২৬ বছর ধরে নওগাঁর নাটশাল মাঠে হচ্ছে কারাম উৎসব

বাবুল আখতার রানা, নওগাঁ

২৬ বছর ধরে নওগাঁর নাটশাল মাঠে হচ্ছে কারাম উৎসব

নওগাঁর মহাদেবপুরের নাটশাল মাঠে মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় আদিবাসী ও আদিবাসী পরিষদের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের ঐতিহ্যবাহী কারাম উৎসব। মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে এ উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। উপজেলার ৩টি স্থানে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে জানান নেতারা। দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে ওই মাঠে কারাম উৎসব পালন করে আসছেন তারা।

মহাদেবপুর আদিবাসী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অলক উড়াও জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও ভাদ্র মাসের শুক্লা একাদশি তিথিতে কারাম উৎসব পালিত হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে আদিবাসী মেয়েরা শালের দাঁতন কাঠি ভেঙে পুকুরে স্নান করে যেসব জমিতে ভালো ফসল হয় সেসব জমি থেকে একটু একটু করে মাটি নিয়ে বাঁশ দিয়ে বোনা ছোট ডালায় ভর্তি করে।  তারা জাওয়া গান গাইতে গাইতে ডালার চারিদিকে তিন পাক ঘোরে। এরপর তাতে তেল ও হলুদ দিয়ে মটর, মুগ, বুট ও বিভিন্ন ফসলের বিজ মাখায়। কুমারী মেয়েরা স্নান করে ভিজে কাপড়ে ছোট শাল পাতার থালায় বীজগুলো রেখে সিঁদুর ও কাজলের তিনটি দাগ টেনে দেয়। এর নাম বাগাল জাওয়া। আর ওই মেয়েদের বলা হয় জাওয়ার মা। এরপর টুপা ও ডালাতে বীজ বোনা হয়। বাগাল জাওয়া লুকিয়ে ক্ষেতের পাশে রেখে টুপা ও ডালার জাওয়া নিয়ে কুমারীরা গ্রামে ফিরে আসে। পাঁচটি ঝিঙা পাতা উল্টো করে বিছিয়ে প্রতি পাতায় একটি করে দাঁতন কাঠি রেখে বেদি তৈরি করা হয়।

তিনি আরো জানান, আদিবাসী পুরুষেরা নানান আচার পালন করে মাদল, ঢোল, করতাল ও ঝুমকির বাজনার
তালে তালে নেচে-গেয়ে কারাম গাছের ডাল কেটে এনে বেদিতে পুতে দেন।

কিশোরী মেয়েরা সূর্যোদয় থেকে উপোস থেকে রাতে ফুল, ফলে ভরা নৈবেদ্য সাজিয়ে বেদির চারপাশে বসে পূজা শুরু করে। পূজা শেষে রাতভর চলে আদিবাসী নারী-পুরুষের ঐতিহ্যবাহী নাচ গান। গানে গানে তারা উৎসবের বিষয় ও সমসাময়িক নানা বিষয় তুলে ধরেন। আর সৃষ্টিকর্তার কাছে সুখ, সমৃদ্ধি,ভালবাসা আর ভালো ফসল কামনা করেন।

বয়োবৃদ্ধ আদিবাসী নগেন কুজুর জানান, বিপদ-আপদ ও অভাব-অনটন থেকে রক্ষা পাওয়ার লক্ষ্যে মূলত এ কারাম পূজা পালন করা হয়ে থাকে। কথিত আছে আদিবাসীদের দুই সহোদর ধর্মা ও কর্মা। ধর্মা কারাম গাছকে পূজা করতেন। কিন্তু কর্মা পূজা করতেন না। কর্মা একদিন পূজার কারাম গাছ তুলে নদীতে ফেলে দেন। এরপর তিনি নানা বিপদ-আপদ আর অভাব অনটনে পড়েন। কর্মা আবার সেই গাছ খুঁজে এনে পূজা শুরু করলে তার অভাব দূর হয়।

তিনি আরো জানান, পূজা শেষে উপোস থাকা আদিবাসী কিশোরীরা পাকান পিঠা, চিতুই পিঠা, কুশলী পিঠা প্রভৃতি
নানা খাবার নিয়ে পরস্পরকে আমন্ত্রণ জানিয়ে উপোস ভাঙ্গে। শেষে নিজেদের মধ্যে সংগ্রহ করা চাল, ডালে তৈরি খিচুরি দিয়ে উপস্থিত স্বজন ও অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়।

আরও পড়ুন:


টাকার অভাবে বাঁচানো গেল না শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড নিয়ে জন্মানো শিশুটিকে

কিশোরীকে স্বামীর ঘরে ঢুকিয়ে দরজা বন্ধ করে বাইরে পাহারা দেয় স্ত্রী

গাড়িচাপা দেওয়া ইসরাইলি ২ পুলিশের অবস্থা আশঙ্কাজনক

এই হচ্ছে বিএনপি, আর সব দোষ আওয়ামী লীগের?


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

প্রবেশপত্র ছাড়া সেই ২৫৮ শিক্ষার্থীর বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষা

অনলাইন ডেস্ক

প্রবেশপত্র ছাড়া সেই ২৫৮ শিক্ষার্থীর বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষা

গতকালের ছবি

প্রবেশপত্র না পেয়ে আন্দোলনকারী সেই ২৫৮ জন শিক্ষার্থী অবশেষে বিশেষ ব্যবস্থায় সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার সেইসব শিক্ষার্থী প্রবেশপত্র ছাড়া পরীক্ষা দিয়ে রেজাল্ট নিয়ে আছেন শঙ্কায়।  

তথ্যসূত্রে জানা গেছে, রংপুরের সাহেবগঞ্জ টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের কলেজ থেকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২৫৮ জন শিক্ষার্থীর এবার এইচএসসি সমমানের পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু বুধবার রাত পর্যন্ত তাদের প্রবেশপত্র না আসায় তারা আন্দোলনে নামেন। পরে খবর পেয়ে গভীর রাতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক গিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষা নেওয়ার কথা বলে তাদের শান্ত করেন। আর সেই আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা অবরোধ ও আন্দোলন প্রত্যাহার করেন।   

আরও পড়ুন:


ফেসবুকে মন্ত্রীর পোস্ট, ‘মন চাইছে আত্মহত্যা ক‌রি’


এ বিষয়ে একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষা দিয়েছি ঠিকই। কিন্তু রেজাল্ট পাব কিনা এ নিয়ে সংশয় রয়েছে। 

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক( শিক্ষা) এ ডাব্লিউ এম রায়হান শাহ বলেন, 'আমরা বিশেষ বিবেচনায় ২৫৮ জনের পরীক্ষা নিয়েছি। বোর্ড এ বিষযে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেছিল।' 

এ বিষয়ে হারাগাছ থানার ওসি শওকত চৌধুরী বলেন, ওই কলেজে শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

news24bd.tv রিমু   

পরবর্তী খবর

মাদরাসা শিক্ষকের গোপনাঙ্গ কেটে দিল ছাত্র, অতঃপর...

অনলাইন ডেস্ক

মাদরাসা শিক্ষকের গোপনাঙ্গ কেটে দিল ছাত্র, অতঃপর...

প্রতীকী ছবি

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বেতাগৈর ইউনিয়নের পলাশিয়া গ্রামে এক ছাত্রকে অনৈতিক কাজ করতে চায় এক মাদরাসা শিক্ষক। এতে বাধা দেয় ভুক্তভোগী ছাত্র। কিন্তু বাধা না মেনে অনৈতিক কাজ করতে চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে নেইল কাটার দিয়ে শিক্ষকের গোপনাঙ্গ কেটে দেয় ওই ছাত্র।

বুধবার (১ ডিসেম্বর) রাতে এই ঘটনা ঘটে। গোপনাঙ্গ কাটা ওই শিক্ষককে আহতাবস্থায় চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। পুলিশ ছাত্রকে আটক করেছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার দিবাগত রাতে উপজেলার খারুয়া ইউনিয়নের টাওয়াইল গ্রামে অবস্থিত এক মাদরাসার মাঠে ওয়াজ মাহফিল চলছিল। ওই মাহফিলে অংশ নেন মাদরাসাশিক্ষক মো. আতাবুর রহমান (৪২)। একই মাহফিলে ওয়াজ শুনতে যায় একই মাদরাসার আবাসিক এক ছাত্র (১৬)। সভা চলার সময় রাতের খাবারের জন্য পূর্বপরিচিত ছাত্রকে বাড়িতে আমন্ত্রণ জানান শিক্ষক আতাবুর।

মাদরাসাছাত্র জানায়, দাওয়াত রক্ষার জন্য সে তার শিক্ষকের সঙ্গে বাড়ি যাচ্ছিল। পথিমধ্যে শিক্ষক আতাবুর রহমান তাকে (ছাত্র) কাছে টেনে নিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে হাত দিতে থাকেন। একপর্যায়ে সে বাধা দিলে শিক্ষক তাকে জোরপূর্বক বলাৎকারে উদ্যত হন। এ সময় সে তার পাঞ্জাবির পকেটে থাকা নেইল কাটার বের করে শিক্ষকের বিশেষ অঙ্গে আঘাত করে ঘটনাস্থল থেকে চলে যেতে থাকে। শিক্ষক রক্তাক্ত অবস্থায় চিৎকার করলে লোকজন ছুটে এসে ছাত্রকে ধরে ফেলেন। পরে পুলিশ এসে ছাত্রকে থানায় নিয়ে যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই মাদরাসাশিক্ষকের এক আত্মীয় জানান, এটা খুবই লজ্জার কথা। যা ঘটেছে তা ওই ছাত্রের সঙ্গে অনৈতিক কাজ করতে গিয়েই ঘটেছে। এটা হুজুরের প্রাপ্য ছিল। 

নান্দাইল মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. বাবলু রহমান খান বাবলু জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন


স্ত্রীর ওপর অভিমান করে লিটনের আত্মহত্যা

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

প্রতীকী ছবি

মো. আব্দুস সালাম হাওলাদার (৬০) নামে এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে। ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয়  কারাগারে এ ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ৭টায় তাকে অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

কারাগার থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা কারারক্ষী সৈকত হোসেন বলেন, গভীর রাতে তিনি কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে সকালে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন


এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আজ

প্রকাশ্যে কাউন্সিলর হত্যা: এবার ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামি নিহত


তিনি আরও বলেন, আব্দুস সালাম কারাগারে কয়েদি (কয়েদি নং ৬৮০৮/এ) হিসেবে ছিলেন। তবে কি মামলায় তার সাজা হয়েছে সেটা বলতে পারি না। তার বাবার নাম মৃত মৌজ আলী হাওলাদার।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া কয়েদির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এক কয়েদিকে অসুস্থ অবস্থায় নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। 

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

স্ত্রীর ওপর অভিমান করে লিটনের আত্মহত্যা

অনলাইন ডেস্ক

স্ত্রীর ওপর অভিমান করে লিটনের আত্মহত্যা

ফাইল ছবি

স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে স্বামী লিটন হাওলাদার (৫০) নামে এক ব্যক্তি বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় এই ঘটনা ঘটে। লিটন পেশায় একজন দিনমজুর।

বুধবার (১ ডিসেম্বর) রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত লিটন উপজেলার রমজানপুর এলাকার চর-আইড়কান্দি গ্রামের নুরুল হক হাওলাদারের ছেলে। 

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে লিটন হাওলাদারের সঙ্গে তার স্ত্রী রাশিদা বেগমের পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। বুধবার সন্ধ্যায় তাদের দুজনের মধ্যে ফের বাগবিতণ্ডা বাধে। একপর্যায়ে লিটন নিজ ঘরে বসে বিষপান করেন। এতে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) সকালে খবর পেয়ে কালকিনি থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

স্বামীর আত্মহত্যার বিষয়ে স্ত্রী রাশিদা বেগম বলেন, কী কারণে আমার স্বামী আত্মহত্যা করেছে তা আমি জানি না।

কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসতিয়াক আসফাক রাসেল বলেন, লিটন হাওলাদার আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন


কুয়েট শিক্ষকের মৃত্যু: একাডেমিক কার্যক্রম বর্জন শিক্ষক সমিতির

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

কুয়েট শিক্ষকের মৃত্যু: একাডেমিক কার্যক্রম বর্জন শিক্ষক সমিতির

সামছুজ্জামান শাহীন, খুলনা

কুয়েট শিক্ষকের মৃত্যু: একাডেমিক কার্যক্রম বর্জন শিক্ষক সমিতির

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষক ড. মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে একাডেমিক কার্যক্রম বর্জন করেছে শিক্ষক সমিতি। একই সাথে ঘটনায় দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার ও ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) সকালে ক্যাম্পাসে দুর্বার বাংলার পাদদেশে শিক্ষকদের প্রতিবাদ সভায় এ দাবির কথা জানান শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ। এর আগে সকালে সাড়ে ১০টায় শিক্ষকরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে সমবেত হন এবং অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এরপর বেলা সোয়া ১১টায় শিক্ষকরা প্রতিবাদ র‌্যালি বের করেন। বেলা সাড়ে ১১টায় দুর্বার বাংলা চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রতীক চন্দ্র বিশ্বাস।

শিক্ষকরা বলছেন, ড. মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যু কোন অবস্থায় স্বাভাবিক ঘটনা নয়। তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করার মধ্যে দিয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে একটি ছাত্র সংগঠনের কিছু শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে ড. সেলিম হোসেনের গতিরোধ করে। পরে ওই শিক্ষককে তড়িৎ প্রকৌশল ভবনে তার ব্যক্তিগত কক্ষে এনে আনুমানিক আধা ঘণ্টা রুদ্ধদার বৈঠক করে। এরপর সেলিম হোসেন দুপুরের খাবারের জন্য বাসায় যান। দুপুর আড়াইটার দিকে তার স্ত্রী লক্ষ্য করেন, সেলিম হোসেন বাথরুম থেকে বের হচ্ছে না। এরপর দরজা ভেঙ্গে তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শিক্ষকরা জানান, সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অভিযুক্ত ছাত্রদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিস্কারের দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে তাদের স্থায়ী বহিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম বর্জনের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন


‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামির মৃত্যু: মিষ্টি বিতরণ ও ঝাড়ু মিছিল

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর