জামালপুরে হঠাৎ তিন ছাত্রী নিখোঁজ, প্রতিষ্ঠান বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক

জামালপুরে হঠাৎ তিন ছাত্রী নিখোঁজ, প্রতিষ্ঠান বন্ধ

জামালপুরের ইসলামপুরে মীম, মনিরা ও সূর্য ভানু নামে তিন মাদরাসাছাত্রী নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজ তিনজনই দারুত তাক্কওয়া মহিলা কওমি মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজন শিক্ষককে আটক করা হয়েছে।

বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মাদরাসার পাঠদান।

নিখোঁজ শিক্ষার্থীরা হচ্ছে- উপজেলার গাইবান্ধা ইউনিয়নের পোড়ারচর সরদারপাড়া গ্রামের মাফেজ শেখের মেয়ে মীম আক্তার (৯), গোয়ালেরচর ইউনিয়নের সভুকুড়া মোল্লাপাড়া গ্রামের মনোয়ার হোসেনের মেয়ে মনিরা খাতুন (১১) ও সুরুজ্জামানের মেয়ে সূর্য ভানু (১০)।

আরও পড়ুন: 


মোংলা বন্দরে চাল ও সার বোঝাই জাহাজের পণ্য খালাস বন্ধ

দুই শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ৬০ বছর কারাদণ্ড

ঘাস সংগ্রহ করতে নাগর নদী পার হচ্ছিল মৃত দুই নারী

নীলফামারীতে বিমান কোস্টার সার্ভিস উদ্বোধন


গত রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) ভোররাত থেকে তারা নিখোঁজ হয়।

এ ঘটনায় পরদিন সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মাদরাসার মুহতামিম (প্রধান শিক্ষক) মাওলানা মো. আসাদুজ্জামান ইসলামপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

৯ বছর আগের অপহরণ মামলার ভিকটিম উদ্ধার

রাহাত খান, বরিশাল:

৯ বছর আগের অপহরণ মামলার ভিকটিম উদ্ধার

বরিশালের গৌরনদী থানার ৯ বছর আগের একটি অপহরণ মামলার ভিকটিমকে (কথিত অপহৃত) ঢাকার যাত্রাবাড়ি থেকে উদ্ধার করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে মামলার এক আসামি। 

আসামির দাবি অপহরণ মামলা একটি সাঁজানো নাটক। তাদের হেনেস্তা করতেই মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে কথিত অপহৃত ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তার দাবি যারা অপহরণ করেছিল, তারাই তাকে উদ্ধার করে থানায় সোপর্দ করেছে। 

উদ্ধারকৃত রাসেল মৃধাকে আজ বুধবার বরিশালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে আরেকটি অপহরণ মামলার আসামি হওয়ায় তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন বিচারক। 

আরও পড়ুন


ছাড়পত্র পেলেন তামিম, খেলতে যাবেন নেপাল

কুয়েত ও সুইডেনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শেখ হাসিনার বৈঠক

স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামীর ফাঁসির আদেশ


গৌরনদীর কলাবাড়িয়া গ্রামের ১৪ বছর বয়সের কিশোর ছেলে রাসেল মৃধাকে অপহরণ ও গুমের অভিযোগে ২০১২ সালে গৌরনদীর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন তার মা মনোয়ারা বেগম। রাসেল ওই গ্রামের বাসিন্দা জালাল মৃধার ছেলে। 

এর আগে থেকেই কিশোর বয়সে একটি অপহরণ মামলার আসামি ছিল রাসেল। রাসেল অপহরণ মামলায় ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে ২০১৩ সালে আদালতে অভিযোগপত্র দেন গৌরনদী থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক ফোরকান হোসেন। এই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ৫ জন আসামি দির্ঘদিন হাজতবাস করেবাকি ৯জন এখনও পলাতক। 

এ অবস্থায় গত ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকার যাত্রাবাড়ি রায়েরবাগ থেকে অপহৃতকে উদ্ধার করে গৌরনদী থানায় সোপর্দ করে মামলার ১ নম্বর আসামি এস. রহমান। ৯ বছর আগে কথিত অপহৃত কিশোর রাসেল এখন বয়সে যুবক এবং দুই সন্তানের পিতা। 

রাসেল মৃধা এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তার দাবি, যারা অপহরণ করেছে তারাই তাকে উদ্ধার করে থানায় পৌঁছে দিয়েছে।

এদিকে অপহৃতের পরিবার বলেছে তাদের ২০ কাঠা জমি নিয়ে পারিবারিক স্বজনদের সাথে বিরোধ রয়েছে। জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে উভয় পক্ষ পরস্পরের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত ১২টি মামলা দায়ের করেছে। যার সব শেষটি রাসেল অপহরণ মামলা। রাসেলের স্বজনদের দাবি, অপহরনকারীরাই তার ভাইকে থানায় ফেরত দিয়েছে। 

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামীর ফাঁসির আদেশ

আব্দুর রশিদ শাহ, নীলফামারী:

স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামীর ফাঁসির আদেশ

যৌতুক নিয়ে ঝগড়া বিবাদের এক পর্যায়ে স্ত্রী সুমি আখতারকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামী আলমগীর হোসেনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২এর বিচারক। সেই সাথে ২০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশও দেয়া হয়। 

মঙ্গলবার দুপুরে ট্রাইবুনালের বিচারক মো. মাহাবুবুর রহমান আসামির উপস্থিতিতে এ আদেশ ঘোষণা করেন। স্বাক্ষ্য প্রমানে প্রমানিত না হওয়ায় অপর ৭ জনকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

বিগত ২০১৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর রাতে যৌতুক নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বাধে। এর এক পর্যায়ে স্বামী খাটের পায়া দিয়ে স্ত্রীর মাথায় আঘাত করলে তার মৃত্যু হয়। এ ব্যাপারে নিহতের বাবা খতিবর রহমান বাদী হয়ে আলমগীর হোসেনসহ ৮ জনের নামে ডিমলা থানায় মামলা দায়ের করেন। 

আরও পড়ুন


কালীগঞ্জে জুটমিলের গার্ডকে বেঁধে ডাকাতি, ১৫-২০ লাখ টাকার ক্যাবল লুট

হৃদয় নিয়ে নাড়াচাড়া করতে পারলেই হলো!

ভাসানটেকে ফুটপাত ও রাস্তা অবৈধ দখলে, যানজট নিত্যসঙ্গী

ই-ভ্যালির প্রতারণায় আস্থা সংকটে গোটা ই-কমার্স খাত


মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিমলা থানার উপ-পরিদর্শক আতিকুর রহমান স্বামী আলমগীর হোসেনকে রেখে অপর ৭ জনকে অব্যহতি দিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে বাদী আদালতে নারাজী করলে বিজ্ঞ আদালত অদিকতর তদন্তের জন্য পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পিবিআই দীর্ঘ তদন্ত শেষে ৮ জনের নামে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

নিহত সুমি আখতার  ডিমলা উপজেলার উত্তর সোনাখুলি গ্রামের খতিবর রহমানের মেয়ে। আর ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর হোসেন দক্ষিণ সোনাখুলি গ্রামের সিরাজুল ইসলামে ছেলে। 

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর রমেন্দ্র নাখ বর্দ্ধন জানান, যৌতুকের টাকার জন্য একজন স্ত্রীকে নির্যাতন ও আগুনের ছ্যাকা দিয়ে হত্যা জঘন্যতম অপরাধ। মামলার রায়ে অপরাধীর সর্বোচ্চ সাজা হয়েছে। ও আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাড. মো. আল বরকত  হোসেন বলেন,  আমরা ন্যায় পাইনি। প্রয়োজনে বিচারের জন্য হাইকোর্টে আপিল করব।

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

জামিনের জন্য ‘শিশু বক্তা’ রফিকুল মাদানীর আবেদন

অনলাইন ডেস্ক

জামিনের জন্য ‘শিশু বক্তা’ রফিকুল মাদানীর আবেদন

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার ‘শিশু বক্তা’ রফিকুল ইসলাম মাদানী হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেছেন। 

আজ সকালে তার আইনজীবী আশরাফ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে গাজীপুরের বাসন থানায় দায়ের করা মামলায় ও ময়মনসিংহের একটি মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছি। গত মাসে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলার জামিন আবেদন করা হয়েছে। আরেকটি করা হয়েছে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে।

আরও পড়ুন:


পাঁচ বছরে বাংলাদেশকে ১২০০ কোটি ডলার দেবে এডিবি

লোহাগড়ায় বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার

বিচারের কাঠগড়ায় অং সান সুচি

‘বিসমিল্লাহ’র ফজিলত


৮ এপ্রিল নেত্রকোনার নিজ বাড়ি থেকে আটকের পর গাছা থানায় তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে র‌্যাব। এ সময় তার কাছ থেকে চারটি মোবাইল জব্দ করা হয়। এরপর থেকে তিনি কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ভুল চিকিৎসায় পুরুষত্বহীন হতে হলো যুবককে

অনলাইন ডেস্ক

ভুল চিকিৎসায় পুরুষত্বহীন হতে হলো যুবককে

চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় এক যুবকের ভবিষ্যৎ অস্তিত্ব অন্ধকারে হারিয়ে যেতে বসেছে। ওই চিকিৎসকের ভুলে যুবক তার পুরুষত্বের শক্তি হারিয়ে ফেলেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গোপন শারীরিক জটিলতার চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি ওই হাসপাতালে যান।

সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, এই ঘটনার ফলে ভুক্তভোগী যুবক আর বাবা হতে পারবেন না। এমন পরিস্থিতিতে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আলমের আদালতে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন ভুক্তভোগী যুবক। পরে সেই অভিযোগকে আদালত মামলা হিসেবে গ্রহণ করতে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিলে নির্দেশনা মোতাবেক ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযোগটিকে এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করে থানা পুলিশ।

তথ্য অনুযায়ী মামলা হিসেবে গ্রহণ হলেও আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত দুই আসামীর কেউই গ্রেপ্তার হয়নি।

মামলার তথ্য অনুযায়ী- ভুক্তভোগী যুবকের অভিযোগ ডা: মো: মহব্বত উল্লাহ’র বিরুদ্ধে। তিনি নারায়ণগঞ্জের মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিস সেন্টারে চেম্বার করেন। এছাড়াও একই প্রতিষ্ঠানের জেনারেল ম্যানেজার হেমায়েত হোসেন হিমেলকেও সেই মামলায় আসামী করা হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী  অভিযোগ করেন- ভুল চিকিৎসায় তার শরীরে এবং গোপনাঙ্গে সাধারণ ও গুরুতর জখম হয়। বাদীর শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায় এবং ক্ষত সৃষ্টি হয়।

ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি সংশ্লিষ্ট মামলা রেকর্ড করেন। এদিকে এ ঘটনায় সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। আদালত আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর পুলিশকে এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছে।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত    

পরবর্তী খবর

প্রথম আলোর বিরুদ্ধে শত কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের রুল জারি

অনলাইন ডেস্ক

প্রথম আলোর বিরুদ্ধে শত কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের রুল জারি

কিশোর আলোর অনুষ্ঠানে বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঢাকা রে‌সি‌ডে‌ন্সিয়াল মডেল ক‌লে‌জের ছাত্র নাইমুল আবরার রাহাতের (১৫) মৃত্যুর ঘটনায় ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

রুল জারির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

আদালতে ঢাকা রে‌সি‌ডে‌ন্সিয়াল মডেল ক‌লে‌জ ও আবরারের বাবা এ রিট আবেদন করেন।

রিটে ৫০ কোটি টাকা কলেজেটির জন্য এবং বাকি ৫০ কোটি টাকা নাইমুল আবরারের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে চাওয়া হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম আব্দুর রউফ। তিনি জানান, ওই ঘটনায় কলেজের সুনাম ক্ষু্ণ্ন হয়েছে। কারণ কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রথম আলোর সঙ্গে অনুষ্ঠানের যে চুক্তি করে তাতে কার কী দায়দায়িত্ব তা উল্লেখ রয়েছে। সেখানে বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার দায়িত্ব ছিল প্রথম আলোর আয়োজকদের। এ কারণে কলেজ কর্তৃপক্ষকে ৫০ কোটি এবং আবরারের পরিবারকে ৫০ কোটি টাকা দিতে এ রিট করা হয়েছে।

২০১৯ সালের ১ ন‌ভেম্বর ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে কিশোর আলোর অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নাইমুল আবরার রাহাত নামে নবম শ্রেণির এক ছাত্রের মৃত্যু হয়। ওই দিন বিকেলে বিদ্যুতায়িত হওয়ার পর আবরারকে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এরপর একই বছরের ৬ নভেম্বর নাইমুল আবরা‌রের বাবা ম‌জিবুর রহমান দৈ‌নিক প্রথম আলোর সম্পাদক ও প্রকাশক এবং কি‌শোর আলোর প্রকাশক ম‌তিউর রহমা‌নের বিরু‌দ্ধে মামলা করেন।  

গত বছরের  ১২ নভেম্বর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ ওই ঘটনায় করা মামলায় প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানসহ নয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন।  

অভিযোগ গঠনে আদেশ দেওয়া ব্যক্তিরা হলেন, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, কবির বকুল, শুভাশিষ প্রামাণিক শুভ, মুহিতুল আলম পাভেল, শাহ পুরান তুষার, জসিম উদ্দিন তপু, মোশারফ হোসেন, মো. সুমন ও কামরুল হওলাদার। আসামিদের সবাই জামিনে রয়েছেন।  

তবে অপর আসামি কিশোর আলো সম্পাদক আনিসুল হককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এরপরে অভিযোগ গঠনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করেন মতিউর রহমান। সেই আবেদনের শুনানি নিয়ে মতিউর রহমানের ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন হাইকোর্ট।

এদিকে ২০১৯ সালেই ওই কলেজের সাবেক ছাত্র ওবায়েদ আহমেদ ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট করেছিলো। তখনও আদালত বলেছিলেন, ক্ষতিপূরণের জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করতে হবে।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত    

পরবর্তী খবর