পুলিশ সদস্যের যমজ শিশু সন্তানকে এসপি অফিসের সামনে ফেলে মায়ের প্রতিবাদ

এস এম রেজাউল করিম, ঝালকাঠি

পুলিশ সদস্যের যমজ শিশু সন্তানকে এসপি অফিসের সামনে ফেলে মায়ের প্রতিবাদ

ঝালকাঠিতে আরাফ ও আয়ান নামের ১৬ মাসের জমজ দুই ছেলে সন্তানকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে ফেলে রেখে গেলেন এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রী। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে। খবর পেয়ে শিশু দুটিকে ঝালকাঠি থানার নারী ও শিশু ডেস্কে এনে রাখা হয়।  দুই শিশুকে নিয়ে বিপাকে পড়েছে থানা পুলিশ। স্বামী ভরণপোষণ ও চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন না করায় রোববার বিকেলে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে রেখে চলে যান শিশু দুটির মা সুমাইয়া আক্তার।   

থানা পুলিশ ও  শিশুদের মা সূত্রে জানা যায়, শিশু দুটির বাবা ইমরান হোসেন কাঁঠালিয়া থানায় পুলিশ কনস্টেবল পদে কর্মরত আছেন। সে বর্তমানে এক মাসের প্রশিক্ষণের জন্য জামালপুরে অবস্থান করছেন। তাঁর বাড়ি বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার মালুহার গ্রামে। ২০১৯ সালের মে মাসে শিশু দুটির মা ঝালকাঠি সদরের খাওক্ষির গ্রামের সুমাইয়া আক্তারের সাথে বিয়ে হয় কনস্টেবল ইমরানের। দাম্পত্য কলহের জেরে এ বছরের মার্চ মাসে স্ত্রীকে তালাক নোটিশ পাঠান ইমরান। তালাক নোটিশ পেয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক মামলা করে সুমাইয়া । শিশু দুটির মা সুমাইয়ার দাবি তালাক নোটিশ পাঠানোর আরও আগ  থেকে তাঁর এবং সন্তানদের কোন ভরণপোষণ দিচ্ছেনা ইমরান।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে চায়ের দোকানী মাহফূজ মিয়া বলেন,  বিকালে একজন নারী তাঁর দুই শিশু সন্তানকে এসপি অফিসের চেক পোস্টের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের সামনে রেখে যান। যাবার সময় সে বলে যায়,  তোমাদের সন্তান তোমাদের কাছেই থাক।

সন্ধ্যায় ঝালকাঠি সদর থানায় গিয়ে দেখা যায়, শিশু দুটির কান্নায় থানার পারিবেশ ভারি হয়ে উঠেছে। নারী ও শিশু হেল্প ডেস্কের এক নারী কনস্টেবল শিশু দুটিকে সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। এ সময় শিশু দুটির শরীরের তাপমাত্রা ছিল অনেক বেশি।

সুমাইয়া আক্তার মুঠোফোনে জানায়, গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে শিশু আরাফ ও আয়ান ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে। রোববার সকালে চিকিৎসকরা শিশু দুটির বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে বলেন। এতে প্রায় প্রায় ৬ হাজার টাকার প্রয়োজন ছিল। বিষয়টি কনস্টেবল ইমরানকে জানানো হলেও তিনি টাকা দিতে অপরগতা প্রকাশ করেন। তাই বাধ্য হয়ে শিশু দুটিকে নিয়ে পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিনের সাক্ষাতে জন্য যাই। কিন্তু প্রধান ফটকের সামনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ইমরান মিয়া ও  মো. সুমন নামে দুই পুলিশ সদস্য ভিতরে প্রবেশ করতে দেয়নি। তাই বাধ্য হয়ে শিশু সন্তানদের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে রেখে চলে এসেছি। ওদের লালন পালন করতে আমার কোন আপত্তি নেই, কিন্তু খরচ চালানোর মত সংগতি আমার নেই । বাচ্চা রেখে আসার পরে সদর থানার ওসি খলিলুর রহমান আমাকে ফোন দিয়ে উল্টোপাল্টা কথা বলে, আমি থানায় না যাওয়ায় বাচ্চার বাবার ফুফাত ভাই কামরুল পুলিশের জিম্মা দিয়ে দেয়।

কনস্টেবল ইমরান মোবাইলে জানান, প্রতি মাসে শিশু দুটির ভরণপোষণের জন্য তিন হাজার টাকা সুমাইয়ার ব্যাংক হিসেবে পাঠিয়ে দিচ্ছি। আমি আমার সাধ্য অনুযায়ী তাঁদের খোঁজ খবর  নেই। কিন্তু মা হয়ে সে কিভাবে সন্তানদের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে ফেলে গেল ?।

ঝালকাঠি সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. খলিলুর রহমান বলেন, আমরা বিষয়টি দুই পরিবারের সাথে কথা বলে মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করছি। শিশুদের মা না আসায় তাদের দাদীকে খবর দিয়ে রাতেই শিশু দুটিকে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:


পাঁচ বিভাগে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা

এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?

রাজপথে নামার আহ্বান মোশাররফ-মান্নার

বাগেরহাটে ৩ ঘণ্টা পর প্লাইউড ফ্যাক্টরির আগুন নিয়ন্ত্রণে


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে তরুণ খুন

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীতে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে তরুণ খুন

রাজধানীর বংশালের ছিক্কাটুলি এলাকায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে অজ্ঞাত এক তরুণ নিহত হয়েছেন। যার আনুমানিক বয়স ২২ বছর। 

সোমবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেন বংশাল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাসান মাদবর।

গুরুতর আহত অবস্থায় অজ্ঞাত ওই তরুণকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ১০টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 নিহতের পরনে  ছিলো শার্ট ও জিন্স প্যান্ট, তবে তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ফিল্মি স্টাইলে কাফনের কাপড়, মুরগীর মাংস ও চিরকুট পাঠিয়ে হত্যার হুমকি

অনলাইন ডেস্ক

ফিল্মি স্টাইলে কাফনের কাপড়, মুরগীর মাংস ও চিরকুট পাঠিয়ে হত্যার হুমকি

কাফনের কাপড়, গোলাপজল, আগরবাতি, মুরগীর মাংস ও চিরকুট লিখে একটি কাগজের বক্সে ভরে পাঠিয়ে জীবন নাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে  মো. মুকুল হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে। শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। তিনি উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল ভোরে উপজেলার খলিশাকুড়া গ্রামে। ফিল্মি স্টাইলে এমন জীবন নাশের হুমকির ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের জবেদ আলীর ছেলে মো. মুকুল হোসেনকে উদ্দেশ্য করে একটি কাগজের বাক্সে এসব জিনিসপত্র কে বা কারা বাড়িতে রেখে যায়। রোববার সকালে জবেদ আলী ঘুম থেকে উঠে দেখে বাড়ির বারান্দায় একটি বাক্স।

ঠাকুরগাঁওয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

পরে সেটি এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নিয়ে খুলে দেখেন কাফনের নতুন কাপড়, গোলাপজল, আগরবাতি, মুরগীর মাংস ও একটি চিরকুট। পরে পুলিশে খবর দিলে এসআই আনোয়ার হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে সেগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান ইউনুছ আলী দেওয়ান, নয়াবিল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুর ইসলাম, মিজানুর রহমান মিজানসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বছির আহম্মেদ বাদল সংবাদমাধ্যমকে জানান, এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত  

পরবর্তী খবর

১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

অনলাইন ডেস্ক

১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেওয়ার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। 

বিষয়টি নিশ্চিত করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য আব্দুল লতিফ জানান, অভিযোগটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

এর গত শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকা অফিসে তদন্ত কমিটি বৈঠক করে। বৈঠকের পর আজ সোমবার তদন্ত কমিটির সিদ্ধান্তের দেওয়া প্রতিবেদনে ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেওয়ার প্রমাণ পাওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:


মুশফিক: আমি ক্যাচ ছাড়লে সমালোচনা হতো, লিটন তো সেরা

ইকবালকে নিয়ে পুলিশের অভিযান, যা পাওয়া গেছে!

আগামীকাল নুরের দলের আত্মপ্রকাশ

পাকিস্তানি সমর্থকদের ওপর ভারতীয় সমর্থকদের হামলা, আহত ২


উল্লেখ্য, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় অবস্থিত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন গত ২৬ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার হলে প্রবেশের সময় ওই বিভাগের প্রথম বর্ষের ১৪ ছাত্রের মাথার চুল কাঁচি দিয়ে কেটে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। চুল কেটে দেওয়ার অপমান সইতে না পেরে এক ছাত্র ঘুমের ওষুধ সেবন করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে ও শিক্ষিকা ফারহানার অপসারণ দাবিতে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচি শুরু করে। শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনের মুখে শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনকে সাময়িক বরখাস্ত করে ঘটনার তদন্তে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। 

news24bd.tv রিমু  

 

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে রফিকুল ইসলাম (৩৫) নামে এক দুই সন্তানের  জনকের বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার উপজেলার বড়বাড়ী ইউনিয়নের উত্তর বালিয়াডাঙ্গী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রফিকুল ইসলাম ওই গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, ভ্যানচালক বাবা বাড়িতে ছিলেন না। মা মাঠে ছিলেন সাংসারিক কাজে। শুক্রবার দুপুরে বাড়িতে একা পেয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে রফিকুল। স্কুলছাত্রী চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে পালিয়ে যায় রফিকুল।

এ ঘটনার পর স্কুলছাত্রীর বাবা আইনী সহায়তা পেতে ৯৯৯ ফোন করলে থানায় আসতে বলে স্কুলছাত্রীর বাবাকে। এরপর ওইদিন সন্ধ্যায় প্রভাবশালীদের চাপে মীমাংসায় বসেন স্কুলছাত্রীর বাবা।

আরও পড়ুন:


গোসলখানার দরজা বন্ধ করে কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ!

হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে কোকোর স্ত্রী

প্রেমিকাকে জিহ্বা কাটার ঘটনায় প্রেমিকাসহ গ্রেপ্তার ৪

জোর করে তুলে নিয়ে বিয়ে, দুই বছর পর পিটিয়ে হত্যা করল স্বামী


স্কুলছাত্রীর মা ও বাবা জানান, আমাদের ৩ মেয়ে। রফিকুল ও তার লোকজন খুবই দুধর্ষ। ভয়ে কোথাও বিচার চাইতে ভয় পাচ্ছি। তাছাড়া মামলা চালানোর মত সামর্থ নেই।

স্থানীয় ইউপি সদস্য রজব আলী জানান, স্কুলছাত্রীকে ও বাবার মুখে ঘটনাটি শোনার পর এলাকায় গিয়েছিলাম। অনেকের সামনেই রফিকুল অপরাধ স্বীকার করেছে। তবে স্থানীয় ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় স্কুলছাত্রীর বাবা ভয়ভীতির মধ্যে রয়েছে।

অভিযোগ উঠা রফিকুল ইসলামের বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

বালিয়াডাঙ্গী থানার তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুস সবুর জানান, স্কুলছাত্রী ও তার বাবার সাথে পুলিশ কথা বলেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

প্রেমিকের জিহ্বা কাটার ঘটনায় প্রেমিকাসহ গ্রেপ্তার ৪

অনলাইন ডেস্ক

প্রেমিকের জিহ্বা কাটার ঘটনায় প্রেমিকাসহ গ্রেপ্তার ৪

প্রেমিকের জিহ্বা কাটার ঘটনায় প্রেমিকা শারমিন আক্তার, তার বাবা শফিকুল ইসলাম, মা আনোয়ারা বেগম ও ভাই ফারুক হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার  সূত্রে জানা গেছে, ধামরাইয়ের ফরিঙ্গা গ্রামের শারমিন আক্তার দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। বিদেশে থাকার সময়েই একই গ্রামের রহমত আলীর ছেলে নরসুন্দর সাইফুর রহমানের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। কয়েকমাস আগে শারমিন দেশে আসেন। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারমিনের সাথে শারীরিক সম্পর্কও গড়ে তোলেন সাইফুর।

আরও পড়ুন:


গোসলখানার দরজা বন্ধ করে কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ!

হাসপাতালে খালেদা জিয়াকে দেখতে কোকোর স্ত্রী

পুকুরে না, সেই গদা পাওয়া গেল বাড়ির ভেতরে!

জোর করে তুলে নিয়ে বিয়ে, দুই বছর পর পিটিয়ে হত্যা করল স্বামী


এরপর শারমিনকে বিয়ে না করে তালবাহানা শুরু করতে থাকে প্রেমিক সাইফুর রহমান। এতে শারমিন ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। শনিবার রাতে শারমিন তাদের বাড়িতে ডেকে নেন সাইফুরকে। এরপর সাইফুরের হাত-মুখ বেধে বেদম মারপিট করতে থাকেন শারমিনের স্বজনরা। একপর্যায়ে জিহ্বা কেটে ফেলা হয় সাইফুরের। রাতেই জানাজানি হয়ে যায় ঘটনাটি। এরপরই শারমিনের পরিবারের লোকজন গা ঢাকা দেয়।

এ সময় এলাকাবাসী সাইফুরকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় সাইফুরের বাবা রহমত আলী বাদি হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

তবে সাইফুর রহমানের বাবা রহমত আলী জানান, শুধু প্রেমের সম্পর্ক নয়, শারমিনের কাছে পাওনা ৬০ হাজার টাকা চাওয়ার কারণেই তার ছেলে সাইফুর রহমানকে কৌশলে আটকিয়ে মারধর ও জিহ্বা কেটে দেওয়া হয়েছে। তিনি এই ঘটনার ন্যায় বিচার চেয়েছেন। 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই তন্ময় সাহা জানান, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে কেটে রাখা জিহ্বা উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গতকাল রোববার রাতে এ ঘটনায় জড়িত প্রেমিকা শারমিনসহ তার পরিবারের চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর