মোংলা বন্দরে চাল ও সার বোঝাই জাহাজের পণ্য খালাস বন্ধ
মোংলা বন্দরে চাল ও সার বোঝাই জাহাজের পণ্য খালাস বন্ধ

মোংলা বন্দরে চাল ও সার বোঝাই জাহাজের পণ্য খালাস বন্ধ

Other

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপের কারণে মোংলা সমুদ্র বন্দরে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাবে মঙ্গলবার ভোর থেকে থেমে থেমে ভারী বৃষ্টিপাতসহ ঝড়ো হাওয়ার কারণে মোংলা বন্দরে অবস্থানরত ৫টি সার ও ১টি চালের জাহাজে পণ্য খালাসের কাজ বন্ধ রয়েছে।

সোমবার দিবাগত রাত ও মঙ্গলবার ভোরের টানা বৃষ্টিতে বাগেরহাট ও মোংলা পোর্ট পৌর শহরের নিম্নাঞ্চলসহ ৯টি উপজেলার বিভিন্ন নিচু এলাকা তলিয়ে গেছে। ভারী বৃষ্টিপাতসহ নদ-নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় কিছু চিংড়ি খামার তলিয়ে যাবার খবর পাওয়া গেছে।

জাল ও নেট দিয়ে চাষীরা খামারের মাছ আটকে রাখতে কাজ করছেন।

এদিকে বৃষ্টিপাত ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় মঙ্গলবার বন্দরে সার, চাল, ক্লিংকার, মেশিনারী ও গ্যাসবাহী ১৪টি বিদেশি
বাণিজ্যিক জাহাজের অবস্থান রয়েছে জানিয়েছে মোংলা বন্দ কর্তৃপক্ষ।

এদিকে গভীর নিম্নচাপের কারণে বঙ্গোপসাগরে উত্তাল ঢেউয়ে টিকতে না পেরে বাগেরহাটের শহস্রাধিক ফিশিং ট্রলার সাগর ছেড়ে নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছে। গত দুদিনে বাগেরহাটের কেবি ফিসারীঘাট, শরণখোলা, মোংলা ও রামপালের শত-শত ফিশিং ট্রলার নিরাপদে ঘাটে ফিরে এসেছে।

কিছু ট্রলার সুন্দরবনের দুবলা, কটকা, মেহেরআলীর চরে আশ্রয় নিয়েছে।

আবহওয়া বিভাগ বলছে, বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কি. মি. যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এজন্যে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: 


দুই শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ৬০ বছর কারাদণ্ড

ঘাস সংগ্রহ করতে নাগর নদী পার হচ্ছিল মৃত দুই নারী

নীলফামারীতে বিমান কোস্টার সার্ভিস উদ্বোধন


গভীর নিম্নচাপটির প্রভাবে উপকূলীয় জেলা বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, খুলনা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষনীপুর ও চট্টগ্রামের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ২-৩ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার সকল নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে।

বাগেরহাট জেলা ফিশিং ট্রলার মালিক সামতির সভাপতি মো. আবুল হোসেন জানান, বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে ওঠায় উপকূলের সকল জেলে সাগর ছেড়ে উপকূলে নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে। বাগেরহাট জেলার শহস্রাধিক ফিশিং ট্রলারের বেশিরভাগই বাগেরহাটের কেবি ফিসারীঘাট, মোংলা, রামপাল ও শরণখোলার রায়েন্দা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, রাজেস্বর, খোন্তাকাটা, তাফালবাড়ী ঘাটে অবস্থান করছে। কিছু ট্রলার সুন্দরবনের দুবলা, কটকা, মেহেরআলীর চরে অশ্রয় নিয়েছে।

news24bd.tv তৌহিদ

সম্পর্কিত খবর