নতুন এমডি নিয়োগ দিয়েছে তিন ব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক

নতুন এমডি নিয়োগ দিয়েছে তিন ব্যাংক

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ অনুযায়ী গতকাল সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের একটি প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে তাদেরকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক শিরীন আখতারকে পদোন্নতি দিয়ে একই ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। 

এছাড়া সোনালী ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল মান্নানকে কর্মসংস্থান ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও রূপালী ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক খন্দরকার আতাউর রহমানকে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন:

ইসলামে পরিমিত খাবার গ্রহণের গুরুত্ব

অতিরিক্ত অর্থ দাবি করায় হোটেলেই হাত-পা বেঁধে যৌনকর্মীকে হত্যা

'ছেলেদের সাথে বসা যাবে না, মানতে হবে ড্রেসকোড'

জানা গেল এসএসসি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ


রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মহাব্যবস্থাপক পদে নিয়োগ/পদোন্নতি ও পদায়ন বিষয়ক নীতিমালা-২০১৯ ও সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে জারি করা নীতিমালা দ্বারা পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের চাকরি নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার বাড়তেও পারে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার বাড়তেও পারে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমালেও প্রান্তিক বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, লক্ষ করলাম সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার তুলনামূলকভাবে বেশি। এ কারণে সবাই এখানে চলে এসেছে। অর্থনীতির অন্য চালিকা শক্তিগুলো এতে সমস্যায় পড়েছে। মুনাফার হার কমানো হয়েছে, তবে প্রান্তিক পর্যায়ের বিনিয়োগকারীদের জন্য তাদের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে হাত দেওয়া হয়নি।

আজ বুধবার বেলা তিনটায় সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‌‘নিরুৎসাহিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। এক কোটি টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের ব্যবস্থা করে রাখা আছে।’

আরও পড়ুন:


পাঁচ বিভাগে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা

এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?

রাজপথে নামার আহ্বান মোশাররফ-মান্নার

বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টা পর প্লাইউড ফ্যাক্টরির আগুন নিয়ন্ত্রণে


সুদের হার কমানোর ফলে সরকারের সাশ্রয় হবে কত, এমন প্রশ্নের তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব দেননি অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বার্থ দেখেছি। মুনাফায় হার বাড়ানো, কমানো একটি চলমান প্রক্রিয়া। এটা কখনো বাড়বে, কখনো কমবে। প্রয়োজনে বাড়তেও পারে আবার।’

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

পাঁচ বছরে বাংলাদেশকে ১২০০ কোটি ডলার দেবে এডিবি

অনলাইন ডেস্ক

পাঁচ বছরে বাংলাদেশকে ১২০০ কোটি ডলার দেবে এডিবি

আগামী ৫ বছরে ১২০০ কোটি মার্কিন ডলার (১২ বিলিয়ন) সহায়তা (ঋণ ও অনুদান) দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। সংস্থাটি বাংলাদেশের জন্য নতুন কান্ট্রি পার্টনারশিপ স্ট্র্যাটেজি (সিপিএস) চালু করেছে এবং নতুন এই কৌশলপত্রের আওতায় এ সহায়তা দেবে এডিবি। 

ঋণ দেওয়ার লক্ষ্য প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা, কর্মসংস্থান, বেসরকারি খাতের উন্নয়ন বৃদ্ধি, সবুজ প্রবৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, মূলধন বৃদ্ধি ও সামাজিক সুরক্ষা শক্তিশালী করা।

গতকাল এডিবি থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। 

এতে বলা হয়, সিপিএস চুক্তির আওতায় ২০২১-২০২৫ অর্থবছরে সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ। 

সিপিএস-এর মাধ্যমে করোনা সংকট থেকে দ্রুত আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশ। এ সময়ে বাংলাদেশকে ১০ থেকে ১২ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে এডিবি। প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৮৫ হাজার কোটি থেকে এক লাখ দুই হাজার কোটি টাকা। 

এডিবির দক্ষিণ এশিয়ার মহাপরিচালক কেনিচি ইয়োকোমা বলেন- টেকসই প্রবৃদ্ধি এবং যথাযথ নীতি ব্যবস্থা বাংলাদেশকে উন্নয়নের ভালো ফলাফল অর্জনে সহায়তা করেছে। এগিয়ে যাচ্ছে দেশের শিল্প। তবে রপ্তানি ভিত্তিতে বৈচিত্র্যায়ন প্রয়োজন। কৃষি পণ্য, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, হালকা প্রকৌশল এবং ফার্মাসিউটিক্যালসের মতো উৎপাদন এবং রপ্তানি সামগ্রীতে বৈচিত্র্যায়ন প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নতুন বাজারে প্রবেশে সহায়তা করবে। সেই সঙ্গে কোভিড-১৯ মহামারি থেকে পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখবে এবং যথেষ্ট কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এডিবি বাংলাদেশে তার বেসরকারি খাতের কার্যক্রম আরও প্রসারিত করবে এবং অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে উচ্চ স্তরের ফিন্যান্সিং অব্যাহত রাখবে। ব্যাংকিং খাতের উন্নতি, ব্যবসা করার সহজাত, ব্যবসার পরিবেশ এবং বিনিয়োগ পরিবেশ বেসরকারি খাতের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে এবং অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকে উন্নীত করতে সহায়তা করবে।

আরও পড়ুন:


লোহাগড়ায় বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার

বিচারের কাঠগড়ায় অং সান সুচি

‘বিসমিল্লাহ’র ফজিলত


এতে বলা হয়েছে, সিপিএস প্যারিস চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জলবায়ু পরিবর্তন এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য দেশের উচ্চ দুর্বলতা মোকাবিলায় জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন এবং প্রশমন ও দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাকে সমর্থন করার জন্য এডিবি অপারেশনগুলো বাড়ানোরও পরিকল্পনা করেছে। জল, নদী এবং উপক‚লীয় অঞ্চলের সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবগুলো সরাসরি মোকাবিলা করার জন্য কর্মসূচির সম্প্রসারণের সময় জলবায়ু পরিবর্তনকে সংহত করার জন্য একটি সামগ্রিক পদ্ধতি প্রয়োগ করা হবে। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দারিদ্র্য কমানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। বৈষম্য ও দারিদ্র্য কমাতে সুনির্দিষ্ট কর্মকাণ্ডের মধ্যে রয়েছে সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন করা। এ ছাড়া অধিকতর ন্যায়সঙ্গত গ্রামীণ ও আঞ্চলিক উন্নয়ন, স্বল্পমূল্যের আবাসন এবং মৌলিক সেবায় বিনিয়োগ-দরিদ্রদের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসহ আগামী ৫ বছরে বাংলাদেশের লক্ষ্য দারিদ্র্যকে ২০ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ দশমিক ৬ শতাংশে নামিয়ে আনা। সেই সঙ্গে চরম দারিদ্র্য ১০ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪ দশমিক ৪ শতাংশে নিয়ে আসা। এডিবি নতুন কৌশল চলমান অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়নকে সমর্থন করার জন্য সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় করে তৈরি করা হয়েছে। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার কমলো

অনলাইন ডেস্ক

সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার কমলো

যার যত বেশি বিনিয়োগ, তার মুনাফার হার হবে তত কম। তবে ১৫ লাখ টাকার কম বিনিয়োগের মুনাফা একই থাকছে। সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমিয়েছে মঙ্গলবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এ নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যারা নতুন করে সঞ্চয়পত্র কিনবেন, শুধু তাদের জন্য পরিবর্তিত এই হার কার্যকর হবে। আগের কেনা সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সেটি পুনঃবিনিয়োগ করলে তখন নতুন মুনাফার হার কার্যকর হবে। 

ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক উভয়ের জন্য নতুন এই মুনাফার হার প্রযোজ্য হবে। 

দেশে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় পারিবারিক সঞ্চয়পত্র। পাঁচ বছর মেয়াদী এই সঞ্চয়পত্রে মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ। 

এখন এই সঞ্চয়পত্রে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার কমিয়ে করা হয়েছে সাড়ে ১০ শতাংশ। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এই হার সাড়ে ৯ শতাংশ।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে মেয়াদ শেষে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যায়। 

নতুন নিয়মে যাদের এই সঞ্চয়পত্রে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ রয়েছে তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ হারে। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলে মুনাফার হার হবে সাড়ে ৯ শতাংশ।

তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক তিন বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ১১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। সেটি এখন ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কমিয়ে করা হয়েছে ১০ শতাংশ।

এই সঞ্চয়পত্রে যাদের বিনিয়োগ ৩০ লাখ টাকার বেশি তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ৯ শতাংশ হারে।

অবসরভোগীদের জন্য নির্ধারিত পাঁচ বছর মেয়াদি পেনশনার সঞ্চয়পত্রে মেয়াদ শেষে এত দিন ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ হারে মুনাফা পাওয়া যেত। 

এখন এই সঞ্চয়পত্রে যাদের বিনিয়োগ ১৫ লাখ টাকার বেশি তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে। 

আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলে এই হার হবে ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

আরও পড়ুন:


টাকার মান এখন পাকিস্তানি রুপির দ্বিগুণ

সিলেটে বাসার ছাদ থেকে আপন দুই বোনের মরদেহ উদ্ধার

ক্ষমতায় থাকছেন ট্রুডো, তবে গঠন করতে হবে সংখ্যালঘু সরকার


ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের সাধারণ হিসাবে বর্তমানে মুনাফার সাড়ে ৭ শতাংশ, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকে তিন বছর মেয়াদি হিসাবে বর্তমানে মুনাফার হার ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। এখন ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে হবে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

প্রবাসীদের বন্ডের মুনাফাও কমলো

অনলাইন ডেস্ক


প্রবাসীদের বন্ডের মুনাফাও কমলো

জাতীয় সঞ্চয়পত্রের স্কিমগুলোর মুনাফার হার কমানোর পর প্রবাসীদের বন্ডের মুনাফার হারও কমিয়েছে সরকার। এর ফলে দেশের বাইরে থাকা বাংলাদেশিরা ডলারে যেসব বিনিয়োগ করেন, তাদেরও মুনাফা কমবে। তবে নতুন করে বিনিয়োগ করা বন্ড থেকে শুধু মুনাফা কমবে। আগের কেনা বন্ডে মেয়াদ পূর্তি না হওয়া পর্যন্ত আগের মুনাফা দেওয়া হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ আজ এ নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে সঞ্চয়পত্রের পাশাপাশি প্রবাসীদের বিভিন্ন বন্ডের মুনাফার হার কমানো হয়েছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিরা ডলারে তিনটি ক্যাটাগরির বন্ডে বিনিয়োগ করতে পারেন। এগুলো হলো:- ওয়েজ আর্নার্স ডেভেলপমেন্ট বন্ড, ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড ও ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড। এসব বন্ড বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউস, দেশি ব্যাংকের বিদেশি শাখা ও বাংলাদেশ ব্যাংকে শাখায় পাওয়া যায়। এসব বন্ডের বিপরীতে দেশি ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারেন প্রবাসীরা। বিনিয়োগ করা অর্থ চাইলে আবার বিদেশেও ফেরত নেওয়া যায়। এসব বন্ডে বিনিয়োগ করে সিআইপি সুবিধার পাশাপাশি আয়ে করমুক্ত সুবিধাও পাওয়া যায়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যেসব প্রবাসী নতুন করে বন্ড কিনবেন, শুধু তাদের জন্য পরিবর্তিত এ হার কার্যকর হবে। আগের কেনা প্রবাসী বন্ডের মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত আগের হারে মুনাফা পাবেন।

নির্দেশনা অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদি ওয়েজ আর্নার্স ডেভেলপমেন্ট বন্ডে মেয়াদ শেষে মুনাফা পাওয়া যায় ১২ শতাংশ। এখন থেকে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ করলে মেয়াদ শেষে মুনাফার হার হবে ১১ শতাংশ। ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার হবে ১০ শতাংশ। আর ৫০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মেয়াদ শেষে মুনাফার হার হবে ৯ শতাংশ।

আরও পড়ুন:


টাকার মান এখন পাকিস্তানি রুপির দ্বিগুণ

সিলেটে বাসার ছাদ থেকে আপন দুই বোনের মরদেহ উদ্ধার

ক্ষমতায় থাকছেন ট্রুডো, তবে গঠন করতে হবে সংখ্যালঘু সরকার


ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড তিন বছর মেয়াদী। এই বন্ডে বিনিয়োগে মুনাফার হার পরিবর্তন করা হয়নি। বর্তমানে এই বন্ডে মেয়াদ শেষে মুনাফার হার সাড়ে ৭ শতাংশ। তিন বছর মেয়াদী ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডেরও মুনাফার হার পরিবর্তন করা হয়নি। মেয়াদ শেষে এ বন্ডের মুনাফার হার ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

টাকার মান এখন পাকিস্তানি রুপির দ্বিগুণ

অনলাইন ডেস্ক

টাকার মান এখন পাকিস্তানি রুপির দ্বিগুণ

গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের টাকার মান যেভাবে বেড়েছে, তার বিপরীতে দর হারিয়েছে পাকিস্তানের রুপি। গত দশ বছরে টাকার মান পাকিস্তানি রুপির তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) কারেন্সি এক্সচেঞ্জের এক সাইট থেকে প্রাপ্ত তথ্য বলছে,বাংলাদেশের ১০০ টাকার জন্য এখন ১৯৮ পাকিস্তানি রুপি খরচ হচ্ছে। 

অথচ স্বাধীনতার পরপর চিত্রটা ছিল উল্টো। তখন পাকিস্তানের ১০০ রুপির মান ছিল বাংলাদেশের ১৬৫ টাকা।

এক্স ই নামের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বর্তমানে গড় মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৭ আর পাকিস্তানের ৪ দশমিক ১ শতাংশ। বর্তমানে ১ ডলার কিনতে পাকিস্তানের স্থানীয় মুদ্রা ১৬৯ রুপি লাগছে।
 
সেখানে ১ ডলার কিনতে বাংলাদেশে লাগছে মাত্র ৮৫ থেকে সাড়ে ৮৫ টাকার মতো। ২০১১ সালের নভেম্বরেও পাকিস্তানি ৮৬-৮৭ রুপিতে মিলতো ১ মার্কিন ডলার। আর ২০১৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ৯৮ থেকে ১০৭ রুপিতে পাওয়া যেতো এক ডলার।

আরও পড়ুন:


সিলেটে বাসার ছাদ থেকে আপন দুই বোনের মরদেহ উদ্ধার

ক্ষমতায় থাকছেন ট্রুডো, তবে গঠন করতে হবে সংখ্যালঘু সরকার

মিডিয়া ভুয়া খবর ছড়িয়েছে: বাপ্পী লাহিড়ি


অন্যদিকে, ২০১১ সালের অক্টোবরে ৭৫ টাকায় পাওয়া যেতো ১ মার্কিন ডলার। যা ২০১২ সালে ৮৪ টাকা ছাড়ালেও পরের ৪ বছর ডলারের দাম ৭৭ থেকে ৭৯ টাকার মধ্যেই ছিল।

২০১৭ থেকে এখন পর্যন্ত ডলারের দাম ৮০ থেকে ৮৬ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে। সার্বিক বিচারে বাংলাদেশের টাকার মান বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে শক্ত অবস্থানেই আছে। এবং প্রায় এক দশক ধরে অনেকটাই স্থিতিশীলতা ধরে রেখেছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর