ঝুমন দাসের জামিন, কিছু কথা

হাসান মুর্সেদী

ঝুমন দাসের জামিন, কিছু কথা

১. ডিজিটাল সিকিউরিটি এক্ট- এর সংশোধন জরুরি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত ডিজিটাল ক্রাইম ছাড়া যেনো এই আইনে কেউ হয়রানী না হয়৷ জামিন পাওয়ার অধিকার সংকুচিত করা যাবে না।

২. ফেসবুকে এবং নানা জায়গায় আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ হয়েছে। এটা ভালো জনমত গঠনের জন্য। ঝুমন দাস বা কোনো ভিক্টিম একা নয়, সবাই পাশে আছে- এই ম্যাসেজের জন্য এসব আনুষ্ঠানিকতা দরকার আছে।

৩. তবে এসবে জামিন হয় না। জামিন হয় আইনী প্রক্রিয়ায়। ঝুমনের জামিনের এতো দেরি হবার মূল কারণ শুরুতে আইনী প্রক্রিয়ার গলদ। এজন্য একেবারে শুরুতে ভিক্টিমকে সঠিক আইনী সহায়তা/ পরামর্শ দেবার মতো এক্টিভিজম দরকার।

৪. আইনী প্রক্রিয়ার গলদের কারণে প্রথমবার উচ্চ আদালত জামিন আবেদন ফিরিয়ে দিয়ে শুরু থেকে নতুন আবেদনের নির্দেশ দেন। এই পর্যায় থেকে বিষয়টির সাথে আমি কিছুটা জড়িয়েছিলাম। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন মানুষের নাম উল্লেখ করার জন্য হাত নিশপিশ করছে, এঁরা চুপচাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন আইনী প্রক্রিয়াতেই এবারের জামিন নিশ্চিত করার জন্য। আমি জানি, নামোল্লেখ তাঁরা কেউ পছন্দ করবেন না। রাষ্ট্র এবং সরকারের পক্ষ থেকে তাঁরা সর্ব্বোচ্চ সহানুভূতিশীল ছিলেন।

আরও পড়ুন: 


চাকরিচ্যুত সংবাদিকদের কাজে ফিরিয়ে নিতে আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এল মৃত ডলফিন

জাফরুল্লাহ এরশাদের দোসর: রিজভী

গুলশান লেকে নৌকাডুবি, যাত্রীরা সাঁতরে উঠে গেল পাড়ে


৫. জামিন মানেই মুক্তি নয়। ঝুমনের নিরাপত্তার বিষয় আছে, আর্থিক সামর্থ্যের বিষয় রয়েছে। চার্জশীট হবে, সে যেনো সসম্মানে মামলা জয় করে বের হয়ে আসতে পারে সে পর্যন্ত ঝুমনের পাশে সবাইকে থাকতে হবে।

৬. ঝুমনের মুক্তিতে আর্থিক সহায়তার নামে প্রবাসী হিন্দু কমিউনিটির পাঠানো ভালো অংকের টাকা কোনো এক ‘বিশিষ্ট হিন্দু’র মেরে দেয়ার একটা গুজব আছে, এটার সঠিক তদন্ত হওয়া দরকার৷  একই সাথে সুনামগঞ্জ আওয়ামী লীগের যে নেতারা আক্রমণকারী স্বাধীন মেম্বার গংয়ের প্রতি সহানুভূতিশীল এদেরকেও চিহ্নিত করতে হবে।

৭. এখন পর্যন্ত একটা সাম্প্রদায়িক হামলারও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়নি। নোয়াগাঁওয়ের ঘটনায় অপর মামলা অর্থ্যাৎ হামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলার দিকেও সতর্ক দৃষ্টি রাখা জরুরি। জনমত এবং আইনী লড়াই দুটাই পাশাপাশি জারি রাখতে হবে। অন্তত একটা ঘটনার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির উদাহরণ তৈরি করতে হবে৷ পরবর্তী ঘটনার রক্ষা কবচ হবে সেটি।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

আজ একটি পবিত্র দিন

জ.ই. মামুন

আজ একটি পবিত্র দিন

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী, বাংলাদেশের মুসলিম ভাইয়েরা সানন্দে মিলাদুন্নবীর মিছিল করছেন, প্রার্থনা করছেন, দেখে ভালো লাগছে।

আজ শ্রী শ্রী লক্ষ্মী পূজা, বাংলাদেশের সনাতন ধর্মের ভাই বোন বন্ধুরা যেন আজ একই রকম নিঃশঙ্ক চিত্তে পূজা উদযাপন করতে পারেন, উপাসনা করতে পারেন, আনন্দ করতে পারেন।

আরও পড়ুন


লক্ষ্মীপুরে খোঁজ মিলছে না দুই কিশোরীর

আশুগঞ্জে অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় দুই চালকল শ্রমিক নিহত

তিস্তার সব গেট খুলে দেওয়ায় বড় বন্যার আশঙ্কা

প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা


আজ পবিত্র প্রবারণা পূর্ণিমা। বাংলাদেশের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ভাই বোন বন্ধুরা যেন নির্ভয়ে, নিরাপদে তাদের প্রার্থনা করতে পারেন, ফানুস উড়াতে পারেন, উৎসব করতে পারেন।

রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আপনার, কারণ আপনি নাগরিক, আপনিই সরকার, আপনি এই প্রজাতন্ত্রের মালিক।
আজ একটি পবিত্র দিন, আজ মৈত্রীর দিন। আস সালামু আলাইকুম, ওম শান্তি, জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক...

জ. ই. মামুন, সিনিয়র সাংবাদিক

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

অন্যের দিকে আঙুল তুললেই সরকারের ব্যর্থতা দূর হয়ে যায় না

শওগাত আলী সাগর

অন্যের দিকে আঙুল তুললেই সরকারের ব্যর্থতা দূর হয়ে যায় না

শওগাত আলী সাগর

সরকার তার সক্ষমতা দেখাক, তার আন্তরিকতার প্রমাণ দিক। মানুষের প্রয়োজনে, নাগরিকদের বিপদের সময় রাষ্ট্র পাশে দাঁড়ায়, সরকার সক্রিয় থাকে মানুষের মনে এই বিশ্বাসকে ফিরিয়ে আনুন। 

বক্তৃতাবাজি করে, কে পাশে আছে কে নেই-এসব বলে, আর দোষারুপ করে লাভ কি! চূড়ান্ত বিচারে রাষ্ট্রকে, সরকারকে তার দায়িত্ব পালন করতে হয়, সেই পালনে ব্যত্যয় ঘটেছে- এটি তো পরিষ্কার। 

অন্যের দিকে আঙুল তুললেই সরকারের ব্যর্থতা দূর হয়ে যায় না। অন্যের দিকে আঙুল তুলেই সরকারের দায়িত্ব পালন সম্পন্ন হয় না।

আরও পড়ুন:


পিএসসির প্রশ্ন ফাঁস করলে ১০ বছরের জেল: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

গাজীপুর সাফারি পার্কে জেব্রা পরিবারে নতুন অতিথি

‘সংখ্যালঘু’ শব্দটি থাকা উচিত না

পায়রা সেতুর উদ্বোধন ২৪ অক্টোবর


সরকার ক্রিয়াশীল, সরকার তার নাগরিকদের নিরাপত্তায় ক্রিয়াশীল- এই বিশ্বাস পূর্ণ:প্রতিষ্ঠায় মনোযোগ দিতে হয়।

লেখক- শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ, কানাডা।

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

যৌবনকাল যেভাবে কাটাবেন, বার্ধক্য সেটাই ফিরিয়ে দিবে

রিশাদ হাসান

যৌবনকাল যেভাবে কাটাবেন, বার্ধক্য সেটাই ফিরিয়ে দিবে

রিশাদ হাসান, লেখক, সাংবাদিক

আন্তর্জাতিক অস্টিওপরোসিস ফাউন্ডেশন বলছে, আপনার যৌবনকাল আপনি যেভাবে কাটাবেন বার্ধক্য আপনাকে ঠিক একই জিনিষ ফিরিয়ে দিবে। উদাহরণ দেই, ধরুন আপনি তরুন বয়সে খুব একটা পরিশ্রমী নন। হাটেন না, ব্যায়াম করেন না, ফুড লাভার, বিভিন্ন রেষ্টুরেন্টে খেতে পছন্দ করেন, বাকিটা সময় আড্ডাবাজি করে কাটান। এককথায় আপনি অলস জীবন যাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

এই সুযোগে আপনার শরীরে বাসা বাঁধতে শুরু করবে এক কঠিন রোগ। যার নাম অস্টিওপরোসিস বা হাড়ের ক্ষয়। শুরুতে সুপ্ত অবস্থায় থাকলেও কোনমতে বয়স ৫০ পেরুতেই জেঁকে বসবে এই রোগ। পরবর্তী সময়ে কেড়ে নিবে আপনার চলাফেরার স্বাধীনতা। এমনকি পঙ্গুও বানিয়ে ফেলতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা নিতে গেলে ঘুরে ফিরে ব্যায়াম করাবে, হাটাবে, পরিশ্রম করাবে।

বিশ্বব্যাপী প্রতি ৩ জন ৫০+ বয়সের নারীর মধ্যে ১ জন ও প্রতি ৫ জন ৫০+ বয়সের পুরুষের মধ্যে ১ জন এই রোগে ভুগে থাকেন।

তাই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা নিয়মিত হাটা, ব্যায়াম, কায়িকশ্রমের উপর জোর দেন। এবং সেটা তরুন বয়স থেকে শুরু করলে আরও ভালো। কিন্তু সমস্যা হলো আমরা ততক্ষণ পর্যন্ত কোন বিষয়কে গুরুত্ব দেই না যতক্ষণ পর্যন্ত সেটা আমাদের সঙ্গে খুব বাজে ভাবে না ঘটে।


আরও পড়ুন:

টিকা নিতে অস্বীকার করায় কোচকে বহিষ্কার

কাতারে শুরা কাউন্সিলে ২ নারী নিয়োগ

দ্বিতীয় ম্যাচ নিয়ে যা বললেন সাকিব

নাইজেরিয়ার বন্দুকধারীদের হামলায় কমপক্ষে ৪৩ জন নিহত


ও আচ্ছা একটা কথা বলতে ভুলেই গিয়েছিলাম, আজ বিশ্ব অস্টিওপরোসিস দিবস। এবছর দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য হলো, "নিজের হাড়কে ভালোবাসুন, ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করুন"

তাই নিয়মিত ব্যায়াম করুন, হাটুন, ভারোত্তোলন করুন বা পরিশ্রম করুন। সাথে ভালো খাবার খান। সঠিক সমিয়ে ঘুমান। বেঁচে থাকাটাই বড় কথা নয়, সুস্থতা নিয়ে বেঁচে থাকাটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ...।

তথ্য সূত্রঃ আন্তর্জাতিক অস্টিওপরোসিস ফাউন্ডেশনের ওয়েব সাইট

রিশাদ হাসান, লেখক, সাংবাদিক

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/এমি-জান্নাত 

পরবর্তী খবর

‘সংখ্যালঘু’ শব্দটি থাকা উচিত না

বিদ্যা সিনহা মিম

‘সংখ্যালঘু’ শব্দটি থাকা উচিত না

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটে যাওয়া হামলার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে স্ট্যাটাসটি দেন তিনি।

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় এই চিত্রনায়িকা লিখেছেন, কোন ধর্মই কখনো প্রতিহিংসা শেখায় না। তাই ধর্মীয় বিশ্বাসের নামে সকল সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।

তিনি আরও লিখেছেন, ‘আরও একটা কথা, দেশটা যদি আমাদের সকলেরই হয়, তাহলে এখানে "সংখ্যালঘু" বলে কোন শব্দ থাকা উচিত না। আর যদি সংখ্যাতেই কথা বলতে হয়, তাহলে পৃথিবীতে শুধুমাত্র ভালো মানুষেরাই "সংখ্যাগরিষ্ঠ" হোক।’

লেখাটি অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

সংখ‍্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অংশ হিসেবে অপমানিত বোধ করছি

রাউফুল আলম

সংখ‍্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অংশ হিসেবে অপমানিত বোধ করছি

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো যখন ঈদের শুভেচ্ছা বার্তা দেয়, বাংলাদেশের মানুষ খুশিতে গদগদ হয়ে যায়। ট্রুডো এই কাজটা মূলত করে কানাডার সংখ‍্যালঘু মুসলিমদের সাহস দেওয়ার জন‍্য। তাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে তাদেরকে মানসিক শক্তি যোগান দেয়। একজন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তার দেশের সংখ‍্যালঘুদের সাহস দেওয়াকে সে একটা কর্তব‍্য মনে করে। 

নিউজিল‍্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা যখন মাথায় কাপড় দিয়ে মুসলিম কমিউনিটির অনুষ্ঠানে যায়, মুসলমানদের সাথে কুশলাদি বিনিময় করে, আমরা তখন বাহবা দেই। জেসিন্ডা মূলত নিউজিল‍্যান্ডের সংখ‍্যালঘু মুসলিমদের সাহস দেওয়ার জন‍্যই এ কাজ করে। কিন্তু বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা যখন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীস্টানদের উৎসবে গিয়ে ওদেরকে মানসিক শক্তি যোগাতে যায়—তখনই আমরা মেনে নিতে পারি না। সেসব খবরের লিংকে অশ্রাব‍্য ভাষায় গালাগাল করতে থাকি।

প‍্যারিসে ধর্মের অবমাননা হলে আমরা ক্ষুদ্ধ হই। ব‍্যথিত হই। অথচ পাশের বাড়ির ভিন্নধর্মালম্বীদের উৎসব মেনে নিতে পারি না। তাদের ধর্মের আচার মেনে নিতে পারি না। অন‍্য ধর্মের আচারের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা প্রকাশ করেতে পারি না। 

একটা স্ট‍্যাটাস দিলে বিশ্ববিদ‍্যালয়ের শিক্ষককে তড়িৎ গতিতে ধরে নেওয়া হয়। কিন্তু সাম্প্রদায়িক সংঘাতের জন‍্য যারা দায়ী ও জড়িত—তাদের কি শাস্তি হয়? প্রশাসন শুধু ষড়যন্ত্রই খুঁজে বেড়ায়। ষড়যন্ত্র, ভাবমূর্তি আর অনুভূতি—এই তিনে আবর্তিত এক জাতি।

আরও পড়ুন:


ফতুল্লায় সুজন ফকির হত্যাকাণ্ডে দুই ঘাতক গ্রেপ্তার

মন্দিরে হামলার ঘটনায় গোয়েন্দা সংস্থা নিয়ে প্রশ্ন রিজভীর

প্রেম করে বিয়ে করায় ৪ নাতি ও ২ মেয়েকে পুড়িয়ে হত্যা

বড় ভাই শেখ জামালের মতো সেনা অফিসার হতে চাইতো শেখ রাসেল: প্রধানমন্ত্রী


বাংলাদেশের সংখ‍্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অংশ হিসেবে আমি কখনো আলাদা শক্তি পাইনি। আলাদা কোনো সুযোগ পাইনি। বরং একজন চতুর্থ শ্রেণির নাগরিকের চেয়েও বেশি প্রবঞ্চনার শিকার হয়েছি। আমাদের দেশেটাতে যাদের রাজনৈতিক ক্ষমতা ও টাকা আছে—তারাই যাচ্ছেতাই করতে পারে। তারাই সকল সুবিধা ভোগ করে। তাদের জন‍্যই বিচার আছে। অন‍্যান‍্যরা চতুর্থ শ্রেণির নাগরিক হিসেবেই বেঁচে থাকে। কিন্তু আজ যখন অসংখ‍্য হিন্দু ধর্মালম্বীরা কালো ব‍্যাজ ধারণ করেছে, লাঞ্ছিত ও অপমানিত বোধ করছে—সংখ‍্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অংশ হিসেবে তখন নিজেই অপমানিত বোধ করছি।

আজীবন স্বপ্ন দেখি, বাংলাদেশের একজন নাগরিক কখনোই ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, জাত-জন্মপরিচয়ের জন‍্য কোনোপ্রকার প্রবঞ্চনা ও লাঞ্ছনার শিকার হবে না।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর