বিয়ের দাবিতে প্রেমিক পুলিশ সদস্য’র বাড়িতে যুবতির অবস্থান

শেখ রুহুল আমিন,ঝিনাইদহ

বিয়ের দাবিতে প্রেমিক পুলিশ সদস্য’র বাড়িতে যুবতির অবস্থান

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন শারিরীক সম্পর্ক করার পর বিয়ে না করে প্রতারণা করায় ঝিনাইদহে বিয়ের দাবিতে পুলিশ সদস্য’র বাড়িতে অবস্থান ধর্মঘট করছে এক যুবতি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর প্রেমিক পুলিশ সদস্য’র বিয়ের খবরে তার বাড়িতে অবস্থান নেয় ওই যুবতি।

জানা যায়, ঝিনাইদহ শহরের আলহেরা স্কুলপাড়ার বাবুল ড্রাইভারের ছেলে পুলিশ সদস্য সম্রাট কয়েক বছর আগে কুষ্টিয়ায় পোস্টিং ছিল। সেখানে চাকুরি করার সুবাদে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ভাদালিয়া গ্রামের কলেজ ছাত্রী শারমিনের সাথে পরিচয় হয়। তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

শারমিন অভিযোগ করে বলেন, প্রেমের সম্পর্ক হওয়ার পর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দফায় দফায় বিভিন্ন স্থানে নিয়ে তার সাথে শারিরীক সম্পর্ক করে। পরে সম্প্রতি তাকে এড়িয়ে চলা শুরু করে। বিয়ের চাপ দিলে সম্রাট নানা তালবাহানা শুরু করে। উপায় না পেয়ে সম্রাটের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারের বরাবর অভিযোগ করি। পরে সম্রাটেকে বাগেরহাট বদলি করে দেওয়া হয়। সেখানে গিয়েও বিয়ের দাবি করা হয়। বৃহস্পতিবার বাগেরহাট গিয়ে জানতে পারি শুক্রবার সম্রাটের বিয়ে হচ্ছে। 

এমন খবরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সম্রাটের বাড়ি ঝিনাইদহ শহরের আলহেরা স্কুলপাড়ায় অবস্থান নিয়েছি।

এদিকে সম্রাটের পরিবার থেকে বলা হচ্ছে শারমিনের সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই। সম্রাটের পিতা বাবলু বলেন, আমার ছেলের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হচ্ছে। আমার ছেলের সাথে যে মেয়েটার সম্পর্ক রয়েছে তার কোন প্রমাণ দিতে পারেনি মেয়েটি। শারমিনের সাথে সম্রাটের কোন সম্পর্ক নেই বা ছিল না। আমার ও আমার পরিবারের মান-সম্মান ক্ষুন্ন করার জন্য মেয়েটা মিথ্যাচার করছে।

আরও পড়ুন:

অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


 

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ সোহেল রানা জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এর আগেও মেয়েটি এসেছিল। কিন্তু মেয়েটির সাথে পুলিশ সদস্য সম্রাটের সম্পর্কের কোন প্রমাণ সে দিতে পারেনি। তবে মেয়েটি যদি অভিযোগ দেয় তাহলে তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

প্রেমের টানে ১৪ বছরের কিশোরের সাথে বাড়িছাড়া চাচি!

অনলাইন ডেস্ক

প্রেমের টানে ১৪ বছরের কিশোরের সাথে বাড়িছাড়া চাচি!

প্রতিনিয়তই ঘটনাবহুল এই বিশ্বে কিছু না কিছু ঘটছেই। এর মধ্যে কিছু ঘটনা আমাদের আনন্দ দেয়, আর কিছু ঘটনা আমাদেরকে নাড়া দিয়ে যায়। আবার কিছু ঘটনা আমাদের কিংকর্তব্যবিমুঢ় করে দেয়। এমনই এক আশ্চর্য ঘটনা ঘটেছে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালীয় ইউনিয়নের দেওতলা গ্রামে। এই গ্রামের পাশের বাড়ির চাচির ওয়াইফাই দিয়ে গেম খেলেতে যেত ১৪ বছরের এক কিশোর। এরপর একসময় তাদের মধ্যে সখ্যতা গড়ে ওঠে, একপর্যায়ে তা প্রেমে গড়ায়। অবশেষে সম্পর্কে চাচি-ভাতিজা সিদ্ধান্ত নেয় প্রেমের টানে বাড়ি ছাড়ার। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিবার-স্বজনদের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে আসে রাজধানী ঢাকায়। 

সম্প্রতি এ ঘটনাটি ঘটেছে। দেওতলা গ্রামের ওই কিশোরের বাবা সৌদি আরব প্রবাসী। মেধাবী কিশোর অয়ন অষ্টম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পায়। 

প্রেমের টানে চাচির হাত ধরে পালিয়ে গেলে থানায় ‘নিখোঁজের’ সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে অয়নের পরিবার। জিডির অনুসন্ধানে নেমে পুলিশ ঢাকা থেকে তাদের উদ্ধারের পর বিষয়টি জানাজানি হয়।

থানা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ অক্টোবর অয়ন বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। ২৪ অক্টোবর থানায় জিডি করে পরিবার। জিডির সূত্রে মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে ঢাকার নাখালপাড়া থেকে অয়ন ও তার ২০ বছর বয়সী চাচিকে উদ্ধার করে পুলিশ। সেখানে একটি বাসা ভাড়া নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন তারা।

আরও পড়ুন:

মা কালী সেজে জনগণকে তাক লাগালেন রিখিয়া

আরিয়ানের জামিন শুনানি আজ, টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়ার প্রস্তাব


 

অয়ন জানায়, চাচির বাড়িতে গিয়ে ওয়াইফাই দিয়ে মোবাইল ফোনে গেম খেলতো সে। একদিন চাচি তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। কিছু না বুঝেই অয়ন রাজি হয়। তাদের মধ্যে ৩-৪ মাস প্রেম চলে। এসময় বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতেও যায় তারা।

এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বলেন, জিডির অনুসন্ধানে নেমে তাদেরকে ঢাকার নাখালপাড়া থেকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছে প্রেমের টানে ঘরে ছেড়েছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

হেফাজতের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী হাসপাতালে ভর্তি

অনলাইন ডেস্ক

হেফাজতের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী হাসপাতালে ভর্তি

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী অসুস্থ হয়ে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সোমবার (২৫ অক্টোবর) রাতে হেফাজতের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর মোহাম্মদ ইদরীস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বার্ধক্যজনিত রোগের পাশাপাশি কয়েকদিন ধরে জ্বরে আক্রান্ত তিনি। এক পর্যায়ে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সোমবার ফটিকছড়ি উপজেলার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বয়স ৮৪ বছর।

হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মো. ইদরীস জানান, এখন তিনি কিছুটা সুস্থ আছেন। তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

আরও পড়ুন:

মা কালী সেজে জনগণকে তাক লাগালেন রিখিয়া

আরিয়ানের জামিন শুনানি আজ, টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়ার প্রস্তাব


 

প্রসঙ্গত, গত ১৯ আগস্ট হেফাজতে ইসলামের তৎকালীন আমির জুনায়েদ বাবুনগরীর মৃত্যুর পর আমির পদটি শূন্য হয়। সেদিনই জানাজার আগে জুনায়েদ বাবুনগরীর মামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে আমির ঘোষণা করেন সংগঠনের মহাসচিব নুরুল ইসলাম হাশেমী। এর আগে তিনি ছিলেন হেফাজতের প্রধান উপদেষ্টা।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ফার্নিচার গোডাউনের আগুন নিয়ন্ত্রণে

অনলাইন ডেস্ক

ফার্নিচার গোডাউনের আগুন নিয়ন্ত্রণে

রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় সাতারকুল জিএম বাড়ি এলাকায় একটি ফার্নিচারের গোডাউনে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিটের প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় শনিবার (২৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আবদুল হালিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানা যায়নি। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।


 আরও পড়ুন : ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৫৫ রান টপকালো ৫০ বলে ইংল্যান্ড!


 

আগুনে পুড়ে যাওয়া মার্কেটের পাশের দোকানের মালিক রাব্বি হাসান বলেন, আমি রাত পৌনে ১০টায় দোকান বন্ধ করেছি। এসময় ওই দোকানের ম্যানেজারও দোকান বন্ধ করছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে দোকানের একদম ভেতর আগুন দেখতে পান তিনি। কিছুক্ষণ পর বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হলে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

পরিচ্ছন্নতাকর্মী বন্ধুকে ভোলেননি প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

পরিচ্ছন্নতাকর্মী বন্ধুকে ভোলেননি প্রতিমন্ত্রী

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরিচ্ছন্নতাকর্মী (সুইপার) এর দায়িত্ব থেকে অবসর নিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মোঃ এনামুর রহমানের বাল্যবন্ধু  ছিতুয়ার। ডা. মোঃ এনামুর রহমান মন্ত্রী হলেও আকস্মিকভাবে বাল্যবন্ধুর সাথে দেখা হওয়ার পর তার সাথে ছবি তোলেন তিনি। এরপর সেই ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে শৈশবের স্মৃতিচারণ করে একটি স্ট্যাটাস লিখেছেন তিনি।

সেখানে তিনি লিখেন, আমি বুঝতে পারছিলাম, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে চারপাশের প্রটোকলের আবহ ছিতুয়া আর আমার সম্পর্কের মধ্যে এক অদৃশ্য দেয়াল টেনে দিচ্ছে।

নিউজ টোয়েন্টিফোর টেলিভিশনের দর্শক-পাঠকদের জন্য সে স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো,
“পতাকাবাহী গাড়ি। পুলিশ প্রটোকল। বাড়তি লোকজনের ভিড়। এসব দেখে কিছুটা হতভম্ব ছিতুয়া। আমাদের সেই বন্ধুত্বের আবেগ আর আমার দুরন্তপনার দিনগুলো তখন অতীতের স্মৃতির ঝাঁপি খুলে জ্বলজ্বলে তারা হয়ে উপস্থিত আমার চোখের সামনে। কিন্তু ছিতুয়া প্রচন্ড আড়ষ্ট। নিজেকে আড়াল করার কি ব্যর্থ চেষ্টা! আমি বুঝতে পারছিলাম, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে চারপাশের প্রটোকলের আবহ ছিতুয়া আর আমার সম্পর্কের মধ্যে এক অদৃশ্য দেয়াল টেনে দিচ্ছে। জনারণ্যে “এ্যাই ছিতুয়া “বলে ডাকতেই ফিরে তাকালো সে। 

পড়ন্ত বয়সেও যেন সেই হারানো যৌবনের চকচকে চোখে মৃদু হাসিতে তাকালো আমার দিকে। দৃষ্টি বিনিময় হতেই বন্ধুকে বুকে টেনে নিয়ে বুক ফুলিয়ে গর্বের সাথে বললাম, এই ছিতুয়াই আমার স্কুলের বন্ধু। ছিতুয়ার তখন ছল ছলে চোখ। আমারও গোপন অশ্রুবিন্দু গুলো তখন স্মৃতির মণিমুক্তা হয়ে ভিজিয়ে দিচ্ছে দুই নয়ন। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের পরিচ্ছন্নতাকর্মী (সুইপার) থেকে সম্প্রতি অবসর নিয়েছে ছিতুয়া। ছিতুয়ার পর পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে ধারাবাহিক পেশাগত সম্পর্ক ধরে রেখেছে বৌদি গীতা রানী। সেও এখন সুইপার পদে কর্মরত। তো আসছি ছিতুয়ার প্রসঙ্গে। আমার বাবা মরহুম আক্তারুজ্জামান খান ছিলেন এই অফিসেরই উচ্চমান সরকারি ( ইউডি এসিস্ট্যান্ট)। আর ছিতুয়ার মা (আমাদের প্রিয় মাসি মা) চানিয়া রানী ছিলেন সুইপার।তখন ছিলো স্বর্ণালীযুগ।

 আমরা যে মূল্যবোধে বেড়ে উঠছিলাম, সেখানে জাতপাতের কোন বালাই ছিল না। আরো অন্যান্য বন্ধুদের মতো ছিতুয়া ও ছিলো আমার দুরন্ত শৈশব আর কৈশোরের অসাধারণ এক বন্ধু। রংপুরের রবার্টসনগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত আমাদের সঙ্গেই ছিলো ছিতুয়া। তারপর পড়াশোনায় সে ইস্তফা দিলেও আমাদের বন্ধুত্বে ভাটা পড়েনি কখনো। আহারে জীবন। আমার সোনালী অতীত। সোনালী কৈশোরের কত শত স্মৃতি মাখা এই রংপুর। আজ ছিতুয়া ঝাপসা করে দিচ্ছে আমার চোখদুটো। 

ছিতুয়া আর আমার দূরন্তপনায় রীতিমতো অস্থির থাকতো পানি উন্নয়ন বোর্ডের কলোনি। আমি দুঃসাহসী “গেছো” ছিলাম। যে কোন গাছে কাঠবিড়ালের মতো তরতর উঠে পড়তে আমার আর ছিতুয়ার ছিলো জুড়ি মেলা ভার। তো কলোনির আঙিনায় সারি সারি নারিকেল গাছের নারকেল পরিপক্ক হবার আগেই তা আমাদের কারণে সাবাড় হয়ে যেতো। তেমনি আম কাঁঠাল-ও। জীবনের পড়ন্ত বেলায় এসে কৈশোরের হারিয়ে যাওয়া স্মৃতিগুলো একদিকে যেমন আনন্দের অন্যদিকে অনেক কষ্টের। 

আরও পড়ুন :  নামাজরত অবস্থায় মসজিদে ঢুকে হাফেজ-ইমামসহ ৪ জনকে হত্যা : গ্রেফতার ৮

সেই আনন্দ আর কষ্টের মিশেলে ভিন্ন‌ এক অনুভূতি আজ উপহার হিসেবে তুলে দিয়েছে আমার বন্ধু ছিতুয়া। সরকারী চাকরী কনটিনিউ করলে বেশ কয়েক বছর আগে আমার নিজেরও অবসর নিতে হতো। আমার বন্ধুদের অনেকেই দেশবরেণ্য চিকিৎসক, সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত লেফটেনেন্ট জেনারেল, অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিবসহ আরো কত কি! ছিতুয়া অবশ্যই তাদের তুলনায় কম কিছু নয়। বন্ধু মানে আস্থা, নির্ভরতা। বন্ধু মানে ভালোবাসা, যেখানে থাকে না কোনো স্বার্থ। গাড়ির পতাকা,প্রটোকল,পদ-পদবী,সামাজিক অবস্থান এগুলো সব কিছুই সাময়িক। কিন্তু বন্ধুত্বের বন্ধন চিরদিনের। ছিতুয়া বন্ধু আমার। তোর জন্য ভালোবাসা।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মাদ্রাসার নামকরণ নিয়ে উত্তেজনা, হাতাহাতিতে বৃদ্ধের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

মাদ্রাসার নামকরণ নিয়ে উত্তেজনা, হাতাহাতিতে বৃদ্ধের মৃত্যু

মাদ্রাসার নামকরণ নিয়ে বিরোধ শুরু হয়। বিরোধ এক পর্যায়ে  কথা কাটাকাটিতে রুপ নেয়। কিন্তু কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে  রুহুল আমিন (৭০) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত রুহুল চট্টগ্রামের পটিয়ায়র আমিন উপজেলার আশিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মৃত শফিউর রহমানের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আশিয়া মল্লাপাড়ার মুন্সি পুকুর পাড় এলাকায় আশিয়া মল্লাপাড়া আহমদিয়া রহমানিয়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসাটি ১৯৮০ সালে স্থাপিত হয়। স্থানীয় কবির আহমদ চৌধুরী, রুহুল আমিন ও নুরুল আমিন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান করেছিলেন। তৎকালীন আবুল বাড়ির বংশের লোকেরা এই মাদ্রাসা পরিচালনা করতেন। পরে মাদ্রাসাটা একই এলাকার জামাল উদ্দিনকে পরিচালনার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেসময় মাদ্রাসা কমিটি বিহীন এককভাবে পরিচালনা করেন, ফলে ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যায় মাদ্রাসার কার্যক্রম। বর্তমানে মাদ্রাসা ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে ।

এ অবস্থায় মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা কবির আহমদ চৌধুরীর চার ছেলে মাদ্রাসাটি সংস্কারের উদ্যোগ নেন। কিন্তু স্থানীয় কামাল উদ্দিন ও তার ছেলে রাসেল সহ কয়েকজন মাদ্রাসাটি দখলে নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে।

কামাল উদ্দিন ও তার ভাইরা মাদ্রাসার দখল না ছাড়ায় সংস্কার কাজ করা যাচ্ছিল না। এর মধ্যে গত ৬ অক্টোবর রুহুল আমিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি লিখত অভিযোগ দাখিল করেন। এতে অভিযোগ করা হয়, কামাল উদ্দিন, জামাল উদ্দিনরা মিলে মাদ্রাসা কক্ষগুলো নিজস্ব মালামাল, মুরগী ও গো-খাদ্য রাখার গোডাউন হিসেবে ব্যবহার করছে।

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর বৈঠকের আয়োজন করা হয়। কিন্তু বৈঠকের আগেই রুহুল আমিন সকাল এগারোটার দিকে মুন্সি পুকুর পাড় মাদ্রাসা এলাকায় আসলে তাকে দেখে কামাল উদ্দিন ও তার অনুসারীরা গালিগালাজ করতে থাকেন। তখন উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়।

একপর্যায়ে রুহুল আমিনের শরীরে সজোরে ধাক্কা লাগলে তিনি সাথে সাথে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এসময় তাকে উদ্ধার করে পটিয়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন :  ১২০ সেকেন্ডে মুহিবুল্লাহকে হত্যা করেন তারা

পটিয়া থানার পরিদর্শক (ওসি) রেজাউল করিম মজুমদার বলেন, মুন্সি পুকুর পাড় এলাকায় একটা মাদ্রাসার নাম করনের বিরোধের জের ধরে এ ঘটনাটি ঘটেছে। শুক্রবার দুপুরে এ মাদ্রাসা নামকরণের বিরোধ নিয়ে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই সকালে উভয় পক্ষের লোকজনের কথা-কাটাকাটির সময় রুহুল আমিন থামাতে গেলেই এক পর্যায়ে তিনি মাথা ঘুরে পড়ে যান। ধারণা করা হচ্ছে তিনি স্ট্রোক করেছেন। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিব।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর