রেলও‌য়ে স্টেশ‌নের রেস্টহাউজে স্কুলছাত্রী‌কে ধর্ষণ (ভিডিও)

ডেস্ক রিপোর্ট

কি‌শোরগঞ্জ রেলও‌য়ে স্টেশ‌নের রেস্টহাউজে এক স্কুলছাত্রী‌কে ধর্ষণের অভিযোগ  উঠেছে রেলও‌য়ের এক কর্মচা‌রীর বিরু‌দ্ধে। শিশুটিকে হাত পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার ক‌রে‌ছে পু‌লিশ। এ ঘটনায় থানায় মামলা হলেও অভিযুক্তকে এখনো আটক করা যায় নি। তার বিরু‌দ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হ‌চ্ছে ব‌লে জা‌নিয়ে‌ছে রেলও‌য়ে কর্তৃপক্ষ। 

‌সোমবার সন্ধ্যার পর বন্ধুর জন্ম‌দি‌নের অনুষ্ঠানের কথা ব‌লে পঞ্চম শ্রে‌ণি পড়ুয়া ছাত্রী‌কে ‌কি‌শোরগঞ্জ রেলও‌য়ে স্টেশ‌নের দ্বিতীয় তলায় রেস্টহাউজে ‌নি‌য়ে আসে রেলও‌য়ের চতুর্থ শ্রে‌ণির কর্মচা‌রি মাহমুদুল হাসান সাগর। এক পর্যা‌য়ে মে‌য়ে‌টি‌কে হাত-পা বেঁ‌ধে ‌রেস্টহাউ‌জের টয়‌লে‌টে ধর্ষণ ক‌রে সে। রাত ৮টার দি‌কে মে‌য়ে‌টির চিৎকার শু‌নে জিআর‌পি থানা পু‌লিশ ও স্টেশ‌নের লোকজন মে‌য়ে‌টি‌কে উদ্ধার ক‌রে। এ সময় পা‌লি‌য়ে যায় সাগর। তা‌কে গ্রেফতা‌রে অভিযান চল‌ছে ব‌লে জানান, জিআর‌পি থানার ওসি।

‌সাগরের বিরু‌দ্ধে ক‌ঠোর শা‌স্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আশ্বাস দেন সহকারী স্টেশন মাস্টার।

এ ঘটনায় মে‌য়ে‌টির ভাই বাদী হ‌য়ে রাতেই অভিযুক্তের না‌মে রেলও‌য়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এক‌টি মামলা দা‌য়ের ক‌রেন।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত 

পরবর্তী খবর

মোবাইলে ডেকে এনে গৃহবধূকে গণধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক

মোবাইলে ডেকে এনে গৃহবধূকে গণধর্ষণ

মোবাইল ফোনে ডেকে এনে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার রাতে গণধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূ নিজেই বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ দুইজন আসামিকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে। 

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে এই ঘটনা ঘটে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- চাঁদখানা ইউনিয়নের সরঞ্জাবাড়ি গ্রামের মৃত সোলায়মানের ছেলে কৌহিদুল ইসলাম (৪০) ও বাহাগিলী ইউনিয়নের নয়ানখাল উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে সাদেকুল ইসলাম (৪৫)।

থানা সূত্রে জানা যায়, মোবাইল ফোনে কৌহিদুলের সঙ্গে সদর ইউনিয়নের উত্তর পুষণা গ্রামের ওই গৃহবধূর পরিচয় হয়। সোমবার দুপুরে তাকে ফোনের মাধ্যমে ডেকে এনে সারাদিন বিভিন্ন স্থানে ঘুরাফেরা করে সময়ক্ষেপণ করে। রাতে তাকে কৌশলে বাহাগিলী স্টিল ব্রিজসংলগ্ন কৌহিদুলের টিনের ঘরের ভিতরে নিয়ে যায়।

আরও পড়ুন:


পাগলীর জন্ম নেওয়া সন্তানের পিতা এমপি বদি

টস জিতে ফিল্ডিংয়ে পাকিস্তান

শোয়েব মালিককে ‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ বলে ডাকল ভারতীয় দর্শকরা (ভিডিও)

সেখানে ওই গৃহবধূকে দুই আসামি পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় ভিকটিমের চিৎকারে স্থানীয়রা ওই দুইজনকে আটক করলে পুলিশের টহল দল ভিকটিমসহ তাদের থানায় নিয়ে যায়। পরে ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে রাতেই আটক দুইজনের বিরুদ্ধে থানায় গণধর্ষণের মামলা করেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

দোকানে গেলেই শিশুদেরকে যৌন নিপীড়ন করতো এই দোকানি

আব্দুস সালাম বাবু, বগুড়া

দোকানে গেলেই শিশুদেরকে যৌন নিপীড়ন করতো এই দোকানি

সকালে নয়তো দুপুরে যখন মানুষের যাতায়াত কম থাকে তখন পণ্য কিনতে দোকানে গেলেই দোকানী কৌশলে শিশুদেরকে কাছে টেনে নিয়ে যৌন নিপীড়ন চালাতো। অসভ্য ওই আচরণের কথা কাউকে যাতে না বলা হয় সেজন্য তিনি দোকানে রাখা ছুরি দিয়ে হত্যার হুমকিও দিতেন।

কোরবাণীর ঈদের পর থেকে ওই মুদি দোকানী শিশুদের ওপর যৌন নিপীড়ন চালিয়ে আসছে বলে জানা গেছে।

অবশেষে শিশুদের যৌনহয়রানীকারী ওই মুদি দোকানীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

বগুড়ায় পাঁচ শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া মুদি দোকানী আলমগীর হোসেন রাজা (৫২)।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সদর থানা পুলিশ তাকে শহরের নিশিন্দারা ধমকপাড়া এলাকায় বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। ওই ঘটনায় যৌন নিপীড়নের শিকার এক শিশুর মা বাদী হয়ে অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন রাজার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। 

নির্যাতনের শিকার শিশুদের বয়স ৯ থেকে ১১ বছরের মধ্যে। তারা গ্রেফতার রাজার বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে জবানবন্দী দিয়েছে।

তাতে তারা বলেছে যে, দোকানে কেনা—কাটা করতে গেলেই রাজা বিভিন্ন সময় তাদের ওপর যৌন নিপীড়ন চালায়। বগুড়া সদর থানার নারী ও শিশু হেল্প ডেস্কের কর্মকর্তা সাব ইন্সপেক্টর জেবুন নেছা জানান, সর্বশেষ যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটে ৪ দিন আগে দুপুর বেলা। সেদিন এক শিশু মুদি দোকানী আলমগীর হোসেন রাজার দোকানে শ্যাম্পু কিনতে যায়। তখন ওই দোকানি শিশুটিকে দোকানের ভেতরে গিয়ে শ্যাম্পু নিতে বলে। সরল বিশ্বাসে শিশুটি দোকানের ভেতরে যেতেই দোকানি আলমগীর হোসেন রাজা দরজা বন্ধ করে তার পরনের কাপড় খুলতে শুরু করে। এতে শিশুটি বাধা দিলে দোকানি তাকে চাকু দিয়ে হত্যার হুমকি দেয়। অনেক পীড়াপীড়ির পর শিশুটি ছাড়া পেয়ে বিষয়টি তার মাকে গিয়ে বলে। এরপর ওই শিশুর মা মঙ্গলবার বিকেলে থানায় গিয়ে তার মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মুদি দোকানি আলমগীর হোসেন রাজার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর জেবুন নেছা জানান, মামলার পর পরই অভিযুক্ত মুদি দোকানীকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালানো হয়। পরে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে শহরের নিশিন্দারা ধমকপাড়া এলাকায় বাড়ি থেকে মুদি দোকানী আলমগীর হোসেন রাজাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ কর্মকর্তা জেবুন নেছা বলেন, মুদি দোকানীকে গ্রেফতারের পর পরই আরও ৪ শিশুর মা তাদের শিশুদের নিয়ে থানায় আসেন। এরপর সেই ৪ শিশুও মুদি দোকানী আলমগীর হোসেন রাজার বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টা ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করে। পরে ২২ ধারায় দেওয়া জবানবন্দীতে তারা জানায়, কোরবাণীর ঈদের পর থেকে ওই মুদি দোকানী শিশুদের ওপর যৌন নিপীড়ন চালিয়ে আসছে। শিশুরা জানায়, সকালে নয়তো দুপুরে যখন মানুষের যাতায়াত কম থাকে তখন পণ্য কিনতে দোকানে গেলেই দোকানী আলমগীর হোসেন রাজা কৌশলে তাদেরকে কাছে টেনে নিয়ে যৌন নিপীড়ন চালাতো। অসভ্য ওই আচরণের কথা কাউকে যাতে না বলা হয় সেজন্য তিনি দোকানে রাখা ছুরি দিয়ে হত্যার হুমকিও দিতেন।

আরও পড়ুন:


পাগলীর জন্ম নেওয়া সন্তানের পিতা এমপি বদি

টস জিতে ফিল্ডিংয়ে পাকিস্তান

শোয়েব মালিককে ‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ বলে ডাকল ভারতীয় দর্শকরা (ভিডিও)

সাব ইন্সপেক্টর জেবুন নেছা বলেন, ভুক্তভোগী শিশুদের মায়েরা জানিয়েছেন তাদের মেয়েদের ওপর বিভিন্ন সময় মুদি দোকানী আলমগীর হোসেন রাজার যৌন নিপীড়নের খবর তারা জানতো। কিন্তু ভয় আর লোক লজ্জার কারণে তারা বিষয়টি গোপনেই রেখেছিলেন।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম রেজা জানান, পাঁচ শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা এবং যৌন নিপীড়নের অভিযোগে আলমগীর হোসেন রাজাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

থানার তিনটি গ্রিল ভেঙে পালালেন আসামি

অনলাইন ডেস্ক

থানার তিনটি গ্রিল ভেঙে পালালেন আসামি

দিনাজপুরের পার্বতীপুর মডেল থানার গ্রিল ভেঙে ফেলা জানালা

থানার গ্রিল ভেঙ্গে এক আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। দিনদুপুরে দিনাজপুরের পার্বতীপুর মডেল থানায় এই ঘটনা ঘটে।
আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী সার্কেল) আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন,থানাহাজত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি পালিয়ে যাওয়ায় থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা (ডিউটি অফিসার) কে বি এম শাহারিয়ার ও পুলিশ সদস্য সাবিনা ইয়াছমিনকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে। 

পার্বতীপুর উপজেলার বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি পুলিশ তদন্তকেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, একটি মামলায় গ্রেপ্তার পরোয়ানাভুক্ত আসামি মোকারুল ইসলামকে (৩২) সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার হাবড়া ইউনিয়নের ভবানীপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রাতেই মোকারুলকে পার্বতীপুর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে থানার তিনটি গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান।

আরও পড়ুন:


পাগলীর জন্ম নেওয়া সন্তানের পিতা এমপি বদি

টস জিতে ফিল্ডিংয়ে পাকিস্তান

শোয়েব মালিককে ‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ বলে ডাকল ভারতীয় দর্শকরা (ভিডিও)

পার্বতীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইমাম জাফর জানান, আসামিকে থানাহাজতে রাখা হয়েছিল। পুলিশের আগোচরে আসামি মোকারুল হাজতখানার পাশের দরজার তালা ভেঙে স্টোর রুমে প্রবেশ করেন। পরে স্টোর রুমের গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মধ্যরাতে নারীকণ্ঠে ডেকে গৃহবধূকে গণধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক

মধ্যরাতে নারীকণ্ঠে ডেকে গৃহবধূকে গণধর্ষণ

গত রোববার রাতে দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে এক গৃহবধূ নিজ বাড়িতে ঘুমাচ্ছিলেন। রাত ১১টার দিকে নারীকণ্ঠে তার নাম ধরে একাধিকবার ডাক দেয়। পরে ঘরের দরজা খোলার সাথে সাথে শিপন ওরফে আলাউদ্দিন, বেল্লাল মেকার, হেলাল, ইউসুফ দালাল ও সেলিম মেকার ওই গৃহবধূর হাত, পা ও মুখ বেঁধে পাশের বাগানে নিয়ে শারীরিক নির্যাতনসহ ধর্ষণ করে চলে যায়।

স্থানীয়রা রক্তাক্ত হাত, পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে প্রথমে মনপুরা হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরায় পাঁচ যুবক ওই গৃহবধুকে ধর্ষণ করে। সোমবার দিবাগত রাতে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামি করে মনপুরা থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার ভোররাত ৩টায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামিকে আটক করে। তবে এই ঘটনার সাথে জড়িত অপর ৪ আসামিকে পুলিশ এখনো ধরতে পারেনি। 

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার রাতে দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে ওই গৃহবধূ উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের নিজ বাড়িতে ঘুমাচ্ছিলেন। রাত ১১টার দিকে নারীকণ্ঠে তার নাম ধরে একাধিকবার ডাক দেয়। পরে ঘরের দরজা খোলার সাথে সাথে শিপন ওরফে আলাউদ্দিন, বেল্লাল মেকার, হেলাল, ইউসুফ দালাল ও সেলিম মেকার ওই গৃহবধূর হাত, পা ও মুখ বেঁধে পাশের বাগানে নিয়ে শারীরিক নির্যাতনসহ ধর্ষণ করে চলে যায়।

পরে রাত ১টায় স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে মনপুরা হাসপাতালে ভর্তি করে। সোমবার বিকেলে চিকিৎসাধীন থাকা ওই গৃহবধূর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এদিকে ঘটনার দিন ওই গৃহবধূর স্বামী সাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। ঘটনা শুনে সোমবার স্বামী বাড়িতে আসলে ওই রাতে বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামি করে মনপুরা থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী।

মামলার অপর পলাতক ৪ আসাম হলেন, বেল্লাল মেকার, হেলাল, ইউসুফ দালাল ও সেলিম মেকার। তাদের সবার বাড়ি উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের চরগোয়ালিয়া গ্রামে। ঘটনার সাথে জড়িত ৪ আসামি পলাতক রয়েছেন।

মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদ আহমেদ জানান, গৃহবধূকে ধর্ষণের মামলায় প্রধান আসামিকে আটক করা হয়েছে। অপর ৪ জনকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মরা গরুর মাংস বিক্রি, জরিমানা ৩০ হাজার টাকা

অনলাইন ডেস্ক

মরা গরুর মাংস বিক্রি, জরিমানা ৩০ হাজার টাকা

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে মরা গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। শেখ সালাউদ্দিন নামে ওই মাংস ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি পৌর সদরের দক্ষিণ কামারগ্রামের আবদিন শেখের ছেলে। এ তথ্য নিশ্চিত করেন আদালত পরিচালনাকারী কর্মকর্তা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী হাকিম মারিয়া হক।

এসময় উপজেলা স্যানেটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মো. ফরিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মরা গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় পৌর সদরের অডিটোরিয়াম সংলগ্ন উপজেলা পরিষদ কাঁচা বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

এ সময় অভিযুক্ত মাংস ব্যবসায়ী শেখ সালাউদ্দিন আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের উপস্থিতিতে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে  মরা গরুর মাংস জব্দ ও সড়কের উপর গড়ে তোলা মাংস বিক্রির ঘরটি ভেঙে দেন আদালত।

পরে বিকাল সাড়ে ৩টায় অভিযুক্ত মাংস ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন নির্বাহী হাকিমের কার্যালয়ে হাজির করা হয়।

আরও পড়ুন:


পাগলীর জন্ম নেওয়া সন্তানের পিতা এমপি বদি

টস জিতে ফিল্ডিংয়ে পাকিস্তান

শোয়েব মালিককে ‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ বলে ডাকল ভারতীয় দর্শকরা (ভিডিও)

পরে তিনি অপরাধ স্বীকার করলে আদালত ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫২ ধারায় সেবা গ্রহীতার জীবন বিপন্ন হতে পারে এমন অপরাধে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করে।

অনাদায়ে ১৫ দিনের জেল। এ সময় জরিমানার টাকা ও ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ না করার মোচলেকা দেন ওই ব্যবসায়ী।

নির্বাহী হাকিম মারিয়া হক জানান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর