আহছানিয়া মিশনে চাকরির সুযোগ, বেতন ৩৭৭৯২ টাকা

অনলাইন ডেস্ক

আহছানিয়া মিশনে চাকরির সুযোগ, বেতন ৩৭৭৯২ টাকা

সম্প্রতি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ঢাকা আহছানিয়া মিশন। আগ্রহীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ তারিখ আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রতিষ্ঠানের নাম- ঢাকা আহছানিয়া মিশন, হেলথ সেক্টর

পদের নাম- অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড অ্যাডমিন অফিসার

পদের সংখ্যা- ১টি

কাজের ধরন - পূর্ণকালীন

কর্মস্থল- ঢাকা

আবেদন যোগ্যতা

যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাস।

একাডেমিক পর্যায়ে কোন তৃতীয় বিভাগ গ্রহনযোগ্য নয়।

সংশ্লিষ্ট কাজে কমপক্ষে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

যোগাযোগ দক্ষতা থাকতে হবে।

বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় সাবলীল হতে হবে।

কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।

আরও পড়ুন


যে কারণে ২৫ বছর পর চুল কাটলেন অপরাজিতা!

আমাদের ফোন পেগাসাসের মাধ্যমে ট্যাপ করা হয়েছে

যারা কিয়ামতের দিন অন্ধ হয়ে উঠবে

পরিবেশ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধতা পৃথিবীকে বাঁচাবে : তথ্যমন্ত্রী


আবেদন যেভাবে

আগ্রহীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন বিডি জবসের মাধ্যমে।

বেতন ও সুযোগ সুবিধা

 মাসিক বেতন ৩৭৭৯২ টাকা

অন্যান্য সুযোগ সুবিধা প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুসারে প্রদান করা হবে।

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর

ঘর থেকে বের হওয়ার দোয়া

অনলাইন ডেস্ক

ঘর থেকে বের হওয়ার দোয়া

আমাদের প্রিয়নবী হযরত মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার প্রিয় উম্মতেকে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় মহান রবের ওপর ভরসা করে বের হওয়ার জন্য সুপরামর্শ দিয়েছেন। 

দোয়াটি পড়ে বের হওয়ার পর থেকে ঘরে ফেরার আগ পর্যন্ত সে আল্লাহ তাআলার জিম্মায় থাকবে। বাহিরের জটিল ও কঠিন বিপদ-আপদ থেকে বেঁচে যাবে।


بِسْمِ اللهِ تَوَكَّلْتُ عَلىَ اللهِ وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ اِلاَّ بِاللهِ

বাংলা উচ্চারণ:- বিসমিল্লাহি তাওয়াক’কালতু আলাল্লাহি ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কু’ওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।

ফজিলত :-

রাসূল বলেছেন যে ব্যক্তি এই দোয়া পড়ে ঘর থেকে বের হবে সকল বিপদ থেকে সে নিরাপদে থাকবে ও ইবলিশ শয়তান তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। (তিরমিজী শরীফ, খন্ড-২ পৃষ্ঠা-১৮০)।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

অমুসলিমদের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় ইসলামের নির্দেশনা

কাসেম শরীফ

অমুসলিমদের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় ইসলামের নির্দেশনা

সম্প্রতি পূজামণ্ডপে কোরআন অবমাননাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু অমুসলিমদের উপাসনালয়, তাদের ঘরবাড়ি ইত্যাদির ওপর দুর্বৃত্তদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের খবরের সঙ্গে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল প্রমাণ ছাড়া একে অন্যকে দোষারোপ করছে। ইসলাম কখনো সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা উসকে দেওয়াকে সমর্থন করে না। যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে থাকে, তারা শুধু ইসলামের শত্রু নয়, বিশ্বমানবতার শত্রু। আমরা মনে করি, কোরআন অবমাননার অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার। কিন্তু উপযুক্ত ও বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণসহ অপরাধীকে খুঁজে বের করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সুনিশ্চিত প্রমাণ ছাড়া কাউকে হয়রানি করা গর্হিত অপরাধ। অন্যদিকে অন্যায়ভাবে কোনো অমুসলিমের উপাসনালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও ঘর-বাড়িতে আগুন দেওয়া অমার্জনীয় অপরাধ। যারা এসব কাজে জড়িত, তাদেরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। এসব কাজ দেশে বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির নামান্তর। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ এসব কর্মকাণ্ডকে কঠোর ভাষায় নিষিদ্ধ করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং পৃথিবীতে ফিতনা-ফ্যাসাদ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে সচেষ্ট হয়, তাদের শাস্তি হলো, তাদের হয়তো হত্যা করা হবে, নয়তো শূলে চড়ানো হবে অথবা হাত-পা বিপরীত দিক থেকে কেটে দেওয়া হবে কিংবা তাদের দেশান্তর করা হবে। এটা হলো তাদের পার্থিব লাঞ্ছনা আর পরকালে তাদের জন্য আছে আরো কঠোর শাস্তি।’ (সুরা মায়েদা, আয়াত : ৩৩)

উপরোল্লিখিত আয়াতে মহান আল্লাহ সমাজে বিশৃঙ্খলা, ফিতনা-ফ্যাসাদ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-হাঙ্গামার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান সুস্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছেন।

নির্দোষ ও নিরাপরাধ অমুসলিমরা মুসলিম দেশে বসবাস করলে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ পাওয়া তাদের অধিকার।

কোনো অবস্থাতেই তাদের জীবন ও সম্পদের ক্ষতি করা যাবে না। সর্বাবস্থায় তাদের প্রতি মহানুভবতা দেখাতে হবে। ন্যায়বিচার পাওয়া তাদের অধিকার। ইরশাদ হয়েছে, ‘দ্বিনের ব্যাপারে যারা তোমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করেনি এবং তোমাদের নিজ দেশ থেকে বিতাড়িত করেনি, তাদের প্রতি মহানুভবতা প্রদর্শন ও ন্যায়বিচার করতে আল্লাহ তোমাদের নিষেধ করেন না। আল্লাহ তো ন্যায়পরায়ণদের ভালোবাসেন।’ (সুরা : মুমতাহিনা, আয়াত : ৮)

যেসব অমুসলিম মুসলিম দেশে জিম্মি হিসেবে (মুসলিম রাষ্ট্রের আইন মেনে) বসবাস করে, তাদের হত্যা করা যাবে না। তেমনি যারা ভিসা নিয়ে মুসলিম দেশে আসে, তাদের হত্যা করা যাবে না। তাদের জানমালের নিরাপত্তা মুসলমানদের মতোই অপরিহার্য। হাদিস শরিফে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি কোনো অমুসলিম নাগরিককে হত্যা করল, সে জান্নাতের সুগন্ধিও পাবে না, অথচ তার সুগন্ধি ৪০ বছরের রাস্তার দূরত্ব থেকেও পাওয়া যায়।’ (বুখারি, হাদিস : ৩১৬৬)

সব ধর্ম ও মতাদর্শের মানুষ ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোকে শ্রদ্ধার চোখে দেখে এবং কোনো উপাসনালয়ে হামলা যেকোনো আইনের চোখে অপরাধ। শান্তির ধর্ম ইসলাম এ বিষয়ে সর্বাধিক সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে। প্রয়োজনে অন্য ধর্মের উপাসনালয় রক্ষায় যুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। সব ধর্মের উপাসনালয় রক্ষা কোরআনের দাবি। এ বিষয়ে কোরআনের ভাষ্য এমন : ‘...আল্লাহ যদি মানবজাতির এক দলকে অন্য দল দ্বারা প্রতিহত না করতেন, তাহলে বিধ্বস্ত হয়ে যেত খ্রিস্টান সংসারবিরাগীদের উপাসনাস্থল, গির্জা, ইহুদিদের উপাসনালয় ও মসজিদসমূহ, যার মধ্যে আল্লাহর নাম অধিক স্মরণ করা হয়...।’ (সুরা : হজ, আয়াত : ৪০)

অমুসলিমদের উপাসনালয় রক্ষায় ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা ওমর (রা.) একটি রাজকীয় ফরমান জারি করেছিলেন। বায়তুল মুকাদ্দাসের খ্রিস্টানদের জন্য তিনি একটি সংবিধান রচনা করেছিলেন। তাতে লেখা ছিল, ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। এটি একটি নিরাপত্তাসংক্রান্ত চুক্তিনামা, যা মুসলমানদের আমির, আল্লাহর বান্দা ওমরের পক্ষ থেকে স্বাক্ষরিত হলো। এই চুক্তিনামা ইলিয়াবাসী তথা জেরুজালেমে বসবাসরত খ্রিস্টানদের জীবন ও সম্পদ, গির্জা-ক্রুশ ও খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের জন্য প্রযোজ্য। সুতরাং চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর তাদের উপাসনালয়ে অন্য কেউ অবস্থান করতে পারবে না। তাদের গির্জা ধ্বংস করা যাবে না এবং কোনো ধরনের ক্ষতি সাধন করা যাবে না। তাদের নিয়ন্ত্রিত কোনো বস্তু, তাদের ধর্মীয় প্রতীক ক্রুশ ও তাদের সম্পদের কোনো ধরনের ক্ষতি সাধন বা হামলা করা যাবে না। (তারিখুর রাসুল ওয়াল মুলুক, তারিখে তাবারি, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৪৪৯)

আরও পড়ুন


টি-টোয়েন্টিতে রেকর্ড, মালিঙ্গার ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছিলেন সাকিব

চিকিৎসকের আত্মহত্যা, লাশের পাশে পড়ে থাকা চিঠিতে যা লেখা ছিল

আরেক দফায় বেড়েছে ভোজ্য তেলের দাম, সয়াবিন লিটার প্রতি ১৬০ টাকা

বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন আজ


কোরআন-হাদিসের উপরোল্লিখিত উদ্ধৃতি দ্বারা এ কথা স্পষ্ট হয়েছে যে সংখ্যালঘু অমুসলিমদের ওপর হামলা করা, ঘর-বাড়ি বা উপাসনালয়ে আক্রমণ করা ইসলাম কোনোভাবেই সমর্থন করে না। 

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

মাতা-পিতার জন্য সন্তানদের দোয়া

অনলাইন ডেস্ক

মাতা-পিতার জন্য সন্তানদের দোয়া

সন্তানদের প্রতি মাতা-পিতার এবং মাতা-পিতার জন্য সন্তানদের যে দোয়া করতে হয় জেনে নিন... 

উচ্চারণ: রাব্বিজ আলনী মুতিমাছ ছালাতি ওয়ামিন জুররি ইয়াতি, রাব্বানা ওয়াতাকাব্বাল দুয়া, রাব্বানাগ ফিরলি ওয়ালি ওয়ালি দাইয়া ওয়ালিল মু’মিনিনা ইয়াওয়া ইয়াকুমুল হিসাব। (সূরা ইব্রাহিম, আয়াতঃ ৪০-৪১) 

বাংলা অর্থ: হে আমার পালনকর্তা, আমাকে নামাজ কায়েমকারী বানাও আর আমার সন্তানদের মধ্য থেকেও। হে আল্লাহ্ আমার দোয়া কবুল করে নাও। হে আল্লাহ্ আমাকে ও আমার মাতা- পিতাকে আর সকল ঈমানদার লোকদের সেদিন ক্ষমা করে দিও, যেদিন হিসাব কার্যকর হবে।

মহান আল্লাহ তাআলা দোয়া কবুল করার তাওফিক দান করুন। আমিন। 

আরও পড়ুন


টি-টোয়েন্টিতে রেকর্ড, মালিঙ্গার ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছিলেন সাকিব

চিকিৎসকের আত্মহত্যা, লাশের পাশে পড়ে থাকা চিঠিতে যা লেখা ছিল

আরেক দফায় বেড়েছে ভোজ্য তেলের দাম, সয়াবিন লিটার প্রতি ১৬০ টাকা

বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন আজ

news24bd.tv রিমু  

 

পরবর্তী খবর

কুরআন ও হাদীসের আলোকে মানসিক প্রশান্তি লাভের উপায়

অনলাইন ডেস্ক

কুরআন ও হাদীসের আলোকে মানসিক প্রশান্তি লাভের উপায়

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রতি ৪০ সেকেন্ডে কেউ না কেউ আত্মহত্যার মাধ্যমে প্রাণ হারায়। এসব আত্মহত্যাকারীরা কোনো না কোনোভাবে মানসিক রোগে আক্রান্ত থাকে। এ থেকে বুঝা যায়, মানসিক সুস্বাস্থ্য ও প্রশান্তি মানুষের কতবেশি জরুরি। কিন্তু এ মানসিক প্রশান্তি পাওয়ার উপায় কী?

১. নিয়মিত জিকির করা

জিকির মানুষের অন্তরকে প্রফুল্ল করে তোলে। সব দুঃশ্চিন্তা ও হতাশা থেকে মুক্ত থাকে মুমিন। আল্লাহ তাআলা বলেন-

الَّذِينَ آمَنُواْ وَتَطْمَئِنُّ قُلُوبُهُم بِذِكْرِ اللّهِ أَلاَ بِذِكْرِ اللّهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوبُ

যারা বিশ্বাস করেছে এবং আল্লাহর স্মরণে যাদের অন্তর প্রশান্ত হয়। জেনে রাখ! আল্লাহর স্মরণেই (মানুষের) অন্তর প্রশান্ত হয়।’ (সুরা রাদ : আয়াত ২৮)

২. চিকিৎসা গ্রহণ

চূড়ান্ত মানসিক অসুস্থতায় প্রথমেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অধীনে চিকিৎসা নেওয়ার বিকল্প নেই। ইসলামে প্রচলিত দিনির্দেশনা ও চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করা নিষিদ্ধ নয়। তবে উন্মাদনাসহ সব ধরনের মানসিক রোগের ক্ষেত্রে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের চিকিৎসা গ্রহণ করা জরুরি। পাশাপাশি আল্লাহর কাছে দোয়া করা এবং ডাক্তারের দেওয়া ঔষধ-পথ্য চালিয়ে যাওয়া।

৩. নিয়মিত কোরআন পড়া

কোরআন তেলাওয়াতে মানুষের মনের স্থির হয়। মানসিক বিষন্নতা কমে যায়। কোরআন মানুষের জন্য মানসিকসহ অনেক রোগের সুচিকিৎসা এবং রহমত। আল্লাহ তাআলা বলেন-

نُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاء وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ وَلاَ يَزِيدُ الظَّالِمِينَ إَلاَّ خَسَارًا

‘আমি কোরআনে এমন বিষয় নাজিল করেছি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত। গোনাহগারদের তো এতে শুধু ক্ষতিই বৃদ্ধি পায়।’ (সুরা বনি ইসরাইল : আয়াত ৮২)

৪. নামাজে যত্নবান হওয়া

বিষন্নতা ও অস্থিরতায় সুস্থ থাকতে নামাজে মনোযোগী হওয়া জরুরি। নামাজ মানুষের মনকে স্থির করে দেয়। যাবতীয় মানসিক অস্থিরতা দূর করে দেয়। যার প্রমাণ স্বয়ং বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। অস্থিরতা দূর করতে নামাজের ভূমিকা সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন-

إِنَّ الْإِنسَانَ خُلِقَ هَلُوعًا إِذَا مَسَّهُ الشَّرُّ جَزُوعًا وَإِذَا مَسَّهُ الْخَيْرُ مَنُوعًا إِلَّا الْمُصَلِّينَ الَّذِينَ هُمْ عَلَىٰ صَلَاتِهِمْ دَائِمُونَ

‘নিশ্চয়ই মানুষ ভীরুরূপে সৃজিত হয়েছে। যখন তাকে অনিষ্ট স্পর্শ করে, তখন সে হা-হুতাশ করে (মনে অস্থিরতা তৈরি হয়)। আর যখন কল্যাণপ্রাপ্ত হয়, তখন কৃপণ হয়ে যায়। তবে তারা স্বতন্ত্র, যারা নামাজ আদায়কারী। যারা তাদের নামাজে সার্বক্ষণিক কায়েম থাকে।’ (সুরা মাআরিজ : আয়াত ১৮-২৩)

’তোমরা নামাজ ও ধৈর্যের মাধ্যমে আমার সাহায্য প্রার্থনা কর। কিন্তু সে সমস্ত বিনয়ী লোকদের পক্ষেই তা সম্ভব।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ৪৫)

হাদিসে এসেছে, وكان –ﷺ– إذا حزبه أمرٌ فزِعَ إلى الصلاة রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন অস্থির হয়ে যেতেন তখন তিনি নামাজে দাড়িয়ে যেতেন।’ (আবু দাউদ)

৫. ক্ষমা প্রার্থনা করা

মানসিক চাপ সামলাতে ইসতেগফার কার্যকরী আমল। যেসব কারণে মানসিক চাপ বাড়ে, তন্মধ্যে অন্যায়-অপরাধে জড়ানো, অর্থকষ্টে থাকা, সন্তান-সন্তুতি না থাকা, জীবিকার অপ্রতুলতা ইত্যাদি হতাশা। এ সবের সমাধানে কুরআন-সুন্নাহর নির্দেশনা হলো ইসতেগফার করা। কুরআনে এসেছে-

- ‘অতপর বলেছি- তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের উপর অজস্র বৃষ্টিধারা ছেড়ে দেবেন। তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্তুতি বাড়িয়ে দেবেন, তোমাদের জন্যে উদ্যান স্থাপন করবেন এবং তোমাদের জন্যে নদীনালা প্রবাহিত করবেন।’ (সুরা নুহ : আয়াত ১০-১২)

- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নিয়মিত ইসতেগফার করবে, আল্লাহ তাআলা তার সব সংকট থেকে উত্তরণের পথ বের করে দেবেন। তার সব দুঃশ্চিন্তা মিটিয়ে দেবেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে তার রিজিকের ব্যবস্থা করে দেবেন।’ (আবু দাউদ)

৬. তাকদিরে বিশ্বাস রাখা

সুখ-দুঃখ, ভালো-মন্দ সব কিছুর ক্ষেত্রেই মুমিন বান্দা তাকদিরের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে। আর দুঃখ-হতাশা, অভাব-অনটন, বিপদ-আপদ, নিঃসন্তান ইত্যাদি বিষয়ে মানুষ মানসিক চাপে ভোগে। তাই মানসিক চাপের সময় মহান আল্লাহর উপর ভরসা করে তাকদিরর উপর ছেড়ে দেওয়ায় রয়েছে মানসিক প্রশান্তি। আল্লাহ তাআলা বলেন-

> ’আল্লাহ তোমাদের কষ্ট দিলে তিনি ছাড়া অন্য কেউ তা মোচন করতে পারে না। আর আল্লাহ যদি তোমার মঙ্গল চান, তাহলে তাঁর অনুগ্রহ পরিবর্তন করারও কেউ নেই।’ (সুরা ইউনুস : আয়াত ১০৭)

> ‘পৃথিবীতে অথবা ব্যক্তিগতভাবে তোমাদের ওপর যে বিপর্যয় আসে আমি ইহা সংঘটিত করার আগেই ইহা লিপিবদ্ধ থাকে; আল্লাহর পক্ষে ইহা খুবই সহজ।’ (সুরা হাদিদ : আয়াত ২২)

৭. নেশা ছেড়ে মধু পান করা

নেশা ছেড়ে নিয়মিত মধু পান করা। ইসলামে মধুকে (মানসিক ও শারীরিক)সব রোগের ওষুধ মনে করা হয়। মধুর প্রাকৃতিক ওষুধি গুণাগুণ শরীরের যাবতীয় বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদান বের করে দেয় যা মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে অপরিহার্য। মধু পানে নবি ঈসা ও আইয়ুব আলাইহিস সালাম বিশেষভাবে উপকৃত হয়েছিলেন। পবিত্র কোরআনেও মধুকে শেফা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

৮. হালাল ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাওয়া

অস্বাস্থ্যকর ও হারাম খাবার গ্রহণ না করা। এটি নিশ্চিত যে মানুষের শরীর ও মনে হারাম ও অস্বাস্থ্যকর খাবার বিরূপ প্রক্রিয়া করে। যারা হারাম খেয়ে দিব্যি সুস্থ আছে; কিন্তু তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করলে জানা যায়, শারীরিকভাবে সুস্থ থাকলেও তারা মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত।

৯. পরিবারের সান্নিধ্যে থাকা

মানসিক যেকোনো রোগ বা অশান্তিতে পরিবার কাছে থাকা খুবই জরুরি। পারিবারিক সান্নিধ্য মানসিক অশান্তি দূর হওয়ার সবচেয়ে কার্যকরী সমাধান। পরিবারের সদস্যদের ভালোবাসা ও সেবায় দ্রুত মানসিক রোগ ও বিষন্নতা দূর হয়। এ কারণে সবসময় প্রিয় মানুষগুলোর মধ্যে থাকার চেষ্টা করা, এতে মনের যাবতীয় ক্ষোভ ও হতাশা দূর হয়ে যাবে। জীবনের সুখ শান্তি ষোল আনাই নির্ভর করে মানসিক প্রশান্তির ওপর।

আরও পড়ুন:

মেয়াদ-বেতন দুটোই বাড়ছে টাইগার কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর

পরের দুই ম্যাচ জিতলেও মূল পর্ব অনিশ্চিত টাইগারদের

নবীর ভবিষ্যদ্বাণী, বৃষ্টির মতো বিপদ নেমে আসবে

ডেলিভারি বয় থেকে বিশ্বকাপে অঘটনের নায়ক


নিয়মিত ধর্মীয় বোধ-বিশ্বাস ও অনুষ্ঠানাদিতে মানসিক দুঃশ্চিন্তা, হতাশা ও উত্তেজনা প্রশমিত হয়। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানীরাও মানসিক কষ্ট দূর করতে ধর্মীয় মূল্যবোধগুলোকে দৃঢ়ভাবে লালন করতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। কারণ যারা নিয়মিতভাবে ধর্মীয় বিষয়াদিতে মনোযোগী হয় তাদের মানসিক সুস্থতা অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি।

আল্লাহ তাআলা মসুলিম উম্মাহসহ সবার ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, কর্মক্ষেত্রের সব মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থেকে কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক জীবন পরিচালনার মাধ্যমে মানসিক চাপমুক্ত জীবন গড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

সুরা লাহাবের অর্থ ও উচ্চারণ

অনলাইন ডেস্ক

সুরা লাহাবের অর্থ ও উচ্চারণ

সুরা লাহাব পবিত্র কুরআনের ১১১ নম্বর সূরা। এর আয়াত সংখ্যা ৫ এবং সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। আবু লাহাবের আসল নাম ছিল আবদুল ওয্‌যা। সে ছিল আবদুল মোত্তালিবের অন্যতম সন্তান। 

গৌরবর্ণের কারণে তার ডাক নাম হয়ে যায় আবু লাহাব। কোরআন পাক তার আসল নাম বর্জন করেছে। কারণ সেটা মুশরিকসুলভ। এছাড়া ‘আবু লাহাব’ ডাক নামের মধ্যে জাহান্নামের সাথে বেশ মিলও রয়েছে। 

সে রাসুলুল্লাহ্‌ (সাঃ) - এর কট্টর শত্রু ও ইসলামের ঘোর বিরোধী ছিল এবং রাসুলুল্লাহ্‌ (সাঃ)-কে কষ্ট দেয়ার প্রয়াস পেত। তিনি যখন মানুষকে ঈমানের দাওয়াত দিতেন, তখন সে সাথে সাথে যেয়ে তাকে মিথ্যাবাদী বলে প্রচার করত।

আরবি:

 بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
١  تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ وَتَبَّ 
٢ مَا أَغْنَى عَنْهُ مَالُهُ وَمَا كَسَبَ 
٣ سَيَصْلَى نَارًا ذَاتَ لَهَبٍ 
٤ وَامْرَأَتُهُ حَمَّالَةَ الْحَطَبِ 
٥ فِي جِيدِهَا حَبْلٌ مِنْ مَسَدٍ 

উচ্চারণ:

‘বিসমিল্লাহ-হির রহমা-নির রাহীম’

ত্বাব্বাত ইয়াদা- আবী লাহাবিউ ওয়া তাব্বা. মা আগনা- 'আনহু মা-লুহু ওয়ামা- কাসাব. ছাইয়াছলা-না-রানযা-তা লাহাবিউ ওয়ামরাআতুহ, হাম্মা- লাতাল হাত্বোয়াব. ফীজী দিহা- হাবলুম মিম মাসাদ।

বাংলায় অনুবাদ:

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
১. আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক এবং ধ্বংস হোক সে নিজে,
২. কোন কাজে আসেনি তার ধন-সম্পদ ও যা সে উপার্জন করেছে।
৩. সত্বরই সে প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে
৪. এবং তার স্ত্রীও - যে ইন্ধন বহন করে,
৫. তার গলদেশে হবে এক খর্জুরের রশি ।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর