বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত দেবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত দেবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট হত্যাযজ্ঞের ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাশেদ চৌধুরীকে ফেরত দেবে বলে প্রত্যাশা করছি। কারণ এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়াগুলো শেষ করার কাজ চলছে।

লোটে রয়্যাল হোটেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতকাল মঙ্গলবারের সার্বিক কর্মসূচির ওপর মিডিয়া ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, আমরা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাশেদ চৌধুরীকে দেশে ফিরিয়ে আনবো বলে আশা করছি।

বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত এই খুনীকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টার ফলাফল সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এর আগে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায়ে সাজাপ্রাপ্ত ১২ আসামির একজনকে ফিরিয়ে দেওয়ায় ঢাকা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাশেদ চৌধুরীকেও ফিরে পাওয়ার আশা করছে।

আরও পড়ুন


ছাড়পত্র পেলেন তামিম, খেলতে যাবেন নেপাল

কুয়েত ও সুইডেনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শেখ হাসিনার বৈঠক

স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামীর ফাঁসির আদেশ


১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার দায়ে মত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাশেদ চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকায় অবস্থান করছেন। হত্যাকাণ্ডের ২৩ বছর পরে ১৯৯৮ সালে নিম্ন আদালতের রায়ে অন্য আসামিদের সঙ্গে পলাতক অবস্থায় তাকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। 

২০০৯ সালে উচ্চ আদালত ১২ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ছয়জনের রায় কার্যকর হলেও রাশেদ চৌধুরীসহ বিদেশে পলাতক অন্যদের দণ্ড কার্যকর হয়নি। এসব ঘাতকদের বিদেশ থেকে দেশে নিয়ে নিয়ে দণ্ড কার্যকর করার জোরালো দাবি জানানো হচ্ছিল।

রাশেদ চৌধুরী ১৯৬৯ সালে সরকারি চাকরিতে যোগদান করার পর ১৯৭৬ সালে দ্বিতীয় সচিব হিসেবে জেদ্দায় বাংলাদেশ মিশনের দায়িত্ব পান।

তিনি নাইরোবি, কুয়ালালামপুর ও ব্রাসিলিয়া দূতাবাসে কর্মরত ছিলেন এবং ১৯৯৬ সালে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। ওই বছরেই রাশেদ চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেন।

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব, বিভ্রান্তি ছড়লে কঠোর ব্যবস্থা

অনলাইন ডেস্ক

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব, বিভ্রান্তি ছড়লে কঠোর ব্যবস্থা

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ। সোমবার (১৮ অক্টোবর) রাতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশের সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলো বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব, বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের মনিটর করছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন:


ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!

ডিএমপি কমিশনার ও র‍্যাব ডিজি’র পদোন্নতি


সম্প্রতি দেশে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে কতিপয় ব্যক্তি, গোষ্ঠী উদ্দেশ্য প্রণোদিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব, বিভ্রান্তি ছড়িয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা করছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে চক্রান্তকারীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট কিংবা বিভিন্ন তথ্য বিকৃত বা অপব্যাখ্যা করে তা বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে সংঘাতমূলক পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।

পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) কামরুজ্জামান বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ যে কোনো মাধ্যমে গুজব/বিভ্রান্তি না ছড়াতে এবং অযাচাইকৃত সংবাদ বিশ্বাস না করতে সকলের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সারাদেশে আ.লীগের সমাবেশ কাল

অনলাইন ডেস্ক

সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সারাদেশে আ.লীগের সমাবেশ কাল

সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) সারাদেশে ‘সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা’ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। 

আজ সোমবার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভা শেষে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ‘সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা’ কর্মসূচি পালন করবে দলটি। এছাড়া এই কর্মসূচির আওতায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলো দেশের সব জেলা, মহানগর, উপজেলায় ‘সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা’ আয়োজন করবে। তাছাড়া সাম্প্রদায়িক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন আওয়ামী লীগের জাতীয় নেতৃবৃন্দ।

সভায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত ছিলেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি দলের সব নেতাকর্মীকে দেশে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির তৎপরতা প্রতিরোধের নির্দেশ দেন।

যেকোনো মূল্যে বাংলাদেশের হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য সমুন্নত রাখার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ যখন মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ঠিক সে সময়ে একটি চিহ্নিত মহল পরিকল্পিতভাবে সাম্প্রদায়িক হানাহানি সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছে। সরকার ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করেছে। ইতোমধ্যে অনেকেই গ্রেপ্তার হয়েছে এবং বাকিদেরও আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আরও পড়ুন:


ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!

ডিএমপি কমিশনার ও র‍্যাব ডিজি’র পদোন্নতি


সরকার পরিস্থিতির ওপর সতর্ক দৃষ্টি রাখছে এবং এই ধরনের সন্ত্রাসী ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে বলেও জানান সরকারপ্রধান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, আ. ফ. ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি. এম মোজাম্মেল হক, এস. এম কামাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য আনোয়ার হোসেন, সাহাবুদ্দিন ফরাজী, সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে যারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ।

সোমবার (১৮ অক্টোবর) রাতে পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) মো. কামরুজ্জামানের পাটানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে কিছু ব্যক্তি কিংবা গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টা করছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে চক্রান্তকারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট কিংবা বিভিন্ন তথ্য বিকৃত বা অপব্যাখ্যা করে তা বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে সংঘাতমূলক পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।

বাংলাদেশ পুলিশের সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলো বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের মনিটর করছে ও তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন:


ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!

ডিএমপি কমিশনার ও র‍্যাব ডিজি’র পদোন্নতি


প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ যে কোনো মাধ্যমে গুজব ও বিভ্রান্তি না ছড়াতে এবং যাচাই ছাড়া সংবাদে বিশ্বাস না করতে সবার প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।

যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনগণের সার্বিক সহযোগিতাও প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ পুলিশ।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

শেখ রাসেলের হত্যাকাণ্ড ইতিহাসের জঘন্যতম ঘটনা: পরিকল্পনা মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

শেখ রাসেলের হত্যাকাণ্ড ইতিহাসের জঘন্যতম ঘটনা: পরিকল্পনা মন্ত্রী

পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠপুত্র শেখ রাসেলের হত্যাকাণ্ড ইতিহাসের জঘন্যতম ঘটনা।

তিনি বলেন, শিশুরা সবার কাছে আদরের। অথচ আমরা এমন একটা জাতি যে শিশু শেখ রাসেলকে হত্যা করলাম। এই নিষ্ঠুরতা মেনে নেওয়া যায় না।

সোমবার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি সম্মেলন কক্ষে শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, ১৯৮৮ সালে আমি চট্টগ্রামের ডিসি ছিলাম। ডিসি থাকার সময় শেখ রাসেলের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করেছিলাম। এই সংবাদ চট্টগ্রামের পত্রিকা দৈনিক পূর্বকোণ ও দৈনিক আজাদীতে বড় করে ছাপা হয়। এরপরে আমাকে রাতারাতি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়। আমার স্ত্রীকে চট্টগ্রামে রেখে একা ঢাকায় চলে আসি। ঐ সময় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবের কাছে আমাকে জবাবদিহি করতে হয়। আমি তো রাজনীতিবিদ নই, আমলা হয়ে কেন এমন কথা বললাম- তার জবাব চাওয়া হয়। কেবিনেট সচিব আমাকে বলে, তুমি কি নেতা হয়ে গেছো?

আরও পড়ুন:


ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!

ডিএমপি কমিশনার ও র‍্যাব ডিজি’র পদোন্নতি


তিনি আরও বলেন, শেখ রাসেল আমার চেয়ে ২০-২৫ বছরের ছোট। এক অদম্য প্রাণ। রাসেল আমাদের জন্য অনেক অবদান রাখতে পারতো অথচ তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। এটা অনেক লজ্জার ও ঘৃণার।

সভায় বাস্তবায়ন পরীবিক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) ড. বিনায়েক সেন প্রমুখ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

শেখ রাসেলকে আঁকলো ছোট্ট সোনামনিরা

অনলাইন ডেস্ক

দেড় বছর বয়‌সে মা‌য়ের কো‌লে চড়ে কারাবন্দী বাবার সঙ্গে দেখা কর‌তে যেত ছোট্ট রা‌সেল। শিক্ষ‌কের মু‌খে সেই গল্প শু‌নেছিল এমসিপিএস (মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ)-এর তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী আরীষা। পরে সেই ঘটনাকেই রং তু‌লির আঁচ‌ড়ে সে রূপ দিয়েছে ছোট্ট ক্যানভাসে।

রাজধানীর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী লাবিবা রহমান প্রগতির ক্যানভাসে আছে আরেক গল্প। শেখ রাসেল ভালোবাসতো ফড়িংয়ের পেছনে ছুটতে। তাই বন-জঙ্গল ছিল তার ভীষণ পছন্দের। সেজন্য জন্মদিন উপলক্ষে বাবার কাঁধে চড়ে ঘুরতে বেরিয়েছে সে। আর পরিবারের সবাইকে নিয়ে দিনটি উদযাপন করেছে সুন্দর এক ফুল বাগানে।

শহীদ শেখ রাসেলকে নিয়ে এমন অসংখ্য ছোট ছোট ঘটনা রং তু‌লির আঁচ‌ড়ে রঙিন হয়ে ওঠে শিশুদের ক্যানভাসে। সেই ক্যানভাসে অংশ নেয় লাল-নীল-হলুদ-সবুজ অসংখ্য রং।

আজ সোমবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠপুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন উপলক্ষে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেড আয়োজিত শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় এভাবেই শহীদ শেখ রাসেলের নানা স্মৃতি রং তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলেন ছোট্ট সোনামনিরা।

আরও পড়ুন:


ফতুল্লায় সুজন ফকির হত্যাকাণ্ডে দুই ঘাতক গ্রেপ্তার

মন্দিরে হামলার ঘটনায় গোয়েন্দা সংস্থা নিয়ে প্রশ্ন রিজভীর

প্রেম করে বিয়ে করায় ৪ নাতি ও ২ মেয়েকে পুড়িয়ে হত্যা

বড় ভাই শেখ জামালের মতো সেনা অফিসার হতে চাইতো শেখ রাসেল: প্রধানমন্ত্রী


আঁকিয়েদের সবার বয়স ১১ বছরের কম হলেও তাদের আঁকা চিত্রকর্মে যেন ফুটে ওঠে বাংলাদেশের ইতিহাস।

এ আয়োজনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র ক্লাবের মাঠটি মুখর ছিল শিশুদের পদচারণায়। সবার হাতে ছিল রং-তুলি আর স্কেচবোর্ড। ‘শহীদ শেখ রাসেল চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা-২০২১’ এ অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজির হয় প্রায় দুইশ’ খুঁদে প্রতিযোগী।

প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। শেখ রাসেলের জীবনের নানা মুহূর্ত ফুটে ওঠে শিশুদের রং তুলিতে। বিচারকদের মন জয় করে প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মিনহাজ জামান। দ্বিতীয় হন ভিকারুননিসা নূন স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মিথিলা ভৌমিক ও তৃতীয় হয়েছেন নারায়ন আইডিয়াল স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী শ্রেয়সী সাহা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর। তিনি খুঁদে চিত্রকরদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আগত অতিথি ও শিশুদের নিয়ে কেক কাটেন। এরপর বিজয়ীদের হাতে পুরস্কারের চেক, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক ও নিউজ টোয়েন্টিফোরের সিইও নঈম নিজাম, শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের ডিরেক্টর ইনচার্জ ইসমত জামিল আকন্দ লাবলু, পরিচালক (ক্রীড়া) সালেহ জামান সেলিম প্রমুখ। 

প্রথম পুরস্কার হিসেবে বিজয়ী পেয়েছে এক লাখ টাকা, দ্বিতীয় পুরস্কার ৫০ হাজার টাকা ও তৃতীয় পুরস্কার ছিল ২৫ হাজার টাকা। এছাড়াও বিজয়ীদের ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট ও স্কুল ব্যাগসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ দেওয়া হয়। প্রতিযোগীদের মধ্যে ২৭ জনকে শুভেচ্ছা পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় স্কুল ব্যাগসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ। অংশগ্রহণকারী সকলকেই সার্টিফিকেট ও নগদ পাঁচ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিযোগিতার বিষয় ছিল ‘শেখ রাসেলকে নিয়ে যা আঁকতে ভালো লাগে’। দেড় ঘণ্টার প্রতিযোগিতায় শিশুরা মনের মাধুরি মিশিয়ে রঙ-তুলিতে নিজের মতো করে আঁকেন শেখ রাসেলের জীবনের নানা মুহূর্ত। অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারক ছিলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের পরিচালক ইমদাদুল হক মিলন, সহকারী বিচারক ছিলেন শহীদ আনোয়ার উচ্চ বিদ্যালয়ের চারুকলা শিক্ষক শেখ ফারহানা টুম্পা এবং তরুণ শিল্পী ও কালের কণ্ঠের কার্টুনিস্ট প্রসূন হালদার।

শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র ক্লাবের ডিরেক্টর ইনচার্জ ইসমত জামিল আকন্দ লাভলু বলেন, শহীদ শেখ রাসেল নিহত হওয়ার আগ পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার মেধার স্বাক্ষর রেখে গেছেন। শেখ রাসেল আজ বাংলাদেশের শিশু-কিশোর, তরুণ, শুভ বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষদের কাছে এক ভালোবাসার নাম। শেখ রাসেলের এই ছোট্ট জীবন আমাদের জন্য অনেক শিক্ষণীয়।

চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজনের বিষয়ে অভিভাবকরা বলেন, করোনার কারণে শিশুরা দীর্ঘদিন ঘরবন্দী ছিল। তারা মানসিকভাবে খুবই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই সময়ে। সকল ধরনের আয়োজন বন্ধ থাকায় কোথাও অংশগ্রহণের সুযোগ ছিল না তাদের। শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় শিশুরা খুব আনন্দের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছে। এমন আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান তারা।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর