আল্লাহর দরবারে প্রিয় হওয়ার উপলক্ষ নামাজ

অনলাইন ডেস্ক

আল্লাহর দরবারে প্রিয় হওয়ার উপলক্ষ নামাজ

নামাজ মুমিনের সৌভাগ্যের সোপান, শ্রেষ্ঠত্বের কারণ। খোদার দরবারে প্রিয় হওয়ার উপলক্ষ নামাজ। 

ফরজ নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা ওয়াজিব। জামাতে নামাজ মানুষকে ফুরফুরে রাখে। চিত্ত সতেজ করে তোলে। মনপাড়ায় পরিশুদ্ধ ও পবিত্রতার বারিধারার ঢল নামে। জামাতে নামাজে প্রাণ খুঁজে পাওয়া যায়। আল্লাহ বলেন, ‘রুকুকারীদের সঙ্গে রুকু কোরো।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত: ৪৩)
জামাত পরিত্যাগকারীর শাস্তি

রাসুল (সা.) জামাতে নামাজ আদায়ের ব্যাপারে বিভিন্ন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এক হাদিসে নবী (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আজান শুনল এবং তার কোনো অপারগতা না থাকা সত্ত্বেও জামাতে উপস্থিত হলো না, তার সালাত হবে না।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৭৯৩)

রাসুল (সা.) জামাতে অনুপস্থিত ব্যক্তির ব্যাপারে কঠোর হুঁশিয়ারি জারি করেছেন। তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার কথা বলেছেন। হাদিসে বিধৃত হয়েছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আমার প্রাণ যাঁর হাতে, তাঁর কসম করে বলছি! অবশ্যই আমি সংকল্প করেছি, আমি কাঠ সংগ্রহ করার নির্দেশ দেব, তারপর আমি নামাজের হুকুম দেব এবং এ জন্য আজান দেওয়া হবে, তারপর আমি এক ব্যক্তিকে হুকুম করব সে লোকদের নামাজ পড়াবে। এরপর আমি ওই লোকদের দিকে যাব, যারা জামাতে হাজির হয়নি। এবং তাদের বাড়িঘর তাদের সামনেই জ্বালিয়ে দেব।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২৪২০)

আরও পড়ুন


আমাদের ফোন পেগাসাসের মাধ্যমে ট্যাপ করা হয়েছে

‘শাহীন আনাম ও মাহফুজ আনাম হিন্দুদের ঐক্যে চিড় ধরানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত’

পরিবেশ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধতা পৃথিবীকে বাঁচাবে : তথ্যমন্ত্রী


বিশেষ অপরাগতার কারণে জামাত ছাড়ার অনুমতি দিয়েছে ইসলাম। বাইরে মুষলধারে বৃষ্টি, ঘর থেকে বের হলে, অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা, রাস্তায় বেশি কাদা ও অতি অন্ধকার থাকলে, অন্ধ ব্যক্তি, শত্রুর ভয়, বন্দি ব্যক্তি প্রমুখের জন্য জামাতে নামাজ না পড়ার অনুমতি আছে।

মহান আল্লাহ তাআলা আামাদের নামাজ পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন। 

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রীয়ভাবে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনের ইতিহাস

ড. আহসান সাইয়েদ

রাষ্ট্রীয়ভাবে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনের ইতিহাস

হিজরি সালের তৃতীয় মাস রবিউল আউয়াল বিশ্ববাসীর জন্য রহমতের মাস। সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও রাসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মমাস। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখ আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন নবীকূল শিরোমণি হজরত মুহাম্মদ (সা.)। যাঁর আগমন নিয়ে কাজী নজরুল ইসলাম লিখেছেন—

“অভিনব নাম শুনিল রে ধরা সেদিন—‘মোহাম্মদ!’

এতদিন পরে এল ধরার ‘প্রশংসিত ও প্রেমাস্পদ।’

চাহিয়া রহিল সবিস্ময়ে ইহুদি আর ঈসাই সব,

আসিল কি ফিরে এতদিনে সেই মসীহ মহামানব?” (মরুভাস্কর)

দিনটি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) নামে পরিচিত। অন্য দেশের মতো বাংলাদেশের মুসলিমদের মনে এ দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ‘কারাগারের রোজনামচা’য় লিখেছেন, ‘আজ মিলাদুন্নবি। জেলখানায় কয়েদিদের ছুটি। বড় বড় কর্মচারীদেরও ছুটি। বড় সাহেবদের আগমন বার্তা নিয়ে কয়েদিরা আজ আর হৈ চৈ করছে না। কয়েকজন লোক নিয়ে আমার ফুলের বাগানের আগাছাগুলো তুলে ফেলতে শুরু করলাম। দেখলাম মিজানকে নিয়ে হাতপাতালে যেতেছে জমাদার সাহেব—মিজানের দাঁতের ব্যথা দেখাবার জন্য। আজ আমাদের দলের একজনকে দেখলাম বহুদিন পরে। এক জেলে থাকি। বেশি হলে ২০০ হাত দূরে হবে। ওদের দশ সেল, আমার দেওয়ালের মাঝে ২৪ ফিট দেওয়াল। আমার ঘরটা দেওয়াল ঘেঁষে, ওদেরটা একটু দূরে। মধ্যে গরুর ঘর আছে। তবু দেখা হওয়ার উপায় নাই। একজন আর একজনকে দূর থেকে শুভেচ্ছা জানান ছাড়া আর কিইবা করতে পারি!’ (কারাগারের রোজনামচা, পৃষ্ঠা ১৪৬, ২ জুলাই, ১৯৬৬, শনিবার)

আরও পড়ুন:


ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!

ডিএমপি কমিশনার ও র‍্যাব ডিজি’র পদোন্নতি


যেখানে থাকলে মানুষের মন থাকে বিষণ্ন, আর নানা দুশ্চিন্তার জালে আবদ্ধ থাকে কল্পনাশক্তি। সেই কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় জাতির পিতার মনকে নাড়া দিয়েছে ১২ রবিউল আউয়াল। কেননা এ দিনটির মর্যাদা সম্পূর্ণ আলাদা। এই দিনেই তো জন্মগ্রহণ করেন আমাদের নবীজি (সা.)। বঙ্গবন্ধু কারাগারে থাকাকালীন মিলাদুন্নবী (সা.) সম্পর্কিত উল্লিখিত লেখা প্রমাণ করে এ দেশের মানুষ তথা বিশ্বের আপামর মুসলিম নবীজি (সা.)-এর জন্মদিনকে কতই না আনন্দ ও সম্মানের সঙ্গে প্রতিপালন করেন। মুসলমানরা দিনটিকে অশেষ পুণ্যময় ও বরকতময় দিন হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। বলতে গেলে ১২ রবিউল আউয়াল শুধু একটি দিন নয়, এ হলো এক স্বাপ্নিক ছবি, চিরমুক্তির এক আনন্দ উপাখ্যান। এই মাসটি প্রতিবছর ঈমানদারের দুয়ারে নবীজির (সা.) ভালোবাসার বারতা নিয়ে আসে। ফলে বছরের অন্য সময়ের চেয়ে এ মাসে মুমিন-হৃদয়ে নবীপ্রেমের ফলগুধারা বয়ে যায় বহু গুণে। তাই তো দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনুধাবনপূর্বক দিনটি রাষ্ট্রীয়ভাবে ভাব-গাম্ভীর্যের সঙ্গে পালিত হয় এ দেশে। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১২ রবিউল আউয়ালকে সরকারিভাবে ছুটি ঘোষণা করেন। তারই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১২ রবিউল আউয়ালকে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) দিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করার ঘোষণা দেন। বর্তমানে বাংলাদেশে মিলাদুন্নবী (সা.) প্রতিবছর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য আনন্দ ও আশীর্বাদধন্য বিষয়।

লেখক : উপাচার্য, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

ক্ষমা চাওয়ার দোয়া

অনলাইন ডেস্ক

ক্ষমা চাওয়ার দোয়া

ভুল করে ফেললে আল্লাহর কাছে যে দোয়া পড়ে ক্ষমা চাইবেন... 

উচ্চারণ: রাব্বাবা যালামনা আনফুসানা ওয়া ইল্লাম তাগফির্লানা ওয়াতার হামনা লানা কুনান্না মিনাল খা’সিরিন।

বাংলা অর্থ: হে আল্লাহ্, আমি আমার নিজের উপর জুলুম করে ফেলেছি। এখন তুমি যদি ক্ষমা ও রহম না কর, তাহলে আমি ধ্বংস হয়ে যাব।

মহান আল্লাহ তাআ'লা মুমিনের ভুল ক্ষমা ও রহম করার তাওফিক দান করুন। আমিন।  

আরও পড়ুন:


ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!

ডিএমপি কমিশনার ও র‍্যাব ডিজি’র পদোন্নতি

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

ঘর থেকে বের হওয়ার দোয়া

অনলাইন ডেস্ক

ঘর থেকে বের হওয়ার দোয়া

আমাদের প্রিয়নবী হযরত মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার প্রিয় উম্মতেকে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় মহান রবের ওপর ভরসা করে বের হওয়ার জন্য সুপরামর্শ দিয়েছেন। 

দোয়াটি পড়ে বের হওয়ার পর থেকে ঘরে ফেরার আগ পর্যন্ত সে আল্লাহ তাআলার জিম্মায় থাকবে। বাহিরের জটিল ও কঠিন বিপদ-আপদ থেকে বেঁচে যাবে।


بِسْمِ اللهِ تَوَكَّلْتُ عَلىَ اللهِ وَلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ اِلاَّ بِاللهِ

বাংলা উচ্চারণ:- বিসমিল্লাহি তাওয়াক’কালতু আলাল্লাহি ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কু’ওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।

ফজিলত :-

রাসূল বলেছেন যে ব্যক্তি এই দোয়া পড়ে ঘর থেকে বের হবে সকল বিপদ থেকে সে নিরাপদে থাকবে ও ইবলিশ শয়তান তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। (তিরমিজী শরীফ, খন্ড-২ পৃষ্ঠা-১৮০)।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

অমুসলিমদের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় ইসলামের নির্দেশনা

কাসেম শরীফ

অমুসলিমদের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় ইসলামের নির্দেশনা

সম্প্রতি পূজামণ্ডপে কোরআন অবমাননাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু অমুসলিমদের উপাসনালয়, তাদের ঘরবাড়ি ইত্যাদির ওপর দুর্বৃত্তদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের খবরের সঙ্গে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল প্রমাণ ছাড়া একে অন্যকে দোষারোপ করছে। ইসলাম কখনো সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা উসকে দেওয়াকে সমর্থন করে না। যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে থাকে, তারা শুধু ইসলামের শত্রু নয়, বিশ্বমানবতার শত্রু। আমরা মনে করি, কোরআন অবমাননার অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার। কিন্তু উপযুক্ত ও বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণসহ অপরাধীকে খুঁজে বের করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সুনিশ্চিত প্রমাণ ছাড়া কাউকে হয়রানি করা গর্হিত অপরাধ। অন্যদিকে অন্যায়ভাবে কোনো অমুসলিমের উপাসনালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও ঘর-বাড়িতে আগুন দেওয়া অমার্জনীয় অপরাধ। যারা এসব কাজে জড়িত, তাদেরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। এসব কাজ দেশে বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির নামান্তর। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ এসব কর্মকাণ্ডকে কঠোর ভাষায় নিষিদ্ধ করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং পৃথিবীতে ফিতনা-ফ্যাসাদ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে সচেষ্ট হয়, তাদের শাস্তি হলো, তাদের হয়তো হত্যা করা হবে, নয়তো শূলে চড়ানো হবে অথবা হাত-পা বিপরীত দিক থেকে কেটে দেওয়া হবে কিংবা তাদের দেশান্তর করা হবে। এটা হলো তাদের পার্থিব লাঞ্ছনা আর পরকালে তাদের জন্য আছে আরো কঠোর শাস্তি।’ (সুরা মায়েদা, আয়াত : ৩৩)

উপরোল্লিখিত আয়াতে মহান আল্লাহ সমাজে বিশৃঙ্খলা, ফিতনা-ফ্যাসাদ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-হাঙ্গামার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান সুস্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছেন।

নির্দোষ ও নিরাপরাধ অমুসলিমরা মুসলিম দেশে বসবাস করলে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ পাওয়া তাদের অধিকার।

কোনো অবস্থাতেই তাদের জীবন ও সম্পদের ক্ষতি করা যাবে না। সর্বাবস্থায় তাদের প্রতি মহানুভবতা দেখাতে হবে। ন্যায়বিচার পাওয়া তাদের অধিকার। ইরশাদ হয়েছে, ‘দ্বিনের ব্যাপারে যারা তোমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করেনি এবং তোমাদের নিজ দেশ থেকে বিতাড়িত করেনি, তাদের প্রতি মহানুভবতা প্রদর্শন ও ন্যায়বিচার করতে আল্লাহ তোমাদের নিষেধ করেন না। আল্লাহ তো ন্যায়পরায়ণদের ভালোবাসেন।’ (সুরা : মুমতাহিনা, আয়াত : ৮)

যেসব অমুসলিম মুসলিম দেশে জিম্মি হিসেবে (মুসলিম রাষ্ট্রের আইন মেনে) বসবাস করে, তাদের হত্যা করা যাবে না। তেমনি যারা ভিসা নিয়ে মুসলিম দেশে আসে, তাদের হত্যা করা যাবে না। তাদের জানমালের নিরাপত্তা মুসলমানদের মতোই অপরিহার্য। হাদিস শরিফে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি কোনো অমুসলিম নাগরিককে হত্যা করল, সে জান্নাতের সুগন্ধিও পাবে না, অথচ তার সুগন্ধি ৪০ বছরের রাস্তার দূরত্ব থেকেও পাওয়া যায়।’ (বুখারি, হাদিস : ৩১৬৬)

সব ধর্ম ও মতাদর্শের মানুষ ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোকে শ্রদ্ধার চোখে দেখে এবং কোনো উপাসনালয়ে হামলা যেকোনো আইনের চোখে অপরাধ। শান্তির ধর্ম ইসলাম এ বিষয়ে সর্বাধিক সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে। প্রয়োজনে অন্য ধর্মের উপাসনালয় রক্ষায় যুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। সব ধর্মের উপাসনালয় রক্ষা কোরআনের দাবি। এ বিষয়ে কোরআনের ভাষ্য এমন : ‘...আল্লাহ যদি মানবজাতির এক দলকে অন্য দল দ্বারা প্রতিহত না করতেন, তাহলে বিধ্বস্ত হয়ে যেত খ্রিস্টান সংসারবিরাগীদের উপাসনাস্থল, গির্জা, ইহুদিদের উপাসনালয় ও মসজিদসমূহ, যার মধ্যে আল্লাহর নাম অধিক স্মরণ করা হয়...।’ (সুরা : হজ, আয়াত : ৪০)

অমুসলিমদের উপাসনালয় রক্ষায় ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা ওমর (রা.) একটি রাজকীয় ফরমান জারি করেছিলেন। বায়তুল মুকাদ্দাসের খ্রিস্টানদের জন্য তিনি একটি সংবিধান রচনা করেছিলেন। তাতে লেখা ছিল, ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। এটি একটি নিরাপত্তাসংক্রান্ত চুক্তিনামা, যা মুসলমানদের আমির, আল্লাহর বান্দা ওমরের পক্ষ থেকে স্বাক্ষরিত হলো। এই চুক্তিনামা ইলিয়াবাসী তথা জেরুজালেমে বসবাসরত খ্রিস্টানদের জীবন ও সম্পদ, গির্জা-ক্রুশ ও খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের জন্য প্রযোজ্য। সুতরাং চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর তাদের উপাসনালয়ে অন্য কেউ অবস্থান করতে পারবে না। তাদের গির্জা ধ্বংস করা যাবে না এবং কোনো ধরনের ক্ষতি সাধন করা যাবে না। তাদের নিয়ন্ত্রিত কোনো বস্তু, তাদের ধর্মীয় প্রতীক ক্রুশ ও তাদের সম্পদের কোনো ধরনের ক্ষতি সাধন বা হামলা করা যাবে না। (তারিখুর রাসুল ওয়াল মুলুক, তারিখে তাবারি, দ্বিতীয় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৪৪৯)

আরও পড়ুন


টি-টোয়েন্টিতে রেকর্ড, মালিঙ্গার ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছিলেন সাকিব

চিকিৎসকের আত্মহত্যা, লাশের পাশে পড়ে থাকা চিঠিতে যা লেখা ছিল

আরেক দফায় বেড়েছে ভোজ্য তেলের দাম, সয়াবিন লিটার প্রতি ১৬০ টাকা

বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন আজ


কোরআন-হাদিসের উপরোল্লিখিত উদ্ধৃতি দ্বারা এ কথা স্পষ্ট হয়েছে যে সংখ্যালঘু অমুসলিমদের ওপর হামলা করা, ঘর-বাড়ি বা উপাসনালয়ে আক্রমণ করা ইসলাম কোনোভাবেই সমর্থন করে না। 

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

মাতা-পিতার জন্য সন্তানদের দোয়া

অনলাইন ডেস্ক

মাতা-পিতার জন্য সন্তানদের দোয়া

সন্তানদের প্রতি মাতা-পিতার এবং মাতা-পিতার জন্য সন্তানদের যে দোয়া করতে হয় জেনে নিন... 

উচ্চারণ: রাব্বিজ আলনী মুতিমাছ ছালাতি ওয়ামিন জুররি ইয়াতি, রাব্বানা ওয়াতাকাব্বাল দুয়া, রাব্বানাগ ফিরলি ওয়ালি ওয়ালি দাইয়া ওয়ালিল মু’মিনিনা ইয়াওয়া ইয়াকুমুল হিসাব। (সূরা ইব্রাহিম, আয়াতঃ ৪০-৪১) 

বাংলা অর্থ: হে আমার পালনকর্তা, আমাকে নামাজ কায়েমকারী বানাও আর আমার সন্তানদের মধ্য থেকেও। হে আল্লাহ্ আমার দোয়া কবুল করে নাও। হে আল্লাহ্ আমাকে ও আমার মাতা- পিতাকে আর সকল ঈমানদার লোকদের সেদিন ক্ষমা করে দিও, যেদিন হিসাব কার্যকর হবে।

মহান আল্লাহ তাআলা দোয়া কবুল করার তাওফিক দান করুন। আমিন। 

আরও পড়ুন


টি-টোয়েন্টিতে রেকর্ড, মালিঙ্গার ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছিলেন সাকিব

চিকিৎসকের আত্মহত্যা, লাশের পাশে পড়ে থাকা চিঠিতে যা লেখা ছিল

আরেক দফায় বেড়েছে ভোজ্য তেলের দাম, সয়াবিন লিটার প্রতি ১৬০ টাকা

বঙ্গবন্ধুর ছোট ছেলে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন আজ

news24bd.tv রিমু  

 

পরবর্তী খবর