লেকের তলদেশে ২৩ হাজার বছর আগের মানুষের পায়ের ছাপ!

অনলাইন ডেস্ক

লেকের তলদেশে ২৩ হাজার বছর আগের মানুষের পায়ের ছাপ!

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোতে ২৩ হাজার বছর আগের আদি মানুষের যে পায়ের ছাপ পাওয়া গিয়েছিল সে সম্পর্কে একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকেরা ওই ছাপকে মানুষের উপস্থিতির নিদর্শন বলে উল্লেখ করেছেন। বৃহস্পতিবার 'সায়েন্স' জার্নালে এই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে।

হোয়াইট স্যান্ডস ন্যাশনাল পার্কে একটি শুকনো লেকের তলদেশে ওই পায়ের ছাপ পাওয়া গিয়েছিলো। ২০০৯ সালে এক পার্ক ম্যানেজার প্রথম এই ছাপ দেখতে পান। 

মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি এই পদচিহ্নের জীবাশ্মের বয়স যাচাই করেন দেখেছেন। তাতে দেখা যায় ২২ হাজার ৮০০ থেকে ২১ হাজার ১৩০ বছর আগেকার এই জীবাশ্ম।

এশিয়াকে আলাস্কার সঙ্গে স্থলভূমির এক বিস্তীর্ণ অংশ যুক্ত করেছিল বলে বেশিরভাগ বিজ্ঞানী বিশ্বাস করেন। পরে ওই স্থলভূমি সমুদ্রের নিচে হারিয়ে যায়। 

পাথরের তৈরি সরঞ্জাম, জীবাশ্মের হাড় এবং জেনেটিক বিশ্লেষণ সহ বিভিন্ন প্রমাণের উপর ভিত্তি করে গবেষকরা জানিয়েছেন, প্রায় ১৩ হাজার থেকে ২৬ হাজার বছর আগে উত্তর আমেরিকায় মানুষের আগমন হয়েছিল। উত্তর আমেরিকায় ঠিক কোন সময়ে মানুষের উপস্থিতি ছিল, তার সঠিক প্রমাণ দেয় এই সর্বশেষ গবেষণা। 

রও পড়ুন:

সব ফোনের একই চার্জার তৈরির প্রস্তাব, অ্যাপলের আপত্তি

প্রেমের স্বীকৃতি না পেয়ে প্রেট্রোল ঢেলে আগুন দিলেন নারী!

শরীর আর আগের মতো ছিলো না, বিচ্ছেদের কারণ জানিয়ে রোশান

নতুন নায়িকা কোলে নিয়ে শাহরুখকে মনে করালেন জায়েদ খান


গবেষকরা বলছেন, 'সাংস্কৃতিক নিদর্শন, উদ্ধার করা হাড় বা অন্যান্য প্রচলিত জীবাশ্মের তুলনায় জীবাশ্ম পদচিহ্নগুলি আরও প্রত্যক্ষভাবে প্রমাণ দেয়।' 

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

হারিয়ে যাচ্ছে ডেড সী, সাগরতীরে ২০০ নারী-পুরুষের নগ্ন ফটোশ্যুট (ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক

হারিয়ে যাচ্ছে ডেড সী, সাগরতীরে ২০০ নারী-পুরুষের নগ্ন ফটোশ্যুট (ভিডিও)

নাটকীয়ভাবে ইসরাইলের মৃত সাগরের (Dead Sea) উপকূল হারিয়ে যেতে থাকায় সচেতনতা সৃষ্টিতে একটি নগ্ন ফটোশ্যুটে প্রায় ২০০ জন অংশ নিয়েছেন। মার্কিন ফটোগ্রাফার স্পেন্সার টিউনিকের একটি প্রকল্পের অংশ হিসেবে এ ফটোশ্যুটে অংশ নেন তারা। খবর বিবিসির।

স্পেন্সার টিউনিক পরিবেশগত পরিবর্তনকে তুলে ধরার জন্য বিশ্বব্যাপী বেশ পরিচিত একজন ফটোগ্রাফার। জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করেন স্পেন্সার। বিশেষ করে চলমান পরিবেশগত সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে চান বলে বিবিসিকে জানান তিনি।

তিনি বলেন, "২০১১ সালে ডেড সীতেই আমার প্রথম কাজটা করি। মিনারেল বিচ নামে যে উপকূলে আমি কাজটা করেছিলাম সেটি এখন আর নেই। এটি বিশালাকার সিঙ্কহোলের (sinkhole) কারণে ধ্বংস হয়ে গেছে। সিঙ্কহোলগুলো বাস্কেটবল কোর্টের মতো বড়। এটা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।"

ডেড সী পৃথিবীর সবচেয়ে নিচু জায়গায় অবস্থিত। এর উপকূলে রয়েছে জর্ডান, ইসরাইল ও এর অধিকৃত পশ্চিম তীর।

স্পেন্সার বলেন, ডেড সী হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং এটা খুবই দ্রুত ঘটছে। 

ফটোশ্যুটে অংশগ্রহণকারী ২০০ জনের শরীরে সাদা রঙ করা হয়। এগুলো ডেড সীতে অবস্থিত সামুদ্রিক লবণের কলামের মতো করে আঁকা হয়েছে।

তিনি বলেন, নগ্ন ব্যক্তি খুবই শক্তিশালী একটি সত্তা। এটি মানুষের দুর্বলতা ও ভঙ্গুরতাকে প্রকাশ করে। এটি একটি শক্তিশালী বার্তা দিতে পারে। আমরা পরিবেশ থেকে শুরু করে রোগ, সুপেয় পানি সবকিছুর দ্বারাই প্রভাবিত।

আরও পড়ুন:

মেয়াদ-বেতন দুটোই বাড়ছে টাইগার কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর

পরের দুই ম্যাচ জিতলেও মূল পর্ব অনিশ্চিত টাইগারদের

নবীর ভবিষ্যদ্বাণী, বৃষ্টির মতো বিপদ নেমে আসবে

ডেলিভারি বয় থেকে বিশ্বকাপে অঘটনের নায়ক


তবে এই ফটোশ্যুটে স্থানীয় ইহুদী জনগোষ্ঠীর কিছু ব্যক্তি আপত্তি জানায়। এর আগেই স্পেন্সার ছবি তুলতে গিয়ে এমন আপত্তির মুখে পড়েছিলেন। এমনকি তার চিত্রকর্ম নিষিদ্ধের দাবিতে আদালতে বিল উত্থাপন করা হয়।

এর জবাবে তিনি বিবিসিকে বলেন, আমাকে থামানোর জন্য বিল উত্থাপন করা হয়েছে। এটা আমার জন্য একটি সম্মান। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি এমন একটি বিল থাকা উচিত যেখানে আমার কাজে অংশ নেয়ার জন্য আপনাকে জীবনে অন্তত একবার নগ্ন হওয়া প্রয়োজন।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

বিলুপ্তপ্রায় মাছ সংরক্ষণে কাজ করছে অ্যাকুয়াটিক বায়োডায়ভার্সিটি মিউজিয়াম

রিপন হোসেন

সহজেই মাছের সঙ্গে পরিচিতি, বিলুপ্ত ও বিলুপ্তপ্রায় সব স্বাদু পানির মাছ ও সামুদ্রিক মাছ এবং অন্যান্য জলজ প্রাণি সংরক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে  তৈরি করা হয়েছে ‘অ্যাকুয়াটিক বায়োডায়ভার্সিটি মিউজিয়াম’। 

কর্তৃপক্ষ বলছেন, মিউজিয়ামটির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ও দর্শনার্থীরা খুব সহজেই সহজেই বিচিত্র সব মাছের সঙ্গে পরিচিত হতে পারবে। 

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে এ ধরণের কোনো মিউজিয়াম নেই । মাছ সংরক্ষণের জন্য ফরমালিন, ইথানল, রেজিনসহ কয়েকটি রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে ফরমালিন কম মূল্যের হলেও ইথানল ও রেজিনে মাছের নমুনা সংরক্ষণ করা তুলনামূলক ব্যয়বহুল। এমন মিউজিয়াম পেয়ে খুশি শিক্ষক-শিক্ষার্থী

পূজা বৈদ্য, সহকারী অধ্যাপক, ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় 

বাংলাদেশে প্রায় ৩০০ প্রজাতির স্বাদু পানির মাছ ও ৪৭৫ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ পাওয়া যায়। কিন্তু বাস্তবে একশয়ের বেশির দেখা মেলে না। দেশীয় বহু  প্রজাতির মাছ এরই মধ্যে হারিয়ে গেছে। আর অনেকগুলো এখন বিলুপ্তির পথে। 

প্রায় ১০ শতাংশ মাছ প্রতি বছর হারিয়ে যাচ্ছে। মিউজিয়ামে সংগৃহীত নমুনা মাছের তথ্য হতে মাছের বিলুপ্তিরোধে সচেতনতা তৈরি এবং পূর্বে বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় মাছের প্রজাতির পরিসংখ্যান জানা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন:


ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!

ডিএমপি কমিশনার ও র‍্যাব ডিজি’র পদোন্নতি


মিউজিয়ামটির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ও দর্শনার্থীরা খুব সহজেই সহজেই বিচিত্র সব মাছের সঙ্গে পরিচিত হতে পারবে।

অ্যাকুয়াটিক বায়োডায়ভার্সিটি মিউজিয়ামে বর্তমানে স্বাদু পানি ও সামুদ্রিক পানির মোট ২৫০ প্রজাতির মাছ সংরক্ষিত রয়েছে এবং মাছের অন্যান্য প্রজাতি সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

রাঙামাটির সড়ক যোগাযোগের উন্নতি হওয়ায় আমূল পরিবর্তন

ফাতেমা জান্নাত মুমু:

রাঙামাটির রাজস্থলীর গাইন্দ্যা ইউনিয়নের সড়ক উন্নয়নের ফলে উন্নতির ছোঁয়া লেগেছে পাহাড়বাসীর জীবনে। জুম চাষীদের জীবনেও এসেছে পরিবর্তন। এ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বিদ্যালয়মুখী করেছে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীদেরও। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এ সড়ক উন্নয়ন করেছে রাঙামাটি জেলা পরিষদ।

রাঙামাটির দুর্গম উপজেলা রাজস্থলী। এ উপজেলার গাইন্দ্যা ইউনিয়নে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীদের একটি অংশের বাস পাইন্দং, শ্মশানঘাট, তুরগুপাড়া, ইসলামপুর, বালুমুড়া, কেচি পাড়া ও কমলছড়ি পাড়ায়। কিন্তু সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নাজুক থাকায় ভোগান্তির কমতি ছিলনা এ অঞ্চলের মানুষের। 
সম্প্রতি এ অঞ্চলে সড়ক যোগাযোগের উন্নতি হওয়ায় আমূল পরিবর্তন এসেছে এখানের পাহাড়ে বাস করা মানুষের জীবনে। 

আরও পড়ুন:


শেরপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

টানা পাঁচ দিন ছুটির ফাঁদে ভোমরা স্থলবন্দর

অনলাইনে চালু হচ্ছে বিয়ে-তালাক নিবন্ধন!

আবারও ফেরি চলাচল বন্ধ


৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে এ সড়ক উন্নয়নে এখন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৫শতাংশ।  ২০১৯-২০ অর্থবছরে শুরু হওয়া এ সড়কটির উন্নয়নের কাজ শেষ হলে এর সুফল ভোগ করবে স্থানীয়রা, দাবি  জেলা পরিষদের।

পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের জীবন মান্নোয়নের জন্য সড়ক উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে জেলা পরিষদ।
তাদের মতে, রাজস্থলীর পাশাপাশি রাঙামাটির অন্যান্য দুর্গম উপজেলাগুলোর সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন করা হলে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠতো পাহাড়ে বসবাসরত মানুষেরা। 

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

নগ্ন শরীরে পাথরের ঘরে বিচিত্র স্নান চিকিৎসা

অনলাইন ডেস্ক

নগ্ন শরীরে পাথরের ঘরে বিচিত্র স্নান চিকিৎসা

উনিশ শতক পর্যন্ত পশ্চিম আয়ারল্যান্ডে চালু ছিলো এক অদ্ভুত চিকিৎসাব্যবস্থা। মানুষজন অসুস্থ হলে গায়ের জামাকাপড় খুলে ইগলুর মত দেখতে পাথরের ঘরের মধ্যে গিয়ে চুপচাপ বসে থাকতো। ঘরগুলো ছিলো কোন জলাশয় বা পাশ দিয়েই পানি প্রবাহিত হচ্ছে এমন কোন জায়গায়। ফলে বদ্ধ জায়গায় শব্দহীন এক ছোট্ট অন্ধকার ঘরে আক্ষরিকভাবেই তারা ঘেমে-নেয়ে উঠতো!

এই চিকিৎসা নিতে যেয়ে অনেকেই মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়তো, কেউবা আবার হ্যালুসিনেশনেরও শিকার হতো। দেশটিতে '১৬ থেকে '১৯ শতক পর্যন্ত প্রায় তিনশ' বছর এই চিকিৎসা পদ্ধতি চালু ছিল। সম্প্রতি হারিয়ে যাওয়া এই ঘরগুলোকে আবার কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে এবার আর চিকিৎসার জন্য নয়, একে বিশ্বব্যাপী টুরিস্টদের আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলার জন্য।

এক প্রতিবেদনে প্রত্নতত্ত্ববিদ এইডেন হারটে পাথরের ঘরগুলোতে এই বিচিত্র চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে বিবিসিকে বলেন, অনেকেই মনে করে এই পদ্ধতিতে রোগের চেয়ে রোগের চিকিৎসা বেশি মারাত্মক ছিলো। 

চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে হারটে বলেন, স্নানাগারগুলোতে প্রবেশের জন্য উপরে ছোট একটি রাস্তা থাকতো। রোগী ভেতরে ঢুকলে পাথর চাপা দিয়ে রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়া হতো। কয়েক ঘণ্টা পর এর ভেতরে ধোঁয়া প্রবেশ করানো হতো। এর ফলে ভেতরে থাকা রোগী গরমে পুরো ঘেমে উঠতো। অনেক সময় সে সহ্য করতে না পেরে চিৎকার করে ও হামাগুড়ি দিয়ে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করতো। 

রোগী যতক্ষণ সহ্য করতে পারতো, ততোক্ষণ চলতো এই চিকিৎসা ব্যবস্থা। এরপর সেখান থেকে বের করে তাকে পাশের ঝর্না বা প্রস্রবণ থেকে শরীর ঠান্ডা ও পরিষ্কার করানো হতো। 

তবে কখনো কখনো এই চিকিৎসায় কাজ হতো। আয়ারল্যান্ডের ম্যায়নুথ ইউনিভার্সিটির একজন বিশেষজ্ঞ ড. রোনান ফলি অবশ্য এটাকে 'প্লাসিবো ইফেক্ট' বলে মনে করেন।

আরও পড়ুন:

পরকীয়ার জেরে শ্যালিকার বিয়ে ভাঙলেন দুলাভাই, আপত্তিকর ছবি!

গাঁজা সেবনে অভ্যস্তদের করোনায় মৃত্যুঝুঁকি বেশি: গবেষণা

অবশেষে যশের সঙ্গে বিয়ের কথা স্বীকার করলেন নুসরাত!

পল্লবী থেকে উধাও হওয়া সেই ৩ বান্ধবীকে দেওয়া হল পরিবারের জিম্মায়


দেশটির লেইট্রিম কাউন্টি কাউন্সিল হেরিটেজ অফিসার সারা ম্যালোনি জানান, ১৬০০ থেকে ১৯০০ সাল পর্যন্ত আয়ারল্যান্ডের প্রান্তিক অঞ্চলে পাথরের এমন অসংখ্য স্নানাগার দেখতে পাওয়া যায়। শুধুমাত্র লেইট্রিম অঞ্চলেই ১০০-এর বেশি স্নানাগার রয়েছে। আর প্রায় লন্ডনের সমান আয়তনের এই রাজ্যটির জনসংখ্যা মাত্র ৩৫ হাজার।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

নাটোরে এক রাতে ফুটলো তিনটি রাতের রাণী ‘নাইট কুইন’

নাটোর প্রতিনিধি:

নাটোরে এক রাতে ফুটলো তিনটি রাতের রাণী ‘নাইট কুইন’

নাটোরের লালপুরে একটি গাছে এক সঙ্গে তিনটি রাতের নারী নাইট কুইন ফুল ফুটেছে। সারাবিশ্বে রাতের রানী হিসেবে পরিচিত ‘নাইট কুইন’ ফুল। আমাদের দেশে দুর্লভ প্রজাতির ফুল হিসেবেই গণ্য করা হয় ‘নাইট কুইন’কে। 

মিষ্টি মনোহারিণী সুবাস, দুধসাদা রঙ, স্নিগ্ধ ও পবিত্র পাপড়ি আর সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবেই পরিচিত ‘নাইট কুইন’। ‘নাইট কুইন’ যে রাতে নিজেকে মেলে ধরে প্রকৃতির কাছে, সে রাতেই আবার ঝরে পড়ে। তাও আবার একটি ফুলের জন্য অপেক্ষা করতে হয় বছরের পর বছর।

বৃহস্পতিবার (০৭ অক্টোবর) গভীর রাতে দুর্লভ এই ফুলটিরই দেখা মিলে লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়া গ্রামে সাংবাদিক আশিকুর রহমান টুটুল এর ফুল বাগানে। উদ্ভাসিত হলো বহু আরাধ্যের নাইট কুইন। ৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি অপেক্ষায় ছিলেন একটি ফুলের জন্য। বেশ কয়েকবার কলি এসেও ফুল ফোটার আগেই ঝরে পড়ে গেছে। কিন্তু এবার আর ‘রাতের রানী’ হতাশ করেননি তাকে। একটি গাছে এক সঙ্গে ৩টি রাতের রানীর দেখা মিলেছে। আশিকুর রহমান টুটুল লালপুর প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সামাজিক সংগঠন ওয়ালিয়া তরুণ সমাজের সভাপতি।

আশিকুর রহমান টুটুল জানান, ‘৪ বছর আগে একটি বাড়ি থেকে নাইট কুইনের একটি পাতা এনে টবে লাগিয়েছিলেন তিনি। নিবিরস যত্নে গছটি বড় হয়ে মাঝে কয়েকবার কলি এলেও ফুল ফুটেনি। ৪টি বছর ধরে অপেক্ষার পরে গত জুলই মাসে প্রথম একটি গাছে এক সঙ্গে তিনটি ফুল ফুটে। তিন মাসের ব্যবধানে আজ রাতে আরও তিনটি ফুল ফুটেছে। 

তিনি আরও বলেন, ‘বিকেল থেকেই গাছে কলি তিনটি অদ্ভুত সুন্দর রূপে সাজে। যেন বুজে থাকা পদ্মফুল। ফুল ফোটা থেকে বুজে যাওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপই রাত জেগে উপভোগ করেছি। আমি ছোট থেকেই ফুল পছন্দকরি। তবে পরিবারের সবাই মিলে মিষ্টি সুবাসের রাতের অতিথিকে উপভোগ করেছি। ফুলের মিষ্টি গন্ধ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবেশিরা রাতের রানীকে একবার দেখার জন্য ছুটে আসে তার বাসায়। তিন মাসের ব্যবধানে এক সঙ্গে তিনিটি ফুল ফোটায় তার পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত।’

আরও পড়ুন


দুই উপজেলা ও ১০ পৌরসভা উপনির্বাচনে নৌকার টিকিট পেলেন যারা

ময়মনসিংহ মেডিকেলে করোনা ইউনিটে আরও ৮ জনের মৃত্যু

শাহরুখপূত্র আরিয়ানকে হৃতিকের চিঠি, মুখ খুললেন কঙ্গনা

আরিয়ান খান গ্রেপ্তারের পর শাহরুখকন্যা সুহানা যে পোস্ট দিলো!


জানা গেছে, বহু আরাধ্য ও অপেক্ষার পর দেখা দেয় বলেই হয়তো নাইট কুইনকে সৌভাগ্যের প্রতীকও বলা হয়। তবে সৌভাগ্য আর কাহিনী ছাপিয়ে ফুলটির অপার সৌন্দর্যই একে ‘রানী’ উপাধি দিয়েছে। পাথরকুচির মতো পাতা থেকেই এ ফুলগাছের জন্ম হয়। আবার পাতা থেকেই প্রস্ফুটিত হয় ফুলের গুটি। নাইট কুইনের বৈজ্ঞানিক নাম পেনিওসিরাস গ্রেজ্জি (Peniocereus greggii)| । বিরল ক্যাকটাস জাতীয় এ ফুলটির বৈশিষ্ট্য অন্যান্য ফুলের তুলনায় একটু আলাদা। ফুলটির আদি নিবাস আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চালে এবং মেক্সিকোতে। দেখতে অনেকটা পদ্মফুলের মতো, সাদা রং ও মিষ্টি গন্ধ যুক্ত।

বছরের মাত্র একদিনে এবং মধ্যরাতে পূর্ণ বিকশিত হয়। আর শেষরাতেই জীবনাবসান ঘটে। ১৫ দিন পর গুটি থেকে কলি হয়। যে রাতে ফুলটি ফুটবে, সেই বিকেল থেকেই কলিটি অদ্ভুত সুন্দর রূপে সাজে। যেন বুজে থাকা পদ্মফুল। ধীরে ধীরে অন্ধকার যখন চারপাশকে ঘিরে ধরে, ঠিক তখনই নিজের সৌন্দর্যে স্বমহিমায় প্রকাশিত হয় নাইট কুইন। এর সুবাসে তীব্রতা না থাকলেও অদ্ভুত মিষ্টি এক মোহ আছে, যা পুষ্পপ্রেমীদের সবসময়ই টানে। সারা দুনিয়ায় নাইট কুইন নিয়ে নানা কাহিনী আছে।

ফুল দেখতে আসা ওয়ালিয়া তরুণ সমাজের কোষাধক্ষ্য আজিবর রহমান তার অভিমত ব্যক্ত করে বলেন,‘আমি জীবনে অনেক বার নাইট কুইনের নাম শুনেছি আজ বাস্তবে দেখলাম, তার অপরূপ সৌন্দর্য দেখে আমি বিমোহিত।’

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর