প্রতারণা ফাঁদে নিঃস্ব লাখো মানুষ,অর্থ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা কম

প্লাবন রহমান

ইভ্যালি-ইঅরেঞ্জের মত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করে এখন দিশা খুজে পাচ্ছেন না লাখ লাখ গ্রাহক। এসব ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের বিভিন্ন প্রলোভনে সর্বস্ব হারিয়েছেন অসংখ্য মানুষ। ইভ্যালি-ইঅরেঞ্জের মালিকরা এখন আইনের কাঠগড়ায়। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে- মালিকদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করাসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় গ্রাহকদের অর্থ ফেরত দেয়া সম্ভব বলে মনে করে টিআইবি। আর আইনজীবিদের মতে-প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা না থাকলে গ্রাহকদের টাকা পাওয়া কঠিন। 

বিভিন্ন অফারের প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ গ্রাহকের কোটি কোটি বিনিয়োগ পায় ইভ্যালী-ইঅরেঞ্জের মত ইকমার্স প্রতিষ্ঠান। শহর থেকে গ্রাম সবজায়গায় অল্প সময়েই পৌছে যায় লোভনীয় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে।

আরও পড়ুন:


একবার বিদ্রোহী হলে আজীবন নৌকা থেকে বঞ্চিত

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ পাঁচে নেই আর্জেন্টিনা

করোনায় স্কুল বন্ধ থাকায় শ্রেণিকক্ষে সপরিবারে বসবাস

রোহিঙ্গা ইস্যুতে কমনওয়েলথের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী


শেষমেষ-ইঅরেঞ্জের বিরুদ্দে ১১’শ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলা চলমান। মালিকরা কারাগারে। আর ইভ্যালীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনও র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তারের পর আইনের কাঠগড়ায়। ইভ্যালির ১ হাজার কোটি দেনার বিপরীতে অ্যাকাউন্টে আছে মাত্র ৩০ লাখ। এ অবস্থায় বিপাকে দেশের লাখ লাখ ইকমার্স গ্রাহক। সর্বশান্ত হবার আশঙ্কতায় ঘুরছেন পথে পথে।

শুরু থেকেই সরকারের পক্ষ থেকেই এসব ইকমার্সকে উৎসাহিত করা হয়েছে বলেই অভিযোগ। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের গর্বিত স্পন্সর ছিল ইভ্যালি। অনেকে ইভ্যালিকে নিয়ে অ্যামাজন-আলিবাবার মত বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়-ভোক্তা অধিকার সবার চোখের সামনেই এসব ব্যবসা করে এসেছে ইভ্যালি-ইঅরেঞ্জ। এখন গ্রাহকদের কি হবে? অর্থ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনাও বা কতটুকু।

এর আগে ডেসটিনি, যুবকসহ অনেক প্রতারনামূলক ব্যবসার সাক্ষী দেশের লাখ লাখ গ্রাহক। এবার অন্তত স্থায়ী সুরাহা চান ভুক্তভোগীরা।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

‘প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজেদের লোকেরাই মনিরকে হত্যা করে’

অনলাইন ডেস্ক

‘প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজেদের লোকেরাই মনিরকে হত্যা করে’

বাগেরহাটের মোল্লাহাটে চাঞ্চল্যকর মনির শেখ হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র ও একটি বন্দুক উদ্ধার করা হয়। 

স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার ও ইউপি নির্বাচনে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার কে এম আরিফুল হক।  বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত প্রেস কনফারেন্সে এই তথ্য জানান তিনি।

পুলিশ সুপার জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে মোল্লাহাট উপজেলার চুনখোলা ইউনিয়নের শাসন গ্রামের উত্তর পাড়ার একটি ধানক্ষেত থেকে মনির শেখ নামের এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করতে পুলিশের বিভিন্ন টিম তদন্ত শুরু করে। বুধবার (২৭ অক্টোবর) মোল্লাহাট থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে এই হত্যার সংগে জড়িত ১০ জনকে গ্রেফতার করে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ওই এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো চাপাতি ও একটি বন্দুক উদ্ধার করা হয়। আটককৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, গত ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধী পক্ষকে ফাঁসাতে নিজেদের লোকেরাই মনির শেখকে হত্যা করে বলে তারা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে।

আরও পড়ুন:

চাপের মুখে বাংলাদেশ

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে টাইগার শিবিরে বড় দুটি দুঃসংবাদ

শাহরুখের সাথে জুটি থেকে সরে দাঁড়ালেন নায়িকা


 

আটককৃতরা হলেন- মোল্লাহাট উপজেলার চুনখোলা ইউনিয়নের শাসন গ্রামের ইখলাছ শেখ (৪৫), আঃ মান্নান মোল্লা (২১), ওহিদ ভূইয়া (৫০), মনির মোল্লা (৬৫), মোঃ আশিক শেখ (২০), মোঃ জাহিদ শেখ (৪৫), মোঃ জাহিদ শরীফ (৩২), ইকবাল মোল্লা (৩৭), মোঃ রেজোয়ান শেখ (২২), আল-আমিন (৪০)।

এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর নিহত মনির শেখের ভাই কবীর শেখ বাদী হয়ে মোল্লাহাট থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মৃত্যু ও ধর্ষণের গুজব ছড়ানো হচ্ছে সরকারকে বিব্রত করতে

অনলাইন ডেস্ক

মৃত্যু ও ধর্ষণের গুজব ছড়ানো হচ্ছে সরকারকে বিব্রত করতে

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শেখ হাসিনা সরকারকে বিব্রত করতে মূলত ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মৃত্যু ও ধর্ষণের গল্প ছড়ানো হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক ধর্মীয় সহিংসতায় এখন পর্যন্ত মাত্র ৬ জন মারা গেছে। নিহতদের মধ্যে ৪ জন মুসলমান এবং তারা হিন্দুদের বাড়িতে আগুন দেওয়ার চেষ্টার সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। দুজন হিন্দু মারা যায়, এদের একজনের সাধারণ মৃত্যু এবং অন্যজন ডুবে মারা যায়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, কাউকে ধর্ষণ ও একটি মন্দিরও অগ্নিসংযোগ বা ধ্বংস করা হয়নি। তবে সম্পদ বা প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়েছে। এসব ঘটনায় যারা জড়িত তাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা এখন পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

আরও পড়ুন:


নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন: ওসি-এসআইকে বরখাস্তের নির্দেশ

প্রেমিকাকে গলা কেটে ‌‘হত্যাকারী’ মনিরও মারা গেল

মাওলানা আজহারীর লন্ডন সফরের পক্ষে বিপক্ষে নানা তৎপরতা

প্রবাসীদের জন্য যে সুখবর দিল মালয়েশিয়া


 

‘পুড়িয়ে দেওয়া ঘর পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে। এমনকি ক্ষতিগ্রস্ত সবাই ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। কিন্ত দুর্ভাগ্য কিছু উৎসাহী মিডিয়া এবং ব্যক্তি ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শেখ হাসিনা সরকারকে বিব্রত করতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের হত্যা ও ধর্ষণের গল্প ছড়াচ্ছে।’

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিটি পুজামণ্ডেপের জন্য সরকার অর্থ প্রদান করে এবং পুলিশ বাহিনীর ঘাটতি থাকায় সবাইকে পর্যবেক্ষণে রাখতে বলা হয়েছে। এই ধরনের অপব্যবহারের ঘটনা এড়াতে পুজামণ্ডপ আয়োজকদের উচিত মণ্ডপগুলোকে অযত্নে না রাখা।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, পুজামণ্ডপে কোনো উপাসক বা আয়োজক না থাকা অবস্থায় একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি পবিত্র কুরআনের একটি কপি মণ্ডপে রেখে যায়। অন্য একজন তার একটি ছবি তুলে তা ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়। যা ক্ষোভের জন্ম দেয় এবং ভাঙচুর ও লুটপাটের দিকে নিয়ে যায়।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

প্রেমিক ও বিবাহিত বন্ধু মিলে দিনের পর দিন কিশোরীকে ধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক

প্রেমিক ও বিবাহিত বন্ধু মিলে দিনের পর দিন কিশোরীকে ধর্ষণ

কক্সবাজারের মহেশখালীতে কিশোরীকে হোটেলে তুলে মেলামেশার ভিডিও ধারণ করে পরে দুই বন্ধু মিলে দিনের পর দিন ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় কক্সবাজারের মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়নের অফিসপাড়া থেকে বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) ভোররাতে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়।

তারা হলেন- অফিসপাড়ার মো. রফিকের ছেলে মো. আলমগীর (২২) ও মোহাম্মদ শাহ ঘোনার মোহাম্মদ হোছাইনের ছেলে মো. আনোয়ার (২৬)।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হাই জানান, উপজেলার এক কিশোরীর (১৫) সঙ্গে ছয় মাস আগে পার্শ্ববর্তী অফিসপাড়ার মো. আলমগীরের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রেমের সম্পর্কের সুবাদে ভ্রমণের কথা বলে কথিত প্রেমিক আলমগীর ওই কিশোরীকে গত ১১ অক্টোবর চকরিয়া উপজেলার বদরখালীর বাজারে একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে তারা রাতযাপন করেন। সেদিনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের দৃশ্য কিশোরীর অজান্তে মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখেন আলমগীর।

আরও পড়ুন:


নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন: ওসি-এসআইকে বরখাস্তের নির্দেশ

প্রেমিকাকে গলা কেটে ‌‘হত্যাকারী’ মনিরও মারা গেল

মাওলানা আজহারীর লন্ডন সফরের পক্ষে বিপক্ষে নানা তৎপরতা

প্রবাসীদের জন্য যে সুখবর দিল মালয়েশিয়া


 

পুলিশ জানায়, ঘটনার কয়েক দিন পর সেদিনের ভিডিও চিত্রটি আলমগীরের কথিত বন্ধু মো. আনোয়ারকে দেখায়। সেই ভিডিওটি আনোয়ারও সংরক্ষণ করে রাখে। পরে ওই কিশোরীকে ভিডিও চিত্রের ভয় দিয়ে কুপ্রস্তাব দেয় আনোয়ার। প্রস্তাবে রাজি না হলে ভিডিওটি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। একপর্যায়ে লোকলজ্জার ভয়ে কিশোরী মেয়েটি রাজি হয়ে যায়। এভাবে কিশোরীকে ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন দুজনেই।

‌‘গ্রেপ্তার দুজনের মানসিক ও শারীরিক চাপ সইতে না পেরে একপর্যায়ে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। পুরো ঘটনা তার মাকে খুলে বলেন। সর্বশেষ গত ২৬ অক্টোবর মহেশখালী থানায় মেয়েটির মা বাদী হয়ে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে কথিত প্রেমিক আলমগীর ও আনোয়ারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।’

ওসি মো. আব্দুল হাই বলেন, কিশোরীর সঙ্গে ঘটে যাওয়া বিষয়টি খুবই গুরুত্বসহকারে দেখছি আমরা। আমাদের চাওয়া মেয়েরা যেন সুরক্ষিত থাকে। গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুসুলভ আচরণের পরামর্শ দেন ওসি।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ভাসানচর থেকে পালাচ্ছিল ২৫ রোহিঙ্গা

আকবর হোসেন সোহাগ, নোয়াখালী

ভাসানচর থেকে পালাচ্ছিল ২৫ রোহিঙ্গা

হাতিয়ার ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পালিয়ে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার যাওয়ার পথে ২৫ রোহিঙ্গা নারী-পুরুষকে আটক করেছে নোয়াখালীর সুবর্ণচরের স্থানীয় এলাকাবাসী।

আটকরা হলো- রশীদ উল্যাহ (২৫) আনোয়ারা (২২) মো.আমিন (৩) মো.সৈয়দ আমিন (১০ মাস) সেফায়েত উল্যাহ (৩০) হাসিনা বেগম (২৬) মো.নয়ন (১২) জান্নাতুল ফেরদৌস (৮) সুমাইয়া (৫) নূর মোহাম্মদ (২০) খালেদা (১৮) মো.ইলিয়াছ (৬মাস) মো.জোবায়ের (২০) ফাতেমা (১৯) ছাদিয়া (৪) মো.জাবেদ (১) একরাম উল্যাহ (৩০) ফাতেমা (২৫) রহমত (৪) আসমা (২) আশেয়া বেগম (২৫) পারভিন আক্তার (৯) মো.হাসান (৪) উম্মে কুলসুম (২০) ফাতেমা খাতুন (৫০)।

আরও পড়ুন:


নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন: ওসি-এসআইকে বরখাস্তের নির্দেশ

প্রেমিকাকে গলা কেটে ‌‘হত্যাকারী’ মনিরও মারা গেল

মাওলানা আজহারীর লন্ডন সফরের পক্ষে বিপক্ষে নানা তৎপরতা

প্রবাসীদের জন্য যে সুখবর দিল মালয়েশিয়া


 

বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) সকালে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের থেকে তাদের আটক করা হয়।

চরজব্বর থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) এস.এম মিজানুর রহমান এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আটকদের মধ্যে ১০ জন শিশু রয়েছে। আজ বিকেল দিকে তাদের ভাসানচরের উদ্দেশে পাঠানো হবে।

ওসি তদন্ত মিজানুর রহমান আরো জানান, বুধবার রাতে ১০ জন শিশুসহ ২৫ জন রোহিঙ্গা ভাসানচর থেকে পালিয়ে দালালের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়। পথে সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন এলাকায় দালাল ও নৌকার মাঝি বুধবার দিবাগত রাতে তাদের নামিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সকালে বাসিন্দারা বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশকে জানায়।

খবর পেয়ে সুবর্ণচর উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চৈতী সর্ববিদ্যা ও চরব্বর থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চৈতী সর্ববিদ্যা জানান, আটক ২৫ রোহিঙ্গাকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। ভাসারচর আশ্রয়ন কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা হয়েছে। কোস্টগার্ড এসে সুবর্ণচর থেকে পুনরায় ২৫ রোহিঙ্গাকে ভাসানচর আশ্রয়ন কেন্দ্রে নিয়ে যাবে।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

প্রেমিকাকে গলা কেটে হত্যার পরের দিন মারা গেল সেই প্রেমিকও!

অনলাইন ডেস্ক

প্রেমিকাকে গলা কেটে হত্যার পরের দিন মারা গেল সেই প্রেমিকও!

সুমাইয়া আক্তার (১৬) নামে এক স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আটক প্রেমিক মনির (১৭) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাতাপাতালে তার মৃত্যু হয়। মনিরের খালা রোজিনা বেগম জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা গেছে। বুধবার রাত সাড়ে ৭টায় তাকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আটক করে র্যাব। 

বুধবার সকালে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গার কলেজপাড়া এলাকার খোকনের নির্মাণাধীন বাড়ির নিচতলার সিঁড়িকোঠায় সুমাইয়াকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করে মনির। সুমাইয়ার মরদেহ ও আহত অবস্থায় মনিরকে উদ্ধার করে পুলিশ।

দুই বছর ধরে সুমাইয়ার সঙ্গে মনিরের প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। দুই মাস আগে মাদকাসক্ত মনিরের সঙ্গে  সম্পর্ক ছিন্ন করে। বিষয়টি মনির সহ্য করতে পারছিল না। ঘটনার পাঁচ দিন আগে সুমাইয়াকে কানে আঘাত করে আহত করে মনির। মনির বখাটে ও মাদকাসক্ত হওয়ায় সুমাইয়া তাকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে। সেই থেকে সুমাইয়ার ওপর ক্ষুব্ধ হয় মনির। এরপর সে পরিকল্পিতভাবে সে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এজন্য হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার আগের রাতে প্রচুর পরিমাণ মাদক গ্রহণ করে মনির। নানা তথ্য-উপাত্ত ও ভিডিও ফুটেজ থেকে তা নিশ্চিত হওয়ার কথা জানায় টাঙ্গাইলের র্যা্ব-১২ সিপিসি-৩-এর কোম্পানি কমান্ডার লে. আব্দুল্লাহ আল মামুন।

টাঙ্গাইলের র্যা্ব-১২ সিপিসি-৩-এর কোম্পানি কমান্ডার লে. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, সুমাইয়াকে হত্যার পর মনির আত্মহত্যার চেষ্টা করে। সে উপজেলার মশাজান গ্রামের মেহের আলীর ছেলে। উপজেলার পালিমা গ্রামে সুমাইয়ার বাড়ি। সে এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

তিনি আরও জানান, বুধবার দিনভর গোয়েন্দা তথ্য ও বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ এবং হত্যার আগের নানা ঘটনা পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হওয়া গেছে এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মনির জড়িত। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি মনিরের। ছুরি হাতে নানা কসরত করা বেশ কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ সংগ্রহ করা হয়েছে। সুমাইয়ার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:

চাপের মুখে বাংলাদেশ

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে টাইগার শিবিরে বড় দুটি দুঃসংবাদ

শাহরুখের সাথে জুটি থেকে সরে দাঁড়ালেন নায়িকা


তিনি জানান, এ ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কিনা তাও তদন্ত করা হচ্ছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে সুমাইয়াকে হত্যা করে সেও আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর