মৃত্যু যন্ত্রণার মতোই নারীর প্রসব যন্ত্রণা!
মৃত্যু যন্ত্রণার মতোই নারীর প্রসব যন্ত্রণা!

মৃত্যু যন্ত্রণার মতোই নারীর প্রসব যন্ত্রণা!

Other

কিচেন জিনিসটা আমার খুবই অপছন্দ। অনেক লেখক সাংবাদিক আছেন যারা কিচেন পছন্দ করেন। রান্না করতে ভালবাসেন। অনেক কিছু করতে পারেন তারা।

তখন বিচিত্রায় কাজ করি। ১৯৮৪/৮৫ সালের কথা। একবার শাহরিয়ার কবিরের মহাখালীর বাসায় গিয়েছি। সেদিন তিনি আমাদের চমৎকার আলুর দম রান্না করে খাইয়েছিলেন। শাহরিয়ার কবিরের মতো একজন জনপ্রিয় লেখক রান্না পারেন! আমি তো অবাক! তখনই আমার মনে হয়েছিল আমিও রান্না শিখব। কিন্তু নানা কারণে আর হয়ে উঠেনি।

কানাডা আসার পর কিচেনের গুরুত্ব বুঝেছি। অন্য সব কিছু না পারলেও চা বানানো, ভাত রান্না, ডিম ভাজা, ডাল রান্না এসব শিখে ফেলি। নিতান্তই জীবন বাঁচানোর জন্য কাজে লাগে এসব। আমার বন্ধু আলম ভাইও অনেক কিছু রান্না পারেন। তিনি মোটামুটি শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন রান্নাটাকে। আমি তার দ্বারা দারুণভাবে অনুপ্রানিত। প্রায়ই বলেন, শিখে ফেলেন। ডিপেনডেন্সি কামান।

কিন্তু আমার আর কিছুতেই শেখা হয়ে উঠছিল না। আজকাল মাঝে মাঝে কিচেনে জেসমিনের আশ পাশ দিয়ে ঘুর ঘুর করি। জেসমিন নিজেও এদেশে এসেই রান্নার ট্রেনিং পেয়েছে। প্রবাসের বেশিরভাগ মেয়েই তাই। আদরের কন্যারা এখন সবকিছু দু’হাতে সামলায়।

আরও পড়ুন


সিইসি কেএম নুরুল হুদাকে 'ভুয়া' লোক বললেন মির্জা আব্বাস

কুড়িগ্রামে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে মতবিনিময় সভা

তামিমা ফিরে আসতে চাইলে আপত্তি নেই: রাকিব (ভিডিও)

ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে নায়িকা কৌশানী


জেসমিন আমাকে একলা রেখে যখন দেশে যায় তখন হয় আত্মীয়রা না হয় বন্ধুরা খাবার সাপ্লাই দিত। সে সব মজা করে খেতাম আমি। কিন্তু এখন আমি নিজে কিছু কিছু করার চেষ্টা করছি। জেসমিন দেখলাম আমার উপর মহা খুশী। আগে কিচেনে ঢুকতেই দিতনা। সম্ভবত সেও এখন টায়ার্ড। সব কাজেই এক সময় ক্লান্তি আসে। আর মেয়েরা বাইরে কাজ করবে, সন্তান লালন পালন করবে, গ্রোসারি করবে, আবার রান্নার দ্বায়িত্ব তার! এটা কেমন কথা!

এটা কিছুতেই হতে দেওয়া উচিত না। সব কাজ সমানভাবে ভাগ করে নেওয়া উচিত। পুরুষরা তো সন্তান ধারণ করতে পারেনা! যদি পারত তাহলে নারীর কষ্ট বুঝত। মৃত্যু যন্ত্রণার মতোই প্রসব যন্ত্রণা।

news24bd.tv এসএম