স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা, আসামি ভারতে পালানোর সময় গ্রেপ্তার

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা, আসামি ভারতে পালানোর সময় গ্রেপ্তার

সাতক্ষীরায় দশম শ্রেণী ছাত্রী পূর্ণিমা দাসকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার একমাত্র আসামি ভিকটিমের প্রেমিক পার্থ মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

শনিবার রাতে অবৈধভাবে ভারতে পালানোর সময় বৈকারী সীমান্ত থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ইলেকট্রিক ক্যাবল ও একটি বাইসাইকেল জব্দ করা হয়। 

আজ রোববার দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেসবিফিং-এ সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এসব কথা জানান। 

পুলিশ সুপার বলেন, দেবহাটা উপজেলার টিকেট গ্রামের শান্তিরঞ্জন দাসের মেয়ে গাভা একেএম আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী পূর্ণিমা দাসকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ শেষে গলায় ক্যাবল পেঁচিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠে তার প্রেমিক একই গ্রামের একই গ্রামের শিবপদ মন্ডলের ছেলে প্যারা মেডিক্যালে অধ্যয়নরত ছাত্র পার্থ মন্ডলের বিরুদ্ধে। 

রও পড়ুন:


কাল লাখ লাখ অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন বন্ধ হয়ে যাবে!

বিয়ের আগেই পাত্রের মাকে নিয়ে পালিয়ে গেল পাত্রীর বাবা!

বিশ্বকাপের আগে কোহলিকে স্বস্তি দিলেন অশ্বিন

ইংরেজি শেখার জন্য বিয়ে করেছিলেন শেবাগ-যুবরাজ-হরভজন!!


শুক্রবার সকালে বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত বাড়ির সবজি বাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওইদিন রাতে পূর্ণিমার বাবা শান্তি রঞ্জন দাস উপজেলার দেবহাটা থানায় পার্থকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। এ ঘটনায় একমাত্র আসামি ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে শনিবার রাতে পার্থ মণ্ডলকে সদর উপজেলার বৈকারী সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করে। 

পূর্ণিমা দাসের সঙ্গে পার্থ মণ্ডলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এক বছর আগে পূর্ণিমাকে বিয়ের জন্য পার্থ মন্ডল প্রস্তাব দেয়। এতে পূর্ণিমার বাবা শান্তি রঞ্জন দাস রাজি না হওয়ায় পূর্নিমা তাকে এড়িয়ে চলত। এতে পার্থ ক্ষিপ্ত হয়ে পরিকল্পনা সুযোগ বুঝে তাকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করে বলে জানান পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান।

এদিকে স্কুল ছাত্রী পূর্ণিমা হত্যার ঘটনায় খুনি পার্থ মণ্ডলের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে দেবহাটা উপজেলার গাভা একেএম আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শত শত এলাকাবাসী। রোববার সকাল ১১ টার সময় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। 

NEWS24.TV / কামরুল

পরবর্তী খবর

মৃত্যু ও ধর্ষণের গুজব ছড়ানো হচ্ছে সরকারকে বিব্রত করতে

অনলাইন ডেস্ক

মৃত্যু ও ধর্ষণের গুজব ছড়ানো হচ্ছে সরকারকে বিব্রত করতে

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শেখ হাসিনা সরকারকে বিব্রত করতে মূলত ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মৃত্যু ও ধর্ষণের গল্প ছড়ানো হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক ধর্মীয় সহিংসতায় এখন পর্যন্ত মাত্র ৬ জন মারা গেছে। নিহতদের মধ্যে ৪ জন মুসলমান এবং তারা হিন্দুদের বাড়িতে আগুন দেওয়ার চেষ্টার সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। দুজন হিন্দু মারা যায়, এদের একজনের সাধারণ মৃত্যু এবং অন্যজন ডুবে মারা যায়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, কাউকে ধর্ষণ ও একটি মন্দিরও অগ্নিসংযোগ বা ধ্বংস করা হয়নি। তবে সম্পদ বা প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়েছে। এসব ঘটনায় যারা জড়িত তাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা এখন পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

আরও পড়ুন:


নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন: ওসি-এসআইকে বরখাস্তের নির্দেশ

প্রেমিকাকে গলা কেটে ‌‘হত্যাকারী’ মনিরও মারা গেল

মাওলানা আজহারীর লন্ডন সফরের পক্ষে বিপক্ষে নানা তৎপরতা

প্রবাসীদের জন্য যে সুখবর দিল মালয়েশিয়া


 

‘পুড়িয়ে দেওয়া ঘর পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে। এমনকি ক্ষতিগ্রস্ত সবাই ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন। কিন্ত দুর্ভাগ্য কিছু উৎসাহী মিডিয়া এবং ব্যক্তি ধর্মীয় সম্প্রীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শেখ হাসিনা সরকারকে বিব্রত করতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের হত্যা ও ধর্ষণের গল্প ছড়াচ্ছে।’

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিটি পুজামণ্ডেপের জন্য সরকার অর্থ প্রদান করে এবং পুলিশ বাহিনীর ঘাটতি থাকায় সবাইকে পর্যবেক্ষণে রাখতে বলা হয়েছে। এই ধরনের অপব্যবহারের ঘটনা এড়াতে পুজামণ্ডপ আয়োজকদের উচিত মণ্ডপগুলোকে অযত্নে না রাখা।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, পুজামণ্ডপে কোনো উপাসক বা আয়োজক না থাকা অবস্থায় একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি পবিত্র কুরআনের একটি কপি মণ্ডপে রেখে যায়। অন্য একজন তার একটি ছবি তুলে তা ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়। যা ক্ষোভের জন্ম দেয় এবং ভাঙচুর ও লুটপাটের দিকে নিয়ে যায়।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

প্রেমিক ও বিবাহিত বন্ধু মিলে দিনের পর দিন কিশোরীকে ধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক

প্রেমিক ও বিবাহিত বন্ধু মিলে দিনের পর দিন কিশোরীকে ধর্ষণ

কক্সবাজারের মহেশখালীতে কিশোরীকে হোটেলে তুলে মেলামেশার ভিডিও ধারণ করে পরে দুই বন্ধু মিলে দিনের পর দিন ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় কক্সবাজারের মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়নের অফিসপাড়া থেকে বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) ভোররাতে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়।

তারা হলেন- অফিসপাড়ার মো. রফিকের ছেলে মো. আলমগীর (২২) ও মোহাম্মদ শাহ ঘোনার মোহাম্মদ হোছাইনের ছেলে মো. আনোয়ার (২৬)।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হাই জানান, উপজেলার এক কিশোরীর (১৫) সঙ্গে ছয় মাস আগে পার্শ্ববর্তী অফিসপাড়ার মো. আলমগীরের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রেমের সম্পর্কের সুবাদে ভ্রমণের কথা বলে কথিত প্রেমিক আলমগীর ওই কিশোরীকে গত ১১ অক্টোবর চকরিয়া উপজেলার বদরখালীর বাজারে একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে তারা রাতযাপন করেন। সেদিনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের দৃশ্য কিশোরীর অজান্তে মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখেন আলমগীর।

আরও পড়ুন:


নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন: ওসি-এসআইকে বরখাস্তের নির্দেশ

প্রেমিকাকে গলা কেটে ‌‘হত্যাকারী’ মনিরও মারা গেল

মাওলানা আজহারীর লন্ডন সফরের পক্ষে বিপক্ষে নানা তৎপরতা

প্রবাসীদের জন্য যে সুখবর দিল মালয়েশিয়া


 

পুলিশ জানায়, ঘটনার কয়েক দিন পর সেদিনের ভিডিও চিত্রটি আলমগীরের কথিত বন্ধু মো. আনোয়ারকে দেখায়। সেই ভিডিওটি আনোয়ারও সংরক্ষণ করে রাখে। পরে ওই কিশোরীকে ভিডিও চিত্রের ভয় দিয়ে কুপ্রস্তাব দেয় আনোয়ার। প্রস্তাবে রাজি না হলে ভিডিওটি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। একপর্যায়ে লোকলজ্জার ভয়ে কিশোরী মেয়েটি রাজি হয়ে যায়। এভাবে কিশোরীকে ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন দুজনেই।

‌‘গ্রেপ্তার দুজনের মানসিক ও শারীরিক চাপ সইতে না পেরে একপর্যায়ে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। পুরো ঘটনা তার মাকে খুলে বলেন। সর্বশেষ গত ২৬ অক্টোবর মহেশখালী থানায় মেয়েটির মা বাদী হয়ে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে কথিত প্রেমিক আলমগীর ও আনোয়ারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।’

ওসি মো. আব্দুল হাই বলেন, কিশোরীর সঙ্গে ঘটে যাওয়া বিষয়টি খুবই গুরুত্বসহকারে দেখছি আমরা। আমাদের চাওয়া মেয়েরা যেন সুরক্ষিত থাকে। গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুসুলভ আচরণের পরামর্শ দেন ওসি।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ভাসানচর থেকে পালাচ্ছিল ২৫ রোহিঙ্গা

আকবর হোসেন সোহাগ, নোয়াখালী

ভাসানচর থেকে পালাচ্ছিল ২৫ রোহিঙ্গা

হাতিয়ার ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পালিয়ে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার যাওয়ার পথে ২৫ রোহিঙ্গা নারী-পুরুষকে আটক করেছে নোয়াখালীর সুবর্ণচরের স্থানীয় এলাকাবাসী।

আটকরা হলো- রশীদ উল্যাহ (২৫) আনোয়ারা (২২) মো.আমিন (৩) মো.সৈয়দ আমিন (১০ মাস) সেফায়েত উল্যাহ (৩০) হাসিনা বেগম (২৬) মো.নয়ন (১২) জান্নাতুল ফেরদৌস (৮) সুমাইয়া (৫) নূর মোহাম্মদ (২০) খালেদা (১৮) মো.ইলিয়াছ (৬মাস) মো.জোবায়ের (২০) ফাতেমা (১৯) ছাদিয়া (৪) মো.জাবেদ (১) একরাম উল্যাহ (৩০) ফাতেমা (২৫) রহমত (৪) আসমা (২) আশেয়া বেগম (২৫) পারভিন আক্তার (৯) মো.হাসান (৪) উম্মে কুলসুম (২০) ফাতেমা খাতুন (৫০)।

আরও পড়ুন:


নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন: ওসি-এসআইকে বরখাস্তের নির্দেশ

প্রেমিকাকে গলা কেটে ‌‘হত্যাকারী’ মনিরও মারা গেল

মাওলানা আজহারীর লন্ডন সফরের পক্ষে বিপক্ষে নানা তৎপরতা

প্রবাসীদের জন্য যে সুখবর দিল মালয়েশিয়া


 

বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) সকালে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের থেকে তাদের আটক করা হয়।

চরজব্বর থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) এস.এম মিজানুর রহমান এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আটকদের মধ্যে ১০ জন শিশু রয়েছে। আজ বিকেল দিকে তাদের ভাসানচরের উদ্দেশে পাঠানো হবে।

ওসি তদন্ত মিজানুর রহমান আরো জানান, বুধবার রাতে ১০ জন শিশুসহ ২৫ জন রোহিঙ্গা ভাসানচর থেকে পালিয়ে দালালের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়। পথে সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন এলাকায় দালাল ও নৌকার মাঝি বুধবার দিবাগত রাতে তাদের নামিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সকালে বাসিন্দারা বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশকে জানায়।

খবর পেয়ে সুবর্ণচর উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চৈতী সর্ববিদ্যা ও চরব্বর থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চৈতী সর্ববিদ্যা জানান, আটক ২৫ রোহিঙ্গাকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। ভাসারচর আশ্রয়ন কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা হয়েছে। কোস্টগার্ড এসে সুবর্ণচর থেকে পুনরায় ২৫ রোহিঙ্গাকে ভাসানচর আশ্রয়ন কেন্দ্রে নিয়ে যাবে।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

প্রেমিকাকে গলা কেটে হত্যার পরের দিন মারা গেল সেই প্রেমিকও!

অনলাইন ডেস্ক

প্রেমিকাকে গলা কেটে হত্যার পরের দিন মারা গেল সেই প্রেমিকও!

সুমাইয়া আক্তার (১৬) নামে এক স্কুলছাত্রীকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আটক প্রেমিক মনির (১৭) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাতাপাতালে তার মৃত্যু হয়। মনিরের খালা রোজিনা বেগম জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা গেছে। বুধবার রাত সাড়ে ৭টায় তাকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আটক করে র্যাব। 

বুধবার সকালে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গার কলেজপাড়া এলাকার খোকনের নির্মাণাধীন বাড়ির নিচতলার সিঁড়িকোঠায় সুমাইয়াকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করে মনির। সুমাইয়ার মরদেহ ও আহত অবস্থায় মনিরকে উদ্ধার করে পুলিশ।

দুই বছর ধরে সুমাইয়ার সঙ্গে মনিরের প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। দুই মাস আগে মাদকাসক্ত মনিরের সঙ্গে  সম্পর্ক ছিন্ন করে। বিষয়টি মনির সহ্য করতে পারছিল না। ঘটনার পাঁচ দিন আগে সুমাইয়াকে কানে আঘাত করে আহত করে মনির। মনির বখাটে ও মাদকাসক্ত হওয়ায় সুমাইয়া তাকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে। সেই থেকে সুমাইয়ার ওপর ক্ষুব্ধ হয় মনির। এরপর সে পরিকল্পিতভাবে সে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এজন্য হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার আগের রাতে প্রচুর পরিমাণ মাদক গ্রহণ করে মনির। নানা তথ্য-উপাত্ত ও ভিডিও ফুটেজ থেকে তা নিশ্চিত হওয়ার কথা জানায় টাঙ্গাইলের র্যা্ব-১২ সিপিসি-৩-এর কোম্পানি কমান্ডার লে. আব্দুল্লাহ আল মামুন।

টাঙ্গাইলের র্যা্ব-১২ সিপিসি-৩-এর কোম্পানি কমান্ডার লে. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, সুমাইয়াকে হত্যার পর মনির আত্মহত্যার চেষ্টা করে। সে উপজেলার মশাজান গ্রামের মেহের আলীর ছেলে। উপজেলার পালিমা গ্রামে সুমাইয়ার বাড়ি। সে এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

তিনি আরও জানান, বুধবার দিনভর গোয়েন্দা তথ্য ও বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ এবং হত্যার আগের নানা ঘটনা পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হওয়া গেছে এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মনির জড়িত। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি মনিরের। ছুরি হাতে নানা কসরত করা বেশ কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ সংগ্রহ করা হয়েছে। সুমাইয়ার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:

চাপের মুখে বাংলাদেশ

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে টাইগার শিবিরে বড় দুটি দুঃসংবাদ

শাহরুখের সাথে জুটি থেকে সরে দাঁড়ালেন নায়িকা


তিনি জানান, এ ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কিনা তাও তদন্ত করা হচ্ছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে সুমাইয়াকে হত্যা করে সেও আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

আইজিপির সিল-স্বাক্ষর জাল করে পুলিশে নিয়োগের সুপারিশ

শেখ আহসানুল করিম, বাগেরহাট

আইজিপির সিল-স্বাক্ষর জাল করে পুলিশে নিয়োগের সুপারিশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক পরিচয দিয়ে পুলিশ মহা পরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজির আহমেদের সিল-স্বাক্ষর জাল করে কনস্টেবল নিয়োগের সুপারিশের অপরাধে স্বপন সিংহ (৪৫) নামের এক প্রতারককে গ্রেফতার করেছে বাগেরহাট পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোরে বরিশাল শহর থেকে বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

বিকেলে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার কেএম আরিফুল হক এসব সংবাদ সম্মেলনে তথ্য জানিয়েছেন।

এসময়, বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি রেজাউল করিমসহ পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গ্রেপ্তার স্বপন সিংহ পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার গাবুয়া গ্রামের বিরেন্দ্রনাথ সিংহের ছেলে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বপন সিংহকে আদালতের মাধ্যমে বাগেরহাট কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বাগেরহাটের পুলিশ সুপার সংবাদ সম্মেলনে জানান, জেলার ফকিরহাট উপজেলার সিংগাতী এলাকার প্রান্ত শীল বাপ্পিকে কনস্টেবল পদে নিয়োগ দেওয়ার জন্য দশ লাখ টাকা চুক্তি করে প্রতারক স্বপন সিংহসহ চারজন। চাকরি দেওয়ার জন্য প্রতারক চক্রটি নিজেদের পুলিশ মহাপরিদর্শকের ঘনিষ্ঠ লোক বলে পরিচয় দেয়। বাপ্পির পরিবারের কাছ থেকে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর ও একটি ফাকা চেক নেয় তারা৷ পুলিশ সুপারের বরাবর কনস্টেবল পদে আবেদনপর একটি কপির পাশে পুলিশ মহাপরিদর্শকের নকল সিল ও স্বাক্ষর দিয়ে বাপ্পির পরিবারের কাছে দেয়।

ওই আবেদনটি খুব গোপনে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার বরাবর দেওয়ার জন্য বলে।

প্রতারকদের পরামর্শ অনুযায়ী বাপ্পির পক্ষ থেকে আবেদনটি আমাদের দপ্তরে জমা দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন:


নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন: ওসি-এসআইকে বরখাস্তের নির্দেশ

প্রেমিকাকে গলা কেটে ‌‘হত্যাকারী’ মনিরও মারা গেল

মাওলানা আজহারীর লন্ডন সফরের পক্ষে বিপক্ষে নানা তৎপরতা

প্রবাসীদের জন্য যে সুখবর দিল মালয়েশিয়া


 

পুলিশের মহাপরিদর্শক কখনও কনস্টেবল পদে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেন না। কনস্টেবল নিয়োগ হয় যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী। আমরা আবেদনটি দেখে সন্দেহ হলে যাচাই বাছাই করে জানতে পারি পুলিশ মহাপরিদর্শকের সীল ও স্বাক্ষর জাল। পরবর্তীতে বাপ্পির মা যুথকা শীলের অভিযোগের ভিত্তিতে স্বপন সিংহকে গ্রেফতার করি। এই চক্রের সাথে আরও তিনজন জড়িত রয়েছে। তাদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ সচেষ্ট রয়েছে।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর