বিশ্বনেতৃবৃন্দের বিশেষ আমন্ত্রণেই প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে গিয়েছেন : তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

বিশ্বনেতৃবৃন্দের বিশেষ আমন্ত্রণেই প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে গিয়েছেন : তথ্যমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে জাতিসংঘ ও বিশ্বনেতৃবৃন্দ বিশেষ আমন্ত্রণে জাতিসংঘে নিয়ে গেছেন বলে  জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড: হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর যে বিশ্বময় ভূমিকা, বাংলাদেশকে যেভাবে তিনি নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন, এমনকি করোনার মধ্যেও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রেখে দেশকে যেভাবে বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধির স্থানে নিয়েছেন, এসকল গল্প বিশ্বনেতৃবৃন্দ তার কাছে শুনতে চেয়েছেন।

শনিবার দুপুরে মন্ত্রী ঢাকায় তার সরকারি বাসভবন থেকে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতাশেষে প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগদান বিষয়ে বিএনপির সাম্প্রতিক মন্তব্য নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।  

তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নে বিশ্বনেতৃবৃন্দের প্রশংসা বিএনপি'র সহ্য হচ্ছে না বলেই তারা সমালোচনা করছে। প্রধানমন্ত্রীর বেশিরভাগ সফরসঙ্গীই যে নিজ খরচে গেছেন, সেটা রিজভী আহমেদ সাহেবের জানা উচিত ছিল, অথবা তিনি জেনেও না জানার ভান করছেন।

এর আগে সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, যেভাবে তাদের একেকজন বক্তব্য দিচ্ছেন, তাতে বিএনপি'র সিরিজ বৈঠকের ফলাফল শূণ্য বলে মনে হচ্ছে। জনবিচ্ছিন্ন বিএনপি সিরিজ বৈঠক করে কোনো দিশা-কূল-কিনারা পায় নি, কিন্তু তারা ষড়যন্ত্রের মধ্যেই লিপ্ত, উল্লেখ করেন হাছান মাহমুদ। 

আরও পড়ুন:

অবশেষে ব্রিটেনের লাল তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বাংলাদেশ

বেড়াতে গিয়ে অতিরিক্ত মদ পানে দুই ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু

আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না, জানালেন কৃষিমন্ত্রী

ইভ্যালির সঙ্গে আর সম্পর্ক নেই তাহসানের


 

এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ মোঃ বজলুর রশীদের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ডা: রোকেয়া সুলতানা, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নূরুল ইসলাম ঠান্ডু, অধ্যাপক মেরিনা জাহান কবিতা, আব্দুল আওয়াল শামীম, সিরাজগঞ্জ ৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আব্দুল মমিন মন্ডল প্রমুখ বক্তৃতা করেন। 

সকালে সম্মেলন উদ্বোধন করেন জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলহাজ্ব এড. কে এম হোসেন আলী হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ তালুকদার প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন।  

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

কুমিল্লা নামে বিভাগ না করলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধের হুমকি

অনলাইন ডেস্ক

কুমিল্লা নামে বিভাগ না করলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধের হুমকি

কুমিল্লা নামে বিভাগ না করলে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধের মাধ্যমে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ।

মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এলডিপির ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই হুশিয়ারি দেন।

সরকারের সমালোচনা করে এ সময় এলডিপি মহাসচিব বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আজ মৃত্যু শয্যায়। তারেক রহমান বিদেশে নির্বাসিত। এ অবস্থায় বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি এই স্বৈরাচার সরকার পতনের আন্দোলন করতে ব্যর্থ হয়েছে। শোনা যাচ্ছে- বিএনপি নেতারা সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে বসে আছেন। এ জন্যে তারা আন্দোলনে যেতে রাজি নয়। কিন্তু এ সরকারকে একদিন না একদিন তাদের সমস্ত অপকর্মের জন্য জবাবদিহি করতে হবে। 

গত ২১ অক্টোবর গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের নবনির্মিত কার্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেঘনা ও পদ্মা নামে দুটি বিভাগ করা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন:

মা কালী সেজে জনগণকে তাক লাগালেন রিখিয়া

আরিয়ানের জামিন শুনানি আজ, টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়ার প্রস্তাব


 

কুমিল্লার বিভাগের নাম হবে মেঘনা ও ফরিদপুর বিভাগের নাম হবে পদ্মা। তবে কুমিল্লা নামে বিভাগের দাবি নাকচ করে প্রধানমন্ত্রী সেদিন বলেন, ‘কু’ নাম দিয়ে আমি কোনো বিভাগ দেব না।এ সময় কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার দাবি জানিয়ে বলেন, আপা কুমিল্লার নামে। সারা কুমিল্লার মানুষ কুমিল্লা নামে চায়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

নুরের দলের ২১ দফা

অনলাইন ডেস্ক

নুরের দলের ২১ দফা

‘বাংলাদেশ গণঅধিকার পরিষদ’ নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নতুন যে রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ করেছে তার ২১ দফা ও ৪ মূলনীতি।

মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) পল্টনের জামান টাওয়ারে এক অনুষ্ঠানে এই দল ঘোষণা করেন ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর।

চার মূলনীতি হল- গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, অধিকার ও জাতীয় স্বার্থ।

আর প্রথম দফা কর্মসূচি - গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠনের মাধ্যমে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা। সব স্তরে সরাসরি নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নির্মাণ করা। সুনির্দিষ্ট আইনের আলোকে স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠন ও সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।

দ্বিতীয় দফা কর্মসূচি-ন্যায়বিচার ও সুশাসন। বিচার বিভাগের কার্যকর স্বাধীনতা, পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগের মাধ্যমে বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা হ্রাস ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। সর্বস্তরে ই-গভর্নেন্স প্রবর্তন, নাগরিক সেবা প্রাপ্তিতে অসহযোগিতা, অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য জনসমাজের প্রতিনিধিদের নেতৃত্বে প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল গঠন করা।

তৃতীয় দফা- নারী অধিকার। সব বাধা দূর করে নারী প্রশ্নে সমতা প্রতিষ্ঠাকে অগ্রগণ্য লক্ষ্য ঘোষণা করে তা অর্জন করতে হবে। নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্যের বিলোপ সাধন করা। সংসদ, সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ন্যূনতম ৩৫ শতাংশ আসন নারীদের জন্য নির্দিষ্ট করা।

চতুর্থ দফা- দেশে স্বাধীন বিকাশ অনুকূল, মর্যাদাপূর্ণ পরিস্থিতি ও ভীতিহীন পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। যাতে বিশাল সংখ্যাগুরু জনগোষ্ঠীর শাসনেও কেউ অস্বস্তি বোধ না করেন।

পঞ্চম দফা- শাসন ব্যবস্থায় ক্ষমতার ভারসাম্য, জবাবদিহিমূলক সরকার ও গণপ্রতিনিধিত্বশীল কার্যকর সংসদ প্রতিষ্ঠায় গঠনতান্ত্রিক সংস্কার সম্পন্ন করা। রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনয়ন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের সংশোধন করা। রাষ্ট্রপতি কিংবা সরকার প্রধান একই সঙ্গে দলীয় প্রধান হতে পারবেন না; কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি (দশ বছর) সরকার প্রধান কিংবা পাঁচ মেয়াদের অধিক (দশ বছর) দলীয় প্রধান বা অন্য কোন পদ বা একাধিক পদে মিলিত ভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

ষষ্ঠ দফা- স্বাধীনভাবে কাজ করতে সক্ষম শক্তিশালী দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) গঠন, দুর্নীতি প্রতিরোধকে রাজনৈতিক অগ্রাধিকার দেওয়া এবং দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বর্জনের সাংস্কৃতিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা।

সপ্তম দফা- গণমাধ্যম ও বাকস্বাধীনতা সম্পর্কে বলা হয়েছে- বাক, ব্যক্তি, চিন্তা ও মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা, মুক্ত সাংবাদিকতার সুরক্ষায় ডিজিট্যাল নিরাপত্তা আইন, অফিশিয়াল সিক্রেসি অ্যাক্টের মতো সব দমন ও নিপীড়নমূলক গণবিরোধী আইন বাতিল করা।

অষ্টম দফা- বাংলাদেশের জনগণের ভোটাধিকার ও মৌলিক মানবাধিকারের প্রতি নিঃশর্ত সমর্থন প্রদানকারী, দুর্নীতি ও ঋণের ফাঁদে জড়াবে না তেমন অর্থনৈতিক সহযোহিতাকারী, সামরিক জোটভুক্ত করতে চাপ দেবে না তেমন রাষ্ট্র, সমতা ও বহুমাত্রিক বহুদেশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতার উদার নীতিতে সৎভাবে বিশ্বাসীদের সঙ্গে চলার বন্ধুত্বাভিমুখী পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করার কথা বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:


পাগলীর জন্ম নেওয়া সন্তানের পিতা এমপি বদি

টস জিতে ফিল্ডিংয়ে পাকিস্তান

শোয়েব মালিককে ‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ বলে ডাকল ভারতীয় দর্শকরা (ভিডিও)


নবম দফা- প্রতিরক্ষা নীতি নিয়ে বলা হয়েছে-নাগরিক ও মৌলিক অধিকারহীন স্বাধীনতা এবং জনগণের ভরসা হারানো সার্বভৌমত্বকে আপন মহিমায় পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য স্বদেশপন্থী দৃঢ় এক প্রতিরক্ষা নীতি প্রণয়ন করে, তা কঠোরভাবে পালন করা।

দশম দফা- কৃষির আধুনিকায়ন, একাদশ দফাতে শিল্প বিকাশ, দ্বাদশ দফাতে আর্থিক খাত ও উন্নয়ন প্রশাসন, ত্রয়োদশ দফায় শ্রম অধিকার, চতুর্দশ দফায় জনশক্তি রপ্তানি সম্পর্কে বলা হয়েছে।

পঞ্চদশ দফা- দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের উপযোগী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর কর্মমুখী শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা। এ লক্ষ্যে মানসম্পন্ন কারিগরি শিক্ষা প্রসারে ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া এবং তা সম্পূর্ণ অবৈতনিক করে দেওয়া।

ষোড়শ দফা- সামাজিক নিরাপত্তা, ১৭তম দফায় পরিবহন ও যাতায়াত, ১৮তম দফায় জনস্বাস্থ্য সেবা, ১৯তম দফায় দখল ও দূষণ প্রতিরোধ, ২০তম দফায় খাদ্য ও পুষ্টি এবং সর্বশেষ ২১তম দফায় জ্বালানি, খনিজ ও প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার নিয়ে বলা হয়েছে।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

বুলুর চ্যালেঞ্জ

অনলাইন ডেস্ক

বুলুর চ্যালেঞ্জ

বেগমগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে হিন্দুদের বাড়িঘর, মন্দির কিংবা পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনায় আমার সংশ্লিষ্টতা বিন্দুমাত্র প্রমাণ করতে পারলে রাজনীতিই ছেড়ে দেব বলে ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু।

তিনি বলেছেন, আমার ৫০ বছরের রাজনৈতিক, সামাজিক ও পারিবারিক জীবনকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এ ধরনের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। যারা এ ধরনের ষড়যন্ত্র করছেন, অবিলম্বে তাদের বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

আজ দুপুরে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বিভিন্ন মন্দিরে হামলা ও সহিংসতার ঘটনায় গ্রেপ্তার জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পুলিশ জানিয়েছে, জবানবন্দিতে এ ঘটনায় বরকত উল্লাহ বুলুসহ বিএনপি-জামায়াতের ১৫ নেতার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন। এরপর বিকালে গণমাধ্যমের সঙ্গে মুঠোফোনে প্রতিক্রিয়া দেন সাবেক মন্ত্রী বরকত উল্লাহ বুলু।

বুলু বলেন, একজন মুসলমান হিসেবে কোরআন শপথ করে বলছি, এ ঘটনায় বিন্দুমাত্র সংশ্লিষ্টতা থাকলে আমি রাজনীতি করবো না, দেশত্যাগ করব।

যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছেন, তাদের দুনিয়ায় বিচার না হলেও আল্লাহর কাছে দায়ী থাকবেন। বেগমগঞ্জবাসীসহ পুরো দেশবাসীর কাছে তারা দায়ী থাকবেন।

বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, বেগমগঞ্জে হিন্দুদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মন্দির ও বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় নোয়াখালীতে প্রশাসনিকভাবে সংবাদ সম্মেলনে আমার নাম আনা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে থানায় না রেখে পুলিশ লাইনে আটকে রেখে ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার পরপরই আমি গণমাধ্যমে বক্তব্য দিয়েছি। ভারতে যখন বাবরি মসজিদ ভাঙা হয়, তখন আমি হিন্দুদের পাশে কীভাবে ছিলাম তা বেগমগঞ্জবাসী জানে। আমি বিশেষভাবে অনুরোধ করবো, ১০৫ বছর বয়সী শ্রীকৃষ্ণ মিস্টান্ন ভাণ্ডারের মালিক বাবুর সম্পত্তি দখল হয়ে যাওয়া সম্পদ কিভাবে উদ্ধার করেছি তাকে জিজ্ঞাসা করলেই পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন:


পাগলীর জন্ম নেওয়া সন্তানের পিতা এমপি বদি

টস জিতে ফিল্ডিংয়ে পাকিস্তান

শোয়েব মালিককে ‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ বলে ডাকল ভারতীয় দর্শকরা (ভিডিও)


বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, রাম ঠাকুর আশ্রমের সাধারণ সম্পাদক গৌতম ঠাকুর, ইসকনের সভাপতি, লোকনাথ মন্দির বা রামমাধব মন্দিরের সভাপতিকেও আমার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে। হিন্দু ব্যবসায়ী বা তাদের সম্প্রদায়ের নেতাদের জিজ্ঞাসা করলেই আমার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবে। আমি আবারও হিন্দুদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, মন্দির ও বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত  দাবি করছি। 

সাবেক মন্ত্রী বরকত উল্লাহ বুলু আরও বলেন, বিএনপি একটি অসাম্প্রদায়িক দল। আমরা সব সময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাস করি। এই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সৃষ্টি করেছেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। অবিলম্বে দোষীদের শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে দেখতে পেলাম বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। অবিলম্বে এটা বন্ধ করতে হবে। আটক হওয়া বিএনপি নেতা-কর্মীদের ছেড়ে দিতে হবে।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বিনষ্টের মূল পরিকল্পনা লন্ডনে হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

দুর্গাপূজায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বিনষ্ট করার মূল পরিকল্পনা লন্ডনে হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। 

আজ দুপুরে রাজশাহীর সার্কিট হাউজে জেলা প্রশাসন আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ এক মাস ধরে লন্ডনে বসে সারাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বিনষ্ট করার পরিকল্পনা হয়। বিএনপি প্রকাশ্য ম্যাসব্যাপী বৈঠক করলেও অন্তরালে ছিল এই যড়যন্ত্র। 


আরও পড়ুন: 

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয়জনের মৃত্যু

ঘুষ এনে দিতে অস্বীকৃতি, জুনিয়র অফিসারের মাথা ফাটালেন সিনিয়র

নুরের নতুন দলকে জঙ্গি-সন্ত্রাসী সংগঠন আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধের দাবি, শাহবাগ অবরোধ

তিনি জানান, এ ঘটনার ইন্ধনদাতাদেরও খুঁজে বের করে বিচারের আওতায় আনবে সরকার।


news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

নুরের নতুন দলকে জঙ্গি-সন্ত্রাসী সংগঠন আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধের দাবি, শাহবাগ অবরোধ

অনলাইন ডেস্ক

নুরের নতুন দলকে জঙ্গি-সন্ত্রাসী সংগঠন আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধের দাবি, শাহবাগ অবরোধ

‘গণঅধিকার পরিষদ’ নামে আজ যে নতুন একটি দলের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে সেটি নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। 

অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর-এ দলের নেতৃত্বে রয়েছেন। রেজা কিবরিয়া দলটির আহবায়ক আর নুরুল হক সদস্যসচিব।

ড. রেজা কিবরিয়া

এই দল এবং এর সহযোগী সংগঠন ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদকে ‘জঙ্গি, সাম্প্রদায়িক ও সন্ত্রাসী সংগঠন’ আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধের দাবি জানান বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতা-কর্মীরা। একই সঙ্গে সাম্প্রদায়িক হামলায় মদদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে রেজা কিবরিয়া ও নুরুল হককে গ্রেপ্তারের দাবিও জানান তারা।

এই দুই দাবিতে আজ দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতা-কর্মীরা সমাবেশ করেন। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এই অবরোধ চলে। এসময় শাহবাগ থেকে পল্টন, বাংলামোটর, সায়েন্স ল্যাব ও টিএসসি অভিমুখী মূল সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

সমাবেশে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক উত্তম কুমার বড়ুয়া বলেন, 'রেজা কিবরিয়া ও নুরুল হকেরা দেশব্যাপী সাম্প্রদায়িক হামলার মদদদাতা হিসেবে বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন৷ রেজা কিবরিয়াদের অসৎ উদ্দেশ্য জাতির সামনে উন্মোচিত হয়েছে। তারা জামায়াত-শিবিরের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য মাঠে নেমেছেন। তাদের সাম্প্রদায়িক সংগঠন দ্রুত নিষিদ্ধ করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সারা দেশে আরও কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।’

বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কেন্দ্রীয় সভাপতি আমিনুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ’চট্টগ্রামের জে এম সেন হল পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনায় সুস্পষ্ট প্রমাণসহ নুরুল হকের নেতৃত্বাধীন ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের ১০ জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।’


আরও পড়ুন: 

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয়জনের মৃত্যু

ঘুষ এনে দিতে অস্বীকৃতি, জুনিয়র অফিসারের মাথা ফাটালেন সিনিয়র


রেজা কিবরিয়া ও নুরুল হকের প্রত্যক্ষ মদদে ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী বিজয়া দশমীর দিনে চট্টগ্রামের জে এম সেন পূজামণ্ডপে হামলা চালিয়ে দেশব্যাপী সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসকে উসকে দিয়েছিল। এটিসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় নেতৃত্ব দেওয়ার অপরাধে জঙ্গি ও সন্ত্রাসী সংগঠন গণ অধিকার পরিষদ এবং ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদকে নিষিদ্ধ করাসহ হামলার মদদদাতা রেজা কিবরিয়া ও নুরুল হক গংদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।

মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আল মামুন বলেন, ’সারা দেশে সাম্প্রদায়িক হামলায় রেজা কিবরিয়া ও নুরুল হকের প্রত্যক্ষ মদদ রয়েছে। ভিডিও ফুটেজে সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়ার পরও তাঁরা তাঁদের সংগঠনের সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসীদের রক্ষার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। আদর্শচ্যুত হয়ে রেজা কিবরিয়া এখন স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়নে পেইড এজেন্ট হিসেবে মাঠে নেমেছেন। জঙ্গি ও সন্ত্রাসী সংগঠন গণ অধিকার পরিষদ নামের একটি রাজনৈতিক দোকানে যোগ দিয়ে তিনি নিজের প্রকৃত চরিত্র জাতির সামনে উন্মোচিত করেছেন। সব সময় গিরগিটির মতো রং পরিবর্তন করাই রেজা কিবরিয়াদের স্বভাব’।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর