হৃদয় নিয়ে নাড়াচাড়া করতে পারলেই হলো!

রাখী নাহিদ

হৃদয় নিয়ে নাড়াচাড়া করতে পারলেই হলো!

এই দফায় নিউ ইয়র্ক আসার চৌদ্দদিন অর্থাৎ দুই সপ্তাহ হলো। এরমধ্যে কর্মজীবনের বয়স বারোদিন। পিজ্জা স্টোর, ট্র্যাভেল এজেন্সি থেকে এবার কার্ডিওলজিস্ট এর ক্লিনিক। চাকরী হবার পর বড় বোনকে ফোন দিয়ে উত্তেজিত হয়ে বললাম। সকলের দোয়ায় পিজা মেকার, ট্র্যাভেল এজেন্ট এর দায়িত্ব সফল ভাবে সম্পন্ন করে এবার আমি কম্পাউন্ডারির চাকরী পেয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ..…

আমার ধারণা ছিল কর্মস্থলে গিয়ে দেখব, দুই রুমের অন্ধকার চেম্বারে মলিন চেহারার কোন ডাক্তার সাহেব বসে আছেন। আমার দায়িত্ব হবে চিৎকার করে নাম ধরে ডেকে ডেকে রোগীদের ডাক্তারের রুমে ঢুকানো আর মাঝে মাঝে ডাক্তার সাহেবকে চা কফি বানিয়ে খাওয়ানো।

কিন্তু পরেরদিন কাজে যোগ দিতে গিয়ে দেখি হুলুস্থুল ব্যপার। আমাদের ডাক্তার সাহেব যেন তেন ডাক্তার না। উনার কম্পাউন্ডার হবার জন্যও আমার দুই চারটা ডিগ্রী নিতে হবে। আর উনার চেম্বারও তথাকথিত দুই রুমের চেম্বার না, রীতিমত মাল্টি কালচারড একটা বিজনেস অরগানাইজেশন।

ডাক্তার সাহেব স্বয়ং এবং আমার সহকর্মীদের ৯০ ভাগই বিদেশী। আমাকে যে কাজ শেখায় সে স্প্যানিশ। বাকীদের মধ্যে চাইনিজ, কালো, আলবেনিয়ান আছে। খুঁজলে আরো দুই এক জাত পাওয়া যাবে বলে আমার ধারণা। এখানে ডাক্তার সাহেবের এসিস্ট্যান্টরাও এত ব্যস্ত যে এখনো সবার সাথে পরিচিত হবারই সুযোগ পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন


ভাসানটেকে ফুটপাত ও রাস্তা অবৈধ দখলে, যানজট নিত্যসঙ্গী

ই-ভ্যালির প্রতারণায় আস্থা সংকটে গোটা ই-কমার্স খাত

বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগের নিরাপদ স্থান: প্রধানমন্ত্রী

অসময়ে বাণিজ্যিকভাবে মাচায় তরমুজ চাষ, লাভের আশায় কৃষক


যাই হোক, খুব মজা পাচ্ছি কাজ করে। কারণ আমি কাজের ব্যপারে সর্বভুক ধরনের মানুষ। পৃথিবীর যাবতীয় কাজ করতে আমার ভালো লাগে, নতুন জিনিস শিখতে ভালো লাগে। আর হৃদয় জিনিসটাও বরাবরই আমার পছন্দের বিষয়।

হোক সেটা হৃদয় নিয়ে কাব্যলেখা অথবা কার্ডিওলজী। হৃদয় নিয়ে নাড়াচাড়া করতে পারলেই হলো। সবচেয়ে বড় কথা, নিজের ক্যারিয়ার গ্রোথ দেখে আমি খুবই আশাবাদী। গ্রাফ উপরের দিকে যাচ্ছে।

এভাবে উন্নতি হতে থাকলে আমাকে কেউ আটকাতে পারবেনা। বড় হয়ে আমি অবশ্যই ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার একটা কিছু হব.......।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

আমরা আনন্দবাজারকে আনন্দবজর বলে ডাকি

অনলাইন ডেস্ক

আমরা আনন্দবাজারকে আনন্দবজর বলে ডাকি

আলেকজান্ডারের সাথে আফগানিস্তানের একটা ঐতিহাসিক সম্পর্ক আছে। আড়াই হাজার বছর আগে আলেকজান্ডার ভারতবর্ষ আক্রমণ করতে এসেছিলেন, যখন তখন প্রথম ব্যাক্ট্রিয়াতে আক্রমণ করে জয় করেন। ব্যাক্ট্রিয়া হচ্ছে আজকের আফগানিস্থানের বলখ প্রদেশ।

আফগানিস্তানের চৌত্রিশটা প্রদেশের একটা হচ্ছে বলখ প্রদেশ। ব্যাক্ট্রিয়ার রাজা ছিলেন তখন ওয়াখাশেরিদ। পশ্চিমারা এই পার্সিয়ান নাম উচ্চারণ করে অক্সিয়ারটেস বলে। এর প্রতিদান অবশ্য আফগানেরা দিয়েছে। তারাও আলেকজান্ডারকে ডাকে সিকান্দার শাহ বলে। এই যেমন ধরেন, কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা আমাদের গুলশানকে গুলশন লেখে বলে আমরা আনন্দবাজারকে আনন্দবজর বলে ডাকি।

যাই হোক, ওয়াখাশেরিদ পরাজিত হলেও তিনি ছিলেন আলেকজান্ডারের শ্বশুর। ওয়াখাশেরিদের কন্যা রুখসানাকে বিয়ে করেছিলেন আলেকজান্ডার। ব্যাক্ট্রিয়ার রমণীরা নাকি অপূর্ব সুন্দরী হতেন সেই সময়ে। ব্যাক্ট্রিয়ার আরো একটা সুনাম ছিল তা হচ্ছে, ব্যাক্ট্রিয়ার রাজাদের প্রচুর সোনাদানা ছিলো। এই নিয়ে নানা গল্প কথা চালু ছিলো কারণ সেই সোনাদানা তো কেউ দেখেনি কখনো। রুডিয়ার্ড কিপলিং এ নিয়ে একটা কাহিনী লিখেছেন যার উপজীব্য ছিল ব্যাক্ট্রিয়ার সোনাদানা। কাহিনীটার নাম দ্য ম্যান হু উড বি কিং।
 
তবে আশ্চর্য ব্যপার হচ্ছে আফগানিস্তানে সোভিয়েত আগ্রাসনের কয়েক মাস আগেই এই সোনাদানার একাংশ খুঁজে পাওয়া যায়। বলখের জওজযান বলে একটা জায়গা আছে সেখানে ব্যাক্ট্রিয়ার রাজাদের কবর ছিলো। সেই কবর খুড়ে পাওয়া যায় বহুমূল্য সব সোনাদানা আর জহরত, সেই সাথে প্রাচীন স্বর্ণ মুদ্রা। সেগুলো কাবুল যাদুঘরে স্থান পায়। 
আফগানিস্তানের কমিউনিস্ট জামানায় পশ্চিমে একটা গুজব ছিল যে এই সোনাদানা সোভিয়েত ইউনিয়নে পাচার করা হয়েছে। এই গুজব থেকে বাঁচার জন্য নজিবুল্লাহ ব্যাক্ট্রিয়ার সম্পদ নিয়ে কাবুলে বিদেশি কূটনীতিকদের জন্য একটা প্রদর্শনীর আয়োজন করে। তার ছয় মাস পরেই নজিবুল্লাহর পতন হয়। কিন্তু অবাক বিষয় ব্যাক্ট্রিয়ার সোনাদানা আর খুঁজে পাওয়া যায়না।
 
২০০১ সালে তালেবানদের প্রথম সরকারের পতন হলে কয়েকজন বর্ষিয়ান আফগান আর্কিওলজিস্ট বলেন, তারা নজিবুল্লাহকে পরামর্শ দিয়েছিলেন যে ব্যাক্ট্রিয়ার সম্পদ জাদুঘরে না রেখে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে, ব্যাংক অফ আফগানিস্তানের যে গোপন ভল্ট আছে সেখানে রাখতে। নজিবুল্লাহ তাই করেন। কারণ এই আর্কিওলজিস্টরা বুঝতে পেরেছিলেন নজিবুল্লাহর পতন হতে যাচ্ছে, আর এই অস্থির সময়ে এই সম্পদ লুট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রচুর। এবং তাই হয়েছিলো। নজিবুল্লাহর পতনের পর দফায় দফায় জাদুঘর লুট হয়।

আরও পড়ুন:

এবার নারীরাও ব্যবহার করবে কনডম!

ডিভোর্স দেয়ায় স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন, আত্মহত্যার চেষ্টা স্বামীর

মাকে পিটিয়ে হত্যা; ছেলের মৃত্যুদণ্ড 

প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের গোপন ভল্টে ঠিকই পাওয়া গেল ব্যাক্ট্রিয়ার সোনাদানা। আর্কিওলজিষ্টেরা মিথ্যা বলেনি। এখন আমেরিকা আর ইংল্যান্ড বললো যে, এই সোনাদানা আফগানিস্তানে রাখা নিরাপদ নয় এটা সরিয়ে নিতে হবে আফগানিস্তানের বাইরে। পরে সবকিছু ঠিকঠাক হলে এগুলো ফেরত দেয়া হবে।
সেই সোনাদানা এখন পালা করে একেক দেশ রাখছে। দুই হাজার দশ সালে ইংল্যান্ডে ব্যাক্ট্রিয়ার সোনাদানা নিয়ে একটা প্রদর্শনীও হয়। এই সোনা কী আফগানরা কখনো ফেরত পাবে?

সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত 

পরবর্তী খবর

আমাদের সময় কখন ফুরিয়ে আসে কেউ জানে না

এস এম রেজাউল করিম

আমাদের সময় কখন ফুরিয়ে আসে কেউ জানে না

অস্তগামী সূর্যের মতো এমন মুহূর্ত আমাদের জীবনেও নেমে আসে, কিন্তু আমাদের জীবন সায়াহ্ন নেমে আসা দৃশ্য মান হয়না। প্রখর রৌদ্রতাপ ছেড়ে ক্রমান্বয়ে স্নিগ্ধতা পূর্ণ মায়াবী আলোআধারির আবেশ‌ দিয়ে বিলিন হয়ে গেলে স্থান করে নেয় নিকষ অন্ধকার। 

হয়তো কঠোর রৌদ্রতাপের সূর্যও বুঝতে পারে বিদায় লগন, কিন্তু বুঝিনা আমরা, কখন হয়ে যাবো বিলিন। আমাদের সময় কখন ফুরিয়ে আসে তা কেউ জানেনা। 

তাই যদি সৎ কর্মের মধ্য থেকে কিছু স্নিগ্ধতা রেখে যেতে পারি, সেটাই হয়তো আঁধারের মাঝে একঝলক আলোর বিচ্ছুরণ হয়ে রইবে। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।

লেখক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

আরও পড়ুন:

স্ত্রীর ইচ্ছা পূরণে মন্দিরে ১৭ লাখ রুপির স্বর্ণ দান


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

বেয়াদব বলি, বোলার বলি আর ব্যাটসম্যান; আসে তার নাম

রুবাইয়াত সাইমুম চৌধুরী

বেয়াদব বলি, বোলার বলি আর ব্যাটসম্যান; আসে তার নাম

রুবাইয়াত সাইমুম চৌধুরী

সব দোষ সরকারের ( সৌম্য), লিটন সাহেব তো এক্কেরে প্রতিভা। আয়নাম্যানও গেছেগা।

আমি তো বলই, আছেই আমাদের একজন।
 
বেয়াদব বলি, বোলার বলি আর ব্যাটসম্যান । আসে সেই।
 
যেইদিন সে খেলে ঠিক ঠাক , সেদিন জেতার চান্স থাকে। মানে সে ব্যাট করে রান করে আবার বল করে উইকেট নেয়। দুটাই করা লাগবে। একটা করলেও হবে না। দুটা না করলে টিম জেতে না সাধারণত। 
আয়নাম্যান তো ৩ বলে ২ রানও নেয়না জেতার জন্য মাঝে মাঝে।

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/এমি-জান্নাত  

পরবর্তী খবর

২২ রিপোর্টারের ডিআরইউ পুরস্কার ও আমার প্রশ্ন

শওগাত আলী সাগর

২২ রিপোর্টারের ডিআরইউ পুরস্কার ও আমার প্রশ্ন

শওগাত আলী সাগর

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) ২২ জন রিপোর্টারকে ‘বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড’ দিয়েছে। একটি জুরি বোর্ড রিপোর্টারদের রিপোর্ট যাচাই বাছাই করে এই ২২টি রিপোর্টকে সেরা হিসেবে বিবেচনা করেছে। 

রিপোর্টার্স ইউনিটি এই সেরা রিপোর্টারদের আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কৃত করেছে। প্রথমে আমি এই সেরা রিপোর্টারদের অভিনন্দন জানাই।

যারা পুরস্কারের জন্য রিপোর্ট জমা দিয়েছিলেন-সেগুলো নিশ্চয়ই রিপোর্টই ছিলো এবং একজন রিপোর্টার তার রিপোর্টটিকে পুরস্কার পাওয়ার উপযোগি রিপোর্ট হিসেবে বিবেচনা করেছেন। তাদের চেয়ে ভালো রিপোর্ট থাকায় তারা পুরস্কার পাননি- তার মানে এই না- তাদের রিপোর্টগুলো সেরা রিপোর্টের কাতারভূক্ত রিপোর্ট নয়। জমা হওয়া রিপোর্টের সংখ্যা অবশ্য আমি জানতে পারিনি। 

পুরস্কারের সংবাদটি আমার মনে কয়েকটি প্রশ্ন তৈরি করেছে- সেগুলো একটু শেয়ার করতে চাই। এই যে আমরা সারা বছর ঢাকার সাংবাদিকতার সমালোচনা করি, দেশে কোনো সাংবাদিকতা নাই, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এখন আর হয় না, সম্ভব না বলে হা হুতাশ করি- তারা কী এই ২২টি রিপোর্টের খবর রাখি! 

রাখলে আমরা কী এই ২২টি রিপোর্টকে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বা নিদেনপক্ষে সাংবাদিকতা হিসেবে স্বীকার করি! আমরা কী এই ২২ টি রিপোর্টের কোনা একটি নিয়ে উচ্ছ্বসিত হয়েছি, বলেছি- দেখো- এর নাম অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা!


আরও পড়ুন: 

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে টাইগার শিবিরে বড় দুটি দুঃসংবাদ

১০ মিনিটের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র নয়াপল্টন

এনআইডি নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনার কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


বাংলাদেশের সাংবাদিকতায় নানা সংকট আছে, সীমাবদ্ধতা আছে। সেগুলো পাশ কাটিয়ে অন্তত ২২জন রিপোর্টার তো ২২টি রিপোর্ট তৈরি করতে পেরেছেন- যেগুলোকে পুরস্কৃত করা যায়, যেগুলো পুরস্কৃত পায়। বাংলাদেশের এই সাংবাদিকতার চেষ্টাটাও কম কি!

লেখাটি শওগাত আলী সাগর -এর ফেসবুক থেকে নেওয়া (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

জাস্টিন ট্রুডো তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দিয়েছেন তিন নারীকে

শওগাত আলী সাগর

জাস্টিন ট্রুডো তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দিয়েছেন তিন নারীকে

যে কোনো সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রনালয় হচ্ছে অর্থ, পররাষ্ট্র এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়। নারীবাদী প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছেন তিন নারীর উপর। 

কানাডার ক্রাইসিস ম্যানেজার হিসেবে খ্যাত ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড অর্থমন্ত্রী এবং ডেপুটি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন অনিতা আনন্দ। আর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন আরেক নারী ম্যালেনি জুলি। 

কানাডার অর্থনীতি, প্রতিরক্ষা আর  বহিঃর্বিশ্বে কানাডাকে তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ তিন নারীর উপর ছেড়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।

লেখাটি শওগাত আলী সাগর -এর ফেসবুক থেকে নেওয়া (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর