মাড়ি থেকে রক্তপাত হলে কি করবেন

অনলাইন ডেস্ক

মাড়ি থেকে রক্তপাত হলে কি করবেন

প্রায়শই আমরা একটা কথা শুনে থাকি “দাঁত ব্রাশ করতে গেলে মাড়ি থেকে রক্ত আসে”, “সকালে ঘুম থেকে উঠে থুথু ফেললে তাতে রক্ত দেখা যায়”, কিন্তু কেন এই রক্ত আসে দাতে? আজ জানবেন মাড়ি থেকে রক্তপাতের আদ্যেপান্ত।

একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ মানুষ কোনো না কোনোভাবে মাড়ি থেকে রক্তপাত রোগে ভোগেন। মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে বুঝতে হবে, আপনার মাড়িতে জিনজিভাইটিস বা মাড়ির প্রদাহ হয়েছে। আসুন জেনে নিই এমন সমস্যার সম্ভাব্য কিছু কারণ ও প্রতিরোধ।

রক্ত পড়ার কারণ
* মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ার প্রধান ও অন্যতম কারণই হচ্ছে নিয়মিত দাঁত ব্রাশ না করা। দাঁতের ওপর লেগে থাকা খাদ্যকণাগুলোর সাদা প্রলেপ পড়ে, যাকে আমরা ডেন্টাল প্লাগ বলি। ২৪ ঘণ্টা পর এ ডেন্টাল প্লাগ শক্ত হয়ে ক্যালকুলাস হয়। এ ক্যালকুলাসই মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ার অন্যতম কারণ।

* ক্যালকুলাস দাঁত ও মাড়ির মাঝখানে অবস্থান করে এবং প্রতিনিয়ত নরম মাড়ির সঙ্গে ক্যালকুলাসের ঘর্ষণের কারণে খুব সহজেই মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে। মাড়ির ফোলা এবং প্রদাহের কারণও এ ক্যালকুলাস। এটাকে বলা হয় জিনজিভাইটিস।

ক্রমশই জিনজিভাইটিস বেড়ে গিয়ে যখন প্রকট আকার ধারণ করে, তখন একে বলা হয় পেরিওডন্টাইটিস। এ অবস্থায় দাঁতটা ধীরে ধীরে মাড়ি থেকে সরে যায় এবং নড়তে থাকে।

তা ছাড়া আরও কিছু কারণ রক্ত পড়ার জন্য দায়ী হতে পারে। যেমন-

ঠিকমতো ফ্লসিং না করা

লিউকোমিয়া(এক ধরনের রক্তের ক্যানসার)

রক্ত পাতলাকারী ওষুধ

স্কার্ভি, ভিটামিন সি’র ঘাটতি

ভিটামিন কে’র ঘাটতি


প্রতিকার
এ সমস্যা প্রাথমিক যত্নের মাধ্যমে সারিয়ে তোলা সম্ভব। তবে অনেক সময় যদি ভালো না হয় তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

প্রতিদিন সঠিক নিয়মে সকালে ঘুম থেকে জেগে ও রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে দু’বার দাঁত ব্রাশ করতে হবে।

ভালোমানের পেস্ট ও ব্রাশ ব্যবহার করতে হবে। দীর্ঘদিন এক টুথপেস্ট ব্যবহার করবেন না।

ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহারের মাধ্যমে দুই দাঁতের মাঝখানে লেগে থাকা খাদ্যকণা দূর করতে হবে।

নিয়মিত ভিটামিন সি’সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। যেমন- আমলকী, কমলালেবু, বাতাবিলেবু, আমড়া ইত্যাদি।


বিয়ে ছাড়াই আবারও মা হচ্ছেন কাইলি জেনার

বলিউড পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের প্রস্তাবে মিমের না!

দেশমাতা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন


সুতরাং আপনার যদি মাড়ি থেকে রক্ত আসার সমস্যা থাকে, তাহলে দেরি না করে নিকটস্থ রেজিস্টার্ড ডেন্টাল সার্জনকে দেখান, পরামর্শ ও চিকিৎসা নিন, সুস্থ থাকুন। মনে রাখবেন, রোগ যত দ্রুত ধরা পড়ে, তা সেরে যাবার সম্ভাবনা তত বেশি থাকে। ক্ষয়ক্ষতি কম হয়, চিকিৎসার সময় ও খরচ- দুইয়েরই সাশ্রয় হয়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

২ কাঁচা মরিচের যতগুণ

অনলাইন ডেস্ক

২ কাঁচা মরিচের যতগুণ

ঝাল খাবার তৈরির সবচেয়ে প্রয়োজনীয় উপাদান হলো মরিচ। এই মরিচ আবার নানাভাবে খাবারে ব্যবহার করা হয়। রান্নায় তো ব্যবহার হয়ই, পাশাপাশি খাবারের সঙ্গে অনেকে কাঁচা মরিচ খেয়ে থাকেন।

কাঁচা মরিচে আছে রাইবোফ্লাভিন, নিয়াসিন, আয়রন, ফসফরাস, ম্যাঙ্গানিজ, থিয়ামিন, ডায়েটারি ফাইবার ইত্যাদি। এছাড়াও কাঁচা মরিচ খেলে আরও মিলবে ম্যাগনেসিয়াম, কপার, পটাসিয়াম, ভিটামিন এ, সি, কে, বি৬। আর এই সবগুলো উপাদানই আমাদের শরীরের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। চলুন জেনে নেয়া যাক প্রতিদিন দু’টি কাঁচা মরিচ খাওয়ার উপকারিতা-

ক্যান্সারের আশঙ্কা কমায়

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর কাঁচা মরিচ। নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেলে শরীরের ক্ষতিকর উপাদান বের হয়ে যায়, মেলে নানা উপকার। পাশাপাশি ক্যান্সারের সেল জন্ম নেয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কমে যায়। তাই ক্যান্সার থেকে বাঁচতে নিয়মিত কাঁচা মরিচ খান।

হার্ট ভালো রাখে

হার্টের সমস্যা এখন সব বয়সীদের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে। আপনি যদি দিন অন্তত দুটি করে কাঁচা মরিচ খেতে পারেন তবে হার্টের সমস্যা দেখা দেয়ার ভয় অনেকটাই কমবে। কারণ কাঁচা মরিচে আছে অনেকগুলো উপকারী উপাদান। সেসব উপাদান আমাদের রক্তে থাকা খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে দিতে পারে। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণে রাখে ট্রাইগ্লিসারাইড। ব্লাড ক্লট হতে বাধা দেয় এই কাঁচা মরিচ। তাই আশঙ্কা কমে হার্ট অ্যাটাকের।

সাইনাস দূর করে

কাঁচা মরিচ খেলে ঝাল লাগে কারণ এর ভেতরে রয়েছে ক্যাপসিসিন নামক একটি উপাদান। আর এই ক্যাপসিসিন আমাদের শরীরের বিভিন্ন উপকার করে থাকে। কাঁচা মরিচ খাওয়ার পরে আমাদের ব্রেনের মধ্যে রক্তের প্রবাহ বেড়ে যায়। ফলে সাইনাস ইনফেকশনের সমস্যা দ্রুত কমে। আপনি যদি সাইনাসে ভুগে থাকেন তাহলে নিয়মিত কাঁচা মরিচ খান।

আরও পড়ুন


দলে পরিবর্তন, এক নজরে ওমানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ পররাষ্ট্রমন্ত্রী কলিন পাওয়েল মারা গেছেন

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, আরও দুদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা

চিকিৎসকের আত্মহত্যা, লাশের পাশে পড়ে থাকা চিঠিতে যা লেখা ছিল


রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের পর আমরা সবচেয়ে বেশি সচেতন হয়েছি এই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে। কারণ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়লে তা আমাদের অনেক রকম অসুখের সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে। দিন অন্তত দু’টি করে কাঁচা মরিচ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। কারণ কাঁচা মরিচে আছে প্রচুর ভিটামিন-সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বিটা ক্যারোটিন। কাঁচা মরিচ আমাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করে তোলে। ফলে রোগজীবাণু আক্রমণ করার সুযোগ পায় না। এটি আমাদের ত্বককে সুন্দর করতে সাহায্য করে।

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

নিয়মিত চিনির বদলে মিছরি ওজন কমায়

অনলাইন ডেস্ক

নিয়মিত চিনির বদলে মিছরি ওজন কমায়

মিছরি মূলত চিনির অপরিশোধিত রূপ। এর স্বাদ অনেকটা চিনির মতো হলেও এটি ক্ষতিকর নয়। আখ এবং খেজুরের রস থেকে এটি তৈরি করা হয়। নিয়মিত মিছরি কিংবা মিছরি ভেজানো পানি খেলে সুস্থ থাকার প্রক্রিয়া সহজ হয়। 

মিছরি তৈরির শুরুটা হয়েছিল ভারতে, এখন বিভিন্ন দেশে মিছরি তৈরি ও ব্যবহৃত হয়। এতে চিনির তুলনায় মিষ্টি থাকে কম। আবার খেতেও সুস্বাদু। মিছরিকে ইংরেজিতে বলা হয় রক সুগার। মিছরি বিভিন্ন আকৃতির হতে পারে। মিছরি দেখতে সাধারণত সাদা হয়, এর পাশাপাশি বিভিন্ন রং ব্যবহার করেও একে আকর্ষণীয় করা হয়। জেনে নিন মিছরির উপকারিতা-

ওজন কমায়

ওজন বৃদ্ধি নিয়ে মুশকিলে পড়েন অনেকেই। বর্তমান সময়ে এটি পরিচিত সমস্যাগুলোর মধ্যে একটি। আপনি যদি ওজন কমাতে চান তবে তা সহজ হবে যদি নিয়মিত চিনির বদলে মিছরি খেতে পারেন। মিছরি ও মৌরি গুঁড়া করে তা একসঙ্গে রেখে দেবেন এবং নিয়মিত খাবেন, এতে ওজন নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে। যেসব রান্নায় চিনি ব্যবহার করতেন সেগুলোতে চিনির বদলে মিছরি ব্যবহার শুরু করুন। কারণ মিছরিতে উপকারিতা অনেক বেশি।

রক্তস্বল্পতা নিয়ন্ত্রণ করে

মিছরি খেলে তা রক্তস্বল্পতার মতো অসুখ সারাতে কাজ করে। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় মিছরি রাখুন। মিষ্টি স্বাদের এই উপকারী খাবার আমাদের শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা উন্নত করে। সেইসঙ্গে এটি উন্নত করে রক্ত সঞ্চালনের প্রক্রিয়াকেও। তাই রক্তস্বল্পতার সমস্যা থেকে বাঁচতে নিয়মিত মিছরি খেতে পারেন।

হজমে সাহায্য করে

হজম ভালো থাকলে মুক্ত থাকা যায় নানা ধরনের অসুখ থেকে। আর আপনার হজম প্রক্রিয়া সহজ করতে কাজ করবে মিছরি। মৌরি দিয়ে মিছরি খেলে তা হজম ব্যবস্থাকে উন্নত করে। মিছরিতে থাকা বিভিন্ন উপাদান হজমে সাহায্য করে। তাই হজমশক্তি ভালো রাখতে দুপুর ও রাতের খাবারের পর মিছরির সঙ্গে মৌরি মিশিয়ে খেতে পারেন।

শক্তি বৃদ্ধি করে

মিছরি হলো চিনির অপরিশোধিত রূপ সেকথা তো জেনেছেনই। তাই চিনিতে প্রচুর সুক্রোজ পাওয়া যায়, যা থাকে মিছরিতেও। এটি আমাদের শরীরে দ্রুত শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে। তাই দুর্বল বোধ করলে সঙ্গেসঙ্গে মিছরি কিংবা মিছরি ভেজানো পানি খেতে পারেন। যারা শরীরচর্চা করেন তারাও নিয়মিত মিছরি খেতে পারেন।

আরও পড়ুন:

মেয়াদ-বেতন দুটোই বাড়ছে টাইগার কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর

পরের দুই ম্যাচ জিতলেও মূল পর্ব অনিশ্চিত টাইগারদের

নবীর ভবিষ্যদ্বাণী, বৃষ্টির মতো বিপদ নেমে আসবে

ডেলিভারি বয় থেকে বিশ্বকাপে অঘটনের নায়ক


সর্দি-কাশি সারায়

মুখে মিছরি ও এলাচ রেখে দিলে তা সর্দি-কাশির সমস্যা থেকে দ্রুত মুক্তি দিতে পারে। আবার মিছরি, এলাচ ও বাদম দিয়ে এক ধরনের খাবারও হয়। এটি বাড়িতে তৈরি করে রাখলে তা পরবর্তীতে সর্দি-কাশি হলে কাজে লাগবে। সেজন্য সমপরিমাণ মিছরি ও বাদাম পিষে তার মধ্যে পরিমাণমতো পানি দিয়ে জ্বাল দিতে হবে। তার মধ্যে দিয়ে দিতে হবে এলাচ। ভালোভাবে গলে গেলে এবং ‍মিশ্রণটি ফুটে উঠলে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিতে হবে। এরপর ঢাকনাযুক্ত পাত্রে সংরক্ষণ করতে হবে। সর্দি-কাশি দেখা দিলে এটি খেলে উপকার মিলবে।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

কাজের চাপে ঘাড় ও পিঠে ব্যথা হলে যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

কাজের চাপে ঘাড় ও পিঠে ব্যথা হলে যা করবেন

দীর্ঘক্ষণ অফিসে বসে বসে কাজ করতে হয়? নাকি সারাদিন নানা জায়গায় ঘুরে ঘুরে বা সারাক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজ করতে হয়? দৈনন্দিন বাড়তে থাকা কাজের চাপের সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ঘাড়, কোমড় আর পিঠের ব্যথা! সমস্যা যতই হোক না কেন, চট করে কাজের ধরন বদলে ফেলা কখনওই সম্ভব নয়। তবে কাজের চাপে বাড়তে থাকা ঘাড়, কোমর আর পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে আমাদের জীবনযাত্রায় কতগুলি পরিবর্তন আনা জরুরি। পরিবর্তন আনা জরুরি আমাদের হাঁটা-চলা বা বসার অভ্যাসেরও। আসুন জেনে নেওয়া যাক কাজের চাপ সামলে ঘাড়, কোমর আর পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ উপায়...

১. যদি দীর্ঘক্ষণ আপনাকে অফিসে বসে কাজ করতে হয়, তাহলে মাঝেমধ্যে কিছুক্ষণের জন্য বিশ্রাম নিন, হাঁটাচলা করুন। চিকিৎসকেরা বলেন, দুই ঘণ্টা একটানা বসে থাকলে শরীরের ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। সেইসঙ্গে শরীরের ফ্যাট ঝরানোর উৎসেচকের ক্ষরণ প্রায় ৯০ শতাংশ কমে যায়। চার ঘণ্টা একটানা বসে থাকলে রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা কমে যায়। তাই ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকলে শুধু ঘাড়ে, কোমরে বা পিঠের ব্যথাই বাড়বে না, বাড়বে ডায়াবেটিস বা হার্টের সমস্যাও।

২. অনেকে ভুল ভঙ্গিমায় বসেন বা দাঁড়ান। ফলে ঘাড় বা পিঠে ব্যথা হয়। তাই বসা, দাঁড়ানো বা শোওয়ার সময় ভঙ্গি সতর্কভাবে খেয়াল রাখুন।

৩. বেড়াতে যাওয়ার সময় বা কাজে বেরোনোর আগে আমরা অনেকেই পিঠে ভারী ব্যাকপ্যাক নিই। বেশি ওজনের ব্যাগ দীর্ঘক্ষণ ধরে বইতে হলে দুই কাঁধে সমান ভার না পড়লে কাঁধ বা পিঠে ব্যথা হয়। তাই ব্যাগ এমনভাবেই নিতে হবে, যাতে দুই কাঁধে সমান চাপ পড়ে।

আরও পড়ুন:


ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!

ডিএমপি কমিশনার ও র‍্যাব ডিজি’র পদোন্নতি


 

৪. ফ্রোজেন শোল্ডার বা স্টিফ জয়েন্টের সমস্যায় সার্ভিক্যাল কলার বা ব্যাক ব্রেস পরলে সাময়িক আরাম পাওয়া যায় ঠিকই, তবে এই অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদি হলেই বিপদ। কারণ, চিকিৎসকদের মতে, তেমন কোনো চোট বা আঘাত না থাকলে সার্ভিক্যাল কলার বা ব্যাক ব্রেসের ওপর নির্ভর না করাই ভালো। এর থেকে ফিজিওথেরাপিস্টদের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়ম মেনে কসরত করাই ভালো।

৫. শোওয়ার সময় বালিশের উচ্চতা সঠিক না হলে বা বালিশ খুব শক্ত বা খুব নরম হলে ঘাড়-পিঠে ব্যথা হতে পারে। বালিশের উচ্চতা এমন হওয়া উচিত, যাতে কাঁধ আর ঘাড় না বেঁকিয়ে পিঠ মোটামুটি সোজা বা সমান্তরাল রেখে শোওয়া যায়। এসব সাধারণ কিছু উপায় মেনে চললে ঘাড়-পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। সূত্র-জিনিউজ।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

হঠাৎ পায়ের রগে টান পড়লে কী করবেন?

অনলাইন ডেস্ক

হঠাৎ পায়ের রগে টান পড়লে কী করবেন?

হঠাৎ করেই হাত বা পায়ের পেশিতে টান পড়ে অনেকের। অনেকসময়  হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ করেই বেঁকে যায় পায়ের আঙুল। ইংরেজিতে এই সমস্যাকে ক্যাম্প বলা হয়।

হাতে, পায়ে বা কোমরে এই টান পড়ার পেছনে রয়েছে ডিহাইড্রেশন। শরীরে পানির পরিমাণ কমে গেলে এই টান ধরার প্রবণতা বেড়ে যায়। সে সঙ্গে থাকে তীব্র যন্ত্রণা। বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে বেশি পরিমাণ পানি বের হয়ে যায়। ফলে দেহে পানির ঘাটতি দেখা দেয়। এই ঘাটতির প্রভাব পড়ে পেশির স্থিতিস্থাপকতায়।

সাধারণত পানি পানের পরিমাণ বাড়ালে ক্র্যাম্প সমস্যার সমাধান হয়। কিন্তু হঠাৎ করেই শিরায় টান পড়লে কী করবেন? কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে এই সমস্যার সমাধান করা যায়।

হাত পায়ের আঙুল বা কোমরের ক্র্যাম্প থেকে মুক্তি পেতে আক্রান্ত স্থান ও তার চারপাশে আঙুলের সাহায্যে চাপ দিয়ে ম্যাসেজ করুন। এমনভাবে ম্যাসেজ করবেন যেন শক্ত হয়ে যাওয়া পেশি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে যায়।

পায়ের শিরায় টান পড়লে ম্যাসেজের পর ওই স্থান একটু স্বাভাবিক হলে খুব কম চাপ দিয়ে ধীরে ধীরে স্ট্রেচিং করুন। এ সময় অন্য যে কোনো ব্যায়াম না করাই ভালো। প্রথম পায়ের হাঁটু ভাঁজ করুন। অন্য পা পেছনে টান টান করে ছড়িয়ে দিয়ে টান ধরা পায়ের হাঁটুর ওপর শরীরের ভর ধীরে ধীরে ছাড়ুন।

আরও পড়ুন


বঙ্গবন্ধু যেতেই গুলি বন্ধ করল বিডিআর

মানুষের সঙ্গে যেভাবে কথা বলতেন বিশ্বনবী

সূরা বাকারা: আয়াত ১২৮-১৩৩, আল্লাহর নির্দেশ ও হয়রত ইব্রাহিম (আ.)

কলকাতা প্রেস ক্লাবে ‘বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার’


 

থাইয়ের পেশিতে টান লাগলে জায়গাটি নরম করে শক্ত কিছুতে ভর করে দাঁড়ান। টান ধরা পাকে কোমর অব্দি টানটান করুন। কোমর ও পায়ের ক্র্যাম্প হাঁটাহাঁটি করলে কমে। টান ধরলে আক্রান্ত স্থানে হট ব্যাগ ধরে রাখুন। দশ সেকেন্ড পর সেখানে বরফের সেঁক দিন। এরপর আবার হট ব্যাগের সেঁক। এভাবে আরাম না পাওয়া অব্দি করতে থাকুন।

এসব উপায় কাজে লাগিয়েও যদি শিরায় টান পড়া সমস্যার সমাধান না হয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

কোভিড থেকে সেরে ওঠার পর সমস্যা থাকতে পারে কতদিন?

অনলাইন ডেস্ক

কোভিড থেকে সেরে ওঠার পর সমস্যা থাকতে পারে কতদিন?

কোভিড থেকে সেরে ওঠার পর ৬ মাস পর্যন্ত আপনার শরীরে দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা। সম্প্রতি এক গবেষণায় উঠে এসেছে এমন তথ্য। কোভিড আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি সংখ্যক আক্রান্ত হওয়ার পরবর্তী ছয়মাস নানা জটিলতায় ভোগেন। যেগুলি লং কোভিড এফেক্ট নামেও বলা হয়। এই সব উপসর্গের মধ্যে রয়েছে ক্লান্তি, মাথাঘোরা, বুক ধড়পড় করা, হাফিয়ে যাওয়া অথবা বুকে ব্যথার মতো একধিক উপসর্গ। সম্প্রতি একটি গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই এক তথ্য। ডেইলি হান্টের খবরে এসব তথ্য জানা যায়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেন স্টেট কলেজ অফ মেডিসিনের গবেষকরা তাদের গবেষণায় তুলে ধরেছেন কোভিড পরবর্তী ৬ মাস সময়কালে রোগীদের মধ্যে বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাঁদের প্রতি বাড়তি যত্নের কথাও বলা হয়েছে গবেষণায়। এ ব্যাপারে সরকারি এবং বেসরকারি উভয় ক্ষেত্রকেই এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।


আরও পড়ুন:

ইয়েমেনে বিমান হামলায় ১৬০ হুথি বিদ্রোহী নিহত

গাড়ি উৎপাদন কমাচ্ছে টয়োটা

ক্যাটরিনাকে বিয়ের প্রসঙ্গে এবার মুখ খুললেন ভিকি

আত্মহত্যার চেষ্টা করা ছাত্রী বোর্ড পরীক্ষায় প্রথম!


JAMA নেটওয়ার্ক ওপেন জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় মোট ৫৭ টি রিপোর্ট পর্যালোচনা করা হয়েছে। যার মধ্যে ডিসেম্বর ২০১৯ থেকে মার্চ ২০২১ পর্যন্ত কোভিড -১৯ রোগে আক্রান্ত ২৫০,৩৫১ টিকাহীন প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশুদের তথ্যও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, কোভিড -১৯ রোগে আক্রান্তদের মধ্যে ৭৯ শতাংশ রোগীদের হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয়। তাদের মধ্যে সকলেই উন্নত দেশের বাসিন্দা। তাদের বেশিরভাগ ছিলেন মধ্যবয়সী এবং ৫৬ শতাংশই পুরুষ।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত 

পরবর্তী খবর