সারাদেশে বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিস যে আভাস দিল

অনলাইন ডেস্ক

সারাদেশে বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিস যে আভাস দিল

ঢাকাসহ রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। অন্যদিকে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। 

সোমবার আবহাওয়া অধিদপ্তর সন্ধ্যা ৬টায় পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানিয়েছে। 

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বৃষ্টি হতে পারে বলে।

রও পড়ুন:

যশ-নুসরাতকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন নিখিল!

একটি হটডগ আয়ু কমাতে পারে ৩৬ মিনিট পর্যন্ত!

ইভ্যালি ধরলেও সমস্যা, ছাড়লেও সমস্যা! কোথায় যাবেন ফারিয়া?


এ সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানানো হয় পূর্বাভাসে।

news24bd.tv রিমু   

পরবর্তী খবর

মঙ্গলবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা, ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা, ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

সংগৃহীত

পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’ আজ রবিবার আজ রাতেই নিম্নচাপ আকারে আসতে পারে বাংলাদেশ উপকূলে। তবে এর আগে ঘূর্ণিঝড় 'জাওয়াদ' আজ দুপুরে ভারতের পুরীর উপকূলে পৌঁছে শক্তি হারাতে শুরু করবে। এর প্রভাবে ইতিমধ্যে উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সেখানে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। এই বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত। খবর আবহাওয়া অধিদপ্তরের। 

এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কায় কক্সবাজার ও টেকনাফ থেকে সেন্ট মার্টিনের পথে যাতায়াতকারী সব জাহাজ চলাচল আজ রবিবার সকাল থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে প্রায় তিনশত পর্যটক আটকা পড়েছে। 

টেকনাফ সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ১৫৪টি আবাসিক হোটেলে বর্তমানে সহস্রাধিক পর্যটক রয়েছেন। তাঁরা গতকাল রাতেও ফিরে যেতে পারেননি। কারণ সেন্ট মার্টিন থেকে জাহাজ ছাড়ার পরে উপজেলা প্রশাসন থেকে এগুলো চলাচল বন্ধের ঘোষণা আসে। ফলে ওই পর্যটকদের পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত সেন্ট মার্টিনেই থাকতে হবে। 

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের টানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। এ জন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

এ ব্যাপারে আবহাওয়াবিদ রুহুল কুদ্দুস বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়টি স্থলভাগে ওঠার আগেই মূলত দুর্বল হয়ে পড়বে। আর তা আমাদের দেশের উপকূলে আসতে আসতে নিম্নচাপে পরিণত হবে।’

আরও পড়ুন:


শক্তি হারিয়ে গভীর নিম্নচাপে ঘূর্ণিঝড় 'জাওয়াদ'


দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে পূর্ব বা উত্তর-পূর্ব দিক দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে, সেই সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। 

news24bd.tv রিমু      

পরবর্তী খবর

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ: বিকেলে আছড়ে পড়তে পারে ওড়িশার উপকূলে

অনলাইন ডেস্ক


ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ:  বিকেলে আছড়ে পড়তে পারে ওড়িশার উপকূলে

ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’

আম্ফান, ইয়াসের মতো ঘূর্ণিঝড়গুলোর পর এবার ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া একটি গভীর নিম্নচাপ এখন আরও ঘণীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। নতুন সৃষ্টি হওয়া এই সাইক্লোনটির নাম দেওয়া হয়েছে 'জাওয়াদ'।

আজ দুপুর বা বিকেলের দিকে ওড়িশার উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা ‘জওয়াদ’-এর। পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় এলাকাগুলিতেও হাওয়ার তেজ বাড়ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোতে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। 

আজ রাতে ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ-ওড়িশা উপকূলে আঘাত হানতে পারে। বাংলাদেশে আঘাত না করলেও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

ভারতের আবহাওয়া দপ্তর (আইএমডি) জানিয়েছে, থাইল্যান্ড থেকে আন্দামান সাগর হয়ে বঙ্গোপসাগরে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ। এর জেরে সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় অতিভারি বৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। 

আইএমডি আরও জানিয়েছে, ওড়িশার গজপতি, গঞ্জাম, পুরী এবং জগিসংহপুর জেলায় লাল সতর্কতা জারি করেছে ( খুব ভারি বৃষ্টিপাত)। যখন ঘূর্ণিঝড় উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছবে, সেই সময়ের জন্য কেন্দ্রপাড়া, কটক, খুরদা, নয়াগড়, কান্ধমাল, রায়গড় এবং কোরাপুট জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানার সময় উপকূলবর্তী এলাকায় বাতাসের গতিবেগ ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত থাকতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের কারণে যাতে ক্ষয়ক্ষতি না হয়, সে জন্য সবধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। চলছে মাইকিং। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা সমুদ্র সৈকতে টহলদারি চালাচ্ছেন। দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুর, শঙ্করপুর সর্বত্রই সমুদ্রতট থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে পর্যটকদের। কেউ যেন নজর এড়িয়ে জলে না নামতে পারেন সে দিকেও নজর রাখছেন তাঁরা।

আরও পড়ুন:


কুয়েটে শিক্ষকের মৃত্যু: ছাত্রলীগ নেতাসহ ৯ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

ইউপি নির্বাচনের পঞ্চম ধাপে নৌকা পেলেন যারা


বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সেকেন্ড ব্যাটালিয়ানের ইনস্পেক্টর এম কলাইরাশন বলেন, “সকাল থেকে দিঘায় বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে। হাওয়ার গতিবেগও বাড়ছে। শুক্রবার থেকেই স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করার কাজ চলছে। দিঘায় থাকা পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বার বার সতর্ক করে দেওয়া হচ্ছে কোনও ভাবেই যেন তাঁরা সমুদ্রের ধারে না যান।” তবে যে কোনও রকম পরিস্থিতির মোকাবিলায় এনডিআরএফ তৈরি বলেই জানিয়েছেন কলাইরাশন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

৯৯০ কি.মি. দূরে ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’, বঙ্গোপসাগর উত্তাল

অনলাইন ডেস্ক

৯৯০ কি.মি. দূরে ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’,  বঙ্গোপসাগর উত্তাল

ঘূর্ণিঝড়, প্রতীকী ছবি।

বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্ব ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’ এখন পটুয়াখালীর পায়রা বন্দর থেকে ৯৯০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। ফলে বঙ্গোপসাগর হালকা উত্তাল রয়েছে।

এখন পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় 'জাওয়াদ' ভারতের উপকূলমুখী রয়েছে।

এটি ভারতের উপকূলে আঘাত হানতে পারে। শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেলে পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিস এ তথ্য জানায়। 

আবহাওয়া অধিদপ্তর ইতিমধ্যে দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারিসংকেত দেখাতে বলেছে।

আর মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

সেই সঙ্গে বলা হয়েছে, গভীর সমুদ্রে বিচরণ না করতে।

আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা অন্তর জানান, নিম্নচাপটি বর্তমানে পটুয়াখালীর পায়রা বন্দর থেকে ৯৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, মোংলা বন্দর থেকে ৯৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে, কক্সবাজার বন্দর থেকে ১০৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে এবং চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ১১০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটির কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সাইক্লোনসংক্রান্ত আঞ্চলিক সংস্থার (ইএসসিএপি) তালিকা অনুযায়ী এ ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেয়া হয়েছে ‘জাওয়াদ’। নামটি প্রস্তাব করেছিল সৌদি আরব।

আরও পড়ুন: 


৪ অভিজ্ঞ ছাড়াই ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে লড়বে পাকিস্তান


news24bd.tv/ তৌহিদ

পরবর্তী খবর

সমুদ্রবন্দরে হুঁশিয়ারি সংকেত

নিজস্ব প্রতিবেদক

সমুদ্রবন্দরে হুঁশিয়ারি সংকেত

সমুদ্রবন্দরকে ২নং দূরবর্তী হুঁশিয়ারি, প্রতীকী ছবি।

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে দেশের সকল সমুদ্রবন্দরকে ২নং দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।

বিস্তারিত আসছে...

আরও পড়ুন: 


৪ অভিজ্ঞ ছাড়াই ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে লড়বে পাকিস্তান


news24bd.tv/ তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’, আছড়ে পড়ার সম্ভবনা!

অনলাইন ডেস্ক

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’, আছড়ে পড়ার সম্ভবনা!

ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’

এবার ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’। ধারণা করা হচ্ছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ‌‌‘নাগাদ’ ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদে’ পরিণত হবে। 

ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পূর্ব দিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দিকে অগ্রসর হওয়ার আগে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং দক্ষিণ ওড়িশার উপকূল অতিক্রম করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার (৪ ডিসেম্বর) ভোরে এ ঘূর্ণিঝড়টি আছড়ে পড়তে পারে বলে ভারতের আবহাওয়া দপ্তরের বরাত দিয়ে জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস। 

ভারতের আবহাওয়া দপ্তর (আইএমডি) জানিয়েছে, থাইল্যান্ড থেকে আন্দামান সাগর হয়ে বঙ্গোপসাগরে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ। এ

র জেরে সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় অতিভারী বৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

আইএমডি আরও জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বিশাখাপাটনাম থেকে ৭৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে তৈরি হয় নিম্নচাপ জাওয়াদ। এটি এখন পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। পরবর্তী ১২ ঘণ্টায় এটি আরও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে।

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের কারণে যাতে ক্ষয়ক্ষতি না হয় সে জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে সুন্দরবনে। উপকূলের জেলাগুলিতে মাইকিং করে স্থানীয়দের সতর্ক করছে রাজ্য পুলিশ। সমুদ্র থেকে মৎস্যজীবীদের ফিরতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি খোলা হয়েছে বিপদকালীন আশ্রয়কেন্দ্র।

উড়িষ্যা সরকার নিম্নচাপ জাওয়াদের বিরূপ প্রভাব এড়াতে ইতোমধ্যে নির্দেশনা জারি করেছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বাহিনী, ফায়ার সার্ভিসসহ ২৬৬টি টিম।

আরও পড়ুন


বড়শিতে ধরা পড়ল ৩০ কেজি ওজনের ব্ল্যাক কার্প


news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর