সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার কমলো

অনলাইন ডেস্ক

সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার কমলো

যার যত বেশি বিনিয়োগ, তার মুনাফার হার হবে তত কম। তবে ১৫ লাখ টাকার কম বিনিয়োগের মুনাফা একই থাকছে। সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমিয়েছে মঙ্গলবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এ নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যারা নতুন করে সঞ্চয়পত্র কিনবেন, শুধু তাদের জন্য পরিবর্তিত এই হার কার্যকর হবে। আগের কেনা সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সেটি পুনঃবিনিয়োগ করলে তখন নতুন মুনাফার হার কার্যকর হবে। 

ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক উভয়ের জন্য নতুন এই মুনাফার হার প্রযোজ্য হবে। 

দেশে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় পারিবারিক সঞ্চয়পত্র। পাঁচ বছর মেয়াদী এই সঞ্চয়পত্রে মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ। 

এখন এই সঞ্চয়পত্রে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার কমিয়ে করা হয়েছে সাড়ে ১০ শতাংশ। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এই হার সাড়ে ৯ শতাংশ।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে মেয়াদ শেষে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যায়। 

নতুন নিয়মে যাদের এই সঞ্চয়পত্রে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ রয়েছে তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ হারে। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলে মুনাফার হার হবে সাড়ে ৯ শতাংশ।

তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক তিন বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ১১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। সেটি এখন ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কমিয়ে করা হয়েছে ১০ শতাংশ।

এই সঞ্চয়পত্রে যাদের বিনিয়োগ ৩০ লাখ টাকার বেশি তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ৯ শতাংশ হারে।

অবসরভোগীদের জন্য নির্ধারিত পাঁচ বছর মেয়াদি পেনশনার সঞ্চয়পত্রে মেয়াদ শেষে এত দিন ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ হারে মুনাফা পাওয়া যেত। 

এখন এই সঞ্চয়পত্রে যাদের বিনিয়োগ ১৫ লাখ টাকার বেশি তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে। 

আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলে এই হার হবে ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

আরও পড়ুন:


টাকার মান এখন পাকিস্তানি রুপির দ্বিগুণ

সিলেটে বাসার ছাদ থেকে আপন দুই বোনের মরদেহ উদ্ধার

ক্ষমতায় থাকছেন ট্রুডো, তবে গঠন করতে হবে সংখ্যালঘু সরকার


ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের সাধারণ হিসাবে বর্তমানে মুনাফার সাড়ে ৭ শতাংশ, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকে তিন বছর মেয়াদি হিসাবে বর্তমানে মুনাফার হার ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। এখন ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে হবে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর হিলিবন্দরে ফের আমদানি-রপ্তানি শুরু

অনলাইন ডেস্ক

সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর হিলিবন্দরে ফের আমদানি-রপ্তানি শুরু

ফাইল ছবি

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রোববার (৫ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভারতীয় পণ্যবাহী একটি ট্রাক আসার মধ্যে দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়।

ভারত থেকে রপ্তানিকৃত পণ্যের ওজন বাংলাদেশের কাটায় কম হওয়ার প্রতিবাদে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য রপ্তানি বন্ধ করে রেখেছিল ভারতীয় ট্রাকচালকরা। পরে সাড়ে ৫ঘণ্টা পর আবারও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চালু করা হয়।

আরও পড়ুন:


চট্টগ্রামেও হাফ ভাড়া নেওয়ার ঘোষণা

লকডাউন দেয়ার বিষয়ে যা জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী


এর আগে সকালে ভারত থেকে পণ্য রপ্তানির শুরুর আধা ঘণ্টা পর সকাল ১১টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভারতীয় ট্রাকচালকরা বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানি বন্ধ করে দেয়।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ হারুন জানান, ভারত থেকে আসা পণ্যবাহী ট্রাক হিলি বন্দর স্কেলে ওজন করে দেখা যায় ওই দেশের ওজনের সঙ্গে এদেশের ওজনে মিল নেই। বিষয়টি কয়েকদিন আগে তাদের অভিযোগ করা হয়। এতে করে ভারতের কয়েকটি পণ্যবাহী ট্রাক বন্দরের বাইরের স্কেলে পরীক্ষার জন্য ওজন করা হয়। তাতেও তাদের ওজনে কম পাওয়া যায়। এ কারণে ভারতীয় ট্রাকচালক সমিতি হিলি বন্দরে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধ করে দেয়।

এ বিষয়ে হিলি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জামিল হোসেন চলন্ত জানান, ভারত ব্যবসায়ীরা পণ্য রপ্তানি কেন বন্ধ করে দিলো এ বিষয়ে আমাদের কোনো লিখিত চিঠি দেয়নি।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে: বিশ্বব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে: বিশ্বব্যাংক

অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন হার্টউইগ শ্যেফার

বাংলাদেশের অর্থনীতি অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় ভালো করছে ও মহামারি করোনা মোকাবিলা করে তাদের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মি. হার্টউইগ শ্যেফার।

রোববার (৫ ডিসেম্বর) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁ হোটেলে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল ও বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মি.হার্টউইগ শ্যেফার বৈঠক করেন। বৈঠকে অংশ নিয়ে শ্যেফার এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) থেকে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বাংলাদেশ সাম্প্রতিক সময়ে অনেক সাফল্য দেখিয়েছে। যার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন অনেকে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলের মাঝে একটি দ্বিপাক্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে অর্থমন্ত্রী, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব আলোচনায় অংশ নেন।

আরও পড়ুন:


চট্টগ্রামেও হাফ ভাড়া নেওয়ার ঘোষণা

লকডাউন দেয়ার বিষয়ে যা জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী


অন্যদিকে বিশ্বব্যাংকের পক্ষে হার্টউইগ শ্যেফার, বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি মিয়াং টেম্বন, বিশ্বব্যাংকের আঞ্চলিক পরিচালক (দক্ষিণ এশিয়া) যৌবিদা খেরুস আলাউয়া, সেশিলে ফ্রুমান, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সংযুক্তি ও সহযোগিতা-বিষয়ক কর্মকর্তা আলোচনায় অংশ নেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

আজ থেকে ফের টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

অনলাইন ডেস্ক

আজ থেকে ফের টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

ফাইল ছবি

সাত দিন বিরতির পর আজ থেকে আবারো শুরু হচ্ছে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) পণ্য বিক্রি। ভর্তুকিমূল্যে সয়াবিন তেল, চিনি, মসুর ডাল ও পেঁয়াজ বিক্রি করবে সরকারের এ সংস্থাটি। এটি হবে চলতি বছরের ষষ্ঠ কিস্তির পণ্য বিক্রি। 

এর আগে পঞ্চম কিস্তির পণ্য গত ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত বিক্রি করা হয়েছিল। 

শনিবার (৪ ডিসেম্বর) টিসিবির দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সারাদেশে সব মহানগরী, জেলা ও উপজেলায় ৪০০ থেকে ৪৫০ ট্রাকে এসব পণ্য বিক্রি করা হবে। প্রতি কেজি চিনি ৫৫ টাকা, মসুর ডাল ৬০ টাকা, আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৩০ টাকা ও প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১১০ টাকা লিটার দরে বিক্রি করা হবে। তবে একজন ক্রেতা একসঙ্গে সর্বোচ্চ দুই কেজি চিনি, দুই কেজি ডাল, আড়াই কেজি পেঁয়াজ ও দুই লিটার সয়াবিন তেল কিনতে পারবেন।


আরও পড়ুন:

ক্ষেপলেন পাপন, বললেন এতো বাজে পারফরমেন্স ৮ বছরে দেখিনি

কুয়েটে শিক্ষকের মৃত্যু: ছাত্রলীগ নেতাসহ ৯ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

ইউপি নির্বাচনের পঞ্চম ধাপে নৌকা পেলেন যারা


বর্তমানে রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চিনি ৭৫ থেকে ৮০ টাকা, বড়দানা মসুর ডাল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা, আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়।  আগামী ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ বিক্রি কার্যক্রম চলবে। তবে সপ্তাহের শুক্রবার বন্ধ থাকবে। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ফের টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

অনলাইন ডেস্ক

ফের টিসিবির পণ্য বিক্রি শুরু

ফাইল ছবি

ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) পণ্য বিক্রি আগামীকাল রোববার থেকে ফের শুরু হচ্ছে । ভর্তুকিমূল্যে তেল, চিনি, ডার ও পেঁয়াজ এই চার পণ্য বিক্রি করবে সংস্থাটি। এটি হবে চলতি বছরের ষষ্ঠ কিস্তির পণ্য বিক্রি। 

এর আগে পঞ্চম কিস্তির পণ্য গত ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত বিক্রি করা হয়েছিল। টিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা যায়।

আরও পড়ুন:


নিউজিল্যান্ড সফরে টাইগারদের ১৮ সদস্যের দল ঘোষণা


আজ রাজধানীরপশ্চিম রামপুরা, মিরপুর ১১, মাজার রোড ১ম কলোনি, বাঁশবাড়ি মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ি, মালিবাগসহ মোট ৫৯ টি স্পটে পণ্য বিক্রি হবে।

এ ছাড়া ঢাকার আসপাশের উপজেলাসহ ঢাকা অঞ্চলের অধীনে মোট ৮১টি ট্রাক থাকবে। আগামী ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন এই পরিমান ট্রাকের মাধ্যমে বিভিন্ন স্পটে পণ্য বিক্রি করা হবে বলে জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে ও করোনাকালে সাধারণ আয়ের জনগণের সহায়তায় রোববার থেকে আবারও সাশ্রয়ী মূল্যে ট্রাকে করে পণ্য বিক্রি করবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। 

ট্রাকে প্রতি কেজি চিনি পাওয়া যাবে ৫৫ টাকায়, যা একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই কেজি কিনতে পারবেন। প্রতি কেজি মসুর ডাল পাওয়া যাবে ৫৬ টাকায়, যা একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই কেজি কিনতে পারবেন। 

এ ছাড়া সয়াবিন তেল ১১০ টাকা লিটারে একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ দুই লিটার এবং পেঁয়াজ ৩০ টাকা দরে পাওয়া যাবে, যা একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ৫ কেজি কিনতে পারবেন। দেশব্যাপী প্রায় ৪০০ থেকে ৪৫০ জন ডিলারের ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে এ বিক্রি কার্যক্রম চলবে।

জানা যায়, বাজারে নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিক ভাবে বাড়তে থাকায় টিসিবির পণ্যের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। প্রতিটি ট্রাকে ২০০ থেকে ২৫০ জনের জন্য পণ্য দেওয়া হলেও পণ্য নিতে প্রতিটি ট্রাকে কমপক্ষে ৫০০ জন মানুষ ভিড় করে। 

টিসিবি যে মানের সয়াবিন তেল বিক্রি করে বর্তমান বাজারে তার দাম প্রতিলিটার ১৬০ টাকা, চিনি ৭৫ থেকে ৭৮ টাকা, ডাল ৮৫ থেকে ৯০ টাকা ও পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি। 

news24bd.tv/ কামরুল

পরবর্তী খবর

তবুও কৃষককে সারে গুণতে হচ্ছে দ্বিগুণ দাম

অনলাইন ডেস্ক

মাঠে কাজ করছেন কৃষক

সার সংকটে বিপাকে দেশের কৃষকেরা। কৃষকরা বলছেন, ১১শ টাকার টিএসপি সার তাদের কিনতে হচ্ছে ২২শ টাকা পর্যন্ত। এতে একদিকে যেমন উৎপাদন খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে আর্থিক সংকটে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। 

সার বিক্রির সাথে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকাই দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ। তবে কৃষি বিভাগ বলছে, সরবরাহে ঘাটতি কোনো কারণ নেই।

দেশে সারের কোনো সংকট নেই বলা হলেও কৃষককে সেই সার কিনতে হচ্ছে প্রায় দ্বিগুণ দামে। গুদামে পর্যাপ্ত মজুদ, ডিলারদের কাছেও আছে সার। তবুও কৃষককে গুণতে হচ্ছে দ্বিগুণ দাম।

শীতকালীন সবজি, আলু, ভুট্টা ও বোরো আবাদের এ সময়ে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, ময়মনসিংহ, মানিকগঞ্জ, লক্ষ্মীপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষককে সারের জন্য গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।

আরও পড়ুন:


আফ্রিকার ৭ দেশ থেকে এলেই ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন

দুই হাত হারানো ফাল্গুনীকে বিয়ে করলো এনজিও কর্মী সুব্রত

স্বাধীনতার ৫০ বছরে স্বাস্থ্যখাতে অভাবনীয় সাফল্য

ঢাকার যানজটেই শেষ জিডিপির প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা


খুচরা পর্যায়ে সারের দাম বেশি হতে পারে। ডিলার পর্যায়ে সারের অতিরিক্ত দাম নেয়া হচ্ছে না। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম।

কৃষির উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে দ্রুত সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন প্রান্তিক কৃষকেরা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর