পরিবেশ অধিদপ্তর ও চউকের দ্বন্দ্বে বন্ধ ফৌজদারহাট-বায়েজিদ লিংক রোডের কাজ

শেখ জায়েদ

শেষ পর্যায়ে এসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) বিবাদে কাজ বন্ধ আছে চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট-বায়েজিদ লিংক রোডের কাজ। 

৬ কিলোমিটার পথ নির্মাণে ১৮টি পাহাড় কাটায় আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে পরিবেশ অধিদপ্তর ১০কোটি টাকা জরিমানা করে সিডিএ কে। এখনো চলছে সেটির দেন দরবার। 

পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে বন্ধ আছে সড়কের এক পাশের যানচলাচল। এ প্রকল্পটির বয়স এখন ২২বছর, ৩৩ কোটি থেকে খরচ বেড়ে দাঁড়িয়েছে এখন ৩২০ কোটি টাকায়। দ্রুত বিবাদ মিটিয়ে কাজ শেষ করার তাগিদ দিয়েছেন নগর পরিকল্পনাবিদরা। 

ফৌজদারহাট-বায়েজিদ লিংক রোড। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফৌজদারহাট অংশ থেকে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী অংশকে যুক্ত করে এই সড়ক। চট্টগ্রাম শহরে প্রবেশ না করেই এই সড়কে যাওয়া যায় বান্দরবান,খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে।

১৯৯৭ সালে হাতে নেয়া প্রকল্প একনেকে পাশ হয় ১৯৯৯ সালে। তখন এর নির্মাণ ব্যয় ছিল ৩৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা। নানা জটিলতায় খরচ এখন ৩২০ কোটি টাকা।

কাজ বাকি থাকলে ও ২০২০ খুলে দেয়া হয় সড়কটি। কিন্তু পাহাড় খাড়াভাবে কাটার অভিযেগে পরিবেশ অধিপ্তরের করা ১০কোটি টাকা জরিমানা নিয়ে এখন চলছে দেন দরবার। বন্ধ আছে কাজ।

পাহাড় ধস রোধে দ্রুত রিটেইনিং ওয়াল করতে চায় সিডিএপরিবেশ অধিদপ্তর বলছে কিভাবে পরিবেশের কমক্ষতি করে বিদ্যমান প্রকল্প শেষ করা যায় সিডিএর কাছে তার সংযোজিত পরিকল্পনা চাওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:


বাংলাদেশ-ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে দেওয়ায় ৭ বছরের 

নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগ-বিএনপি মারপিট (ভিডিও)

স্বাস্থ্যের সেই গাড়িচালক মালেকের ৩০ বছরের কারাদণ্ড

যে ২৬টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গোয়েন্দা নজরদারিতে


সড়কটি নগরীর যানজট নিরসনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে উল্লেখ করে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত জটিলতা নিরসরে আহ্বান এই নগর পরিকল্পনাবিদের।

গত জুনে পাহাড় ধসের কারণে সড়কটি ৩ মাসের জন্য বন্ধ করে ছিলো সিডিএ। কিন্তু নগরে যানজট তীব্র আকার ধারণ করলে ট্রাফিক বিভাগের অনুরোধে ৩দিন পরই খুলে দিতে হয়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

বরিশালে একই পরিবারের ৫ সদস্যের ইসলাম গ্রহণ

অনলাইন ডেস্ক

বরিশালে একই পরিবারের ৫ সদস্যের ইসলাম গ্রহণ

সেন্টু ইসলাম খলিফা ও তার পরিবার

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার একই পরিবারের ৫ সদস্য খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) বিকালে বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এনায়েত উল্লাহ্’র আদালতে উপস্থিত হয়ে এফিডেভিটের মাধ্যমে ইসলাম গ্রহণ করে নামও পরিবর্তন করেন তারা। 

তারা হলেন- কলাবাড়িয়া খ্রিস্টানপাড়ার প্রয়াত জুনাষ রায়ের কনিষ্ঠ ছেলে কাঠমিস্ত্রি ছিন্টু রায় (৪৫), তার স্ত্রী লিন্ডা রায় (৩৫), ২ ছেলে ভিক্টর রায় (১৫) ও এডমন্ড রায় (১১) এবং মেয়ে উর্মী রায় (৬)। 

ছিন্টু রায়ের নাম পরিবর্তন করে সেন্টু ইসলাম খলিফা, লিন্ডা রায়ের নাম আয়েশা খলিফা, ছেলে ভিক্টর রায়ের নাম তামিম ইসলাম খলিফা, এডমন্ড রায়ের নাম রিয়াজুল ইসলাম খলিফা এবং উর্মী রায়ের নাম উর্মী ইসলাম খলিফা রাখা হয়েছে। 

সেন্টু ইসলাম খলিফা বলেন, দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন ওয়াজ নছিহত শুনে এবং ইসলামী বই পড়ে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন তারা।
 
গত বৃহস্পতিবার প্রথমে স্থানীয় মসজিদের ইমামের কাছে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে স্বেচ্ছায় কালেমা পড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। একইদিন বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. এনায়েত উল্লাহ্’র আদালতে উপস্থিত হয়ে ইসলাম গ্রহণের বিষয়ে এফিডেভিট করেন এবং ইসলামী আদর্শ নিয়ে বাকী জীবন কাটিয়ে দিতে তারা সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।

ওই পরিবারের কোনো সাহায্য সহযোগিতা প্রয়োজন হলে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে যাবতীয় ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান নলচিড়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম হাফিজ মৃধা।

পরবর্তী খবর

মেহেরপুরে পরীক্ষামূলক চাষ শুরু ‘সাউ পেরিলা’

মেহেরপুর প্রতিনিধি

সাউ পেরিলা

উচ্চ ফলনশীল ও পুষ্টি-সমৃদ্ধ দক্ষিণ কোরিয়ার এক তৈলজাত ফসলের নাম ‘সাউ পেরিলা’। এ ফসল থেকে লিনোলিনিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ তেল আহরণ ছাড়াও প্রাপ্ত খইল গবাদিপশুর জন্য পুষ্টিকর খাবার ও জৈব সার হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। এ ফসল প্রসারের  লক্ষ্যে মেহেরপুরের গাংনীতে পরীক্ষামূলক চাষ শুরু হয়েছে।

 সংশ্লিস্টরা বলছেন, বাণিজ্যিকভাবে এ ফসলের চাষ বাড়াতে পারলে অনেক কম মূল্যে পেরিলা তেল বাজারজাত করা সম্ভব বলে। 

সাউ পেরিলা। এটা দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে পুষ্টিকর ও লাভজনক তৈলজাত ফসল। এ দেশে কোরিয়ান জাতের এই পেরিলা চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মেহেরপুরের গাংনীতে পরীক্ষামূলক শুরু হয়েছে। 

কৃষি অফিসের সহযোগীতায় নজরুল ইসলাম নামে এক কৃষক এরই মধ্যে তার এক বিঘা জমিতে চাষ করেছে এ ফসল। ফলনও বেশ ভাল হয়েছে। 

আরও পড়ুন


ভাইরাল ছবি হাছান মাহমুদের নয়!


কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, স্বল্প খরচে লাভ বেশি হবে। এ কারণে এ অঞ্চলে এ বিদেশী এ ফসল প্রসারের লক্ষ্যে কৃষকদের হাতে কলমে প্রশিক্ষণ ও বীজ সহ সব ধরণের সহায়তা করা হচ্ছে।

 পেরিলা ফসলের চাষাবাদ সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে পারলে, অনেক কম মূল্যে পেরিলা তেল বাজারজাত করা সম্ভব বলে মনে করেন তারা। 

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

ভাল স্বপ্ন দেখতে হবে, ভাল মানুষ হতে হবে: বিভাগীয় কমিশনার

নাটোর প্রতিনিধি:

ভাল স্বপ্ন দেখতে হবে, ভাল মানুষ হতে হবে: বিভাগীয় কমিশনার

রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড.মো.হুমায়ুন কবির বলেছেন, শিক্ষার্থীদের ভাল স্বপ্ন দেখতে হবে, ভাল মানুষ হতে হবে। বাবা-মায়ের কথা শুনতে হবে, শিক্ষকদের কথা শুনতে হবে। শুধু ভাল শিক্ষার্থী হলে চলবে না। হতে হবে একজন ভাল মানুষ। যে মানুষ দেশ ও জাতীর কল্যাণে কাজ করবে। নিজেকে গড়ে তুলবে এক অনন্য উচ্চতায়। 

আজ শুক্রবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বাল্যবিবাহ ও মাদক বিরোধী শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 

শুক্রবার সকালে গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর ইউনিয়নের শ্রীপুর আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তমাল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড.মো.হুমায়ুন কবির। 

আরও পড়ুন


পুলিশে চাকরির ঘোষণা শুনেই কেঁদে ওঠেন সজল


এ সময় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো.সাইদুর রহমান, নাটোরের জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ, উপজেলা চেয়ারম্যান মো.আনোয়ার হোসেন, পৌর মেয়র মো. শাহনেওয়াজ আলী, গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো.আব্দুল মতিন ও খুবজীপুর ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম দোলন। এছাড়াও অংশগ্রহণ করেন বীরমুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, গণমাধ্যমকর্মী, স্কুল কলেজের প্রধান ও শিক্ষার্থীরা। 

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

সেনাবাহিনীতে চাকরি দেয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগ

নাটোর প্রতিনিধি:

সেনাবাহিনীতে চাকরি দেয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগ

প্রতারণার অভিযোগে আটক মনিরুল ইসলাম

নাটোরে সেনাবাহিনীতে চাকরি দেয়ার নাম করে প্রতারণার অভিযোগে মনিরুল ইসলাম নামের একজনকে আটক করেছে র‌্যাব। আজ  শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে র‌্যাব সিপিসি-২ এর কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান ক্যাম্প কমাণ্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন। 

প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, বৃহস্পতিবার শাহিন আলম ও নাসিম নামের দুই অভিযোগকারীর অভিযোগের ভিত্তিতে মনিরুল কে তার বাড়ি বাগাতিপাড়া উপজেলার নন্দিকুজা দয়রামপুর এলাকার নিজ বাড়ি থেকে মনিরুলকে আটক করা হয়। আটক মনিরুল বাগাতিপাড়া উপজেলার নন্দিকুজা এলাকার কফির উদ্দিনের ছেলে।

আরও পড়ুন


পুলিশে চাকরির ঘোষণা শুনেই কেঁদে ওঠেন সজল


ক্যাম্প কমাণ্ডার ফরহাদ হোসেন আরও জানান, কাদিরাবাদ ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় বাড়ি হওয়ায় মনিরুল বিভিন্ন সময়ে সেনাবাহিনীতে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণা করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়।

এরই এক পর্যায়ে প্রতারণার শিকার সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার শাহিন আলম এবং ঠাকুরগাঁও জেলার নাসিমের অভিযোগের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি অপারেশনাল দল গতকাল রাত সাড়ে আটটার দিকে মনিরুল ইসলামের নন্দিকুজার বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে।

এ সময় ভুয়া নিয়োগপত্র, দুটি পেইনড্রাইভ (যার মধ্যে বিভিন্ন ভুয়া নিয়োগপত্রের সফট্পি রক্ষিত), বিভিন্ন ব্যাংকের ১৬টি চেকবই, বিভিন্ন ব্যাংকের ৭টি এটিএম কার্ড, ৩টি ভুয়া এনআইডি কার্ড (যার ভিতরে একটি ভুয়া),চাকুরী দানের ৩টি চুক্তিনামা ষ্ট্যাস্প, ১২টি জুডিশিয়াল ষ্ট্যাস্প, ৮টি অর্থ লেনদেনের রেজিষ্টার, ২টি ভুয়া নিয়োগপত্র, ১টি ভুয়া আইডি কার্ডের ফটোকপি, করণিক প্রতারণালব্দ নগদ ৫৮ হাজার ১শ ৪০ টাকা,  ৮০০ ভারতীয় রুপি জব্দ করা হয়।

অভিযুক্ত মো. মনিরুল ইসলাম  এইচএসসি পর্যন্ত পড়ালেখা করেছেন। তিনি পেশায় একজন ঔষধ বিক্রেতা হলেও নিজেকে সেনাবাহিনীর সিএমএইচ, ঢাকায় করণিক পদে কর্মরত আছেন বলে পরিচয় দিতেন এবং ওই পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন পদ যেমন সৈনিক, অফিস সহায়ক, মেসওয়েটার, স্টোরম্যান পদে চাকুরী দেওয়া প্রলোভন দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা হতে ৩য় পক্ষের মাধ্যমে চাকুরী প্রত্যাশী যুবকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিতেন। 

এ ক্ষেত্রে প্রতারক মনিরুল রাজু জাল জালীয়াতির মাধ্যমে ভুয়া নিয়োগপত্র তৈরি করে চাকুরি প্রার্থীদের সরলতার সুযোগ নিতেন। চাকুরি প্রার্থীগণ নিয়োগপত্রে উলে­খিত যোগদানের তারিখে সংশ্লিষ্ট অফিসে যোগদানের নিমিত্তে যাওয়ার পর বুঝতে পারতেন যে উক্ত নিয়োগপত্র সঠিক নয় বা ভুয়া।

এভাবে প্রতারক মনিরুল রাজু ভুয়া নিয়োগপত্র তৈরি করে চাকুরি প্রত্যাশীগণের নিকট হতে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এছাড়াও মনিরুল প্রতারণার কাজে জাতীয় পরিচয়পত্রে নিজ নাম পরিবর্তন করে চাঁন মণ্ডল পরিচয় ধারণ করেন।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

পুলিশে চাকরির ঘোষণা শুনেই কেঁদে ওঠেন সজল

অনলাইন ডেস্ক

পুলিশে চাকরির ঘোষণা শুনেই কেঁদে ওঠেন সজল

সজল খালকো

জয়পুরহাট পুলিশলাইন মাঠে নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করেন পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা। নিয়োগের ঘোষণা শুনেই কেঁদে ওঠেন সজল খালকো। তিনি  ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী পরিবারের সন্তান। বাবা মারা গেছেন অনেক আগেই। মা দিনমজুরের কাজ করেন। টিউশনি করে পড়ালেখার খরচ জোগাতেন। 

সজল বলেন, ‘চাকরির জন্য টাকা দেওয়ার কোনো সামর্থ্য নেই। মাত্র ১০৩ টাকা খরচ করে চাকরি হবে—কখনো কল্পনা করিনি। তাইতো চাকরি পাওয়ার ঘোষণায় আবেগ ধরে রাখতে পারিনি। দারিদ্র্যের সঙ্গে যুদ্ধ করে বেঁচে আছি। চেষ্টা করব সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার।’

আরও পড়ুন


সিলেট থেকে বিদেশে পণ্য রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


জয়পুরহাটে পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরি হয়েছে ১৯ তরুণ-তরুণীর। ঘুষ-তদবির ছাড়াই মূল্যায়ন হয়েছে মেধা ও যোগ্যতার। পূরণ হয়েছে হতদরিদ্র পরিবারের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন। চাকরি পাওয়ার ঘোষণা শুনে কেঁদে ফেলেন আরও অনেকে।

জয়পুরহাট সরকারি শিশু পরিবারে আশ্রিত এতিম মাহমুদুল হাসানের নেই কোনো বাড়িঘর। মা অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। ছোটবেলা থেকে বাবাকে হারিয়ে মাহমুদুলের আশ্রয় হয় শিশু পরিবারে। নিয়োগ পরীক্ষায় ভালো করলেও চাকরি নিয়ে শঙ্কা ছিল তাঁর। কিন্তু ফলাফল ঘোষণার পর আবেগে আনন্দাশ্রু ঝরে তাঁর চোখেও।

জয়পুরহাটে এবার পুলিশের চাকরি পাওয়া ১৯ জনই অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সন্তান। তাঁদের কেউ দিনমজুরের, কেউ ট্রাকচালকের সন্তান, আবার কেউবা এতিম।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর