ফেসবকু ইউটিউব মনিটরিং করতে মাঠ পুলিশকে নির্দেশ আইজিপির

নিজস্ব প্রতিবেদক

ফেসবকু ইউটিউব মনিটরিং করতে মাঠ পুলিশকে নির্দেশ আইজিপির

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ। ফাইল ছবি

ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ফেসবুক, টুইটার ও ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়মিত কঠোরভাবে মনিটর করতে হবে। যাতে কোন সাধারণ নাগরিক সাইবার ক্রাইমের শিকার না হন। পাশাপাশি পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদেরকেও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকারের ও পুলিশ বাহিনীর প্রদত্ত অনুশাসন মেনে চলার নির্দেশ দেন। 

আইজিপি আজ মঙ্গলবার তিন দিনব্যাপী অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সমাপনী বক্তৃতায় মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে  এসব কথা বলেন।  পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হল অব ইন্টেগ্রিটিতে অনুষ্ঠিত এ সভায় সব অতিরিক্ত আইজি, রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রোপলিটন কমিশনার, সব জেলার এসপি, মেট্রোপলিটন এলাকার উপ-কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন। 

সম্প্রতি দেশে ও দেশের বাইরে একটি চক্র রাষ্ট্র, বঙ্গবন্ধু পরিবার, সরকার, বিচারবিভাগ, শিল্পপতিসহ সমাজে প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগা মাধ্যম ব্যবহার করে নানাধরনের বিষোদগার ছড়াচ্ছে। ভাড়া করা সাইবার সস্ত্রাসী গোষ্ঠীকে চিহ্নিত করা গেলেও দেশের বাইরে থাকায় ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর জবাবদিহিতা না থাকায় এসব অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। বাংলাদেশ প্রতিদিনসহ প্রথম সারির কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ তুলে ধরে ক্রাইম কনফারেন্সে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা এবিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার কথা বলেন। যার প্রেক্ষিতে আইজিপি মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে এই বার্তা দেন। 

আইজিপি বলেন, ‘এবার নতুন নীতিমালায় পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ করা হচ্ছে। কনস্টেবল নিয়োগ অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হবে। আমরা পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশ এবং উন্নত অনেক দেশের নিয়োগ নীতিমালা পর্যালোচনা করে বাংলাদেশ পুলিশের উপযোগী কনস্টেবল নিয়োগ নীতিমালা প্রণয়ণ করেছি। এর ফলে আমরা কনস্টেবল পদে মেধা ও শারীরিক দিক থেকে অধিকতর যোগ্যতা সম্পন্ন পুলিশ সদস্য নিয়োগে সক্ষম হবো। অচিরেই পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর এবং সার্জেন্ট পদেও নতুন নীতিমালা অনুযায়ী লোক নিয়াগ করা হবে।’ 

আইজিপি আরও বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট নির্দেশনায় আমরা দেশ ও জনগণের কল্যাণে দুর্নীতিমুক্ত পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পুলিশের কোন সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে ছাড় দেয়া হবে না।’ 

মাদকের বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করে আইজিপি বলেন, ‘পুলিশের কোনো সদস্যের মাদকের সঙ্গে কোন ধরনের সংশ্লেষ থাকতে পারবে না। কারো যদি মাদকের সাথে কোন ধরনের সংশ্লেষ থাকে তাহলে তাকে বেরিয়ে আসতে হবে। কোন পুলিশ সদস্যের মাদক গ্রহণ, মাদক ব্যবসা বা মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সখ্যতা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। একজন পুলিশ সদস্য হিসেবে এমন কোন কাজ করা যাবে না, যাতে পুলিশ বাহিনী ক্ষতিগ্রস্ত হয়, দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, দেশের জনগন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’ 

বাংলাদেশ পুলিশকে একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, ‘বাহিনীর শৃঙ্খলা এবং কল্যাণ এক বিষয় নয়। শৃঙ্খলাকে কল্যাণের সাথে মিলিয়ে ফেলা যাবে না। বাহিনীর শৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়ে কোন ধরনের আপোষ করা যাবে না। কোন পুলিশ সদস্য শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করতেও আমরা যথেষ্ট সচেষ্ট রয়েছি। তিনি আরও বলেন, জুনিয়রদের কাজকর্ম তদারক করতে হবে। তাদেরকে পুলিশ বাহিনীর একজন যোগ্য সদস্য হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব সিনিয়র সহকর্মীদের পালন করতে হবে।’ 

জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা নিয়ে যাওয়ার কার্যকর একটি পদ্ধতি 'বিট পুলিশিং' উল্লেখ করে ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে সামাজিক অনেক অপরাধ প্রতিরোধ করা যায়। বিট পুলিশিয়ের কারণে বর্তমানে মামলা অর্ধেকে নেমে এসেছে। তিনি বিট পুলিশিংয়ের মাধ্যমে চুরি, ডাকাতিসহ অন্যান্য অপরাধ দমনে তৎপর হওয়ার জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।’ 

আইজিপি উদ্ভাবনী পুলিশিংয়ের ওপর জোর দিয়ে পুলিশ প্রধান বলেন, ‘পুলিশিংয়ের ক্ষেত্রে উদ্ভাবনী কৌশল ব্যবহার করতে হবে। পুলিশে বেস্ট প্র্যাকটিসের চর্চা বাড়াতে হবে। তিনি বলেন, আমরা যেখানেই কাজ করি না কেন, আমাদেরকে পদচিহ্ন রেখে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। যাতে মানুষ আমাদেরকে স্মরণ করে, মনে রাখে।’ 

পুলিশ প্রধান সাধারণ মানুষের প্রতি আচরণ বদলানোর আহবান জানিয়ে বলেন, ‘মানুষের প্রতি অমানবিক আচরণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। এজন্য প্রয়োজন দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো। আর এটা এখনি করা যায়। এতে সময় এবং আর্থিক বিনিয়োগ কোনটারই  প্রয়োজন হয় না। মামলার সঠিক তদন্ত পুলিশের প্রধান দায়িত্ব উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, মামলা তদন্তের মান আরও বাড়াতে হবে। তদন্তর প্রতি অত্যন্ত মনোযোগী হতে এবং তদারকি বাগাতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তঅদের নির্দেশ দেন।’ 


বিয়ে ছাড়াই আবারও মা হচ্ছেন কাইলি জেনার

বলিউড পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের প্রস্তাবে মিমের না!

দেশমাতা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন


 

ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ও বৈধ অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে মেগা প্রজেক্ট বাস্তবায়িত হচ্ছে। এসব প্রজেক্টে অনেক বিদেশী নাগরিক কাজ করছেন। তাদের যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। কিছু দিন পরই  ইউনিয়ন পরষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি না হতে পারে একজন্য একণ থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে।’ 

ড. বেনজীর আহেমদ আরও বলেন, শুধু চাকরি করলে হবে না। চাকরিতে প্রাইড নিয়ে আসতে হবে। এজন্য মানসিকতা ও মনস্তাত্বিক  পরিবর্তন আনতে হবে।’   তিনি আরও বলেন, ‘চাকরির প্রতি ভালোবাসা থাকতে হবে, তাহলেই আমরা এগিয়ে যাবো।’ আইজিপি পুলিশ বাহিনীকে বটবৃক্ষের সাথে তুলনা করে বলেন, ‘সংগঠন যত বড় হবে, তত এর শ্রীবৃদ্ধি ঘটবে। দেশ ও দেশের মানুষ এর থেকে উন্নত সেবা পাবে।’ পরিশেষে দেশের জন্য, দেশের সাধারণ জনগণের জন্য কাজ করতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানান।

 news24bd.tv/আলী  

পরবর্তী খবর

ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা

অনলাইন ডেস্ক

ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা

আগামী মাস থেকে ২২ দিনের জন্য ইলিশ আহরণ ও সংরক্ষণে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে যাচ্ছে সরকার। ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ইফতেখার হোসেন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, চলতি বছর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে আগামী ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন ইলিশ প্রজনন ক্ষেত্রে ইলিশসহ সব ধরনের মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ সময় দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ, বিপণন, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয়, বিনিময় ও মজুত নিষিদ্ধ থাকবে।


আরও পড়ুন

ইভার গান গাওয়া নিয়ে কী চান নতুন স্বামী?

ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের জেলখানায় পাঠিয়ে লাভ নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

কেন মন ভাঙালো তরুণদের ক্রাশ রাশমিকার!


প্রতি বছর আশ্বিন মাসের পূর্ণিমার আগে-পরে মিলিয়ে মোট ১৫ থেকে ১৭ দিন হচ্ছে ইলিশের ডিম ছাড়ার মৌসুম। এ সময় ডিম পাড়তে সাগর থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ নদীতে ছুটে আসে। সেই বিবেচনায় নিয়ে প্রতিবছরের মতো এ বছরও মোট ২২ দিন ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এ সময় ইলিশকে ডিম ছাড়ার সুযোগ দিতেই সরকার দেশের সব নদ-নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত    

পরবর্তী খবর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর পণ্যপরিবহন মালিক-শ্রমিকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার

অনলাইন ডেস্ক

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর পণ্যপরিবহন মালিক-শ্রমিকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার

১৫ দফা দাবিতে কাভার্ডভ্যান-ট্রাক মালিক-শ্রমিকদের ডাকা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ কাভার্ডভ্যান-ট্রাক-প্রাইমমুভার পণ্যপরিবহন মালিক অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ ট্রাকচালক শ্রমিক ফেডারেশন। 

বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পণ্যপরিবহন মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে  বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

একই সাথে বাংলাদেশ কাভার্ডভ্যান-ট্রাক-প্রাইম মুভার পণ্যপরিবহন মালিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুকবুল আহমদ ও বাংলাদেশ ট্রাকচালক শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি তালুকদার মো. মনির সাংবাদিকদের ধর্মঘট প্রত্যাহারের কথা জানান।

আরও পড়ুন


প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার দেশের ইতিহাসে মাইলফলক: কাদের

চাকরি দেবে এসএমসি এন্টারপ্রাইজ

সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে এসপির কার্যালয়ে অবস্থান ধর্মঘট

পার্বত্যাঞ্চলে চলছে জুম তোলার ধুম, ভাল ফলনের আশা


দুপুর ১২টার দিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে কাভার্ডভ্যান-ট্রাক-প্রাইম মুভার পণ্য পরিবহন মালিক-শ্রমিক অ্যাসোসিয়েশনের ১৮ জন নেতা অংশ নেন। বিকেল পৌনে ৩টায় বৈঠক শেষ হয়।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর)  ১৫ দফা দাবিতে সকাল ৬টা থেকে ৭২ ঘণ্টা ধর্মঘট শুরু করেন পণ্যবাহী পরিবহনের মালিক-শ্রমিকরা।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত দেবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত দেবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট হত্যাযজ্ঞের ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত দেবে বলে প্রত্যাশা করছি। কারণ এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়াগুলো শেষ করার কাজ চলছে।

লোটে রয়্যাল হোটেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতকাল মঙ্গলবারের সার্বিক কর্মসূচির ওপর মিডিয়া ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, আমরা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাশেদ চৌধুরীকে দেশে ফিরিয়ে আনবো বলে আশা করছি।

বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত এই খুনীকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টার ফলাফল সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এর আগে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায়ে সাজাপ্রাপ্ত ১২ আসামির একজনকে ফিরিয়ে দেওয়ায় ঢাকা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাশেদ চৌধুরীকেও ফিরে পাওয়ার আশা করছে।

আরও পড়ুন


ছাড়পত্র পেলেন তামিম, খেলতে যাবেন নেপাল

কুয়েত ও সুইডেনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শেখ হাসিনার বৈঠক

স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামীর ফাঁসির আদেশ


১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার দায়ে মত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাশেদ চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকায় অবস্থান করছেন। হত্যাকাণ্ডের ২৩ বছর পরে ১৯৯৮ সালে নিম্ন আদালতের রায়ে অন্য আসামিদের সঙ্গে পলাতক অবস্থায় তাকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। 

২০০৯ সালে উচ্চ আদালত ১২ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ছয়জনের রায় কার্যকর হলেও রাশেদ চৌধুরীসহ বিদেশে পলাতক অন্যদের দণ্ড কার্যকর হয়নি। এসব ঘাতকদের বিদেশ থেকে দেশে নিয়ে নিয়ে দণ্ড কার্যকর করার জোরালো দাবি জানানো হচ্ছিল।

রাশেদ চৌধুরী ১৯৬৯ সালে সরকারি চাকরিতে যোগদান করার পর ১৯৭৬ সালে দ্বিতীয় সচিব হিসেবে জেদ্দায় বাংলাদেশ মিশনের দায়িত্ব পান।

তিনি নাইরোবি, কুয়ালালামপুর ও ব্রাসিলিয়া দূতাবাসে কর্মরত ছিলেন এবং ১৯৯৬ সালে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। ওই বছরেই রাশেদ চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেন।

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার।

বিস্তারিত আসছে...

আরও পড়ুন:


পাঁচ বিভাগে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা

এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?

রাজপথে নামার আহ্বান মোশাররফ-মান্নার

বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টা পর প্লাইউড ফ্যাক্টরির আগুন নিয়ন্ত্রণে


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থী উপস্থিতি পূরণে প্রাথমিক শিক্ষকদের ১১ দফা নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক

শিক্ষার্থী উপস্থিতি পূরণে প্রাথমিক শিক্ষকদের ১১ দফা নির্দেশনা

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিতি ও শিখন ঘাটতি পূরণে শিক্ষকদের ১১ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম স্বাক্ষরিত এ নির্দেশনায় জানানো হয়, প্রত্যেকটি বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের বিস্তারিত তথ্য একটি রেজিস্টারে সংরক্ষণ করতে হবে। উল্লিখিত তথ্যে শিক্ষার্থীর নাম, শ্রেণি, রোল, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, কী কারণে অনুপস্থিত, গৃহীত পদক্ষেপসহ অন্যান্য বিষয় সম্বলিত থাকবে।

শিক্ষকরা অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ স্থাপন করে উপস্থিতি নিশ্চিত করবেন। প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণে হোম ভিজিট বা অন্য কোনো মাধ্যমে যোগাযোগ করতে হবে।

প্রত্যেকটি বিদ্যালয়কে শিক্ষার্থীদের দৈনিক উপস্থিতির (শ্রেণিভিত্তিক) হার নিয়মিতভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। শিক্ষার্থী উপস্থিতির ঘাটতির বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

কোভিড-১৯ প্রভাবজনিত শিখন ঘাটতি পূরণে শ্রেণিভিত্তিক শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা যাচাই করে বিভিন্ন দলে ভাগ করে (যেখানে সম্ভব) শ্রেণির শিক্ষক ও বিষয় শিক্ষককে শিখন ঘাটতি পূরণে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুত্তক বোর্ড নির্দেশিত পাঠ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও ফলাবর্তন প্রদান করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দলে ভাগ করে যোগ্যতা অনুযায়ী অক্ষর চেনা, যুক্তাক্ষর, উচ্চারণ, শুদ্ধ ও সাবলিলভাবে বাংলা-ইংরেজি পাঠ্যবই পড়তে পারা শুদ্ধভাবে বাংলা বাক্য লিখতে পারা সংখ্যার জ্ঞান, নামতা, গাণিতিক দক্ষতা প্রভৃতি ঘাটতি পূরণ করতে হবে।

অনলাইন ক্লাস চলমান থাকবে এবং সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারে সম্প্রচারিত ‘ঘরে বসে শিখি’র পাঠদান কার্যক্রমে (রুটিন অনুযায়ী) শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবে।

বিদ্যালয়ের বিষয় শিক্ষক ও শ্রেণি শিক্ষকরা শ্রেণিভিত্তিক প্রতিটি শিশুর শিখন যোগ্যতার প্রোফাইল (শিখন ঘাটতি পরিস্থিতি) প্রণয়ন করে এ সম্পর্কিত অগ্রগতি রেকর্ড সংরক্ষণ করবেন।

শিক্ষার্থীর ধারাবাহিক মূল্যায়নে শ্রেণির কাজ, বাড়ির কাজ (ওয়ার্ক সিট) যাচাইকরণে একই শ্রেণির শিক্ষার্থীর ঘাটতি নিরূপণে শিক্ষকদের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ এবং শিখন ঘাটতিতে ফলাবর্তন প্রদান করতে হবে।

আরও পড়ুন:


পাঁচ বিভাগে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা

এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?

রাজপথে নামার আহ্বান মোশাররফ-মান্নার

বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টা পর প্লাইউড ফ্যাক্টরির আগুন নিয়ন্ত্রণে


প্রধান শিক্ষক, শ্রেণি শিক্ষক, বিষয় শিক্ষক এবং কর্মচারীকে শিক্ষার্থীদের মনোসামাজিক স্বাস্থ্যের প্রতি গুরুত্বারোপ করে সহনশীল ও মানবিক আচরণ করতে হবে।

প্রতিটি বিদ্যালয়ে প্রতিদিন দুটি শ্রেণির পাঠদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। রুটিন অনুযায়ী যে শিক্ষকের শ্রেণি পাঠদান কার্যক্রম থাকবে না, তারা বিদ্যালয়ে বসে অবশিষ্ট তিনটি শ্রেণির জন্য গুগলমিটে অনলাইন পাঠদান (যেখানে সম্ভব) কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

মাঠ পর্যায়ের প্রত্যেক মেন্টরকে পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ থেকে প্রেরিত মেন্টরিং গাইডলাইন (মেন্টরদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সংক্রান্ত) ও মেন্টরিং টুলস অনুসরণ করে নিজ দায়িত্ব পালনে সচেতন হতে হবে।

সব ক্ষেত্রে সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর