রাজশাহীতে পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহীতে পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

রাজশাহীতে পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু হয়েছে।

বিস্তারিত আসছে...

আরও পড়ুন: 


রাসেলের বাসায় র‌্যাবের অভিযান চলছে

স্ত্রী হত্যার অভিযোগ, স্বামী-শ্বশুর পলাতক

চীনে ১০ কি.মি. গভীরতার শক্তিশালী ভূমিকম্পের হানা

দুবলার চর থেকে খুলনা কাঁকড়া পরিবহনে বাধা নেই: হাইকোর্ট


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ভালো ছেলের সঙ্গে বিয়ের কথা বলে ৩ কিশোরীকে বিয়ে করে এই ঘটক

অনলাইন ডেস্ক

ভালো ছেলের সঙ্গে বিয়ের কথা বলে ৩ কিশোরীকে বিয়ে করে এই ঘটক

কলেজছাত্রীকে বিয়ের জন্য পাত্র দেখানোর কথা বলে কৌশলে অপহরণ করে তিন দিন ধরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ধর্ষকের বিরুদ্ধে। বগুড়ার শিবগঞ্জের এমন ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত ঘটকের নাম শাহিনুর রহমান।

থানা-পুলিশ অপহৃত কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত ঘটককে গ্রেপ্তার করেছে।

গতকাল শনিবার (১৬ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে ঘটককে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ঘটক শাহিনুর রহমান (৪৩) শিবগঞ্জ উপজেলার রায়নগর ইউনিয়নের করতকোলা গ্রামের মৃত মোবারক প্রাং-এর ছেলে।

জানা গেছে, গ্ৰেপ্তার শাহীনুর ঘটক পেশার মাধ্যমেই জীবিকা নির্বাহ করেন। একই উপজেলার মোকামতলা মহিলা কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের এক ছাত্রীর বাবার সঙ্গে ঘটক শাহিনুরের পরিচয় হয়। সেই সূত্র ধরে ভালো ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার জন্য পাত্র দেখানোর কথা বলে ওই ছাত্রীকে বিভিন্ন স্থানে ঘটক শাহিনুর নিয়ে যায়।

গত ১৩ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে ওই ছাত্রী কলেজে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। সন্ধ্যা পার হলেও বাড়ি না ফেরায় তার পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজ শুরু করেন। একপর্যায় ঘটক শাহীনুরের বাড়িতে গিয়ে ঘটককে না পেয়ে তাদের মনে সন্দেহ হয়। ঘটককে ফোন দিলে ফোন রিসিভ করেননি।

ঘটক এবং ওই ছাত্রীর সন্ধান করতে গিয়ে ছাত্রীর পরিবার জানতে পারে শিবগঞ্জ থানার একটি এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে ঘটক এবং মেয়েটি আত্মগোপন করে আছে।

শনিবার রাতে ওই ছাত্রীর পরিবারের লোকজন সেখানে গেলে ঘটক পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে গণধোলাই দেয়।

পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে ঘটক শাহিনুরকে গ্রেপ্তার এবং কলেজ ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।

ঘটক শাহিনুর ভালো ছেলের সঙ্গে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ইতোপূর্বে আরও তিনজনকে নিজেই বিয়ে করেছিল। কিন্তু পরে কেউ তার সংসার করেননি।

শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, অপহৃত কলেজছাত্রীকে ঘটক শাহিনুরের হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া শাহিনুরের বিরুদ্ধে কলেজছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

পরবর্তী খবর

টাকা না দেওয়ায় নানাকে হত্যা করে ঘরেই পুঁতে রাখে নাতি

অনলাইন ডেস্ক

টাকা না দেওয়ায় নানাকে হত্যা করে ঘরেই পুঁতে রাখে নাতি

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ঘরের মেঝে খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় যে নাতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। নাতির নাম মঞ্জুরুল ইসলাম বাবু (১৯)।

রোববার (১৭ অক্টোবর) সকালে মুক্তাগাছা থানার ওসি (তদন্ত) চাঁদ মিয়া এ তথ‍্য নিশ্চিত করেছেন।

১৬ অক্টোবর বিকালে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ড. মো. রাশেদ হোসাইনের কাছে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয় নাতি। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

নিহত আব্দুর রশিদের দ্বিতীয় মেয়ে বিনা আক্তারের ছেলে মঞ্জুরুল ইসলাম বাবু। তিনি একই এলাকার মো. জিয়াউর রহমানের ছেলে।

অপরদিকে নিহত আব্দুর রশিদ পৌর শহরের নন্দীবাড়ি মাঝিপাড়া মৃত হায়দার আলীর ছেলে। তিনি কাঠের ব্যবসা করতেন।

ওসি আরও বলেন, ঘটনার দিন রাতে নানা আব্দুর রশিদের কাছে টাকা চেয়েছিল নাতি বাবু। কিন্তু দাদা টাকা না দেওয়ায় দু'জনের কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে নানা আব্দুর রশিদ হাতের লাঠি দিয়ে নাতিকে শাসন করে। এতে নাতি ক্ষুব্ধ হয়ে রাতে ঘুমের মধ্যে নানা আব্দুর রশিদের মাথায় শাবল দিয়ে আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বৃদ্ধ আব্দুর রশিদের। পরে ঘরের মেঝেতে মাটি খুঁড়ে গর্তে চাপা দিয়ে ঘরের বাইরে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায় বাবু।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার চার দিন পর ১৪ অক্টোবর রাতে মুক্তাগাছা শহরের ইশ্বরগ্রামের মাঝিপাড়া এলাকা থেকে তালাবদ্ধ ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের মেঝে খুঁড়ো আব্দুর রশিদের গলিত লাশ উদ্ধার করে।

পরে ওই দিন রাতেই নাতি বাবুকে আটক করে পুলিশ।

এ ঘটনায় ১৫ অক্টোবর রাতে নিহতের বড় মেয়ে আক্তার বাদী হয়ে মুক্তাগাছা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ছড়াচ্ছিল দুর্গন্ধ, উৎস খুঁজতে গিয়ে মিলল চিকিৎসকের মরদেহ

অনলাইন ডেস্ক

ছড়াচ্ছিল দুর্গন্ধ, উৎস খুঁজতে গিয়ে মিলল চিকিৎসকের মরদেহ

রাজধানীর নিকুঞ্জ-২ এর একটি বাসা থেকে এক সদ্য পাস করা এক চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার নাম জয়দেব চন্দ্র দাস। 

শনিবার রাত ৮টার দিকে নিকুঞ্জ-২-এর ১৫ নম্বর সড়কের নরেন নিবাস নামের একটি বাড়ির ফ্ল্যাট থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে ওই চিকিৎসকের মরদেহের খোঁজ মিলে।

খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুন্সি সাব্বির আহমেদ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের ক্রাইম সিন ইউনিট মরদেহ থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে।

ওসি বলেন, ফ্ল্যাটের একটি কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে- এমন খবরে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। দরজা ভেঙে খাটে শোয়া অবস্থায় একজনের মরদেহ উদ্ধার করি।

আরও পড়ুন


৭ বছর পর হলে আসছে অনন্ত জলিলের ‘অ্যাকশন সিনেমা’

কিশোরী প্রেমিকাকে কাশবনে ডেকে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে দুই বন্ধু

মোস্তাফিজকে রুখে দেয়ার ইচ্ছে স্কটল্যান্ডের!

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে আ.লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীকে গুলি করে হত্যা


ওসি সাব্বির আরও বলেন, নিহত চিকিৎসক সিলেট ওসমানি মেডিকেল থেকে পাস করেছেন। ঢাকায় কোনো হাসপাতালে চাকরি করছিলেন কি না তা প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি। যে ফ্ল্যাট থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, সেখানে চিকিৎসকরা মেস করে থাকতেন। তিন দিন আগে জয়দেব বাসায় প্রবেশ করেছেন। এরপর আর বের হননি বলেও জানান ওসি।

এর আগে এক সপ্তাহ আগে ওই এলাকার এক ছাত্রী হোস্টেল থেকে আরেক নারী চিকিৎসকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

রাস্তা থেকে ‍তুলে নিয়ে স্কুল ভবনে গণধর্ষণ : গ্রেফতার ২

অনলাইন ডেস্ক

রাস্তা থেকে ‍তুলে নিয়ে স্কুল ভবনে গণধর্ষণ : গ্রেফতার ২

পাত্র দেখে ফেরার পথে বিউটি পার্লারের এক কর্মী দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই পার্লার কর্মীকে (২০) রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে অভিযুক্তরা। ধর্ষণের শিকার নারীর বাড়ি ময়মনসিংহের ত্রিশালে। তিনি স্থানীয় একটি বিউটি পার্লারে কাজ করেন। এসময় তার সঙ্গে এক বান্ধবীও ছিল। এ ঘটনায় শনিবার (১৬ অক্টোবর) মামলা করেছেন ধর্ষণের শিকার ওই নারী।

শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) রাতে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের শিমুলতলার বলদী ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।এ ঘটনায় শনিবার মামলা করেন ওই নারী। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- শ্রীপুর উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়ন শিমুলতলা গ্রামের মৃত নূরুল ইসলামের ছেলে কামরুজ্জামান (৪০) ও  ধামলই গ্রামের আবুল কালামের ছেলে গোলাপ মিয়া (৩৫ )। 

পুলিশ জানায়, ওই নারীর স্থানীয় মোস্তফার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক হয়। এই সুবাদে শুক্রবার সন্ধ্যায় মোস্তফার ভাগিনার জন্য পাত্র দেখতে এক বান্ধবীকে নিয়ে পাত্রের বাড়িতে যায়। সেখান থেকে পাত্র দেখা শেষ করে রাত দশটার দিকে কাওরাইদ বাজার থেকে অটোরিকশায় ত্রিশালের উদ্দেশে রওনা হয়। 

এক পর্যায়ে রাত সাড়ে দশটার সময় শিমুলতলায় ওই নারীর অটোরিকশা আটকায় অভিযুক্তরা। এরপর ওই নারীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে বলদীঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ভবনের একটি রুমে  পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। 

আরও পড়ুন:


মিনিস্টারে বিশাল নিয়োগ , যোগ্যতা ৮ম শ্রেণী

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে চাকরি, যোগ্যতা এসএসসি

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে চাকরির সুযোগ, যোগ্যতা এইচএসসি

পল্লী বিদ্যুৎতে বড় নিয়োগ, যোগ্যতা এসএসসি


শ্রীপুর মডেল থানার ওসি (অপারেশন) গোলাম সারোয়ার সংবাদমাধ্যমকে জানান, দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। এসময় ধর্ষণের শিকার নারীর এক বান্ধবীও লাঞ্ছিত হয়েছিল। পরে ওই ঘটনায় জড়িত দু’জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাদের জেলহাজতে পাঠিয়েছেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

সাবেক স্বামীর সাথে হোটেলে যাওয়ার পর লাশ হয়ে ফিরলেন নাসিমা!

অনলাইন ডেস্ক

সাবেক স্বামীর সাথে হোটেলে যাওয়ার পর  লাশ হয়ে ফিরলেন নাসিমা!

স্বামী পরিচয়ে গত শুক্রবার একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন রবিউল ইসলাম রুবেল ও মোসা. নাসিমা খাতুন (৩৪)। কিন্তু পরের দিন হোটেল থেকে সেই নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশ উদ্ধারের পর সেই যুবককে আঠক করেছে পুলিশ।

বাগেরহাটে আবাসিক হোটেলে এই ঘটনা ঘটে।

শনিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে বাগেরহাট শহরের রাহাতের মোড়স্থ বিলাস হোটেল থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ওই হোটেলে ওঠেন তারা। নিহত মোসা. নাসিমা খাতুন (৩৪) ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার ত্রিবেণী দক্ষিণপাড়া এলাকার ওলীদ মিয়ার মেয়ে। তিনি সাভার এলাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। আটককৃত রবিউল ইসলাম রুবেল একই উপজেলার চতুরা গ্রামের মো. শহিদুল ইসলামের ছেলে।

আটককৃত  রুবেলের বরাতে পুলিশ জানা, ২০১৫ সালে ঝিনাইদহ পলিটেকনিকে পড়ার সময় তার সঙ্গে সখ্য গড়ে ওঠে ১১ বছরের বড় স্বামী পরিত্যক্তা নাজমা বেগমের। একই বছর ২ মে একটি বাড়িতে আটকে রুবেলের সঙ্গে নাসিমাকে বিয়ে দেয় তার পরিবার। পরে রুবেল নাজমাকে নিয়ে তার বাড়িতে আসেন। কিন্তু ২০১৬ সালে রুবেলের পরিবার থেকে চলে যান তিনি। পরে রুবেলের নামে অত্যাচার-নির্যাতনের অভিযোগ এনে মামলাও করেন নাজমা। এরপর থেকে দু‘জনের যোগাযোগ বন্ধ ছিল।এর মধ্যে রুবেল আবারও বিয়ে করেন। কিন্তু এক বছর থেকে নাজমা এবং রুবেলের মধ্যে আবারও মোবাইলে যোগাযোগ এবং দেখা সাক্ষাৎ হতো।

বিলাস হোটেলের ম্যানেজার মো. হুমায়ুন বলেন, রুবেল এবং নাসিমা এর আগেও আমাদের হোটেলে থেকেছে। তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে আমাদের হোটেলে থাকেন। এর থেকে বেশি কিছু আমি জানি না।

আরও পড়ুন:


মিনিস্টারে বিশাল নিয়োগ , যোগ্যতা ৮ম শ্রেণী

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে চাকরি, যোগ্যতা এসএসসি

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে চাকরির সুযোগ, যোগ্যতা এইচএসসি

পল্লী বিদ্যুৎতে বড় নিয়োগ, যোগ্যতা এসএসসি


 

বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুল ইসলাম জানান, হোটেল বিলাসের একটি কক্ষ থেকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় নাজমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার সঙ্গে থাকা যুবক রবিউল ইসলাম রুবেলকে আটক করা হয়েছে। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর