কার্বন ফুটপ্রিন্ট বা ব্যষ্টিক কার্বন দায়

হারুন আল নাসিফ

কার্বন ফুটপ্রিন্ট বা ব্যষ্টিক কার্বন দায়

কার্বন ফুটপ্রিন্ট বলতে কোন একক ব্যক্তি, কোনও ঘটনা, সংস্থা, সেবা, স্থান বা পণ্য উৎপাদনের কারণে সৃষ্ট মোট গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণকে বোঝায়। এটিকে সমতুল্য কার্বন-ডাই-অক্সাইড এককে প্রকাশ করা হয়।

কার্বন ফুটপ্রিন্টকে ইংরেজির অনুকরণে বাংলায় কার্বন পদছাপ, কার্বন পদচিহ্ন বা কার্বন পদাঙ্ক বলা যায়। এটিকে কার্বন অভিঘাত বা ব্যষ্টিক কার্বন দায় হিসেবেও বিবেচনা করা যেতে পারে।

গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমনের অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে মানুষের কার্যক্রম। এগুলো পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার এবং উৎপাদনের অন্যান্য উপজাতগুলো থেকে নির্গত হয়। এর প্রভাবে জলবায়ু পরিবর্তন হয়।

জীবাশ্ম জ্বালানির দহন, বৃক্ষাবৃত ভূমি পরিষ্কাকরণ, এবং খাদ্য, শিল্পজাত পণ্য, উপাদান, কাঠ, সড়ক ও ভবন নির্মাণ, পরিবহন ও অন্যান্য সেবার সময়ে কার্বন-ডাই-অক্সাউড ও মিথেনের মতো কার্বনবাহী গ্যাসসহ অন্যান্য গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হয়।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মোট কার্বন সঠিকভাবে হিসেব  করা সম্ভব হয় না, কেননা এসব গ্যাস উৎপাদনকারী প্রক্রিয়াসমূহের মধ্যকার জটিল আন্তঃক্রিয়াগুলো সম্পর্কে জ্ঞান ও উপাত্ত অপর্যাপ্ত। 

যেসব প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াতে কার্বন ডাই-অক্সাইড মজুদ বা নিঃসরণ হয়, সেগুলোর প্রভাবও ঠিকমত হিসেব করা দুরূহ। এ কারণে রাইট, কেম্প ও উইলিয়ামস বলেন, কার্বন ফুটপ্রিন্ট  হলো কোন নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠী, ব্যবস্থা বা কর্মকাণ্ডের ফলে সৃষ্ট কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) ও মিথেন (CH4) নিঃসরণের মোট পরিমাণ।

যেখানে যে জনসমষ্টি, ব্যবস্থা বা কর্মকাণ্ডটি আগ্রহের বিষয়বস্তু, সেটির স্থানকালিক সীমানার ভেতরে অবস্থিত সমস্ত প্রাসঙ্গিক উৎস, কুণ্ড (সিংক) ও মজুদ হিসেবে ধরা হয়। এটিকে প্রাসঙ্গিক ১০০-বছরের বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বিভব ব্যবহার করে সমতুল্য কার্বন ডাই-অক্সাইড হিসেবে গণনা করতে হবে।

আরও পড়ুন:


ডিসেম্বরেই চালু হবে ৫জি নেটওয়ার্ক: মোস্তাফা জব্বার

দেশে বিনিয়োগ করুন: প্রধানমন্ত্রী

যানজট নিরসনের উদ্যোগ আটকে থাকে মহাপরিকল্পনার নথিতেই

মক্কা-মদিনার মসজিদে কাজ করবেন নারীরা


২০১৪ সালে বৈশ্বিক পর্যায়ে জনপ্রতি বার্ষিক কার্বন অভিঘাত ছিল প্রায় ৫ টন সমতুল্য কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2eq)। নেচার কনজারবেটরির মতে প্রতিটি মার্কিন নাগরিকের গড় কার্বন দায় ১৬ টন।

খনিজ তেল ও গ্যাস কোম্পানি ব্রিটিশ পেট্রোলিয়াম প্রায় ২৫ কোটি মার্কিন ডলার অর্থব্যয়ে একটি বিপণন অভিযানের দ্বারা কার্বন ফুটপ্রিন্ট পরিভাষাটি জনপ্রিয় করে তোলে। 
মানুষের মনোযোগ জীবাশ্ম জ্বালানি কোম্পানির কর্মকাণ্ডের ওপর থেকে সরিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন সমস্যা সমাধানে ব্যক্তিগত দায়িত্বের ওপর নিবন্ধ করতে এটি কর হয়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

অসুস্থ দেশে এটাই ঘটে, সবকিছুর জন্য রাজধানীতে ছুটতে হয়

জাকির তালুকদার

অসুস্থ দেশে এটাই ঘটে, সবকিছুর জন্য রাজধানীতে ছুটতে হয়

কবি-স্বীকৃতির জন্য জীবনানন্দকেও কলকাতা যেতে হয়েছিল। অসুস্থ দেশে এটাই ঘটে। সবকিছুর জন্য রাজধানীতে ছুটতে হয়। কলকাতা তখন ভারতবর্ষের রাজধানী নয়, তবে বাংলার রাজধানী। শিল্প-সাহিত্য সবকিছুরই। মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনকেও সওগাত পত্রিকা বের করতে কলকাতায় যেতে হয়েছিল। নজরুলও পুরুলিয়ায় ফেরেননি। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ কলকাতায় গেছেন। অদ্বৈত মল্ল বর্মনকেও যেতে হয়েছিল।

জীবনানন্দ কলকাতার জীবনে সুখি হতে পারেননি। মিসফিট ছিলেন। বুদ্ধদেব বসু লেখায় স্বাগত জানিয়েছেন। সঞ্জয় ভট্টাচার্যও অনেক লিখেছেন জীবন বাবুকে নিয়ে। ছেপেছেন কবিতা অকাতরে। আর্থিক সহযোগিতাও করেছেন সাধ্যমতো।

কিন্তু জীবনানন্দ পারেননি। বুদ্ধদেব বসুর মতো প্রতিকূলতা পেরিয়ে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হতে। আসলে সেই স্কিল তাঁর ছিল না। স্ত্রী-সন্তানকে ভাত-কাপড় দিতে না পারলে তারা ছেড়ে কথা কইবে কেন? যে কবিতা তাঁকে খ্যাতি, অর্থ, পদ কিছুই দিতে পারেনি সেই কবিতার জন্য পরিবার কতদিন কষ্ট সইবে?

তবু জীবনানন্দকে আমি ভাগ্যবানই বলব। কারণ তিনি সবকিছু সয়েও কবিতা লিখতে পেরেছেন। এখন তো তিনি কবিতার রাজমুকুটধারী। ভাবুন আরো কত শত কবিযশোপ্রার্থীর কথা! তারাও কবি বা লেখক হবার জন্য কলকাতায় পাড়ি জমিয়েছিলেন। কিন্তু না পেরেছেন কবি হতে, না পেরেছেন কলকাতার জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে।

ঢাকার দিকে তাকাই। কত ইনোসেন্ট ছেলে-মেয়ে ঢাকায় পাড়ি জমায় কবি-শিল্পী হতে। এরা যতদিন মফস্বলে ছিল, ততদিন ছিল সাহিত্যঅন্তঃপ্রাণ। ঢাকাতে এসে মেস বা আত্মীয়বাড়িতে সাময়িক আশ্রয়। তারপর চাকুরি খোঁজা। চাকুরি পেলেও শুরুর কয়েক বছর বেতনের পরিমাণ এত নগণ্য যে তা দিয়ে বাসাভাড়া, খাওয়া, যাতায়াত চালানো মুশকিল। তাছাড়া কর্মস্থলে যেতে-আসতে চার ঘণ্টা জ্যামে কাটানো। তখন না হয় লেখা, না হয় পড়া। বেশিরভাগই ব্যক্তিত্ব হারিয়ে ফেলে। পরিচিত কাউকে দেখলেই ধারের নামে হাত পাতে। যদিও দাতা এবং গ্রহিতা দুজনেই জানে এই ধার পরিশোধ হবে না।

আরও পড়ুন


বিশ্বকাপের মূল পর্বের লড়াই শুরু, প্রথম দিনের দুটিই হাইভোল্টেজ ম্যাচ

ফাঁদে ফেলে ৪০ নারীর আপত্তিকর ভিডিও ধারণ ভণ্ড কবিরাজের, অতঃপর...

ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা আজ, প্রতি আসনে লড়বেন ৭৪ জন

ঠাকুরগাঁওয়ে ‘রাজাকারপুত্র’ ও আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী পেলেন নৌকার টিকিট


অল্প দুই-একজন সাহিত্যের বাজারে এটা-সেটা করে জাঁকিয়ে বসার চেষ্টা চালিয়ে যায়। ঘুরে ঘুরে একে-তাকে ধরে বিজ্ঞাপন সংগ্রহ করে পত্রিকা বের করে। কিছু টাকা অন্তত পকেটে আসে। কেউ কেউ প্রকাশক হয়। টাকা নিয়ে মানহীন বই ছাপায়। তিনশো কপির খরচ নিয়ে ছাপে একশো কপি। পরে আর ফোন ধরে না সেই লেখক বা কবির। কী দুর্ভাগ্য! কবি হতে এসে চিটার হয়ে যায়।

প্রিয় ভাই-বোন, তোমরা মফস্বলেই থেকে যাও। যে কোনো পেশাতে যোগ দাও। মায়ের বা স্ত্রীর হাতের রান্না খাও। বই পড়তে পারবে মনোযোগ দিয়ে। সাধনায় নিমগ্ন থাকো। লিখতে পারবে নিজের মনের মতো। কবি হওয়ার নামে রাজধানীতে এসে অন্তত ঠগ হতে হবে না।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ইকবাল মানসিক ভারসাম্যহীন, সেটি কী কোনো চিকিৎসক ঘোষণা দিয়েছেন?

শওগাত আলী সাগর

ইকবাল মানসিক ভারসাম্যহীন, সেটি কী কোনো চিকিৎসক ঘোষণা দিয়েছেন?

কুমিল্লার ঘটনায় সন্দেহভাজন ইকবাল যে মানসিক ভারসাম্যহীন বা সুস্থ নন- সেটি কী কোনো চিকিৎসক ঘোষনা দিয়েছেন!

কোনো দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ কী এই মর্মে সনদ দিয়েছেন! তা হলে ’ইকবাল হোসেন মানসিক ভারসাম্যহীন’ – এই তথ্য প্রচার পেলো কীভাবে? কারা এটি প্রচার করেছেন, কিসের ভিত্তিতে করেছেন!

আরও পড়ুন


বঙ্গবন্ধু যেতেই গুলি বন্ধ করল বিডিআর

মানুষের সঙ্গে যেভাবে কথা বলতেন বিশ্বনবী

সূরা বাকারা: আয়াত ১২৮-১৩৩, আল্লাহর নির্দেশ ও হয়রত ইব্রাহিম (আ.)

কলকাতা প্রেস ক্লাবে ‘বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার

লেখক- শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ, কানাডা।

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

আজ একটি পবিত্র দিন

জ.ই. মামুন

আজ একটি পবিত্র দিন

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী, বাংলাদেশের মুসলিম ভাইয়েরা সানন্দে মিলাদুন্নবীর মিছিল করছেন, প্রার্থনা করছেন, দেখে ভালো লাগছে।

আজ শ্রী শ্রী লক্ষ্মী পূজা, বাংলাদেশের সনাতন ধর্মের ভাই বোন বন্ধুরা যেন আজ একই রকম নিঃশঙ্ক চিত্তে পূজা উদযাপন করতে পারেন, উপাসনা করতে পারেন, আনন্দ করতে পারেন।

আরও পড়ুন


লক্ষ্মীপুরে খোঁজ মিলছে না দুই কিশোরীর

আশুগঞ্জে অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় দুই চালকল শ্রমিক নিহত

তিস্তার সব গেট খুলে দেওয়ায় বড় বন্যার আশঙ্কা

প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা


আজ পবিত্র প্রবারণা পূর্ণিমা। বাংলাদেশের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ভাই বোন বন্ধুরা যেন নির্ভয়ে, নিরাপদে তাদের প্রার্থনা করতে পারেন, ফানুস উড়াতে পারেন, উৎসব করতে পারেন।

রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আপনার, কারণ আপনি নাগরিক, আপনিই সরকার, আপনি এই প্রজাতন্ত্রের মালিক।
আজ একটি পবিত্র দিন, আজ মৈত্রীর দিন। আস সালামু আলাইকুম, ওম শান্তি, জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক...

জ. ই. মামুন, সিনিয়র সাংবাদিক

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

অন্যের দিকে আঙুল তুললেই সরকারের ব্যর্থতা দূর হয়ে যায় না

শওগাত আলী সাগর

অন্যের দিকে আঙুল তুললেই সরকারের ব্যর্থতা দূর হয়ে যায় না

শওগাত আলী সাগর

সরকার তার সক্ষমতা দেখাক, তার আন্তরিকতার প্রমাণ দিক। মানুষের প্রয়োজনে, নাগরিকদের বিপদের সময় রাষ্ট্র পাশে দাঁড়ায়, সরকার সক্রিয় থাকে মানুষের মনে এই বিশ্বাসকে ফিরিয়ে আনুন। 

বক্তৃতাবাজি করে, কে পাশে আছে কে নেই-এসব বলে, আর দোষারুপ করে লাভ কি! চূড়ান্ত বিচারে রাষ্ট্রকে, সরকারকে তার দায়িত্ব পালন করতে হয়, সেই পালনে ব্যত্যয় ঘটেছে- এটি তো পরিষ্কার। 

অন্যের দিকে আঙুল তুললেই সরকারের ব্যর্থতা দূর হয়ে যায় না। অন্যের দিকে আঙুল তুলেই সরকারের দায়িত্ব পালন সম্পন্ন হয় না।

আরও পড়ুন:


পিএসসির প্রশ্ন ফাঁস করলে ১০ বছরের জেল: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

গাজীপুর সাফারি পার্কে জেব্রা পরিবারে নতুন অতিথি

‘সংখ্যালঘু’ শব্দটি থাকা উচিত না

পায়রা সেতুর উদ্বোধন ২৪ অক্টোবর


সরকার ক্রিয়াশীল, সরকার তার নাগরিকদের নিরাপত্তায় ক্রিয়াশীল- এই বিশ্বাস পূর্ণ:প্রতিষ্ঠায় মনোযোগ দিতে হয়।

লেখক- শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ, কানাডা।

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

যৌবনকাল যেভাবে কাটাবেন, বার্ধক্য সেটাই ফিরিয়ে দিবে

রিশাদ হাসান

যৌবনকাল যেভাবে কাটাবেন, বার্ধক্য সেটাই ফিরিয়ে দিবে

রিশাদ হাসান, লেখক, সাংবাদিক

আন্তর্জাতিক অস্টিওপরোসিস ফাউন্ডেশন বলছে, আপনার যৌবনকাল আপনি যেভাবে কাটাবেন বার্ধক্য আপনাকে ঠিক একই জিনিষ ফিরিয়ে দিবে। উদাহরণ দেই, ধরুন আপনি তরুন বয়সে খুব একটা পরিশ্রমী নন। হাটেন না, ব্যায়াম করেন না, ফুড লাভার, বিভিন্ন রেষ্টুরেন্টে খেতে পছন্দ করেন, বাকিটা সময় আড্ডাবাজি করে কাটান। এককথায় আপনি অলস জীবন যাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

এই সুযোগে আপনার শরীরে বাসা বাঁধতে শুরু করবে এক কঠিন রোগ। যার নাম অস্টিওপরোসিস বা হাড়ের ক্ষয়। শুরুতে সুপ্ত অবস্থায় থাকলেও কোনমতে বয়স ৫০ পেরুতেই জেঁকে বসবে এই রোগ। পরবর্তী সময়ে কেড়ে নিবে আপনার চলাফেরার স্বাধীনতা। এমনকি পঙ্গুও বানিয়ে ফেলতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা নিতে গেলে ঘুরে ফিরে ব্যায়াম করাবে, হাটাবে, পরিশ্রম করাবে।

বিশ্বব্যাপী প্রতি ৩ জন ৫০+ বয়সের নারীর মধ্যে ১ জন ও প্রতি ৫ জন ৫০+ বয়সের পুরুষের মধ্যে ১ জন এই রোগে ভুগে থাকেন।

তাই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা নিয়মিত হাটা, ব্যায়াম, কায়িকশ্রমের উপর জোর দেন। এবং সেটা তরুন বয়স থেকে শুরু করলে আরও ভালো। কিন্তু সমস্যা হলো আমরা ততক্ষণ পর্যন্ত কোন বিষয়কে গুরুত্ব দেই না যতক্ষণ পর্যন্ত সেটা আমাদের সঙ্গে খুব বাজে ভাবে না ঘটে।


আরও পড়ুন:

টিকা নিতে অস্বীকার করায় কোচকে বহিষ্কার

কাতারে শুরা কাউন্সিলে ২ নারী নিয়োগ

দ্বিতীয় ম্যাচ নিয়ে যা বললেন সাকিব

নাইজেরিয়ার বন্দুকধারীদের হামলায় কমপক্ষে ৪৩ জন নিহত


ও আচ্ছা একটা কথা বলতে ভুলেই গিয়েছিলাম, আজ বিশ্ব অস্টিওপরোসিস দিবস। এবছর দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য হলো, "নিজের হাড়কে ভালোবাসুন, ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করুন"

তাই নিয়মিত ব্যায়াম করুন, হাটুন, ভারোত্তোলন করুন বা পরিশ্রম করুন। সাথে ভালো খাবার খান। সঠিক সমিয়ে ঘুমান। বেঁচে থাকাটাই বড় কথা নয়, সুস্থতা নিয়ে বেঁচে থাকাটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ...।

তথ্য সূত্রঃ আন্তর্জাতিক অস্টিওপরোসিস ফাউন্ডেশনের ওয়েব সাইট

রিশাদ হাসান, লেখক, সাংবাদিক

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/এমি-জান্নাত 

পরবর্তী খবর