যে ২৬টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গোয়েন্দা নজরদারিতে

অনলাইন ডেস্ক

যে ২৬টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গোয়েন্দা নজরদারিতে

প্রতারণার অভিযোগ ওঠায় অন্তত ২৬টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ড নজরদারি করা হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০টির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ও সুপারিশ করেছে। এর ধারাবাহিকতায় ইভ্যালির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে ই-অরেঞ্জের কয়েকজন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলছে অন্য আটটির বিরুদ্ধে।

গতকাল রবিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সচিবালয়ে তাঁর দপ্তরে সাংবাদিকদের বলেছেন, ই-কমার্সের মাধ্যমে প্রতারণার বিষয়ে তদন্ত চলছে। এতে কারো কোনো অপরাধ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ই-বিজনেস বলুন আর যেটাই বলুন, কতগুলো প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছে—ইভ্যালি, ধামাকা, ই-অরেঞ্জের মধ্যে কিভাবে যেন আমাদের বেশ কয়েকজনের নামও জড়িত করে ফেলেছে। একজনের নাম তো বলতেই হয়—প্রখ্যাত নিউরোসার্জন এম আলী। তিনি তো আমার কাছে এসে কেঁদে কেঁদে বলেছেন, তিনি কিছুই জানতেন না।’ মন্ত্রী বলেন, ‘তিনি (এম আলী) একজন প্রখ্যাত ডাক্তার। টেলিমেডিসিন কিভাবে প্রসার করা যায়, সে বিষয়ে ধামাকার সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়েছিল। এখন তাঁর নামটি ধামাকায় দিয়ে...সেই বেচারা বিপদেই পড়েছেন আমরা দেখছি।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ইভ্যালি একটা, আরো কয়েকটা মানুষের কাছ থেকে অনেক টাকা নিয়েছে। কিভাবে তারা তাদের কমিটমেন্ট পূরণ করবে, এটা আমার এখন জানা নেই। আমরা মনে করি, তারা যে কমিটমেন্ট জনগণকে দিয়েছে, তা যদি পূরণ না করে, তবে আইন অনুযায়ী আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং করতেই হবে।’ তিনি বলেন, ‘যারা প্রতারণা করবে তাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী খুঁজে বের করবে, তাদের শাস্তির ব্যবস্থা আমরা করব। কেউ যদি প্রতারণার উদ্দেশ্যে করে। আমাদের কাছে খবর আসছে, এগুলো তদন্তে কমিটি কাজ করছে।’

তদন্ত শুরু হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, ‘প্রতারক সব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ 

এর আগে গত শনিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনেও এই কর্মকর্তা একই ধরনের তথ্য জানান। তিনি বলেছেন, ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জসহ এমন আরো প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যারা প্রতারণা করেছে। বাজারমূল্যের চেয়ে অনেক কম মূল্যে পণ্য বিক্রির অফার দিয়ে যারা গ্রাহকদের পণ্য দেয় না তারা মূলত প্রতারণা করছে। তিনি যোগ করেন, ‘এ ধরনের প্রতারকদের বেশি বেশি ধরা হলে ধীরে ধীরে প্রতারণা কমে আসবে। আমরা চাই, সুন্দর একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ফিরে আসুক।’

জানা গেছে, পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের পাশাপাশি অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), র‌্যাবসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীও এ নিয়ে কাজ করছে। দুর্নীতি দমন কমিশনসহ (দুদক) সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশনও নিজেরা তদন্ত শুরু করেছে।

আরও পড়ুন:


ঘরের মাঠে ২-১ গোলে পিএসজি'র জয়

পাকিস্তানের কাছ থেকে ১২টি জঙ্গিবিমান কিনবে আর্জেন্টিনা

রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে আজ


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১০টি ই-কর্মাস প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ তদন্ত করছে সিআইডি। এসব প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, ধামাকা শপিং, কিউকম, আলেশা মার্ট, বুমবুম, আদিয়ান মার্ট, নিডস, সিরাজগঞ্জ শপ ও আলাদিনের প্রদীপ। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সুপারিশও করেছে। এগুলো ছাড়াও আরো অন্তত ১৬টি প্রতিষ্ঠানের নাম জানা গেছে যাদের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ পেয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। এগুলোর মধ্যে আছে এসপিসি ওয়ার্ল্ড, দালাল, নিরাপদ ডটকম, এসকে ট্রেডার্স ও মোটরস, ২৪ টি কে টি ডট কম, গ্রিনবাংলা, এক্সিলেন্টবিগবাজার, ফাল্গুনিশপ।

অভিযুক্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ প্রতারণার কথা জানা যাচ্ছে। তবে এই অঙ্ক আরো বাড়তে পারে।

সূত্র: কালের কণ্ঠ  

পরবর্তী খবর

বাশঁ দিয়ে মেরে বাবাকে হত্যা করলো মেয়ে!

অনলাইন ডেস্ক

বাশঁ দিয়ে মেরে বাবাকে হত্যা করলো মেয়ে!

পারিবারিক কলহকে কেন্দ্র করে এক প্রতিবন্ধী মেয়ের লাঠির আঘাতে বাবার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নাটোরের সিংড়াই উপজেলার শেরকোল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম শামসুল আলম (৬০)।

আরও পড়ুন:

ডিভোর্স দেয়ায় স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন, আত্মহত্যার চেষ্টা স্বামীর

মাকে পিটিয়ে হত্যা; ছেলের মৃত্যুদণ্ড

হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরে হামলা, বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শামসুল আলম কয়েক বছর আগে প্রতিবন্ধী মেয়ে কোহিনুর (২২) কে বিয়ে দেয় একই উপজেলার লালোর এলাকায়। সম্প্রতি তালাক প্রাপ্ত হয়ে মেয়েটি বাবার বাড়িতে বসবাস করছিল। এরই জের ধরে পারিবারিক দন্দ্বে আজ দুপুরে ওই প্রতিবন্ধী মেয়ে তার বৃদ্ধ বাবাকে বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত  

পরবর্তী খবর

সাবেক প্রেমিকাকে জবাই করে হত্যার পর নিজের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

সাবেক প্রেমিকাকে জবাই করে হত্যার পর নিজের মৃত্যু

মনির হোসেন নামক এক ব্যক্তি প্রেমে ব্যর্থ হয়ে  তার প্রাক্তন প্রেমিকা ছুমাইয়া আক্তারকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত ও জবাই করে হত্যা করে। প্রেমিকার মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর আত্মহত্যার জন্য মনির নিজের শরীরের বিভিন্ন স্থানে তার ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে।

পরে পুলিশ নিহত ছুমাইয়া আক্তারের লাশ উদ্ধার করে ও পাশেই প্রেমিক রনির পেট থেকে নাড়িভুড়ি বের হওয়া আহত, অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনার ১০ ঘন্টার মধ্যে টাঙ্গাইল র‌্যাব তদন্ত করে জানতে পারে আহত মনির নিজেই ছুমাইয়ার হত্যাকারী। পরে র‌্যাব মনিরকে  ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আটক করে। পরে বৃহস্পতিবার সকালে মনির চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

টাঙ্গাইল র‌্যাবের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, বুধবার সকাল ৭টার দিকে মনির তার সাবেক প্রেমিকা ছুমাইয়াকে কৌশলে ডেকে এলেঙ্গা পৌর এলাকার খোকনের বাসার সিঁড়ি কোটার সামনে ছুরিকাঘাত ও জবাই করে হত্যার পর নিজেও আত্মহত্যার জন্য হত্যায় ব্যবহৃত একই ছুরি দিয়ে নিজের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে অচেতন হয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন:

ডিভোর্স দেয়ায় স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন, আত্মহত্যার চেষ্টা স্বামীর

মাকে পিটিয়ে হত্যা; ছেলের মৃত্যুদণ্ড

হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরে হামলা, বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ

পরে স্থানীয়রা দুইজনকেই মৃত ভেবে কালিহাতী থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে ছুমাইয়ার মৃতদেহ উদ্ধার করে। এসময় মনির জীবিত ছিল। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। অবস্থা খারাপ হওয়ায় মনিরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
 
 মনির হোসেনের সাথে ছুমাইয়ার দুই বছর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত দুই মাস আগে তাদের মধ্যে দুরত্ব সৃষ্টি হয়।

এ কারণে মনির ছুমাইয়ার উপর ক্ষিপ্ত হয়। ছুমাইয়াকে হত্যার জন্য মনির মঙ্গলবার রাতে সিদ্ধান্ত নেয়।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত  

পরবর্তী খবর

প্রেমিকাকে গলা কেটে ‌‘হত্যাকারী’ মনিরও মারা গেল

অনলাইন ডেস্ক

প্রেমিকাকে গলা কেটে ‌‘হত্যাকারী’ মনিরও মারা গেল

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর আত্মহত্যা চেষ্টাকারী প্রেমিক মনির হোসেনও মারা গেল। তার বয়স ১৭ বছর।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া জানান, বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। আহত মনির ১০৩ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকালে মারা যায়।

সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনিরের মৃত্যু হয় বলে জানান মনিরের খালা রোজিনা বেগম।

তিনি বলেন,  মনিরের মরদেহ এখন মর্গে নেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ বাড়িতে নেওয়া হবে।

এর আগে বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে কোচিংয়ে যাওয়ার পথে সুমাইয়াকে উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার শামসুল হক কলেজের সামনের একটি ভবনের নিচতলায় ডেকে নিয়ে মনির তাকে গলা কেটে হত্যা করে। এরপর মনির নিজেই আত্মহত্যার চেষ্টা করে।

পরে মনিরকে গ্রেফতার দেখিয়ে ঢামেক হাসপাতালে র্যাব হেফাজতে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

নিহত সুমাইয়া আক্তার উপজেলার পালিমা গ্রামের ফেরদৌসের মেয়ে। সে এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তারা এলেঙ্গা কলেজ মোড় এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছিল। মৃত মনির উপজেলার মশাজান গ্রামের মেহের আলীর ছেলে।

আরও পড়ুন:


পাগলীর জন্ম নেওয়া সন্তানের পিতা এমপি বদি

শোয়েব মালিককে ‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ বলে ডাকল ভারতীয় দর্শকরা (ভিডিও)

এলেঙ্গা পৌরসভার প্যানেল মেয়র সুকুমার ঘোষ বলেন, পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে মনিরের মৃত্যু খবর পেয়েছি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার বিকেলে মরদেহ মশাজান গ্রামে আনা হবে।

কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান বলেন, ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনিরের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। তবে এখনো অফিসিয়ালি আমাকে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সক্রিয় ১৫ সশস্ত্র গ্রুপ

অনলাইন ডেস্ক

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সক্রিয় ১৫ সশস্ত্র গ্রুপ

অপরাধের আখড়া হয়ে উঠছে উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প। নানা স্বার্থের টানাপোড়েনে ক্যাম্পকেন্দ্রিক গড়ে ওঠা অন্তত ১৫টির অধিক সশস্ত্র দল মাঝেমধ্যেই নিজেদের মধ্যে জড়িয়ে পড়ছে খুনোখুনিসহ ভয়ংকর সব অপরাধে। আগে এরা দা, ছুরি, বল্লমের মতো সাধারণ অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে চলাফেরা করলেও এখন ব্যবহার করছে স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র। যদিও র‌্যাব-পুলিশের দাবি, সবকিছু তাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।

ক্যাম্পকেন্দ্রিক ভয়ংকর সন্ত্রাসীরা মাদক-বাণিজ্য, অপহরণ আর চাঁদাবাজিতে জড়িত। ২৯ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহকে হত্যা করা হয়। চাঞ্চল্যকর এ হত্যার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও হত্যা। এবার ২৩ অক্টোবর সন্ত্রাসীরা মাদরাসায় ঢুকে গুলি চালিয়ে হত্যা করে ছয়জনকে। এক মাসের ব্যবধানে নেতাসহ সাত খুন!

তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব হত্যার পেছনে ইয়াবা, অস্ত্রবাণিজ্য ছাড়াও রয়েছে চাঁদা আদায়ের ঘটনা। মিয়ানমার থেকে আসা ইয়াবাসহ নানা প্রকার মাদক ও অস্ত্রবাণিজ্য আর সংগঠনভিত্তিক এলাকা দখল নিয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিনিয়ত চলছে সংঘর্ষ ও গোলাগুলি। অপহরণ, ইয়াবা বিকিকিনি এবং চাঁদাবাজি ঘিরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বেড়েছে গ্রুপিং। ক্ষমতার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বেড়েছে খুনোখুনি। 

স্থানীয় সূত্রগুলো বলছেন, টেকনাফ ও উখিয়ার ক্যাম্পগুলোয় তৈরি হয়েছে অন্তত ১৫-এর অধিক সশস্ত্র দল। যেসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নাম জানা গেছে তার মধ্যে উখিয়ার ক্যাম্পগুলোয় রয়েছে মুন্না গ্রুপ, আনাস গ্রুপ, মাহাদ গ্রুপ, সালাম বা সালমান শাহ গ্রুপ, হাফেজ আহমদ গ্রুপ, জহির গ্রুপ, আতাউল্লাহ গ্রুপ। টেকনাফে রয়েছে হাকিম ডাকাত গ্রুপ, নুরে আলম গ্রুপ, জকির ডাকাতের গ্রুপ। 

দুই উপজেলার ক্যাম্পগুলোয় এসব গ্রুপের আড়ালে সক্রিয় রয়েছে আরসা, আল ইয়াকিন, আরাকান রোহিঙ্গা আর্মি, আতাউল্লাহর বাহিনী, আরএসও, আরআরএসও। 

আরও পড়ুন:

চাপের মুখে বাংলাদেশ

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে টাইগার শিবিরে বড় দুটি দুঃসংবাদ

শাহরুখের সাথে জুটি থেকে সরে দাঁড়ালেন নায়িকা


 

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের পাহাড়ি জমিতে ৩৪টি ক্যাম্পে আশ্রয় নেয় ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। আশ্রয় নেওয়ার পর এক বছর নীরবে রোহিঙ্গারা অতিবাহিত করলেও যত দিন যাচ্ছে ক্যাম্পগুলোয় অপরাধ বাড়ছে। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ডিভোর্স দেয়ায় স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন, আত্মহত্যার চেষ্টা স্বামীর

অনলাইন ডেস্ক

ডিভোর্স দেয়ায় স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন, আত্মহত্যার চেষ্টা স্বামীর

গত দুই বছর আগে যূথী সূত্রধরের (২০) সাথে অভি ধরের (২৮) প্রেমের সর্ম্পক গড়ে উঠে। যুথী ও অভি পরিবারের অমতে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা দুইজন ভাড়া বাসায় থাকতেন। তাদের বিয়ে দুই পরিবারই মেনে নেয়নি। কিন্তু এরই মধ্যে স্ত্রী  যূথী স্বামী অভিকে ডিভোর্স দেয়। সেই ডিভোর্স দেয়ার পরেই স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন করে সে। এরপর অভিক নিজের পেটে নিজেই ছুরি মেরে আত্মহত্যার চেষ্টা করে।  বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বুধবার (২৭ অক্টোবর)রাত ৮টার সময় এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যুথী ও অভি পরিবারের অমতে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা দুইজন চট্টগ্রাম নগরীর হাজারী গলিতে ভাড়া বাসায় থাকতেন। তাদের বিয়ে দুই পরিবারই মেনে নেয়নি। বিয়ের পর বেশ কিছু দিন তাদের সংসার ভালই চলছিল। গত কিছু দিন যাবত তাদের মধ্যে বনিবনা হচ্ছে না। যুথী রাগ করে বাবার বাড়ি চলে আসে। সে বাবার বাড়ি আসার পর পরিবার তাকে গ্রহণ করে। এরইমধ্যে ছেলে অভিকেও তাদের পরিবার গ্রহণ করে।

আরও পড়ুন:

চাপের মুখে বাংলাদেশ

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে টাইগার শিবিরে বড় দুটি দুঃসংবাদ

শাহরুখের সাথে জুটি থেকে সরে দাঁড়ালেন নায়িকা


উভয় পরিবার আলাপ আলোচনার মাধ্যমে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হওয়ার কথা ছিল। এরমধ্যে ছেলের পরিবার মেয়ের পরিবারের কাছ থেকে যৌতুক দাবি করে।মেয়ের পরিবার যৌতুক দেবে না বলে জানিয়ে দেয়। তখন যুথী আদালতে গিয়ে ছেলেকে ডিভোর্স লেটার পাঠায়। ডিভোর্স লেটার পেয়ে অভি রাগ করে আজ সন্ধ্যায় শশুর বাড়িতে এসে স্ত্রী যুথীকে ধারালো ছুরি দিয়ে কুপিয়ে খুন করে।

সীতাকুণ্ড থানার ওসি তদন্ত সুমন বনিক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, স্ত্রীকে খুন করে স্বামী নিজেও আত্মহত্যা চেষ্টা করে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর