সভাপতির পদ ছেড়ে সোনিয়া গান্ধীকে চিঠিতে যা বললেন সিধু
সভাপতির পদ ছেড়ে সোনিয়া গান্ধীকে চিঠিতে যা বললেন সিধু

সভাপতির পদ ছেড়ে সোনিয়া গান্ধীকে চিঠিতে যা বললেন সিধু

অনলাইন ডেস্ক

বিধানসভা ভোটের আগে বড় ধাক্কা খেলো ভারতের পাঞ্জাব কংগ্রেস। দলটির পাঞ্জাব শাখা সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সাবেক ক্রিকেটার নভজিৎ সিং সিধু। পাঞ্জাবের প্রদেশ সভাপতি হওয়ার পর দুই মাস কাটতে না কাটতেই পদত্যাগ করলেন তিনি।

হিন্দুস্তান টাইমস এ খবর জানিয়েছে।

ভারতের আরেক গণমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) নাটকীয়ভাবে সভাপতির পদে ইস্তফা দিলেন তিনি। কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে লেখা চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘মানুষের চরিত্রের স্খলন হয় সমঝোতার মধ্য দিয়ে। পদত্যাগ করলেও কংগ্রেস কর্মী হিসেবে সেবা করে যাব। কিন্তু পাঞ্জাবের ভবিষ্যৎ নিয়ে আপস করব না। ’

পাঞ্জাব বিধানসভার ভোটের মাত্র পাঁচ মাস বাকি। আগামী মার্চ মাসে ভোট হওয়ার কথা। তার আগেই সিধুর প্রথম বিদ্রোহ। সেই বিদ্রোহের লক্ষ্য ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং। সিধুকে গুরুত্ব দিয়ে প্রধানত রাহুল ও প্রিয়াঙ্কার চাপে সোনিয়া মুখ্যমন্ত্রী বদলের সিদ্ধান্ত নেন। নতুন মুখ্যমন্ত্রী করা হয় দলিত নেতা চরণজিৎ সিং চান্নিকে। সে সময় বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং বলেছিলেন, কংগ্রেস মারাত্মক ভুল করল। সিধু ভরসা করার মানুষ নন। পাঞ্জাবের মতো সীমান্তবর্তী রাজ্যে সিধুকে মুখ্যমন্ত্রী করা উচিত হবে না। কারণ, উনি স্থিতিশীল নন। গতকাল সিধুর পদত্যাগের পর সেই অমরিন্দর বলেন, ‘আমি আগেই বলেছিলাম। এখন প্রমাণ হলো আমি কতটা নির্ভুল ছিলাম। ’

মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিংয়ের সঙ্গে ক্ষমতার লড়াই থামাতে গত ১৫ জুলাই সিধুকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি করা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব মেটেনি। এরপর অমরিন্দর মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিলে সিধু ভেবেছিলেন তাঁকেই সেই পদে বসানো হবে। কিন্তু কংগ্রেস নেতৃত্ব বেছে নেয় দলিত বিধায়ক চান্নিকে।

লোকসভা এবং রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ সিধু এক সময় অমরেন্দ্র মন্ত্রিসভারও সদস্য ছিলেন। ২০১৭ সালে বিজেপি ছেড়ে তিনি কংগ্রেসে যোগ দেন।

news24bd.tv নাজিম  

;