কিশোরী অপহরণ-ধর্ষণ: যুবকের যাবজ্জীবন

জুবাইদুল ইসলাম, শেরপুর

কিশোরী অপহরণ-ধর্ষণ: যুবকের যাবজ্জীবন

শেরপুরে কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় পৃথক ধারায় বাবুল ওরফে বাবুল কবিরাজ (৩১) নামে এক যুবকের যাবজ্জীবন ও ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

১৯ সেপ্টেম্বর রোববার বিকেলে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান আসামির ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে এ রায় দেন।

বাবুল সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের চরশেরপুর পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত তৈমদ্দিনের ছেলে।

কারাদণ্ডের মধ্যে আসামিকে অপহরণের দায়ে সংশ্লিষ্ট আইনের ৭ ধারায় ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ধর্ষণের দায়ে ৯ (১) ধারায় যাবজ্জীবন (৩০) বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে উভয় সাজা একইসাথে চলমান থাকবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের পিপি এ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু।

আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২১ এপ্রিল সদর উপজেলার চরশেরপুর সাতানিপাড়া গ্রামের কৃষক পরিবারের কন্যা ও স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ফুঁসলিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায় পার্শ্ববর্তী চরশেরপুর পূর্বপাড়া গ্রামের বাবুল ওরফে বাবুল কবিরাজ। পরে ওই কিশোরীকে ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে আটক রেখে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ করলে সে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়।

ওই ঘটনায় একই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর ধর্ষিতা কিশোরীর মা বাদী হয়ে ধর্ষক বাবুলসহ চারজনকে আসামি করে সদর থানায় অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার পরপরই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয় ধর্ষক বাবুল। এর কিছুদিন পর ধর্ষিতার কন্যা সন্তান জন্ম দেয়। ডিএনএ টেস্টেও প্রমাণিত হয় ওই সন্তানের জৈবিক বাবা বাবুল। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন তদন্ত শেষে একই বছরের ১২ নভেম্বর বাবুলকে একমাত্র আসামি করে তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৯ সালের ২৩ এপ্রিল আসামি বাবুলের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।

আরও পড়ুন:


এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?

রাজপথে নামার আহ্বান মোশাররফ-মান্নার

বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টা পর প্লাইউড ফ্যাক্টরির আগুন নিয়ন্ত্রণে


পরে বিচারিক পর্যায়ে বাদী, ভিকটিমসহ রাষ্ট্রপক্ষের সাতজন ও আসামিপক্ষের দুইজন সাফাই সাক্ষীসহ নয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

এতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রোববার বিকেলে দুটি ধারায় একটিতে যাবজ্জীজন ও অন্যটিতে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন ট্রাইব্যুনাল।

পাশাপাশি ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর জৈবিক বাবা হিসেবে আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি থেকে আদায় সাপেক্ষে সেই শিশুর ভরণপোষণে আইনানুগ আদেশ দেন ট্রাইবুন্যাল।

এদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. সাখাওয়াতউল্লাহ তারা বলেন, এ রায়ে যথেষ্ট অসঙ্গতি রয়েছে। কাজেই আসামিপক্ষ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

সোনিয়া দম্পতিসহ তিনজন রিমান্ডে

অনলাইন ডেস্ক

সোনিয়া দম্পতিসহ তিনজন রিমান্ডে

প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকের এক কোটি ২০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে হাতিরঝিল থানায় করা মামলায় ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান এবং চিফ অপারেটিং অফিসার আমান উল্যাহর এক দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলামের আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিন তিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আসামিপক্ষরে আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে প্রত্যেকের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে মামলায় তিন আসামির পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করেন হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক সুব্রত দেবনাথ। এরপর আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির জন্য ২৮ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

আরও পড়ুন:

এবার নারীরাও ব্যবহার করবে কনডম!

ডিভোর্স দেয়ায় স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন, আত্মহত্যার চেষ্টা স্বামীর

মাকে পিটিয়ে হত্যা; ছেলের মৃত্যুদণ্ড

গত ৭ অক্টোবর সাজ্জাদ ইসলাম নামে ঢাকা কলেজের এক শিক্ষার্থী হাতিরঝিল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, ই-অরেঞ্জের আকর্ষণীয় অফার দেখে তিনি, তার ভাই এবং এক বন্ধু বাসা বাড়ির প্রয়োজনীয় জিনিস, বাইক বাবদ এক কোটি ২০ লাখ টাকার পণ্য অর্ডার করেন। কিন্তু ই-অরেঞ্জ পণ্য সরবরাহ না করে তাদের অর্থ আত্মসাৎ করে।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত   

পরবর্তী খবর

নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন: ওসি-এসআইকে বরখাস্তের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক

নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন: ওসি-এসআইকে বরখাস্তের নির্দেশ

নোয়াখালী বেগমগঞ্জ নারীর বিবস্ত্র করে অবমাননার ঘটনায় ওসিসহ এসআইকে বরখাস্তের নির্দেশ হাইকোর্টের।

বিস্তারিত আসছে...

আরও পড়ুন:


পাগলীর জন্ম নেওয়া সন্তানের পিতা এমপি বদি

টস জিতে ফিল্ডিংয়ে পাকিস্তান

শোয়েব মালিককে ‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ বলে ডাকল ভারতীয় দর্শকরা (ভিডিও)

পরবর্তী খবর

মাকে পিটিয়ে হত্যা; ছেলের মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক

মাকে পিটিয়ে হত্যা; ছেলের মৃত্যুদণ্ড

মাকে পিটিয়ে হত্যা মামলায় ছেলে জিয়াউল হককে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। ২০১৮ সালের ১৩ জুন   জিয়াউল হক এই ঘটনা ঘটায়।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জিয়াউল হক সদর উপজেলার শিবপুর গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে।

জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৩ জুন আসামি জিয়াউল হক তার ছোট ভাই জুবায়ের খন্দকারের কাছে টাকা চায়। জুবায়ের তাকে টাকা না দিলে ক্রিকেট ব্যাট হাতে জিয়াউল তাকে মারতে আসেন। এ সময় মা জহুরা বেগম (৬০) জুবায়ের বাঁচাতে এগিয়ে আসলে জিয়াউল মায়ের মাথায় ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করে। পরে আহত অবস্থায় জহুরা বেগমকে সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন:

হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরে হামলা, বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ

ঘটনার পরদিন জহুরা বেগমের স্বামী নুরুল ইসলাম ছেলে জিয়াউল হককে একমাত্র আসামি করে থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন ফারুক আহমেদ প্রিন্স ও আসামিপক্ষের ছিলেন অ্যাডভোকেট মাসুদার রহমান বিশ্বাস।

রাষ্ট্রপক্ষের আইজীবী পাবলিক প্রসিউকিটর ফারুক আহমেদ প্রিন্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত  

পরবর্তী খবর

হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরে হামলা, বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক

হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরে হামলা, বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ

কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালীসহ দেশের ৬ জেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরে হামলা ভাঙচুরের ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তাদের নিরাপত্তা কেন দেওয়া হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।

বিস্তারিত আসছে...

আরও পড়ুন:


পাগলীর জন্ম নেওয়া সন্তানের পিতা এমপি বদি

শোয়েব মালিককে ‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ বলে ডাকল ভারতীয় দর্শকরা (ভিডিও)

পরবর্তী খবর

মেডিকেল শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন প্রধান বিচারপতির

অনলাইন ডেস্ক

মেডিকেল শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন প্রধান বিচারপতির

মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার উত্তরপত্র একই কলেজে শিক্ষকরা না দেখে এবং রেজাল্ট শিট তৈরি না করে ভিন্ন মেডিকেল কলেজে পাঠিয়ে সেই খাতা মূল্যায়ন ও রেজাল্ট শিট করানো উচিত বলে মনে করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) এক মামলার শুনানিতে পাঁচ বিচারপতির ভার্চুয়াল আপিল বেঞ্চে প্রধান বিচারপতি এ বিষয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘দেশের কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতা তো সেই একই বিশ্ববিদ্যালয় দেখে না। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে সে খাতা দেখতে পাঠানো হয়। কিন্তু মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের রিটেনের খাতা কাটা হয় এবং রেজাল্ট শিট করা হয় যে কলেজের শিক্ষার্থী সেই একই কলেজে।’

বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) এর পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার তানজীব উল আলমের উদ্দেশে করে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতা একই কলেজে না দেখে এবং রেজাল্ট শিট না করে (ডিফরেন্ট) ভিন্ন মেডিকেল কলেজে পাঠিয়ে সে খাতা দেখানো ও রেজাল্ট সিট করানো উচিত।’

আরও পড়ুন:

জাতীয় দলের নতুন দায়িত্বে খালেদ মাহমুদ সুজন


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর