এই লাল কলার নাম কী জানেন?

শান্তা আনোয়ার

এই লাল কলার নাম কী জানেন?

কয়েকদিন আগে কালো আপেলের গল্প বলেছিলাম। আজকে লাল কলার গল্প বলি। আমরা যেই কলা খাই তাকে বলে ক্যাভেন্ডিশ বানানা বা ক্যাভেন্ডিশ কলা। এই লাল কলার নাম কী জানেন? এর নাম রেড ঢাকা। 

ঢাকা থেকেই প্রথম এই লাল কলা পশ্চিমে যায়। তবে এখনো এই লাল কলা ভারতবর্ষ, ল্যাটিন আমেরিকা, থাইল্যান্ডে হয়। এখন অবশ্য ইউনাইটেড আরব আমিরাতেও লাল কলার চাষ হয়। প্রাচীন কালে ভারতবর্ষে সন্তানলাভে ব্যর্থ দম্পতিরা এই লাল কলা খেতেন। আশ্চর্যজনক ভাবে ল্যাটিন আমেরিকাতেও এই লাল কলার ব্যবহার হতো আফ্রোডিসিয়াক হিসেবে। 

লাল কলা, সাধারণ হলুদ কলার চাইতে সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর। লাল কলাতে পটাশিয়ামের পরিমাণ সাধারণ হলুদ কলার চাইতে বেশি। স্বাদে বেশি মিষ্টি, ক্রিমি আর রাস্পবেরির ফ্লেভার পাওয়া যায়। থাই গ্রীণ কারি বানাতে এই লাল কলা ব্যবহার করা হয়। 

লাল কলাতে লুটিন নামে এক ক্যারেটিনয়েড থাকে তার কারণেই এই লাল রঙ হয়। লুটিন চোখকে সুস্থ রাখে। লাল কলা যদিও বেশি মিষ্টি কিন্তু এর গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স হলুদ কলার চাইতে কম। তার মানে লাল কলার গ্লুকোজ খুব ধীরে রক্তে প্রবেশ করে। 

ডায়াবিটিকদের জন্য হলুদ কলার চাইতে লাল কলা বেশি স্বাস্থ্যকর। তবে সবচেয়ে দুঃখের কথা হচ্ছে, যেই ঢাকার নামে এই লাল কলার নামকরণ হয়েছিলো। সেই ঢাকাতেই লাল কলা নেই।

লেখাটি শান্তা আনোয়ার-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া। 

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

হৃদয় নিয়ে নাড়াচাড়া করতে পারলেই হলো!

রাখী নাহিদ

হৃদয় নিয়ে নাড়াচাড়া করতে পারলেই হলো!

এই দফায় নিউ ইয়র্ক আসার চৌদ্দদিন অর্থাৎ দুই সপ্তাহ হলো। এরমধ্যে কর্মজীবনের বয়স বারোদিন। পিজ্জা স্টোর, ট্র্যাভেল এজেন্সি থেকে এবার কার্ডিওলজিস্ট এর ক্লিনিক। চাকরী হবার পর বড় বোনকে ফোন দিয়ে উত্তেজিত হয়ে বললাম। সকলের দোয়ায় পিজা মেকার, ট্র্যাভেল এজেন্ট এর দায়িত্ব সফল ভাবে সম্পন্ন করে এবার আমি কম্পাউন্ডারির চাকরী পেয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ..…

আমার ধারণা ছিল কর্মস্থলে গিয়ে দেখব, দুই রুমের অন্ধকার চেম্বারে মলিন চেহারার কোন ডাক্তার সাহেব বসে আছেন। আমার দায়িত্ব হবে চিৎকার করে নাম ধরে ডেকে ডেকে রোগীদের ডাক্তারের রুমে ঢুকানো আর মাঝে মাঝে ডাক্তার সাহেবকে চা কফি বানিয়ে খাওয়ানো।

কিন্তু পরেরদিন কাজে যোগ দিতে গিয়ে দেখি হুলুস্থুল ব্যপার। আমাদের ডাক্তার সাহেব যেন তেন ডাক্তার না। উনার কম্পাউন্ডার হবার জন্যও আমার দুই চারটা ডিগ্রী নিতে হবে। আর উনার চেম্বারও তথাকথিত দুই রুমের চেম্বার না, রীতিমত মাল্টি কালচারড একটা বিজনেস অরগানাইজেশন।

ডাক্তার সাহেব স্বয়ং এবং আমার সহকর্মীদের ৯০ ভাগই বিদেশী। আমাকে যে কাজ শেখায় সে স্প্যানিশ। বাকীদের মধ্যে চাইনিজ, কালো, আলবেনিয়ান আছে। খুঁজলে আরো দুই এক জাত পাওয়া যাবে বলে আমার ধারণা। এখানে ডাক্তার সাহেবের এসিস্ট্যান্টরাও এত ব্যস্ত যে এখনো সবার সাথে পরিচিত হবারই সুযোগ পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন


ভাসানটেকে ফুটপাত ও রাস্তা অবৈধ দখলে, যানজট নিত্যসঙ্গী

ই-ভ্যালির প্রতারণায় আস্থা সংকটে গোটা ই-কমার্স খাত

বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগের নিরাপদ স্থান: প্রধানমন্ত্রী

অসময়ে বাণিজ্যিকভাবে মাচায় তরমুজ চাষ, লাভের আশায় কৃষক


যাই হোক, খুব মজা পাচ্ছি কাজ করে। কারণ আমি কাজের ব্যপারে সর্বভুক ধরনের মানুষ। পৃথিবীর যাবতীয় কাজ করতে আমার ভালো লাগে, নতুন জিনিস শিখতে ভালো লাগে। আর হৃদয় জিনিসটাও বরাবরই আমার পছন্দের বিষয়।

হোক সেটা হৃদয় নিয়ে কাব্যলেখা অথবা কার্ডিওলজী। হৃদয় নিয়ে নাড়াচাড়া করতে পারলেই হলো। সবচেয়ে বড় কথা, নিজের ক্যারিয়ার গ্রোথ দেখে আমি খুবই আশাবাদী। গ্রাফ উপরের দিকে যাচ্ছে।

এভাবে উন্নতি হতে থাকলে আমাকে কেউ আটকাতে পারবেনা। বড় হয়ে আমি অবশ্যই ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার একটা কিছু হব.......।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

আইআইটি’র মতো একটা প্রতিষ্ঠানও আমরা গড়ে তুলতে পারিনি আজও

রউফুল আলম


আইআইটি’র মতো একটা প্রতিষ্ঠানও আমরা গড়ে তুলতে পারিনি আজও

রউফুল আলম

ভারতের বেস্ট আইআইটি (IIT) প্রতিষ্ঠান হলো, আইআইটি-মাদ্রাজ। এই প্রতিষ্ঠানটির চলমান বাজেট প্রায় এক হাজার কোটি রুপি। অর্থাৎ প্রায় ১২০০ কোটি টাকা। আর চলিত বছর বাংলাদেশের সকল পাবলিক ইউনিভার্সিটির গবেষণার জন্য বরাদ্ধ ছিলো মাত্র একশো কোটি টাকা। 

ভারতের আইআইটি থেকে প্রতি বছর বিশ্বমানের গবেষণাপত্র বের হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোতে তৈর হয় বিশ্বমানের পিএইচডি। আইআইটি’র মতো একটা প্রতিষ্ঠানও আমরা গড়ে তুলতে পারিনি আজো। 

শিক্ষা ও গবেষণায় ভারত বহুদূর এগিয়ে গেছে। চলমান কালের জ্ঞান ও দক্ষতা সম্পন্ন জনশক্তি তৈরি করতে তারা সক্ষম। ভারতের হাজার হাজার লোক যে বাংলাদেশের কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোতে কাজ করে, তার কারণ এটাই। কারণ কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো সবসময় চায় অধিক দক্ষ লোক। এ কারণেই আমেরিকার মতো দেশে চীন, ভারতের লক্ষ লক্ষ মানুষ কাজ করে। 

দেশের উচ্চশিক্ষাকে যদি বিশ্বমানের করার চেষ্টা না করা হয়, তাহলে ভারত, নেপাল, চীন, মালয়েশিয়া, শ্রীলংকা এইসব দেশের অধিকসংখ‍্যক মানুষ আমাদের কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোতে কাজ করবে। এটা আপনি ইমিগ্রেশন আইন দিয়ে বন্ধ করতে পারবেন না। এটাই গ্লোবালাইজেশন। 

লেখাটি রউফুল আলম ​-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

গণতন্ত্রের হাতে-কলমে শিক্ষা দিতে স্কুলগুলোতে এই নির্বাচনের আয়োজন

শওগাত আলী সাগর

গণতন্ত্রের হাতে-কলমে শিক্ষা দিতে স্কুলগুলোতে এই নির্বাচনের আয়োজন

বড়রা যখন ভোট দেয়, পুরো কানাডার স্কুলের শিক্ষার্থীরাও তখন আলাদাভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে। সেই ভোটে শিক্ষার্থীরা প্রার্থী হয়, দলের প্লাটফর্ম নিয়ে প্রচারণা চালায়, নিজদের মধ্যে বিতর্ক করে। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। 

বড়দের নির্বাচনে যেমন লিবারেল পার্টি সংখ্যালঘু সরকার গঠনের ম্যান্ডেট পেয়েছে, শিক্ষার্থীরাও ১১৭টি আসন দিয়ে লিবারেল পার্টিকে সংখ্যালঘু সরকার হিসেবে ক্ষমতায় রেখেছে। বড়দের নির্বাচনে অবশ্য লিবারেল পার্টি আসন পেয়েছে ১৫৮টি। 

বড়দের কাছে কনজারভেটিভ পার্টি দ্বিতীয় প্রধান দল হলেও স্কুলের শিক্ষার্থীদের কাছে এনডিপি হচ্ছে দ্বিতীয় পছন্দের দল। ফলে শিক্ষার্থীরা ১০৭টি আসন দিয়ে এনডিপিকে অফিসিয়াল বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

আরও পড়ুন:


পাঁচ বছরে বাংলাদেশকে ১২০০ কোটি ডলার দেবে এডিবি

লোহাগড়ায় বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার

বিচারের কাঠগড়ায় অং সান সুচি

‘বিসমিল্লাহ’র ফজিলত


৯১টি আসন পেয়ে কনজারভেটিভ তৃতীয় প্রধান দলের স্বীকৃতি পেয়েছে নতুন প্রজন্মের সন্তানদের কাছে। বড়দের কাছে অবশ্য কনজারভেটিভ পার্টিই অফিসিয়াল বিরোধী দল। 

স্কুল পর্যায়ে গণতন্ত্রের হাতে কলমে শিক্ষা দিতে জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি স্কুলগুলোয় এই নির্বাচনের আয়োজন করা হয়।

লেখক- শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ, কানাডা।

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ভোটে নয় আসন যাদের বেশি থাকে, তারাই সরকার গঠন করেন

শওগাত আলী সাগর

ভোটে নয় আসন যাদের বেশি থাকে, তারাই সরকার গঠন করেন

হাড্ডা হাড্ডি লড়াই’- এমন একটা চিত্র সামনে নিয়ে কানাডীয়ানরা আজ ভোট দিতে  শুরু করেছেন। সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে শুরু হওয়া ভোট  চলবে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের আগে জাস্টিন ট্রুডোর হুট করে ঘোষনা দেয়া এই নির্বাচনে জনমত জরীপ বলছে  লিবারেল আর কনজারভেটিভের সমর্থন ৩১.৭ বনাম ৩২ শতাংশ । কিন্তু  আসন ভিত্তিক পর্যালোচনায় পরিস্থিতিটা ভিন্ন। 

কানাডায় ভোট নয়, আসন যাদের বেশি থাকে, তারাই সরকার গঠন করেন।সেই বিবেচনায় লিবারেলের ফিরে আসার পূর্বাভাস দিচ্ছে জনমত জরীপ। 

Vox Pop Lab এর সর্বশেষ জনমত জরীপে দেখা যাচ্ছে জাস্টিন ট্রুডোর লিবারেল পার্টি  আজকের নির্বাচনে ১৩৫ থেকে ১৬২ টি আসন পাবে। কনজারভেটিভের ১১৫ থেকে ১৩৪ টি আসন পা্ওয়ার সম্ভাবনা আছে। বাকি আসনগুলো এনডিপি এবং ব্লক কুইবেকোর মধ্যে ভাগাভাগি হবে। সে ক্ষেত্রে  এনডিপি ৩১ থেকে ৪৬টি এবং ব্লক কুইবেকো ২০ থেকে ৩১টি এবং গ্রীণ পার্টি ২টি আসন পেতে পারে। 
আসনভিত্তিক এই পূর্বাভাসে  লিবারেল পার্টির  ‘ওয়ার্কিং মেজরিটি’ থেকে   ৮টি আসন কম থাকে।

কিন্তু জনমত জরীপ পরিচালনা কারী সংস্থা Vox Pop Lab জরীপের তথ্যউপাত্ত পর্যালোচনা করে নিজেদের উপসংহার টানছে এইভাবে- আজকের নির্বাচনে লিবারেল পার্টি ১৫০, কনজারভেটিভ ১২৪, এনডিপি ৩৬, ব্লক কেইবেকো  ২৫ এবং গ্রীণ পার্টি ২টি আাসন পাবে। 
জনমত জরীপের এই পূর্বাভাস আসলে  ঠিক হয় কী না সেটি জানার জন্য আমাদের সারাটা দিন অপেক্ষা করতে হবে।

লেখক- শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ, কানাডা।

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

আশি শতাংশ মানুষ সুযোগ পেলে দেশ ছাড়তে চাইবে

রউফুল আলম

আশি শতাংশ মানুষ সুযোগ পেলে দেশ ছাড়তে চাইবে

দেশের জনপ্রিয় শিল্পীরা দেশে থাকতে চায় না। দীর্ঘদিন কাজ করে অর্থ-কড়ি হলে বিদেশে পাড়ি জমায়।

সরকারী কর্মকর্তারা সুযোগ পেলে দেশ ছেড়ে চলে যায়। বিশ্ববিদ‍্যালয়ের শিক্ষকরা সুযোগ পেলে দেশ ছেড়ে চলে যায়। অনেক শিক্ষক বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন‍্য গিয়ে ফিরে না। ফিরতে চায় না। ডাক্তাররা দেশ ছেড়ে চলে যায়। বুয়েটের প্রায় ষাটভাগ ইঞ্জিনিয়ার দেশে থাকে না। 

আমার জানামতে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক, সরকারি আমলা—প্রতিটা পেশাজীবীর মানুষ দেশ ছাড়তে চায়। আমার পরিচিত বহু পেশাজীবী মানুষদের একটাই কথা—সুযোগ পেলেই দেশ ছাড়বে। সময় হলে দেশ ছাড়বে। 

কেউ বলে সন্তানের ভবিষ‍্যতের জন‍্য। কেউ বলে শেষ বয়সে একটু শান্তির জন‍্য। কেউ বলে পরিবার-পরিজনের জন‍্য। কেউ বলে সততার সাথে বাঁচার জন‍্য। কেউ বলে আত্মসম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার জন‍্য। কেউ বলে যোগ‍্যতার সুবিচার পাওয়ার জন‍্য। কেউ বলে উচ্চশিক্ষার জন‍্য। কেউ বলে সৎভাবে উপার্জন করে বাঁচার জন‍্য। কেউ বলে ধর্মীয় রোষানল থেকে মুক্তির জন্য। 

আপনি যদি আপনার চারপাশের মানুষদের নিয়েই একটা জরিপ করেন, দেখবেন আশি শতাংশ মানুষ সুযোগ পেলে দেশ ছাড়তে চাইবে। 
তাহলে পঞ্চাশ বছরে আমরা কেমন সমাজ তৈরি করলাম—যেখান থেকে সবাই পালাতে চায়! মানুষের ভিতর একটা উর্ধ্বশ্বাস! একটা দীর্ঘশ্বাস। পালিয়ে বেড়ানোর এক নিরন্তর চেষ্টা —কেন? 

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

রউফুল আলম, নিউজার্সি, যুক্তরাষ্ট্র।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর