জার্মানীতে এ্যাঙ্গেলা মার্কেল যুগের অবসান ও কিছু কথা

আলী রিয়াজ

জার্মানীতে এ্যাঙ্গেলা মার্কেল যুগের অবসান ও কিছু কথা

জার্মানীতে এ্যাঙ্গেলা মার্কেল যুগের অবসান ঘটছে। রোববার সংসদের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জার্মানরা তাঁর উত্তরসূরি নির্বাচন করছেন। ষোল বছর ধরে ক্ষমতায় থাকার পরে মার্কেল ক্ষমতা থেকে সরে দাড়ালেও জার্মান রাজনীতিতে তাঁর লিগ্যাসি দীর্ঘদিন ধরেই থাকবে। 

এই ষোল বছরে জার্মানী বহু ধরণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলা করেছে; এর মধ্যে ২০০৮ সালের অর্থনৈতিক সংকট, ২০১৫ সালে ইউরো জোন সংকট, একই বছরে সিরিয়া এবং ইরাক থেকে আসা শরনার্থীদের গ্রহণ করা এবং ২০২০ সালে কোভিড-১৯ অতিমারী। এই সময়ে জার্মান রাজনীতিতে যে বড় ধরণের পরিবর্তন ঘটেছে তাঁর অন্যতম দিক হচ্ছে, মার্কেল রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রে কূটচাল নয় পলিসিকে রাখতে পেরেছেন। 

২০১৫ সালে শরনার্থী বিষয়ে তাঁর সিদ্ধান্ত খুব জনপ্রিয় ছিলো তা বলা যাবেনা। এই প্রশ্নে তাঁর কোয়ালিশনের অন্য দল লিবারেলরা ভিন্নমত পোষন করেছিলো। কিন্ত তাঁর অবস্থান ছিলো নৈতিক ও নীতিকেন্দ্রিক। এর জন্যে তাঁকে মাশুলও গুনতে হয়েছে ২০১৭ সালের নির্বাচনে, খানিকটা পশ্চাদপসারণও; কিন্ত তাঁর সিদ্ধান্ত ইউরোপের কেন্দ্রে যে কোনও ধরণের বিশৃঙ্খলা না ঘটার ব্যবস্থা করেছে। রক্ষনশীল দলের প্রতিনিধিত্ব করেও তিনি যে পরিবর্তনগুলো করেছেন সেটি একার্থে তাঁর নেতৃত্বের গুণকেই প্রকাশ করে, এমনকি তাঁর সঙ্গে একমত না হয়েও তা বলা যায়। 

কিন্ত সবচেয়ে বড় বিষয় যেটি সেটি হচ্ছে ইউরোপ এবং বিশ্ব রাজনীতিতে যখন অস্থিতিশীলতা চলেছে মার্কেল সেখানে স্থিতিশীলতার প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন – এই কারণে নয় যে তিনি বারবার বিজয়ী হয়েছেন, এই কারণে যে তাঁর অনুসৃত পররাষ্ট্র নীতি আস্থার জায়গা তৈরি করেছে। 

২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত পশ্চিমা বিশ্বের নেতৃত্ব তিনিই দিয়েছেন, ‘লিডার অব দ্য ফ্রি ওয়ার্ল্ড’ বলে যে কথাটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্যে ব্যবহৃত হয় সেটি অন্তত এই সময়ে জার্মানীর প্রাপ্র্য। 

কিন্ত রাজনীতির দৃশ্যপট থেকে মার্কেলের অনুপস্থিতির এই সূচনায় মার্কেলের নেতৃত্বের সাফল্য গাঁথা বর্ণনা আমার লক্ষ্য নয়, আমি বরঞ্চ সামনের দিকে তাকাবার তাগিদেই এই প্রসঙ্গের অবতারনা করেছি। সামনের দিনগুলোতে ইউরোপ বিশ্ব রাজনীতিতে কী ভূমিকা নেবে, মার্কেলের অবসর গ্রহণের প্রেক্ষাপটে সেটাই ভাবা দরকার। 

এর কারণ তিনটি; প্রথমত বিশ্ব রাজনীতি এবং অর্থনীতির ভরকেন্দ্র এশিয়ায় সরে গেছে অনেক আগেই, কিন্ত এখন চীন সেই ভরকেন্দ্রের নেতৃত্ব দিতে উদ্যোগী; সেইখানে ইউরোপের সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে জার্মানীর ভূমিকা কী হবে? যুক্তরাষ্ট্র চীনকে সামরিক এবং অর্থনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে চায়। সেটা করতে হলে তাঁর দরকার ইউরোপের সমর্থন ও সহযোগিতা। 

দ্বিতীয়ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইউরোপের যে মতপার্থক্যের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে সেখানে জার্মানী সেতুবন্ধন হতে পারবে কিনা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে দুই দেশের সম্পর্কের টানাপড়েনের মূখে ন্যাটো এবং অন্যত্র জার্মানী ইউরোপকে একত্রে রেখেছে এবং নেতৃত্বে দিয়েছে। আগামীতে কী হবে? আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র এবং ন্যাটোর পরাজয় এই বিষয়কে আরও জটিল করে তুলেছে।
  
তৃতীয়ত রাশিয়া এবং জার্মানীর সম্পর্ক। ইউক্রেনের যুদ্ধে রাশিয়ার সম্পৃক্ততা, দেশের ভেতরে রাজনৈতিক ভিন্ন মতাবলম্বীদের ওপর দমন-পীড়ন এবং জার্মানিতে গণতন্ত্রকে ক্ষুণ্ণ করার প্রচেষ্টা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবণতি ঘটিয়েছে। কিন্ত দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক অটুট আছে। নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইন তাঁর একটি অন্যতম উদাহরণ। 

রও পড়ুন:

একাধিক পদে নিয়োগ দেবে বেক্সিমকো

বিয়ের আগেই পাত্রের মাকে নিয়ে পালিয়ে গেল পাত্রীর বাবা!

বিশ্বকাপের আগে কোহলিকে স্বস্তি দিলেন অশ্বিন

ইংরেজি শেখার জন্য বিয়ে করেছিলেন শেবাগ-যুবরাজ-হরভজন!!


জার্মানীর নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলের যে ইঙ্গিত এক্সিট পোলগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে, যা জার্মান সময় মধ্যরাত পর্যন্ত জানা গেছে তাতে সোশ্যাল ডেমোক্রেট – এসপিডি -এগিয়ে আছে, মার্কেলের দল রক্ষনশীল সিডিইউ/সিএসিউ পিছিয়ে পড়েছে। এটা মোটেই অপ্রত্যাশিত ফল নয়। কিন্ত শেষ পর্যন্ত সরকার গঠনে গ্রীন পার্টির সমর্থন লাগবে বলেই বোঝা যাচ্ছে। রক্ষনশীলরা এখনও আশা করছেন যে, তাঁরা একটি কোয়ালিশন সরকার করতে পারবে। সেই সম্ভাবনা কম। 

ক্ষমতায় সেই দলই যাক না কেন তাঁদের বিশ্ব রাজনীতিতে জার্মানীর ভূমিকার বিষয়গুলোকে খুব শিগগিরই মোকাবেলা করতে হবে। এ্যাঙ্গেলা মার্কেলের উত্তরসূরি কতটা তাঁর উত্তরসূরি হবেন আর কতটা নিজস্ব চিহ্ন রাখতে চাইবেন/পারবেন সেটা দেখার বিষয়। কেননা এর সঙ্গে বিশ্বের সকলের স্বার্থ এবং বৈশ্বিক রাজনীতির অনেক কিছুই নির্ভর করছে।           

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

আমাদের সময় কখন ফুরিয়ে আসে কেউ জানে না

এস এম রেজাউল করিম

আমাদের সময় কখন ফুরিয়ে আসে কেউ জানে না

অস্তগামী সূর্যের মতো এমন মুহূর্ত আমাদের জীবনেও নেমে আসে, কিন্তু আমাদের জীবন সায়াহ্ন নেমে আসা দৃশ্য মান হয়না। প্রখর রৌদ্রতাপ ছেড়ে ক্রমান্বয়ে স্নিগ্ধতা পূর্ণ মায়াবী আলোআধারির আবেশ‌ দিয়ে বিলিন হয়ে গেলে স্থান করে নেয় নিকষ অন্ধকার। 

হয়তো কঠোর রৌদ্রতাপের সূর্যও বুঝতে পারে বিদায় লগন, কিন্তু বুঝিনা আমরা, কখন হয়ে যাবো বিলিন। আমাদের সময় কখন ফুরিয়ে আসে তা কেউ জানেনা। 

তাই যদি সৎ কর্মের মধ্য থেকে কিছু স্নিগ্ধতা রেখে যেতে পারি, সেটাই হয়তো আঁধারের মাঝে একঝলক আলোর বিচ্ছুরণ হয়ে রইবে। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।

লেখক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

আরও পড়ুন:

স্ত্রীর ইচ্ছা পূরণে মন্দিরে ১৭ লাখ রুপির স্বর্ণ দান


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

বেয়াদব বলি, বোলার বলি আর ব্যাটসম্যান; আসে তার নাম

রুবাইয়াত সাইমুম চৌধুরী

বেয়াদব বলি, বোলার বলি আর ব্যাটসম্যান; আসে তার নাম

রুবাইয়াত সাইমুম চৌধুরী

সব দোষ সরকারের ( সৌম্য), লিটন সাহেব তো এক্কেরে প্রতিভা। আয়নাম্যানও গেছেগা।

আমি তো বলই, আছেই আমাদের একজন।
 
বেয়াদব বলি, বোলার বলি আর ব্যাটসম্যান । আসে সেই।
 
যেইদিন সে খেলে ঠিক ঠাক , সেদিন জেতার চান্স থাকে। মানে সে ব্যাট করে রান করে আবার বল করে উইকেট নেয়। দুটাই করা লাগবে। একটা করলেও হবে না। দুটা না করলে টিম জেতে না সাধারণত। 
আয়নাম্যান তো ৩ বলে ২ রানও নেয়না জেতার জন্য মাঝে মাঝে।

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/এমি-জান্নাত  

পরবর্তী খবর

২২ রিপোর্টারের ডিআরইউ পুরস্কার ও আমার প্রশ্ন

শওগাত আলী সাগর

২২ রিপোর্টারের ডিআরইউ পুরস্কার ও আমার প্রশ্ন

শওগাত আলী সাগর

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) ২২ জন রিপোর্টারকে ‘বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড’ দিয়েছে। একটি জুরি বোর্ড রিপোর্টারদের রিপোর্ট যাচাই বাছাই করে এই ২২টি রিপোর্টকে সেরা হিসেবে বিবেচনা করেছে। 

রিপোর্টার্স ইউনিটি এই সেরা রিপোর্টারদের আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কৃত করেছে। প্রথমে আমি এই সেরা রিপোর্টারদের অভিনন্দন জানাই।

যারা পুরস্কারের জন্য রিপোর্ট জমা দিয়েছিলেন-সেগুলো নিশ্চয়ই রিপোর্টই ছিলো এবং একজন রিপোর্টার তার রিপোর্টটিকে পুরস্কার পাওয়ার উপযোগি রিপোর্ট হিসেবে বিবেচনা করেছেন। তাদের চেয়ে ভালো রিপোর্ট থাকায় তারা পুরস্কার পাননি- তার মানে এই না- তাদের রিপোর্টগুলো সেরা রিপোর্টের কাতারভূক্ত রিপোর্ট নয়। জমা হওয়া রিপোর্টের সংখ্যা অবশ্য আমি জানতে পারিনি। 

পুরস্কারের সংবাদটি আমার মনে কয়েকটি প্রশ্ন তৈরি করেছে- সেগুলো একটু শেয়ার করতে চাই। এই যে আমরা সারা বছর ঢাকার সাংবাদিকতার সমালোচনা করি, দেশে কোনো সাংবাদিকতা নাই, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এখন আর হয় না, সম্ভব না বলে হা হুতাশ করি- তারা কী এই ২২টি রিপোর্টের খবর রাখি! 

রাখলে আমরা কী এই ২২টি রিপোর্টকে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বা নিদেনপক্ষে সাংবাদিকতা হিসেবে স্বীকার করি! আমরা কী এই ২২ টি রিপোর্টের কোনা একটি নিয়ে উচ্ছ্বসিত হয়েছি, বলেছি- দেখো- এর নাম অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা!


আরও পড়ুন: 

ইংল্যান্ড ম্যাচের আগে টাইগার শিবিরে বড় দুটি দুঃসংবাদ

১০ মিনিটের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র নয়াপল্টন

এনআইডি নিয়ে সরকারের নতুন পরিকল্পনার কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


বাংলাদেশের সাংবাদিকতায় নানা সংকট আছে, সীমাবদ্ধতা আছে। সেগুলো পাশ কাটিয়ে অন্তত ২২জন রিপোর্টার তো ২২টি রিপোর্ট তৈরি করতে পেরেছেন- যেগুলোকে পুরস্কৃত করা যায়, যেগুলো পুরস্কৃত পায়। বাংলাদেশের এই সাংবাদিকতার চেষ্টাটাও কম কি!

লেখাটি শওগাত আলী সাগর -এর ফেসবুক থেকে নেওয়া (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

জাস্টিন ট্রুডো তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দিয়েছেন তিন নারীকে

শওগাত আলী সাগর

জাস্টিন ট্রুডো তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দিয়েছেন তিন নারীকে

যে কোনো সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রনালয় হচ্ছে অর্থ, পররাষ্ট্র এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়। নারীবাদী প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছেন তিন নারীর উপর। 

কানাডার ক্রাইসিস ম্যানেজার হিসেবে খ্যাত ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড অর্থমন্ত্রী এবং ডেপুটি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন অনিতা আনন্দ। আর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন আরেক নারী ম্যালেনি জুলি। 

কানাডার অর্থনীতি, প্রতিরক্ষা আর  বহিঃর্বিশ্বে কানাডাকে তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ তিন নারীর উপর ছেড়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো।

লেখাটি শওগাত আলী সাগর -এর ফেসবুক থেকে নেওয়া (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

তরুণদের দল নিয়ে এখনই উপসংহারে পৌঁছা থেকে বিরত রইলাম

মারুফ কামাল খান সোহেল

তরুণদের দল নিয়ে এখনই উপসংহারে পৌঁছা থেকে বিরত রইলাম

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ডাকসুর সদ্যসাবেক ছাত্রনেতারা তরুণদের এক রাজনৈতিক দলের জন্ম দিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের একজন নির্যাতীত সেক্টর কমান্ডারকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী তরুণদের সমন্বয়ে গঠিত সেই জাসদ হঠকারি পথ ধরে অনেক ঘটনার জন্ম দিলেও রাজনীতিতে সফল কিংবা বিজয়ী হতে পারে নি।

আজ একই ধারায় তরুণদের  আরেকটি দল জন্ম নিলো। এদেরকে নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করা কিংবা উপসংহারে পৌঁছা থেকে বিরত রইলাম।

তাদের ব্যাপারে আমার কৌতুহল আছে, তবে প্রত্যাশা কিংবা বিদ্বেষ নেই কোনো। আর ভবিষ্যদ্বাণীও তুলে রাখছি ভবিষ্যতের জন্যই।

তবে এরা জাতিসংঘের তদারকি ছাড়া বাংলাদেশে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় বলে যে বক্তব্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে সে বক্তব্যে তারা কতোটা অটল থাকতে পারে সেটাই প্রথম দেখার বিষয়।

লেখাটি মারুফ কামাল খান সোহেলের-এর ফেসবুক থেকে নেওয়া (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর