অ্যালার্জি'তে ভুগছেন, তাহলে সমাধান জানুন

অনলাইন ডেস্ক

অ্যালার্জি'তে ভুগছেন, তাহলে সমাধান জানুন

যাদের অ্যালার্জি আছে, তাদের খুব সাবধানে থাকতে হয়। সামান্য এদিক–সেদিক হলেই শুরু হয়ে যায় চুলকানি, চোখ লাল, ত্বকে লালচে দানা ওঠা ইত্যাদি। অ্যালার্জি আছে এমন অনেকেরই ঘর ঝাড়ামোছা করলেই ত্বকে চুলকানি শুরু হয়ে যায়। আবার কারও কারও ধুলাবালির সংস্পর্শে এলেই ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়। কোনো কোনো ওষুধের অ্যালার্জিতে তো জীবন সংশয়ও দেখা দিতে পারে। অ্যালার্জি বাংলাদেশের লাখো মানুষের কাছে এক অসহনীয় ব্যাধি।

অ্যালার্জি
আমাদের শরীর সবসময়ই ক্ষতিকর বস্তুকে (পরজীবী, ছত্রাক, ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া) প্রতিরোধের মাধ্যমে রোগ-প্রতিরোধের চেষ্টা করে। এ প্রচেষ্টাকে রোগ-প্রতিরোধ প্রক্রিয়া বা ইমিউন বলে। কখনও কখনও আমাদের শরীর সাধারণত ক্ষতিকর নয় এমন অনেক ধরনের বস্তুকেও ক্ষতিকর ভেবে প্রতিরোধের চেষ্টা করে। সাধারণত ক্ষতিকর নয়, এমন সব বস্তুর প্রতি শরীরের এ অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে অ্যালার্জি বলা হয়। অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী বহিরাগত বস্তুগুলোকে অ্যালার্জি উৎপাদক বা অ্যালার্জেন বলা হয়। অ্যালার্জিজনিত সর্দি বা অ্যালার্জিক রাইনাইটিস। এর উপসর্গ হচ্ছে অনবরত হাঁচি, নাক চুলকানো, নাক দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া। কারও কারও চোখ দিয়েও পানি পড়ে এবং চোখ লাল হয়ে যায়।

অ্যালার্জিক রাইনাইটিস দুই ধরনের
সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস : বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস হলে একে সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস বলা হয়।

পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস : সারা বছর ধরে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস হলে একে পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস বলা হয়।

লক্ষণ ও উপসর্গ
সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস
ঘন ঘন হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া
নাসারন্ধ্র বন্ধ হয়ে যাওয়া
চোখ দিয়ে পানি পড়া

পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস
পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের উপসর্গগুলো সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের উপসর্গগুলোর চেয়ে তীব্রতা কম হয় এবং স্থায়িত্বকাল বেশি হয়।

সংস্পর্শজনিত অ্যালার্জিক ত্বক প্রদাহ
চামড়ার কোথাও কোথাও শুকনো, খসখসে, ছোট ছোট দানার মতো উঠা। বহিস্থ উপাদান বা অ্যালার্জেনের সংস্পর্শে ত্বকে প্রদাহ বলে তাকে অ্যালার্জিক কনট্রাক্ট ডারমাইটিস বলা হয়।

লক্ষণ ও উপসর্গ
ত্বকে ছোট ছোট ফোসকা পড়ে ফোসকাগুলো ভেঙে যায়।
চুয়ে চুয়ে পানি পড়ে ত্বকের বহিরাবরণ উঠে যায়।
ত্বক লালচে হয় এবং চুলকায়; চামড়া ফেটে আঁশটে হয়

অ্যালার্জিক কনজাংটাইভাইটিস
চোখ চুলকানো ও চোখ লাল হয়ে যায়।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াজনিত অ্যালার্জি

এটি খুবই মারাত্মক। অ্যালার্জেন শরীরের সংস্পর্শে আসার সঙ্গে সঙ্গে এটি শুরু হয়ে যেতে পারে। নিচে উল্লিখিত উপসর্গগুলো হতে পারে।

চামড়া লাল হয়ে ফুলে উঠে ও চুলকায়।
শ্বাসকষ্ট, নিঃশ্বাসের সঙ্গে বাঁশির মতো আওয়াজ হয়।
মূর্ছা যেতে পারে।
রক্তচাপ কমে গিয়ে রোগী শকে চলে যেতে পারে।

প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা
রক্ত পরীক্ষা : বিশেষত রক্তে ইয়োসিনোফিলের মাত্রা বেশি আছে কি না তা দেখা।
সিরাম আইজিইর মাত্রা : সাধারণ অ্যালার্জি রোগীদের ক্ষেত্রে আইজিইর মাত্রা বেশি থাকে।
স্কিন প্রিক টেস্ট : এ পরীক্ষায় রোগীর চামড়ার ওপর বিভিন্ন অ্যালার্জেন দিয়ে পরীক্ষা করা হয় এবং এ পরীক্ষাতে কোন কোন জিনিসে রোগীর অ্যালার্জি আছে তা ধরা পড়ে।
প্যাঁচ টেস্ট : এ পরীক্ষা রোগীর ত্বকের ওপর করা হয়।

বুকের এক্স-রে : হাঁপানি রোগের ক্ষেত্রে চিকিৎসা শুরু করার আগে অবশ্যই বুকের এক্স-রে করে নেওয়া দরকার; যে অন্য কোনো কারণে শ্বাসকষ্ট হচ্ছে কি না।

স্পাইরোমেট্রি বা ফুসফুসের ক্ষমতা দেখা : এ পরীক্ষা করে রোগীর ফুসফুসের অবস্থা সম্পর্কে সঠিক ধারণা করা যায়।


বিয়ে ছাড়াই আবারও মা হচ্ছেন কাইলি জেনার

বলিউড পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজের প্রস্তাবে মিমের না!

দেশমাতা, আমাকে কি একটু নিরাপত্তা দিতে পারেন


 

সমন্বিতভাবে অ্যালার্জির চিকিৎসা হলো
অ্যালার্জেন পরিহার : যখন অ্যালার্জির সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায়, তখন তা পরিহার করে চললেই সহজ উপায় অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

ওষুধ প্রয়োগ : অ্যালার্জিভেদে ওষুধ প্রয়োগ করে অ্যালার্জির উপশম অনেকটাই পাওয়া যায়।

অ্যালার্জি ভ্যাকসিন বা ইমুনোথেরাপি : অ্যালার্জি দ্রব্যাদি এড়িয়ে চলা ও ওষুধের পাশাপাশি ভ্যাকসিনও অ্যালার্জিজনিত রোগীদের সুস্থ থাকার অন্যতম চিকিৎসা পদ্ধতি। এ পদ্ধতি ব্যবহারে কর্টিকোস্টেরয়েডের বহুল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে রেহাই পাওয়া যায়। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে, বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোয় এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়ে থাকে। বর্তমানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এ ভ্যাকসিন পদ্ধতির চিকিৎসাকে অ্যালার্জিজনিত রোগের অন্যতম চিকিৎসা বলে অবহিত করেন। এটাই অ্যালার্জিক রোগীদের দীর্ঘমেয়াদি সুস্থ থাকার একমাত্র চিকিৎসা পদ্ধতি।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

কাজের চাপে ঘাড় ও পিঠে ব্যথা হলে যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

কাজের চাপে ঘাড় ও পিঠে ব্যথা হলে যা করবেন

দীর্ঘক্ষণ অফিসে বসে বসে কাজ করতে হয়? নাকি সারাদিন নানা জায়গায় ঘুরে ঘুরে বা সারাক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজ করতে হয়? দৈনন্দিন বাড়তে থাকা কাজের চাপের সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ঘাড়, কোমড় আর পিঠের ব্যথা! সমস্যা যতই হোক না কেন, চট করে কাজের ধরন বদলে ফেলা কখনওই সম্ভব নয়। তবে কাজের চাপে বাড়তে থাকা ঘাড়, কোমর আর পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে আমাদের জীবনযাত্রায় কতগুলি পরিবর্তন আনা জরুরি। পরিবর্তন আনা জরুরি আমাদের হাঁটা-চলা বা বসার অভ্যাসেরও। আসুন জেনে নেওয়া যাক কাজের চাপ সামলে ঘাড়, কোমর আর পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ উপায়...

১. যদি দীর্ঘক্ষণ আপনাকে অফিসে বসে কাজ করতে হয়, তাহলে মাঝেমধ্যে কিছুক্ষণের জন্য বিশ্রাম নিন, হাঁটাচলা করুন। চিকিৎসকেরা বলেন, দুই ঘণ্টা একটানা বসে থাকলে শরীরের ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। সেইসঙ্গে শরীরের ফ্যাট ঝরানোর উৎসেচকের ক্ষরণ প্রায় ৯০ শতাংশ কমে যায়। চার ঘণ্টা একটানা বসে থাকলে রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা কমে যায়। তাই ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকলে শুধু ঘাড়ে, কোমরে বা পিঠের ব্যথাই বাড়বে না, বাড়বে ডায়াবেটিস বা হার্টের সমস্যাও।

২. অনেকে ভুল ভঙ্গিমায় বসেন বা দাঁড়ান। ফলে ঘাড় বা পিঠে ব্যথা হয়। তাই বসা, দাঁড়ানো বা শোওয়ার সময় ভঙ্গি সতর্কভাবে খেয়াল রাখুন।

৩. বেড়াতে যাওয়ার সময় বা কাজে বেরোনোর আগে আমরা অনেকেই পিঠে ভারী ব্যাকপ্যাক নিই। বেশি ওজনের ব্যাগ দীর্ঘক্ষণ ধরে বইতে হলে দুই কাঁধে সমান ভার না পড়লে কাঁধ বা পিঠে ব্যথা হয়। তাই ব্যাগ এমনভাবেই নিতে হবে, যাতে দুই কাঁধে সমান চাপ পড়ে।

আরও পড়ুন:


ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!

ডিএমপি কমিশনার ও র‍্যাব ডিজি’র পদোন্নতি


 

৪. ফ্রোজেন শোল্ডার বা স্টিফ জয়েন্টের সমস্যায় সার্ভিক্যাল কলার বা ব্যাক ব্রেস পরলে সাময়িক আরাম পাওয়া যায় ঠিকই, তবে এই অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদি হলেই বিপদ। কারণ, চিকিৎসকদের মতে, তেমন কোনো চোট বা আঘাত না থাকলে সার্ভিক্যাল কলার বা ব্যাক ব্রেসের ওপর নির্ভর না করাই ভালো। এর থেকে ফিজিওথেরাপিস্টদের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়ম মেনে কসরত করাই ভালো।

৫. শোওয়ার সময় বালিশের উচ্চতা সঠিক না হলে বা বালিশ খুব শক্ত বা খুব নরম হলে ঘাড়-পিঠে ব্যথা হতে পারে। বালিশের উচ্চতা এমন হওয়া উচিত, যাতে কাঁধ আর ঘাড় না বেঁকিয়ে পিঠ মোটামুটি সোজা বা সমান্তরাল রেখে শোওয়া যায়। এসব সাধারণ কিছু উপায় মেনে চললে ঘাড়-পিঠের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। সূত্র-জিনিউজ।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

হঠাৎ পায়ের রগে টান পড়লে কী করবেন?

অনলাইন ডেস্ক

হঠাৎ পায়ের রগে টান পড়লে কী করবেন?

হঠাৎ করেই হাত বা পায়ের পেশিতে টান পড়ে অনেকের। অনেকসময়  হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ করেই বেঁকে যায় পায়ের আঙুল। ইংরেজিতে এই সমস্যাকে ক্যাম্প বলা হয়।

হাতে, পায়ে বা কোমরে এই টান পড়ার পেছনে রয়েছে ডিহাইড্রেশন। শরীরে পানির পরিমাণ কমে গেলে এই টান ধরার প্রবণতা বেড়ে যায়। সে সঙ্গে থাকে তীব্র যন্ত্রণা। বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে বেশি পরিমাণ পানি বের হয়ে যায়। ফলে দেহে পানির ঘাটতি দেখা দেয়। এই ঘাটতির প্রভাব পড়ে পেশির স্থিতিস্থাপকতায়।

সাধারণত পানি পানের পরিমাণ বাড়ালে ক্র্যাম্প সমস্যার সমাধান হয়। কিন্তু হঠাৎ করেই শিরায় টান পড়লে কী করবেন? কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে এই সমস্যার সমাধান করা যায়।

হাত পায়ের আঙুল বা কোমরের ক্র্যাম্প থেকে মুক্তি পেতে আক্রান্ত স্থান ও তার চারপাশে আঙুলের সাহায্যে চাপ দিয়ে ম্যাসেজ করুন। এমনভাবে ম্যাসেজ করবেন যেন শক্ত হয়ে যাওয়া পেশি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে যায়।

পায়ের শিরায় টান পড়লে ম্যাসেজের পর ওই স্থান একটু স্বাভাবিক হলে খুব কম চাপ দিয়ে ধীরে ধীরে স্ট্রেচিং করুন। এ সময় অন্য যে কোনো ব্যায়াম না করাই ভালো। প্রথম পায়ের হাঁটু ভাঁজ করুন। অন্য পা পেছনে টান টান করে ছড়িয়ে দিয়ে টান ধরা পায়ের হাঁটুর ওপর শরীরের ভর ধীরে ধীরে ছাড়ুন।

আরও পড়ুন


বঙ্গবন্ধু যেতেই গুলি বন্ধ করল বিডিআর

মানুষের সঙ্গে যেভাবে কথা বলতেন বিশ্বনবী

সূরা বাকারা: আয়াত ১২৮-১৩৩, আল্লাহর নির্দেশ ও হয়রত ইব্রাহিম (আ.)

কলকাতা প্রেস ক্লাবে ‘বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার’


 

থাইয়ের পেশিতে টান লাগলে জায়গাটি নরম করে শক্ত কিছুতে ভর করে দাঁড়ান। টান ধরা পাকে কোমর অব্দি টানটান করুন। কোমর ও পায়ের ক্র্যাম্প হাঁটাহাঁটি করলে কমে। টান ধরলে আক্রান্ত স্থানে হট ব্যাগ ধরে রাখুন। দশ সেকেন্ড পর সেখানে বরফের সেঁক দিন। এরপর আবার হট ব্যাগের সেঁক। এভাবে আরাম না পাওয়া অব্দি করতে থাকুন।

এসব উপায় কাজে লাগিয়েও যদি শিরায় টান পড়া সমস্যার সমাধান না হয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

কোভিড থেকে সেরে ওঠার পর সমস্যা থাকতে পারে কতদিন?

অনলাইন ডেস্ক

কোভিড থেকে সেরে ওঠার পর সমস্যা থাকতে পারে কতদিন?

কোভিড থেকে সেরে ওঠার পর ৬ মাস পর্যন্ত আপনার শরীরে দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা। সম্প্রতি এক গবেষণায় উঠে এসেছে এমন তথ্য। কোভিড আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি সংখ্যক আক্রান্ত হওয়ার পরবর্তী ছয়মাস নানা জটিলতায় ভোগেন। যেগুলি লং কোভিড এফেক্ট নামেও বলা হয়। এই সব উপসর্গের মধ্যে রয়েছে ক্লান্তি, মাথাঘোরা, বুক ধড়পড় করা, হাফিয়ে যাওয়া অথবা বুকে ব্যথার মতো একধিক উপসর্গ। সম্প্রতি একটি গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই এক তথ্য। ডেইলি হান্টের খবরে এসব তথ্য জানা যায়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেন স্টেট কলেজ অফ মেডিসিনের গবেষকরা তাদের গবেষণায় তুলে ধরেছেন কোভিড পরবর্তী ৬ মাস সময়কালে রোগীদের মধ্যে বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাঁদের প্রতি বাড়তি যত্নের কথাও বলা হয়েছে গবেষণায়। এ ব্যাপারে সরকারি এবং বেসরকারি উভয় ক্ষেত্রকেই এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।


আরও পড়ুন:

ইয়েমেনে বিমান হামলায় ১৬০ হুথি বিদ্রোহী নিহত

গাড়ি উৎপাদন কমাচ্ছে টয়োটা

ক্যাটরিনাকে বিয়ের প্রসঙ্গে এবার মুখ খুললেন ভিকি

আত্মহত্যার চেষ্টা করা ছাত্রী বোর্ড পরীক্ষায় প্রথম!


JAMA নেটওয়ার্ক ওপেন জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় মোট ৫৭ টি রিপোর্ট পর্যালোচনা করা হয়েছে। যার মধ্যে ডিসেম্বর ২০১৯ থেকে মার্চ ২০২১ পর্যন্ত কোভিড -১৯ রোগে আক্রান্ত ২৫০,৩৫১ টিকাহীন প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশুদের তথ্যও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, কোভিড -১৯ রোগে আক্রান্তদের মধ্যে ৭৯ শতাংশ রোগীদের হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয়। তাদের মধ্যে সকলেই উন্নত দেশের বাসিন্দা। তাদের বেশিরভাগ ছিলেন মধ্যবয়সী এবং ৫৬ শতাংশই পুরুষ।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত 

পরবর্তী খবর

থাইরয়েডের সমস্যা ও এর সমাধান

অনলাইন ডেস্ক

থাইরয়েডের সমস্যা ও এর সমাধান

দেশে অন্তত পাঁচ কোটি মানুষ থাইরয়েড হরমোনজনিত সমস্যায় ভুগছেন।বিশ্বজুড়ে ৩০ কোটি মানুষ থাইরয়েডের সমস্যায় ভুগছেন। দেশে প্রায় ৩ কোটি অর্থাৎ অর্ধেকের বেশি রোগীই জানেন না, তাদের এই সমস্যা রয়েছে। বাংলাদেশ এন্ডোক্রাইন সোসাইটির (বিইএস) তথ্য অনুযায়ী, নারীদের থাইরয়েড হরমোনজনিত সমস্যা পুরুষদের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি।

থাইরয়েডের হরমোনের তারতম্যজনিত সমস্যা দুই রকম হতে পারে। যেমন শরীরে থাইরয়েড হরমোনের পরিমাণ কমে গেলে বা হাইপোথাইরয়েডিজম, আবার বেড়ে গেলে হাইপারথাইরয়েডিজম। হাইপোথাইরয়েডিজমের রোগের সংখ্যা হাইপারথাইরয়েডিজমের চেয়ে অনেক বেশি। আমাদের দেশে সেটি আরও প্রকট। বাংলাদেশের আয়োডিন ঘাটতিজনিত ব্যাপক জনগোষ্ঠী এ সমস্যায় আক্রান্ত। আমাদের সামগ্রিক জীবনমানের ওপরে থাইরয়েড হরমোন ঘাটতি সুগভীর ঋণাত্মক প্রভাব বিস্তার করে আছে। আমাদের দেশে ব্যাপক সংখ্যক নির্বোধ মানুষ, বন্ধ্যা দম্পতি ও স্থুলদেহী জনগোষ্ঠীর পেছনে হাইপোথাইরয়েডিজম অন্যতম কারণ।


সাধারণ লক্ষণসমূহ
অবসাদগ্রস্ততা, ঘুম ঘুম ভাব।
ওজন বৃদ্ধি।
গলার স্বরের কোমলতা কমে যাওয়া এবং অনেকটা ভারী বা কর্কশ শোনানো।

হার্ট ও ফুসফুসের সমস্যা
হৃৎস্পন্দন কমে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ, বুকে ব্যথা অনুভব করা অথবা হার্ট ফেইলর হতে পারে।
হৃদযন্ত্রের আবরণে অথবা ফুসফুসের আবরণে পানি জমা।

স্নায়ু ও মাংসপেশির সমস্যা
মাংসপেশিতে ব্যথা বা শক্ত চাপ অনুভব করা।
স্নায়ু ও মাংসপেশি নির্ভর রিফ্লেক্স কমে যাওয়া।
বিষণ্নতা ও মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা।
মাংসপেশির টান কমে যাওয়া।

চর্ম বা ত্বকের সমস্যা
শুষ্ক, খসখসে ও ব্যাঙের ত্বকের মতো হয়ে যাওয়া।
ভিটিলিগো নামক এক ধরনের শে^তী রোগে আক্রান্ত হওয়া।
চর্মে মিক্সিডিমা নামক এক ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়া।

প্রজননতন্ত্রে সমস্যা
মাসিকের সময় বেশি রক্তপাত হওয়া।
বাচ্চা হওয়ার ক্ষমতা নষ্ট হওয়া।
প্রজননে অক্ষমতা।

পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা
পায়খানা শক্ত হওয়া।
পেটে পানি জমতে পারে ।

হাইপোথাইরয়েডিজম হলে শিশুদের বেলায় অবর্ধনজনিত রোগ বা ক্রিটিনিজম হবে এবং উঠতি বয়স্কদের বা প্রাপ্তবয়স্কদের মিক্সিডিমা হয়। ক্রিটিনিজমের লক্ষণগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মাংসপেশি ও হাড় এবং স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক বর্ধন না হওয়া। ফলে শিশু বেটে হয়, বোকা বা বুদ্ধিহীন হয়ে থাকে। জিহ্বা বড় হবে ও মুখ থেকে বেরিয়ে আসে এবং নাভির হার্নিয়া হয়। হাইপোথাইরয়েডিজম হওয়ার উল্লেখযোগ্য কারণ হচ্ছে অটোইমিউন ধ্বংসপ্রাপ্ত, ওষুধ, টিএসএইচ স্বল্পতা, গর্ভাবস্থায় মায়ের থাইরয়েড হরমোন স্বল্পতা ইত্যাদি।

কম হরমোনের চিকিৎসা
রোগের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসা পদ্ধতিও ভিন্ন। তবে অধিকাংশ রোগীই ভোগেন হাইপোথাইরয়েডিজম অর্থাৎ তাদের
থাইরয়েড গ্ল্যান্ড থেকে কম পরিমাণ থাইরয়েড হরমোন থাইরক্সিন নিঃসৃত হয়। এই ঘাটতি পূরণ করার জন্য ডাক্তাররা তাদের থাইরক্সিন ট্যাবলেট খাবার পরামর্শ দেন। প্রয়োজন অনুযায়ী রোগীকে ১০০ থেকে ২০০ মাইক্রোগ্রাম থাইরক্সিন দেওয়া হয়।

ওষুধ খাওয়ার নিয়ম
সারা জীবন ওষুধ খেতে হবে কি না তা রোগের ধরনের ওপর নির্ভরশীল। যার থাইরক্সিন ঘাটতি সামান্য, উপসর্গও কম তার সারা জীবন ওষুধ খাবার প্রশ্নই ওঠে না। ৬ মাস থোক ২ বছরেই সে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যাবে। অনেক ওষুধ ছাড়াও সুস্থ হয়ে যান। কিন্তু যার একেবারেই থাইরক্সিন নিঃসরণ হয় না বা কোনো কারণে থাইরয়েড গ্ল্যান্ডটাকেই কেটে বাদ দিতে হয়েছে তাদের সারা জীবন ওষুধ না খেয়ে উপায় নেই।

ওষুধ খাওয়া হঠাৎ বন্ধ করা সম্পর্কিত বিষয়
ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ খাওয়া বন্ধ করা যেতে পারে। তবে নিজের ইচ্ছায় ওষুধ খাওয়া বন্ধ করলে অল্প দিনের মধ্যেই রোগটা ভয়ঙ্করভাবে ফিরে আসবে। জীবন সংশয় হতে পারে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

নাক ডাকা বন্ধে কার্যকর পেস-মেকার

অনলাইন ডেস্ক

নাক ডাকা বন্ধে কার্যকর পেস-মেকার

ঘুমের ঘোরে অনেকই নাক ডাকে।  নাক ডাকেন এমন করো সঙ্গে একই বিছানায় ঘুমাতে যাওয়া মানে রাতের ঘুমের একেবারে দফারফা। সাধারণত শ্বসনতন্ত্রের কম্পন ও ঘুমন্ত অবস্থায় শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বাধাগ্রস্ত বায়ু চলাচলের ফলে সৃষ্ট শব্দকেই আমরা নাক ডাকা বলে থাকি। মেডিক্যালের ভাষায় এ স্বাস্থ্য সমস্যাটিকে বলা হয় অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (ওএসএ)। স্লিপ অ্যাপনিয়ার জটিলতা হিসেবে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্ট্রোক ইত্যাদি গুরুতর সমস্যা হতে পারে।

স্লিপ অ্যাপনিয়ার চিকিৎসার জন্য অবিরাম পজিটিভ এয়ারওয়ে প্রেসার ডিভাইস ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু দেখা যায় প্রতি ৫ জন রোগীর মধ্যে ২ জন রোগীই ডিভাইস ব্যবহার করতে স্বচ্ছন্দবোধ করেন না।

সম্প্রতি একটি ইমপ্ল্যান্ট ডিভাইস তৈরি করা হয়েছে যা শ্বাসনালির পেশীসমূহকে এমনভাবে উদ্দীপিত করে যেন ঘুমের ঘোরে শ্বাস বন্ধ না হয়ে নির্বিঘ্নে চলতে পারে।


অনলাইনে পণ্য ডেলিভারি বিলম্বে করা যাবে মামলা

স্বামীর দাবীতে প্রথম বউয়ের বাড়িতে দ্বিতীয় বউ

সামাজিক মাধ্যম ছাড়ার ঘোষণা আমিরের

সাধ্যের মধ্যে ৮ জিবি র‍্যামের রেডমি ফোন


 

ডিভাইসটি পরিধানযোগ্য রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে চলে। বলা যায় এটা হচ্ছে স্লিপ অ্যাপনিয়ার পেস-মেকার। কিন্তু বর্তমানে এটার বাণিজ্যিক ব্যবহার শুরু হয়েছে। নিউরো-মডুলেশনের এমন কৌশলী প্রয়োগের ফলে আশা করা হচ্ছে ভবিষ্যতে অপ্রিয় ডিভাইস চিকিৎসা ছাড়াই নাক ডাকা এবং স্লিপ অ্যাপনিয়ার অনেক রোগীর সুচিকিৎসা করা সম্ভব।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর