যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় রেড ফ্ল্যাগ ওয়ার্নিং জারি
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় রেড ফ্ল্যাগ ওয়ার্নিং জারি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় রেড ফ্ল্যাগ ওয়ার্নিং জারি

অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার কয়েকটি অংশে রেড ফ্ল্যাগ ওয়ার্নিং জারি করা হয়েছে। এর অর্থ হচ্ছে, উষ্ণ তাপমাত্রা, খুব কম আর্দ্রতা এবং শক্তিশালী বাতাস একত্রিত হয়ে আগুনের ঝুঁকি বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সময় আজ সোমবার এই খবর জানানো হয়। বার্তা সংস্থা  রয়টার্স এর খবরে এই তথ্য জানা যায়।

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় গতকাল রবিবার রাতে এই সতর্কতা জারি করা হয়।  

রবিবার রাত থেকে ইস্ট বে পাহাড় এবং উত্তরে সোলানো অংশে আগুনের আশঙ্কা বেড়ে যায়। এই সতর্কতা স্থানীয় সময় সোমবার রাত পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস এসব তথ্য জানায়। যুক্তরাষ্ট্রের এ অঙ্গরাজ্যটির বেশ কয়েকটি বনাঞ্চল আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্যালিফোর্নিয়ায় বিখ্যাত বন সিকোইয়া পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে দাবানল। সিকোইয়া বনে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গাছগুলো রয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে কয়েক ঘন্টার মধ্যে গাছগুলো পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।  

এই বনে প্রায় ২ হাজার সিকোইয়াসহ সাধারন শেরম্যান গাছ রয়েছে। শেরম্যান গাছের একেকটির উচ্চতা প্রায় ২৭৫ ফুট এবং সেগুলো প্রায় ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ বছরের পুরোনো গাছ। সিকোইয়া এবং কিংস ন্যাশনাল পার্কের মুখপাত্র রেবেকা পিটারসন লস অ্যানজেলস টাইমসকে বলেন, 'এই বন মানুষের কাছে অনেক তাৎপর্যপূর্ণ। এই বন রক্ষায় সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আবহাওয়া পরিষেবা জানিয়েছে, আগামী দুই দিনের মধ্যে যে কোনও দাবানল বিকাশ ঘটাতে পারে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে, বাসিন্দাদেরও সিগারেট এবং ম্যাচের সঠিক ব্যবহার করতে, যানবাহনগুলিকে শুকনো ঘাস থেকে দূরে রাখতে এবং স্ফুলিঙ্গ সৃষ্টিকারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার না করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।


আরও পড়ুন

কুকুরের জন্য বিমানের কেবিন

শরীরের বাইরে শিশুর হৃদপিণ্ড, ব্যয়বহুল বলে হচ্ছে না চিকিৎসা

স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজির বিরুদ্ধে চার্জশিট

নুসরাতকে সাবেক স্বামীর আইনি নোটিশ


এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিকোইয়া গাছগুলি খুব আগুন প্রতিরোধী এবং আগুন থেকে বাঁচতে এর আলাদা ক্ষমতা রয়েছে। কর্তৃপক্ষের আশঙ্কা, নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে শিগগির বিখ্যাত এই বন ধ্বংস হবে। বনের প্রাচীন গাছগুলোকে রক্ষায় কাজ করছে সাড়ে তিনশ দমকলকর্মী। তবে বাতাসের গতিবেগ বেশি থাকায় আগুন নেভাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত