ফেসবুকে বন্ধুত্ব, ম্যাসেঞ্জারে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ, অতঃপর...

অনলাইন ডেস্ক

ফেসবুকে বন্ধুত্ব, ম্যাসেঞ্জারে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ, অতঃপর...

২২ বছর বয়সের এক তরুণীর আপত্তিকর ভিডিও ফেসবুকে ছড়ানোর হুমকির অভিযোগে বগুড়ার সরকারি শাহ সুলতান কলেজের এক কলেজছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মাহমুদ মুন্না (২৩) নামে ওই কলেজছাত্র স্নাতক তৃতীয় বর্ষে পড়েন শিক্ষার্থী বলে জানিয়েছে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আলী হায়দার চৌধুরী।

গতকাল রোববার শেরপুর উপজেলা শহর থেকে মুন্নাকে আটক করে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সাইবার ইউনিট।

আজ সোমবার তাঁকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মুন্না পড়াশোনার পাশাপাশি বাসচালকের সহকারীর কাজ করতেন। বাড়ি শেরপুর উপজেলার একটি গ্রামে। শেরপুর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়।

বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আলী হায়দার চৌধুরী জানান, শেরপুরে এক তরুণীর সঙ্গে কিছুদিন আগে একটি মোবাইলের দোকানে সাক্ষাৎ হয় মুন্নার। এরপর ফেসবুকে আইডি খুঁজে তরুণীকে তিনি ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠান। ফেসবুকে বন্ধুত্বের সুবাদে বার্তা আদান–প্রদান শুরু হয়। একপর্যায়ে তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের কথা বলে মেসেঞ্জারে আপত্তিকর ভিডিও রেকর্ড করেন। দুজনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটলে ১৮ সেপ্টেম্বর মুন্না ওই তরুণীর মেসেঞ্জারে আগেই ধারণ করা আপত্তিকর ভিডিও পাঠিয়ে তা ইন্টারনেটে ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চাপ দেন। পরে ওই তরুণী বগুড়ার পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি খুলে বলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে মুন্নাকে আটক করা হয়। তাঁর কাছে থেকে জব্দ করা মুঠোফোনে আপত্তিকর ভিডিও পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন:


‌‘কস্ট সহ্য করতে’ না পেরে স্বামীর বিশেষ অঙ্গ ও গলাকেটে হত্যা

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সম্ভাব্য সূচি

প্রথম স্বামীর কথার জবাব দিলেন মাহি

পাঁচ বিভাগে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

সাবেক প্রেমিকাকে জবাই করে হত্যার পর নিজের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

সাবেক প্রেমিকাকে জবাই করে হত্যার পর নিজের মৃত্যু

মনির হোসেন নামক এক ব্যক্তি প্রেমে ব্যর্থ হয়ে  তার প্রাক্তন প্রেমিকা ছুমাইয়া আক্তারকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত ও জবাই করে হত্যা করে। প্রেমিকার মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর আত্মহত্যার জন্য মনির নিজের শরীরের বিভিন্ন স্থানে তার ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে।

পরে পুলিশ নিহত ছুমাইয়া আক্তারের লাশ উদ্ধার করে ও পাশেই প্রেমিক রনির পেট থেকে নাড়িভুড়ি বের হওয়া আহত, অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনার ১০ ঘন্টার মধ্যে টাঙ্গাইল র‌্যাব তদন্ত করে জানতে পারে আহত মনির নিজেই ছুমাইয়ার হত্যাকারী। পরে র‌্যাব মনিরকে  ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আটক করে। পরে বৃহস্পতিবার সকালে মনির চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

টাঙ্গাইল র‌্যাবের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, বুধবার সকাল ৭টার দিকে মনির তার সাবেক প্রেমিকা ছুমাইয়াকে কৌশলে ডেকে এলেঙ্গা পৌর এলাকার খোকনের বাসার সিঁড়ি কোটার সামনে ছুরিকাঘাত ও জবাই করে হত্যার পর নিজেও আত্মহত্যার জন্য হত্যায় ব্যবহৃত একই ছুরি দিয়ে নিজের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে অচেতন হয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন:

ডিভোর্স দেয়ায় স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন, আত্মহত্যার চেষ্টা স্বামীর

মাকে পিটিয়ে হত্যা; ছেলের মৃত্যুদণ্ড

হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরে হামলা, বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ

পরে স্থানীয়রা দুইজনকেই মৃত ভেবে কালিহাতী থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে ছুমাইয়ার মৃতদেহ উদ্ধার করে। এসময় মনির জীবিত ছিল। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। অবস্থা খারাপ হওয়ায় মনিরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
 
 মনির হোসেনের সাথে ছুমাইয়ার দুই বছর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত দুই মাস আগে তাদের মধ্যে দুরত্ব সৃষ্টি হয়।

এ কারণে মনির ছুমাইয়ার উপর ক্ষিপ্ত হয়। ছুমাইয়াকে হত্যার জন্য মনির মঙ্গলবার রাতে সিদ্ধান্ত নেয়।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত  

পরবর্তী খবর

প্রেমিকাকে গলা কেটে ‌‘হত্যাকারী’ মনিরও মারা গেল

অনলাইন ডেস্ক

প্রেমিকাকে গলা কেটে ‌‘হত্যাকারী’ মনিরও মারা গেল

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর আত্মহত্যা চেষ্টাকারী প্রেমিক মনির হোসেনও মারা গেল। তার বয়স ১৭ বছর।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া জানান, বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। আহত মনির ১০৩ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকালে মারা যায়।

সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনিরের মৃত্যু হয় বলে জানান মনিরের খালা রোজিনা বেগম।

তিনি বলেন,  মনিরের মরদেহ এখন মর্গে নেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ বাড়িতে নেওয়া হবে।

এর আগে বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে কোচিংয়ে যাওয়ার পথে সুমাইয়াকে উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার শামসুল হক কলেজের সামনের একটি ভবনের নিচতলায় ডেকে নিয়ে মনির তাকে গলা কেটে হত্যা করে। এরপর মনির নিজেই আত্মহত্যার চেষ্টা করে।

পরে মনিরকে গ্রেফতার দেখিয়ে ঢামেক হাসপাতালে র্যাব হেফাজতে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

নিহত সুমাইয়া আক্তার উপজেলার পালিমা গ্রামের ফেরদৌসের মেয়ে। সে এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তারা এলেঙ্গা কলেজ মোড় এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছিল। মৃত মনির উপজেলার মশাজান গ্রামের মেহের আলীর ছেলে।

আরও পড়ুন:


পাগলীর জন্ম নেওয়া সন্তানের পিতা এমপি বদি

শোয়েব মালিককে ‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ বলে ডাকল ভারতীয় দর্শকরা (ভিডিও)

এলেঙ্গা পৌরসভার প্যানেল মেয়র সুকুমার ঘোষ বলেন, পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে মনিরের মৃত্যু খবর পেয়েছি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার বিকেলে মরদেহ মশাজান গ্রামে আনা হবে।

কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান বলেন, ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মনিরের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। তবে এখনো অফিসিয়ালি আমাকে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সক্রিয় ১৫ সশস্ত্র গ্রুপ

অনলাইন ডেস্ক

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সক্রিয় ১৫ সশস্ত্র গ্রুপ

অপরাধের আখড়া হয়ে উঠছে উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্প। নানা স্বার্থের টানাপোড়েনে ক্যাম্পকেন্দ্রিক গড়ে ওঠা অন্তত ১৫টির অধিক সশস্ত্র দল মাঝেমধ্যেই নিজেদের মধ্যে জড়িয়ে পড়ছে খুনোখুনিসহ ভয়ংকর সব অপরাধে। আগে এরা দা, ছুরি, বল্লমের মতো সাধারণ অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে চলাফেরা করলেও এখন ব্যবহার করছে স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র। যদিও র‌্যাব-পুলিশের দাবি, সবকিছু তাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।

ক্যাম্পকেন্দ্রিক ভয়ংকর সন্ত্রাসীরা মাদক-বাণিজ্য, অপহরণ আর চাঁদাবাজিতে জড়িত। ২৯ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহকে হত্যা করা হয়। চাঞ্চল্যকর এ হত্যার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও হত্যা। এবার ২৩ অক্টোবর সন্ত্রাসীরা মাদরাসায় ঢুকে গুলি চালিয়ে হত্যা করে ছয়জনকে। এক মাসের ব্যবধানে নেতাসহ সাত খুন!

তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব হত্যার পেছনে ইয়াবা, অস্ত্রবাণিজ্য ছাড়াও রয়েছে চাঁদা আদায়ের ঘটনা। মিয়ানমার থেকে আসা ইয়াবাসহ নানা প্রকার মাদক ও অস্ত্রবাণিজ্য আর সংগঠনভিত্তিক এলাকা দখল নিয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিনিয়ত চলছে সংঘর্ষ ও গোলাগুলি। অপহরণ, ইয়াবা বিকিকিনি এবং চাঁদাবাজি ঘিরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বেড়েছে গ্রুপিং। ক্ষমতার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বেড়েছে খুনোখুনি। 

স্থানীয় সূত্রগুলো বলছেন, টেকনাফ ও উখিয়ার ক্যাম্পগুলোয় তৈরি হয়েছে অন্তত ১৫-এর অধিক সশস্ত্র দল। যেসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নাম জানা গেছে তার মধ্যে উখিয়ার ক্যাম্পগুলোয় রয়েছে মুন্না গ্রুপ, আনাস গ্রুপ, মাহাদ গ্রুপ, সালাম বা সালমান শাহ গ্রুপ, হাফেজ আহমদ গ্রুপ, জহির গ্রুপ, আতাউল্লাহ গ্রুপ। টেকনাফে রয়েছে হাকিম ডাকাত গ্রুপ, নুরে আলম গ্রুপ, জকির ডাকাতের গ্রুপ। 

দুই উপজেলার ক্যাম্পগুলোয় এসব গ্রুপের আড়ালে সক্রিয় রয়েছে আরসা, আল ইয়াকিন, আরাকান রোহিঙ্গা আর্মি, আতাউল্লাহর বাহিনী, আরএসও, আরআরএসও। 

আরও পড়ুন:

চাপের মুখে বাংলাদেশ

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে টাইগার শিবিরে বড় দুটি দুঃসংবাদ

শাহরুখের সাথে জুটি থেকে সরে দাঁড়ালেন নায়িকা


 

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের পাহাড়ি জমিতে ৩৪টি ক্যাম্পে আশ্রয় নেয় ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। আশ্রয় নেওয়ার পর এক বছর নীরবে রোহিঙ্গারা অতিবাহিত করলেও যত দিন যাচ্ছে ক্যাম্পগুলোয় অপরাধ বাড়ছে। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ডিভোর্স দেয়ায় স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন, আত্মহত্যার চেষ্টা স্বামীর

অনলাইন ডেস্ক

ডিভোর্স দেয়ায় স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন, আত্মহত্যার চেষ্টা স্বামীর

গত দুই বছর আগে যূথী সূত্রধরের (২০) সাথে অভি ধরের (২৮) প্রেমের সর্ম্পক গড়ে উঠে। যুথী ও অভি পরিবারের অমতে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা দুইজন ভাড়া বাসায় থাকতেন। তাদের বিয়ে দুই পরিবারই মেনে নেয়নি। কিন্তু এরই মধ্যে স্ত্রী  যূথী স্বামী অভিকে ডিভোর্স দেয়। সেই ডিভোর্স দেয়ার পরেই স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন করে সে। এরপর অভিক নিজের পেটে নিজেই ছুরি মেরে আত্মহত্যার চেষ্টা করে।  বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বুধবার (২৭ অক্টোবর)রাত ৮টার সময় এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যুথী ও অভি পরিবারের অমতে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা দুইজন চট্টগ্রাম নগরীর হাজারী গলিতে ভাড়া বাসায় থাকতেন। তাদের বিয়ে দুই পরিবারই মেনে নেয়নি। বিয়ের পর বেশ কিছু দিন তাদের সংসার ভালই চলছিল। গত কিছু দিন যাবত তাদের মধ্যে বনিবনা হচ্ছে না। যুথী রাগ করে বাবার বাড়ি চলে আসে। সে বাবার বাড়ি আসার পর পরিবার তাকে গ্রহণ করে। এরইমধ্যে ছেলে অভিকেও তাদের পরিবার গ্রহণ করে।

আরও পড়ুন:

চাপের মুখে বাংলাদেশ

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে টাইগার শিবিরে বড় দুটি দুঃসংবাদ

শাহরুখের সাথে জুটি থেকে সরে দাঁড়ালেন নায়িকা


উভয় পরিবার আলাপ আলোচনার মাধ্যমে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হওয়ার কথা ছিল। এরমধ্যে ছেলের পরিবার মেয়ের পরিবারের কাছ থেকে যৌতুক দাবি করে।মেয়ের পরিবার যৌতুক দেবে না বলে জানিয়ে দেয়। তখন যুথী আদালতে গিয়ে ছেলেকে ডিভোর্স লেটার পাঠায়। ডিভোর্স লেটার পেয়ে অভি রাগ করে আজ সন্ধ্যায় শশুর বাড়িতে এসে স্ত্রী যুথীকে ধারালো ছুরি দিয়ে কুপিয়ে খুন করে।

সীতাকুণ্ড থানার ওসি তদন্ত সুমন বনিক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, স্ত্রীকে খুন করে স্বামী নিজেও আত্মহত্যা চেষ্টা করে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

গেম খেলার প্রলোভনে শিশুদের ধর্ষণ করত এই স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

অনলাইন ডেস্ক

গেম খেলার প্রলোভনে শিশুদের ধর্ষণ করত এই স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

যশোরের অভয়নগরে মুঠোফোনে পাবজি গেম খেলার প্রলোভন দেখিয়ে ছয় ছেলেশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতার বিরুদ্ধে।

নিজাম আকুঞ্জী (৩০) নামে ওই নেতাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে তাঁকে আদালতে তোলা হলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে মামলার পর উপজেলার বুইকরা গ্রাম থেকে পুলিশ ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে।

তিনি উপজেলার নওয়াপাড়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক।

নওয়াপাড়া পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক মেহেদী ইসলাম রাজন আজ বলেন, বিষয়টি জানার পর নিজাম আকুঞ্জীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:


এসএসসি পরীক্ষা কবে থেকে তা জানা গেল

মাঝনদীতে ফেরিতে পানি ঢোকে, দ্রুত চালিয়ে তীরে যায় চালক

পাগলীর জন্ম নেওয়া সন্তানের পিতা এমপি বদি 


নওয়াপাড়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘নিজাম আকুঞ্জী আমার কমিটির সাধারণ সম্পাদক। তাঁর বিরুদ্ধে শিশুদের ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়টি শুনেছি। আমাকে অনেকে ফোন করে জানিয়েছেন।’

ধর্ষণের শিকার এক শিশুর (১১) চাচা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে তাঁর ভাইয়ের ছেলে বাড়ির পাশের মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে ফিরছিল। এ সময় নিজাম আকুঞ্জী তাকে মুঠোফোনে পাবজি গেম খেলার কথা বলে ঘরের মধ্যে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে তাঁর ভাতিজাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তিনি বাড়ি পাঠিয়ে দেন। বাড়ি ফিরে সে তার মা–বাবাকে বিষয়টি জানায়।

সঙ্গে জানায়, বিভিন্ন সময় একই কথা বলে আরও পাঁচ শিশুর সঙ্গেও ‘একই কাজ’ করেছেন নিজাম। ওই পাঁচজনের নামও জানায় তাঁর ভাতিজা। ওই পাঁচ শিশুর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারাও বিষয়টি স্বীকার করে।

পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকাবাসী নিজামকে ধরে পুলিশে খবর দেন।

মঙ্গলবার রাতে অভয়নগর থানা-পুলিশ এসে নিজামকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায় বলে জানিয়েছেন অভয়নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন কুমার মণ্ডল।

তিনি বলেন, ছয় শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এক শিশুর অভিভাবক বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। বাকি পাঁচ শিশুর নামও এজাহারে রয়েছে। অভিযুক্ত নিজাম আকুঞ্জীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

‘আজ যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভিকটিম ছয় শিশুর মেডিকেল চেকআপ করা হয়েছে। এ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে ২২ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে’ বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর