি তথা বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশী কমিউনিটিতে স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি করবে বলে আশা করি।

উল্লেখ্য, বিশ্বব্যপী ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা ক্রমেই জনপ্রিয় উঠছে। স্থিতি সরাসরি মৃত্যু না ঘটালেও যন্ত্র নির্ভর আমাদের দৈনন্দিন স্থবির জীবন চর্চা আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য প্রধান হুমকি। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে একটিভ লিভিং বা সচল জীবন যাত্রার বিকল্প নাই। আর তাই তো প্রবাদে আছে গতিই জীবন স্থিতিই মরণ।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি

সৌদি বিনিয়োগমন্ত্রী বাংলাদেশে আরও বেশি সৌদি বিনিয়োগের সম্ভাবনা আছে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। ১৯ সেপ্টেম্বর সৌদি বিনিয়োগমন্ত্রী খালিদ আল ফালিহ সৌদি সফররত প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের সঙ্গে বৈঠককালে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে সালমান এফ রহমান বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বর্তমান সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ বর্ণনা করেন। পাশাপাশি সৌদি বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্ধারণ করার প্রস্তাব দেন।

সৌদি বিনিয়োগমন্ত্রী বাংলাদেশের এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব ব্যবস্থায় সৌদি বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে খসড়া সমঝোতা স্মারকটি চূড়ান্ত করার জন্য অনুরোধ করেন।

উপদেষ্টা আরও বলেন, সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হলে বাংলাদেশের অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে সৌদি বিনিয়োগের সুযোগ প্রসারিত হবে।

এ সময় সৌদি বিনিয়োগমন্ত্রী জানান, সমঝোতা স্মারকটি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং তা দ্রুত স্বাক্ষর হবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

আলোচনাকালে সৌদি মন্ত্রী বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল খাতভিত্তিক বিনিয়োগ বিষয়ে সহযোগিতা চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রও পড়ুন:

ধীর জীবন মানেই অলস জীবন নয়

একটি হটডগ আয়ু কমাতে পারে ৩৬ মিনিট পর্যন্ত!

ইভ্যালি ধরলেও সমস্যা, ছাড়লেও সমস্যা! কোথায় যাবেন ফারিয়া?

তৃতীয় স্বামীর কাছে শুধু বিচ্ছেদই নয়, খরচও চাইলেন শ্রাবন্তী


 

উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রতিনিধিদল বিনিময়ের গুরুত্ব তুলে ধরে সৌদি বিনিয়োগমন্ত্রীকে আগামী নভেম্বরের ২৮ ও ২৯ তারিখে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের অনুরোধ জানালে মন্ত্রী খালিদ আল ফালিহ তা সাদরে গ্রহণ করেন।

সালমান এফ রহমানের সভাগুলোতে সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার) উপস্থিত ছিলেন।এ ছাড়া বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের সদস্য বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন ও বাংলাদেশ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) সুলতানা আফরোজসহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর