ভালোবাসা হয়তো মাত্রাতিরিক্ত আবেগ কিংবা ছেলেমানুষি

মনির খান

ভালোবাসা হয়তো মাত্রাতিরিক্ত আবেগ কিংবা ছেলেমানুষি

পৃথিবীতে সবকটা মানুষের নিকট হতে আপনি কখনই ভালোবাসার বিনিময়ে ভালোবাসা পাবেন না। কিছু মানুষকে যত ভালোবাসবেন তার নিকট  হতে ততোটাই অবহেলা পাবেন। তাকে যত মূল্য আর গুরুত্ব দিবেন দিন শেষে তার কাছে আপনি মূল্যহীন। 

আপনার ভালোবাসা নিখুঁত, প্রচণ্ড পরিমাণ যত্নসহকারে তাকে ভালোবাসেন তবুও এই সবে তার কিছুই যায় আসে না। আপনি যত তার নৈকট্য অর্জন করতে চাইছেন সে ততোটা দূরত্ব সৃষ্টি করছে তবুও তার প্রতি আপনার দুর্বলতা আবেগ ভালোবাসা কাজ করে এতো অবহেলা অবজ্ঞার পরেও কেননা আপনি তাকে ভালোবাসেন।

আমরা যাকে ভালোবাসি সে মানুষটার কাছ থেকে অবহেলা ছাড়া কিছু না পেয়েও কেন জানি তাকে আরোও ভালোবেসে ফেলি। এটা হয়তো মাত্রাতিরিক্ত আবেগ কিংবা ছেলেমানুষি। তার ভালবাসাটাই আমার চাই তাকেই আমার চাই।

আঘাতে আঘাতে যে মানুষটা ক্ষতবিক্ষত করেছে পাঁজর, তাকে ছাড়া ভাবতে পারিনা। মূল্যহীনের মতো পিছু পিছু ঘুরেও মূল্য মিলেনি তবুও তাকে চাই যত অবহেলা কেন না পাই। 

আরও পড়ুন:

অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


যাকে যত আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি আপন করে পেতে চেয়েছি সে মানুষটা আমাদের ততোটা মূল্য দেয়নি কোনদিনও বরং বাড়িয়েছে দিনে দিনে দূরত্বের দেয়াল।

এক রকম ছ্যাঁচড়ার মতো পড়ে থাকি একটুখানি ভালোবাসা পাবার প্রত্যাশায়। ভালোবাসার পরিবর্তে এতোসব অবহেলা অবজ্ঞা রোজ তিনবেলা ভাতের মতো পেয়ে পেয়ে একটা সময় আমরা নিশ্চিত জেনে যাই যে, তাদের নিকট কখনও ভালোবাসা পাবো না তবুও আমরা কাঙালের মতো তাদের ভালোবাসি। 

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

‘সংখ্যালঘু’ শব্দটি থাকা উচিত না

বিদ্যা সিনহা মিম

‘সংখ্যালঘু’ শব্দটি থাকা উচিত না

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটে যাওয়া হামলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে স্ট্যাটাসটি দেন তিনি।

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় এই চিত্রনায়িকা লিখেছেন, কোন ধর্মই কখনো প্রতিহিংসা শেখায় না। তাই ধর্মীয় বিশ্বাসের নামে সকল সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।

তিনি আরও লিখেছেন, ‘আরও একটা কথা, দেশটা যদি আমাদের সকলেরই হয়, তাহলে এখানে "সংখ্যালঘু" বলে কোন শব্দ থাকা উচিত না। আর যদি সংখ্যাতেই কথা বলতে হয়, তাহলে পৃথিবীতে শুধুমাত্র ভালো মানুষেরাই "সংখ্যাগরিষ্ঠ" হোক।’

লেখাটি অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

সংখ‍্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অংশ হিসেবে অপমানিত বোধ করছি

রাউফুল আলম

সংখ‍্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অংশ হিসেবে অপমানিত বোধ করছি

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো যখন ঈদের শুভেচ্ছা বার্তা দেয়, বাংলাদেশের মানুষ খুশিতে গদগদ হয়ে যায়। ট্রুডো এই কাজটা মূলত করে কানাডার সংখ‍্যালঘু মুসলিমদের সাহস দেওয়ার জন‍্য। তাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে তাদেরকে মানসিক শক্তি যোগান দেয়। একজন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তার দেশের সংখ‍্যালঘুদের সাহস দেওয়াকে সে একটা কর্তব‍্য মনে করে। 

নিউজিল‍্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা যখন মাথায় কাপড় দিয়ে মুসলিম কমিউনিটির অনুষ্ঠানে যায়, মুসলমানদের সাথে কুশলাদি বিনিময় করে, আমরা তখন বাহবা দেই। জেসিন্ডা মূলত নিউজিল‍্যান্ডের সংখ‍্যালঘু মুসলিমদের সাহস দেওয়ার জন‍্যই এ কাজ করে। কিন্তু বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা যখন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টানদের উৎসবে গিয়ে ওদেরকে মানসিক শক্তি যোগাতে যায়—তখনই আমরা মেনে নিতে পারি না। সেসব খবরের লিংকে অশ্রাব‍্য ভাষায় গালাগাল করতে থাকি।

প‍্যারিসে ধর্মের অবমাননা হলে আমরা ক্ষুদ্ধ হই। ব‍্যথিত হই। অথচ পাশের বাড়ির ভিন্নধর্মালম্বীদের উৎসব মেনে নিতে পারি না। তাদের ধর্মের আচার মেনে নিতে পারি না। অন‍্য ধর্মের আচারের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা প্রকাশ করেতে পারি না। 

একটা স্ট‍্যাটাস দিলে বিশ্ববিদ‍্যালয়ের শিক্ষককে তড়িৎ গতিতে ধরে নেওয়া হয়। কিন্তু সাম্প্রদায়িক সংঘাতের জন‍্য যারা দায়ী ও জড়িত—তাদের কি শাস্তি হয়? প্রশাসন শুধু ষড়যন্ত্রই খুঁজে বেড়ায়। ষড়যন্ত্র, ভাবমূর্তি আর অনুভূতি—এই তিনে আবর্তিত এক জাতি।

আরও পড়ুন:


ফতুল্লায় সুজন ফকির হত্যাকাণ্ডে দুই ঘাতক গ্রেপ্তার

মন্দিরে হামলার ঘটনায় গোয়েন্দা সংস্থা নিয়ে প্রশ্ন রিজভীর

প্রেম করে বিয়ে করায় ৪ নাতি ও ২ মেয়েকে পুড়িয়ে হত্যা

বড় ভাই শেখ জামালের মতো সেনা অফিসার হতে চাইতো শেখ রাসেল: প্রধানমন্ত্রী


বাংলাদেশের সংখ‍্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অংশ হিসেবে আমি কখনো আলাদা শক্তি পাইনি। আলাদা কোনো সুযোগ পাইনি। বরং একজন চতুর্থ শ্রেণির নাগরিকের চেয়েও বেশি প্রবঞ্চনার শিকার হয়েছি। আমাদের দেশেটাতে যাদের রাজনৈতিক ক্ষমতা ও টাকা আছে—তারাই যাচ্ছেতাই করতে পারে। তারাই সকল সুবিধা ভোগ করে। তাদের জন‍্যই বিচার আছে। অন‍্যান‍্যরা চতুর্থ শ্রেণির নাগরিক হিসেবেই বেঁচে থাকে। কিন্তু আজ যখন অসংখ‍্য হিন্দু ধর্মালম্বীরা কালো ব‍্যাজ ধারণ করেছে, লাঞ্ছিত ও অপমানিত বোধ করছে—সংখ‍্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অংশ হিসেবে তখন নিজেই অপমানিত বোধ করছি।

আজীবন স্বপ্ন দেখি, বাংলাদেশের একজন নাগরিক কখনোই ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, জাত-জন্মপরিচয়ের জন‍্য কোনোপ্রকার প্রবঞ্চনা ও লাঞ্ছনার শিকার হবে না।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

কোন বাংলাদেশে আছি আমরা

মেহের আফরোজ শাওন

কোন বাংলাদেশে আছি আমরা

মেহের আফরোজ শাওন

মুসলিম পরিবারে জন্ম আমার। ছোটবেলায় হুজুর রেখে সিপারা, আমপারা, কুরআন পড়িয়েছেন মা-বাবা। ‘আলিফ বে তে’ পড়ার সময় ‘আঈন’ এবং ‘গাঈন’ অথবা ‘কাফ’ এবং ‘ক্বাফ’ এর উচ্চারণ নিয়ে একটু হিমশিম খেলেও বারবার পড়তে পড়তে শিখে গেলাম। 

স্কুলেও ‘ইসলাম শিক্ষা’ নামক একটি বিষয় ছিল। সনাতন ধর্মের শিক্ষার্থীদের সেই ক্লাস বাধ্যতামূলক না থাকলেও দু’একজন বন্ধু সেই ক্লাসও করতো। কখনও তাকে আলাদা চোখে দেখতে শেখাননি আমাদের শিক্ষকেরা। তাই ‘সাহা, চক্রবর্তী কিংবা সেন’ কে ‘আহমেদ, রহমান কিংবা হোসেন’ এর সাথে পার্থক্য করিনি কখনও। 

নাচ শিখতাম শুক্লা সরকারের কাছে। আমি মুসলিম বলে আমার এই নৃত্য গুরু নিজ কন্যাদের চেয়ে এক বিন্দু আলাদা করে দেখেননি কোনোদিন। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রশ্রয়ই পেয়েছি!

শিল্পী হিসেবে সেই শৈশব থেকেই নাচ গান করেছি ঈদের অনুষ্ঠানের পাশাপাশি পূজার উৎসবেও। আমার সনাতন বন্ধুটিকে যেমন ঈদের সেমাই খেতে আমার বাড়িতে ডেকেছি তেমনি আমিও গিয়েছি নাড়ু খেতে। বাক্সো ভরে নিয়েও এসেছি তার মা’কে বলে। 
কোনোদিন কোনো সাম্প্রদায়িক চিন্তা মাথায় তো আসেনি! সত্যি বলতে ‘সাম্প্রদায়িকতা’ শব্দটিই বোঝার দরকার হয়নি আমাদের কখনও। 

কিন্তু আজ এ কোন বাংলাদেশে আছি আমরা! কি শিখাচ্ছি আমাদের সন্তানদের!! কোন বাংলাদেশ দিয়ে যাচ্ছি পরবর্তী প্রজন্মের হাতে!!!

যে বাংলাদেশে সামাজিক মাধ্যমে একজন সনাতন ধর্মাবলম্বী ‘ঈদ মুবারক’ লিখলে সবাই আলহামদুলিল্লাহ বলেন কিন্তু একজন মুসলিম ‘শুভ বিজয়া’ লিখলেই তার গুষ্টি উদ্ধার করতে ঝাঁপিয়ে পড়েন শত শত মানুষ! যে বাংলাদেশে অন্য ধর্মের অনুসারীদের নিজ ধর্মীয় উৎসব পালনের কোনো স্বাধীনতা নেই!!

আরও পড়ুন


বঙ্গবন্ধু যেতেই গুলি বন্ধ করল বিডিআর

মানুষের সঙ্গে যেভাবে কথা বলতেন বিশ্বনবী

সূরা বাকারা: আয়াত ১২৮-১৩৩, আল্লাহর নির্দেশ ও হয়রত ইব্রাহিম (আ.)

কলকাতা প্রেস ক্লাবে ‘বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার’


যে বাংলাদেশে সনাতন ধর্মের সবচেয়ে বড় উৎসবে ভেঙে দেয়া হয় তাদের দেবী মূর্তি, লুটপাট করা হয় হিন্দুদের দোকানপাট, রাতের আঁধারে পুড়িয়ে দেয়া হয় হিন্দু জেলেপল্লী আর কিছুই করতে পারিনা আমরা!!!

না… আমার সন্তানদের আমি এই বাংলাদেশ দিয়ে যেতে চাই না। আমি সেই আগের বাংলাদেশ চাই। কি করবো, কিভাবে হবে জানিনা- কিন্তু করতে হবে… কিছু একটা করতে-ই হবে…

লেখাটি অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ষড়যন্ত্র, ভাবমূর্তি আর অনুভূতি- এই তিনে আবর্তিত এক জাতি

রউফুল আল

ষড়যন্ত্র, ভাবমূর্তি আর অনুভূতি- এই তিনে আবর্তিত এক জাতি

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো যখন ঈদের শুভেচ্ছা বার্তা দেয়, বাংলাদেশের মানুষ খুশিতে গদগদ হয়ে যায়। ট্রুডো এই কাজটা মূলত করে কানাডার সংখ‍্যালঘু মুসলিমদের সাহস দেয়ার জন‍্য। তাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে তাদেরকে মানসিক শক্তি যোগান দেয়। একজন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তার দেশের সংখ‍্যালঘুদের সাহস দেয়াকে সে একটা কর্তব‍্য মনে করে। 

নিউজিল‍্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা যখন মাথায় কাপড় দিয়ে মুসলিম কমিউনিটির অনুষ্ঠানে যায়, মুসলমানদের সাথে কুশলাদি বিনিময় করে, আমরা তখন বাহবা দেই। জেসিন্ডা মূলত নিউজিল‍্যান্ডের সংখ‍্যালঘু মুসলিমদের সাহস দেয়ার জন‍্যই এ কাজ করে। কিন্তু বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা যখন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টানদের উৎসবে গিয়ে ওদেরকে মানসিক শক্তি যোগাতে যায়—তখনই আমরা মেনে নিতে পারি না। সেসব খবরের লিংকে অশ্রাব‍্য ভাষায় গালাগাল করতে থাকি।
প‍্যারিসে ধর্মের অবমাননা হলে আমরা ক্ষুদ্ধ হই। ব‍্যথিত হই। অথচ পাশের বাড়ির ভিন্নধর্মালম্বীদের উৎসব মেনে নিতে পারি না। তাদের ধর্মের আচার মেনে নিতে পারি না। অন‍্য ধর্মের আচারের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা প্রকাশ করেতে পারি না। 

একটা স্ট‍্যাটাস দিলে বিশ্ববিদ‍্যালয়ের শিক্ষককে তড়িৎ গতিতে ধরে নেয়া হয়। কিন্তু সাম্প্রদায়িক সংঘাতের জন‍্য যারা দায়ী ও জড়িত—তাদের কি শাস্তি হয়? প্রশাসন শুধু ষড়যন্ত্রই খুঁজে বেড়ায়। ষড়যন্ত্র, ভাবমূর্তি আর অনুভূতি—এই তিনে আবর্তিত এক জাতি।

বাংলাদেশের সংখ‍্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অংশ হিসেবে আমি কখনো আলাদা শক্তি পাইনি। আলাদা কোন সুযোগ পাইনি। বরং একজন চতুর্থ শ্রেণীর নাগরিকের চেয়েও বেশি প্রবঞ্চনার শিকার হয়েছি। আমাদের দেশেটাতে যাদের রাজনৈতিক ক্ষমতা ও টাকা আছে—তারাই যাচ্ছেতাই করতে পারে। তারাই সকল সুবিধা ভোগ করে। তাদের জন‍্যই বিচার আছে। অন‍্যান‍্যরা চতুর্থ শ্রেণীর নাগরিক হিসেবেই বেঁচে থাকে। কিন্তু আজ যখন অসংখ‍্য হিন্দু ধর্মালম্বীরা কালো ব‍্যাজ ধারণ করেছে, লাঞ্ছিত ও অপমানিত বোধ করছে—সংখ‍্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অংশ হিসেবে তখন নিজেই অপমানিত বোধ করছি। 

আজীবন স্বপ্ন দেখি, বাংলাদেশের একজন নাগরিক কখনোই ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, জাত-জন্মপরিচয়ের জন‍্য কোন প্রকার প্রবঞ্চনা ও লাঞ্ছনার শিকার হবে না। 

লেখাটি রউফুল আলম ​-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

সাম্প্রতিক ঘটনা নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাসে যা বললেন ফারুকী

মোস্তাফা সরয়ার ফারুকী

সাম্প্রতিক ঘটনা নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাসে যা বললেন ফারুকী

মোস্তাফা সরয়ার ফারুকী

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটে যাওয়া হামলা ঘটনার সঠিক তদন্ত দাবি করে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন চলচ্চিত্র পরিচালক মোস্তাফা সরয়ার ফারুকী।

তিনি লিখেছেন, এ মুহূর্তে করণীয় হলো ঘটনা যা যা ঘটেছে সেটা ঠিকঠাক তদন্ত করে সবার সামনে তুলে ধরা। দ্রুততার সাথে এই হামলার ঘটনাগুলার সাথে যারা যারা জড়িত তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করা। আগামীতে যেনো এইরকম কিছু না ঘটে তার জন্য যা যা ব্যবস্থা নেয়ার সেটা নেয়া।

তার স্ট্যাটাসটি নিউজ টোয়েন্টিফোর বিডি ডট টিভির পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো:-

এখন আমরা কি করতে পারি? 
ঘটনা যা যা ঘটেছে সেটা ঠিকঠাক তদন্ত করে সবার সামনে তুলে ধরা। দ্রুততার সাথে এই হামলার ঘটনাগুলার সাথে যারা যারা জড়িত তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করা। আগামীতে যেনো এইরকম কিছু না ঘটে তার জন্য যা যা ব্যবস্থা নেয়ার সেটা নেয়া।  

তবে সবচেয়ে বেশী দরকার যেটা সেটা হচ্ছে, প্রত্যেকেই যার যার জায়গা থেকে এই ঘটনার নিন্দা করা। হিন্দু বন্ধু এবং প্রতিবেশীকে জানানো, তুমি একা নও! এখন তাকে একা বোধ না করতে দেয়াই হচ্ছে সবচেয়ে বড় কাজ! এই সময় এক জগতবিধ্বংসী ক্ষোভ-অভিমান চেপে বসে। তার হাতটা চেপে ধরে বলি চলেন, ইউ আর নট অ্যালোন। 

আরও পড়ুন:


গাজীপুরে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে পার্লার কর্মীকে গণধর্ষণ

পরিকল্পিতভাবে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি পূজায় সহিংসতা সৃষ্টি করেছে: কাদের

ইন্দোনেশিয়ার বালিতে শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ৩

ঘোড়ার খামারে বিয়ে করছেন বিল গেটসের মেয়ে


আমরা প্রত্যেকেই কোনো না কোনো ভাবে সংখ্যালঘু। কেউ রাজনৈতিক সংখ্যালঘু, কেউ সামাজিক সংখ্যালঘু, কেউ অর্থনৈতিক সংখ্যালঘু। ফলে দুর্বলের বেদনা, মজলুমের জ্বালাতো আমাদের না বোঝার কথা না! আল্লাহ যেনো আমাদেরকে সকল প্রকার মজলুমের বেদনা উপলব্ধি করার তৌফিক দান করেন। 

অন্য দেশে সংখ্যালঘু মুসলমানকে অত্যাচার করলে আমাদের হৃদয় যেমন ব্যথিত হয়, নিজের দেশে সংখ্যালঘু হিন্দু বা অন্য কেউ অত্যাচারিত হলেও আমাদের হৃদয় যেনো সেটা একই ভাবে উপলব্ধি করতে পারে, আল্লাহ যেনো আমাদের এই তৌফিক দান করেন।

লেখাটি মোস্তফা সরয়ার ফারুকী-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর