সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই সঞ্চয় করতে শেখানোর টিপস

অনলাইন ডেস্ক

সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই সঞ্চয় করতে শেখানোর টিপস

টাকা সঞ্চয় করা খুবই ভালো একটি অভ্যাস। বাবা-মার উচিৎ সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই সঞ্চয় করতে শেখানো। চলুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে ছোট থেকে সন্তানকে সঞ্চয় করতে শেখাবেন- 

>> টাকা ভেবে-চিন্তে খরচ করা দরকার কেন, তা বোঝান।

>> একটি টাকা জমানোর কৌটো কিনে দিন। তাতে কিছু টাকা রাখতে ইচ্ছা করবেই।

আরও পড়ুন:


ডিসেম্বরেই চালু হবে ৫জি নেটওয়ার্ক: মোস্তাফা জব্বার

দেশে বিনিয়োগ করুন: প্রধানমন্ত্রী

যানজট নিরসনের উদ্যোগ আটকে থাকে মহাপরিকল্পনার নথিতেই

মক্কা-মদিনার মসজিদে কাজ করবেন নারীরা


>> সামান্য অর্থ সামলে রাখতেও দায়িত্ববোধ প্রয়োজন। ফলে ছোট থেকেই অল্প করে টাকার দায়িত্ব দিন সন্তানকে।

>>  ছ’-সাত বছর বয়স থেকেই অল্প করে হাত খরচ দিন শিশুকে। তাতে বুদ্ধি খরচ করে অর্থ ব্যয় করতে শিখবে সে।

>> বাড়িতে যেসব জিনিসপত্র দিয়ে যাচ্ছে, মাঝেমধ্যে সেই বিলের টাকা শিশুর কাছে রাখুন। খরচের পরিমাণ বুঝতে শিখবে সে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

আই মেকআপ তোলার সহজ টিপস

অনলাইন ডেস্ক

আই মেকআপ তোলার সহজ টিপস

চোখ খুবই সংবেদনশীল। তাই আই মেকআপ তোলার সময় সাবধানতা অবলম্বন করা উচিৎ। তাড়াতাড়ি করলে চোখের পলক পড়ে যেতে পারে। এতে করে চোখের বেশি ক্ষতি হয়। 

আবার চোখের চার পাশের চামড়া খুব পাতলা হওয়ায় সহজেই শুকিয়ে গিয়ে বলিরেখা পড়ে যাওয়ার সমস্যাও বেড়ে যেতে পারে। তাই খুব যত্নসহকারে করে আই মেকআপ তোলা প্রয়োজন।

চলুন আই মেকআপ তোলার কিছু টিপস সম্পর্কে জেনে নেই।

সময় নিন: চোখের মেকআপ তোলার ক্ষেত্রে একটু ধৈর্যের প্রয়োজনে। সময় নিয়ে ধীরে ধীরে একটি মেকআপ রিমুভার লাগান। তারপর আলতো করে মেকআপ তুলে ফেলুন। বাজারের আই মেকআপ রিমুভার ব্যবহার না করে নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন।

চোখের কোণায় যত্ন নেওয়া: চোখের মেকআপ তোলার সময়ে আমরা চোখের কোণার দিকে খেয়াল রাখি না। কিন্তু ভাল করে চোখের কোণা থেকে মেকআপ তুলতে হবে। কারণ কাজল বা আইলাইনার চোখার কোণায় জমে থাকে। তারপর ভিতরে চলে গিয়ে সমস্যা করতে পারে।

আরও পড়ুন: 

১০ মিনিটের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র নয়াপল্টন

এনআইডি নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনার কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

টসে জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ


তুলো আগে ভিজিয়ে নিন: শুকনা তুলো দিয়ে চোখ ঘষবেন না। তাহলে চোখের চামড়া শুকিয়ে যেতে পারে। মাইসেলার ওয়াটার বা নারকেল তেল দিয়ে তুলো ভিজিয়ে নেবেন। তার পরে ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ড চোখের উপর চেপে ধরে রাখুন। এরপর আলতো করে মুছে নিন।তবেই চোখের পলকের ক্ষতি হবে না।

ময়েশ্চারাইজ করুন: চোখের মেকআপ তোলার পর চোখের চামড়া শুষ্ক হয়ে যায়। তাতেই বলিরেখার সমস্যা বেশি হয়। অনেকের চোখ শুকিয়ে গিয়ে র‌্যাশও হতে পারে। তাই মেকআপ তোলা হয়ে গেলে অবশ্যই চোখে আই ক্রিম লাগিয়ে নেবেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

বিছানার পাশে যে গাছগুলো লাগতে পারেন, উপকারগুলো জেনে নিন

অনলাইন ডেস্ক

বিছানার পাশে যে গাছগুলো লাগতে পারেন, উপকারগুলো জেনে নিন

অনেকেই ঘরে গাছ লাগিয়ে থাকেন। এতে ঘরের সৌন্দর্য যেমন বৃদ্ধি পায়, ঠিক তেমনি ঘরে অক্সিজেনের পরিমাণও বাড়ে। সেই সঙ্গে ভালো রুচিবোধেরও প্রকাশ পায়।  

সাম্প্রতিক এক গবেষণা জানাচ্ছে, শোবার ঘরের বিছানার পাশে এই গাছগুলো রাখেন, ফল পাবেন হাতেনাতে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক বিছানার পাশে কোন গাছগুলো রাখলে উপকার মিলবে- 

স্পাইডার প্ল্যান্ট

স্নেক প্ল্যান্টের মতই স্পাইডার প্ল্যান্ট ঘরের মধ্যে থেকে টক্সিন বের করে দেয়। এছাড়াও এই গাছ অপ্রীতিকর গন্ধ শুষে নিতে সাহায্য করে।

ল্যাভেন্ডার

ল্যাভেন্ডার শরীর রিল্যাক্স রাখতে সাহায্য করে। রক্তচাপ কমায় আর হার্ট রেট কমিয়ে দেয়। এছাড়াও শরীরে স্ট্রেস হরমোন কমাতেও সাহায্য করে। একই সঙ্গে রক্ত চলাচলেরও উন্নতি ঘটায়। এমনকি এ-ও দেখা গিয়েছে যে, এই গাছ বাচ্চাদের দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন: 

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয়জনের মৃত্যু

ঘুষ এনে দিতে অস্বীকৃতি, জুনিয়র অফিসারের মাথা ফাটালেন সিনিয়র

নুরের নতুন দলকে জঙ্গি-সন্ত্রাসী সংগঠন আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধের দাবি, শাহবাগ অবরোধ


রোজমেরি

বিভিন্ন খাবারের স্বাদ বাড়ানোর জন্য এই হার্বের ব্যবহার হয়। কিন্তু অনেকেই জানেন না, রোজমেরি আপনাকে ঘুমিয়ে পড়তেও সাহায্য করে। এছাড়াও দেখা গিয়েছে, রোজমেরি নার্ভাস সিস্টেম‚ হার্ট ভালো রাখতেও সাহায্য করে। এখানেই শেষ নয়‚ স্ট্রেস কমাতেও সাহায্য করে এই গাছ।

জেসমিন

জেসমিন বা জুঁই ফুল ডিপ্রেশন কমায়‚ শরীরের ক্লান্তি দূর করে এবং উৎকণ্ঠা কমায়। এছাড়াও দেখা গিয়েছে, জুঁই ফুলের গন্ধে গভীর ঘুম আসে। তবে জুঁই ফুলের গাছ খুব দ্রুত বাড়ে তাই মাঝে মধ্যেই কিন্তু এই গাছ ছেঁটে দিতে হবে। একই সঙ্গে রোজ ২ থেকে ৩ ঘণ্টা রোদেও রাখতে হবে। 

স্নেক প্ল্যান্ট

খুব সহজেই এই গাছ পাওয়া যায়। নাম শুনে অবশ্য ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এই গাছ ঘরের মধ্যে ক্ষতিকারক টক্সিন তাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও এই গাছ রাতের বেলা কার্বন ডাই অক্সাইড নেয় আর অক্সিজেন ছাড়ে। যারা অ্যালার্জিতে আক্রান্ত বা যাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য বিশেষ করে এই গাছ খুব ভালো।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

চুল কতটা ছাঁটা উচিত?

অনলাইন ডেস্ক

চুল কতটা ছাঁটা উচিত?

কতদিন পর পর আর কতটুকু চুল ছাঁটতে হবে তা নির্ভর করে চুলের ধরন, ঘনত্ব ও আকারের ওপর। এছাড়াও শেষ কবে চুল কাটা হয়েছে সে বিষয়েও খেয়াল রাখা উচিত।

ছোট চুল ছাঁটার জন্য খুব বেশি সময় অপেক্ষা না করে আকার অনুযায়ী ছেঁটে নিলে তা ভালো থাকে।

মাঝারি মাপের চুলের ক্ষেত্রে ক্যাম্পোস এক বা দুই ইঞ্চি ছাঁটার পরামর্শ দেন। তবে অনেক আগে যদি শেষবার চুল কাটা হয়ে থাকে তাহলে তিন ইঞ্চি পরিমাণ চুল ছাঁটা উচিত।

আরও পড়ুন: পূজামণ্ডপের ঘটনাটি দুঃখজনক: বদিউল আলম মজুমদার

কেউ চুল লম্বা করতে চাইলে প্রতি মাসে আধা ইঞ্চি করে চুল ছাঁটার পরামর্শ দেন,  লস অ্যাঞ্জেলেস’য়ের চুল সজ্জাকারী ম্যাটিল্ডি ক্যাম্পোস।

ওয়েলঅ্যান্ডগুড ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ পরামর্শ দেন তিনি। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মিথুন পেতে পারেন ভালো খবর পাবেন

অনলাইন ডেস্ক

মিথুন পেতে পারেন ভালো খবর পাবেন

ভাগ্যরেখা অনুযায়ী আপনার আজকের দিনটি কেমন কাটবে, জেনে নিন।  

মেষ: কোনো যোগাযোগে লাভবান হতে পারেন। পুরনো সমস্যার জট খুলবে। সঠিক পরিশ্রমের ভালো ফল লাভ। আর্থিক চাপ কমবে। গুরুত্বপূর্ণ কাজ ফেলে রাখবেন না। প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখুন।

বৃষ: নতুন পরিকল্পনায় অগ্রগতি হবে। কর্মক্ষেত্রে সম্মান বৃদ্ধি। আর্থিক অবস্থার উন্নতি। স্ববিরোধী কাজ থেকে দূরে থাকুন। প্রিয় মানুষের সঙ্গে আলোচনায় প্রশান্তি অনুভব করবেন। মন ভালো রাখুন।

মিথুন: দিনের শুরুতে ভালো খবর পাবেন। মানসিক শক্তি বাড়বে। ব্যবসায় উন্নতি হবে। নিজস্ব বুদ্ধিবলে কঠিন সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। সঞ্চয়ের প্রচেষ্টায় অগ্রগতি হবে।

কর্কট: কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের অগ্রগতি। অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বাড়বে। অনিচ্ছাসত্ত্বেও কোনো অনুরোধ রক্ষা করতে হতে পারে। বিরূপ পারিপার্শ্বিকতায় বিষণ্ন থাকতে পারেন। ধর্মীয় কাজে শান্তি পাবেন।

সিংহ: কর্মক্ষেত্রে জটিলতা দূর হবে। আশা পূরণের সুযোগ আসবে। বন্ধুর পরামর্শ কাজে লাগবে। পাওনা অর্থ আদায়ে অগ্রগতি। অর্থাগমের নতুন পথ পেতে পারেন। বন্ধুসঙ্গ আনন্দ দেবে।

কন্যা: সামাজিক কর্মকাণ্ডে অনুকূল অবস্থা থাকবে। উন্নতির ক্ষেত্রে অন্যের সহায়তা পাবেন। ব্যবসা বা পেশায় আর্থিক উন্নতির যোগ। বিতর্ক থেকে নিজেকে সংযত রাখুন। প্রতিশ্রুতি রক্ষায় মনোযোগ দিন।

তুলা: শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় অগ্রগতি হবে। কল্যাণমূলক কাজের ভাবনায় উৎসাহী হবেন। আর্থিক অবস্থা ভালো যাবে। তবে পুরনো পাওনা আদায়ে বিলম্ব হবে। আপনার যেকোনো পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন।

বৃশ্চিক: পেশাগত কাজে সাফল্য। ব্যবসাক্ষেত্রে সমস্যা মিটবে। কাজকর্মে পরিশ্রম বাড়বে। প্রিয়জনের অসুস্থতায় চিন্তিত থাকবেন। দুর্ঘটনা থেকে সতর্ক থাকবেন। অন্যের দায়িত্ব নেবেন না। সুস্থ থাকুন।

আরও পড়ুন:


মুশফিক: আমি ক্যাচ ছাড়লে সমালোচনা হতো, লিটন তো সেরা

ইকবালকে নিয়ে পুলিশের অভিযান, যা পাওয়া গেছে!

আগামীকাল নুরের দলের আত্মপ্রকাশ

পাকিস্তানি সমর্থকদের ওপর ভারতীয় সমর্থকদের হামলা, আহত ২


ধনু: কর্মক্ষেত্রে সুনাম বজায় থাকবে। সব ধরনের অংশীদারি কাজকর্ম এখন সহজ হবে। ব্যবসায়ীদের আশানুরূপ লাভ না হলেও কোনো সমস্যার সমাধান হবে। ইতিবাচক মনোভাবে সুফল পাবেন।

মকর: নতুন কাজের অগ্রগতি হবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা পাবেন। বিরোধে জড়িয়ে পড়তে পারেন। অসতর্কতায় বিপদের আশঙ্কা। আর্থিক চাপ থাকবে। সুসময়ের অপেক্ষা করুন।

কুম্ভ: কর্মপ্রার্থীদের আকস্মিক কিছু পরিবর্তন ঘটতে পারে। অন্যের সন্তুষ্টির জন্য সাধ্যের বাইরে কিছু করতে পারেন। সাফল্য নির্ভর করবে আপনার দূরদর্শিতার ওপর। স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দেবেন।

মীন: কোনো স্থাবর সম্পত্তির আলোচনায় অগ্রগতি। ভবিষ্যৎ ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। পূর্বের কোনো কাজের সুফল এখন পাবেন। ব্যবসায় বাড়তি আয়ের সুযোগ। কৌশলী হলে লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবেন।

news24bd.tv রিমু  

 

পরবর্তী খবর

পড়াশোনার সময় ঘুম আসা বন্ধে যা করতে পারেন

অনলাইন ডেস্ক


পড়াশোনার সময় ঘুম আসা বন্ধে যা করতে পারেন

পড়াশোনার সময় আমাদের অনেকেরই ঘুম চলে আসে। তবে কিছু কৌশল জানা থাকলে খুব সহজেই এই সমস্যা থেকে পরিত্রান পেতে পারেন। ঘুম আসা বন্ধ করার কয়েকটি ব্যবহারিক পদ্ধতি আলোচনা করা হলো।

পর্যাপ্ত পানি পান করুন

পড়াশোনার সময় আপনি ঘুমিয়ে পড়ার আরেকটি কারণ হলো আপনি পর্যাপ্ত পানি পান করছেন না। তবে একটি গবেষণার হিসাবে, ডিহাইড্রেশন আক্ষরিকভাবে আপনার মস্তিষ্ককে সঙ্কুচিত করতে পারে! পড়ার সময় পর্যাপ্ত পানি না পান করলে আপনি মনোযোগ হারাতে পারেন। এটি মোকাবেলা করতে, আপনার পড়ার টেবিলে সবসময় ঠাণ্ডা পানির একটি বোতল রাখুন এবং সারা দিন একটু একটু করে চুমুক দিন। আপনার প্রতিদিন ২ লিটার পানি পান করা উচিৎ। আপনি একটি ২ লিটারের বোতলে পানি ভরে রাখতে পারেন এবং ঘুমানোর আগে সেটি শেষ করে ঘুমাতে পারেন।

টেবিল থেকে উঠুন এবং কিছুক্ষণ ঘোরাফেরা করুন:

পাওয়ার ন্যাপ নেয়া ছাড়াও, পড়াশোনার সময় আপনি যদি ঘুম অনুভব করেন তাহলে কিছুক্ষণের জন্য হাটাহাটি করতে পারেন। বা আপনার প্রিয় গান ছেড়ে নাচতে পারেন। বাইরে থেকে ১০ মিনিটের জন্য ঘুরে আসতে পারেন। এমনকি আপনার ঘরে হেঁটে হেঁটে বইটি নিয়ে পড়াশোনা করতে পারেন।

একটানা অনেকক্ষণ পড়া যাবে না:

অনেকেই একটানা ৫-৬ ঘন্টা পড়ার কথা বলে তবে মনোযোগ না হারিয়ে এটি করা প্রায় অসম্ভব। একটানা সর্বোচ্চ ২ ঘন্টার বেশি পড়া উচিৎ নয়। প্রতি ২ঘন্টা পরপর বা ২৫ মিনিট পড়ার পরে ৫ মিনিটের বিরতি নিতে হবে। এই ৫ মিনিটে আপনি শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যাম করতে পরেন। বা প্রতি ২ ঘন্টা পরে আপনি প্রায় ২০ মিনিটের দীর্ঘ বিরতিও নিতে পারেন।

জোরে জোরে পড়ুন এবং বেশিবেশি লিখুন:

জোরে জোরে পড়া আপনাকে মনে মনে পড়ার চেয়ে আরো বেশি ব্যস্ত রাখতে পারে যা আপনাকে পড়াশোনার সময় না ঘুমাতে সাহায্য করবে। এছাড়া একটি রাফ খাতা আপনার পাশে রাখুন এতে আপনি যা পড়ছেন তার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো লিখে রাখতে পারেন। আপনার নোটগুলি মুখস্থ করার জন্য এটিই সেরা উপায় নয়, এটি আপনার শরীরকে ব্যস্ত রাখবে এবং আপনাকে জাগিয়ে রাখবে।

আপনার পড়ার বিষয়গুলো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পড়ুন:

কখনো কখনো একই বিষয় খুব দীর্ঘ সময় পড়লে আপনার ঘুম আসতে পারে। পড়তে পড়তে ঘুম আসলে অন্য কোনো বিষয় পড়ুন বা  আপনার পছন্দের বিষয়ও পড়তে পারেন। এছাড়া, গভীর রাতে জটিল বিষয়গুলি না পড়াই ভালো।

পড়ার সময় আরাম করা যাবে না:

পড়াশোনার সময় ঘুমিয়ে যাওয়ার একটা বড় কারণ খুব স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করা। এক্ষেত্রে আপনার বিছানায় পড়াশোনা না করা উচিত। আপনার পড়ার যায়গা এবং ঘুমানোর যায়গা আলাদা রাখুন। এর ফলে আপনার মস্তিষ্ক দুটির মধ্যে পার্থক্য করতে পারবে।

ঘন ঘন মুখ ধোয়া:

জেগে থাকার সর্বাধিক ব্যবহারিক একটি উপায় হলো যখনই ঘুম পাচ্ছে তখনই মুখ ধুয়ে নেয়া। এটি অন্যতম পরীক্ষিত পদ্ধতি এবং এটি সম্ভবত অভিভাবকরা সবচেয়ে বেশি পরামর্শ দিয়ে থাকেন। যখনই আপনার চোখ ভারী লাগবে ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া আপনি  দাঁত ব্রাশও করতে পারেন। 

নিজের সঙ্গে কথা বলুন:

নিজের সঙ্গে কথা বলা পাগলামির মত শোনাতে পারে তবে এটি সত্যিই কার্যকর। নিজেকে জাগ্রত রাখতে পড়াশোনার সময় নিজের সঙ্গে কথা বলুন। নিচের বাক্যগুলো আপনার আত্মবিশ্বাসকে বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং আপনাকে আরো বেশি কেন্দ্রীভূত করতে পারে –

“আমি আগামীকাল পরীক্ষায় টেক্কা দিতে যাচ্ছি!”, “আমি খুব ভালো প্রস্তুত, আমি নিশ্চিতভাবে ৯০-আপ পাব!”

আপনার চোখকে বিশ্রাম দিন:

আমরা এখন কেবল বই এবং নোটবুক থেকে পড়াশোনা করি না। এটি ডিজিটাল যুগ এবং অনেক শিক্ষার্থী অনলাইনে বক্তৃতার দিকে নজর রাখছে বা নোট পড়তে কম্পিউটারের স্ক্রিনে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা প্রতি ২০ মিনিটে কম্পিউটারের পর্দা থেকে দূরে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

চুইংগাম খেতে পারেন:

চুইংগাম আপনার দাঁতগুলির জন্য খুব খারাপ তবে আপনার পড়ার সময় সঙ্গে একটি প্যাকেট রাখতে পারেন। এবং  ঘুম আসলে এটি খেতে পারেন। আপনার মুখ যদি অবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করে তবে পড়ায় মনোযোগ হারানোর ঝুঁকি কম রয়েছে।

আরও পড়ুন:স্বামীকে কুপিয়ে সেই দা নিয়ে ঘরের দরজায় বসেছিলেন স্ত্রী

ক্যাফিনেটেড পানীয় পান করতে পারেন:

কফি বা অন্যান্য পানীয় পান করতে পারেন। এটি আপনার শক্তিকে বাড়িয়ে তুলতে পারে তবে মাথায় রাখা উচিত যে এ এনার্জি অল্পের জন্য স্থায়ী হতে পারে। তাছাড়া খুব বেশি ক্যাফিন আপনার পক্ষে খারাপ। আপনার একদিনে ৫০০-৬০০ মিলিগ্রামের বেশি ক্যাফিন পান করা উচিত নয়।

অন্যদের সঙ্গে অধ্যয়ণ:

যদি আপনি একা অধ্যয়ন না করেন তবে সম্ভাবনা রয়েছে যে আপনার ঘুম কম পাবে। একদল বন্ধুবান্ধব নিয়ে পড়াশোনা বিভ্রান্তিকর হতে পারে তবে পরীক্ষার জন্য এটি আরো ভালভাবে আপনাকে সহায়তা করতে পারে। আপনার বন্ধুরা আপনাকে প্রস্তুতি নিয়ে কুইজ করতে পারে বা এমন ধারণাটি বুঝতে সহায়তা করতে পারে যা আপনার কাছে এখনো পরিষ্কার নয়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর