নাসির-তামিমা ‘যে কোনো সময় গ্রেপ্তার’

অনলাইন ডেস্ক

নাসির-তামিমা ‘যে কোনো সময় গ্রেপ্তার’

বিয়ে নিয়ে বিপাকে পড়ছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটার নাসির হোসেন। তার স্ত্রী তামিমা নথি জাল করে নাসিরকে বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিয়েবিচ্ছেদের জাল নথি তৈরি করেছেন তামিমা। এবার পুলিশি তদন্তে সেই অভিযোগ প্রমাণিত হলো।

আদালত নির্দেশ দিলে গ্রেপ্তার করা হতে পারে নাসির ও তামিমাকে।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগশনের তদন্তে উঠে এসেছে, আগের স্বামী রাকিব হাসানের সঙ্গে বিয়েবিচ্ছেদ না করেই বাংলাদেশের ক্রিকেটারের সঙ্গে বিয়ে করে ফেলেছেন তামিমা।

এ ঘটনায় নাসির, তামিমা-সহ তিন জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারে প্রশাসন।

এর আগে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানা তাম্মীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন জানিয়েছেন মামলার বাদী রাকিব হাসান।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীমের আদালতে তিনি এ আবেদন করেন।

রাকিবের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
 
তদন্ত প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় রাকিব জানান, তার অভিযোগ শক্তভাবে প্রমাণিত হয়েছে। সত্যিটা সামনে আনার জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিআইবি) কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান তিনি।

এসময় তিনি জানান, তামিমা এখনও আইনত আমার স্ত্রী। সে যদি স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক কন্টিনিউ করতে চায় তাহলে আমিও তাই করবো।
 
সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিআইবি) একটি প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদন আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার আবেদন করেছি। আদালত নথি পর্যালোচনা করে আদেশ পরে দেবেন বলে জানিয়েছেন।

আদালত যদি গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন মঞ্জুর করেন, তাহলে যে কোনো সময়ে গ্রেপ্তার হতে পারেন নাসির ও তামিমা।

ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তামিমা সুলতানা তাম্মির বিয়ে অবৈধ। তারা দুজন বৈধ উপায়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হননি। এ ছাড়া তামিমা ও রাকিব হাসানের বিবাহবিচ্ছেদ সংক্রান্ত নথিও জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। রাকিবকে ডিভোর্স না দিয়েই ক্রিকেটার নাসিরকে বিয়ে করেছেন তামিমা।

এসব তথ্য পাওয়া গেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের প্রতিবেদনে (পিবিআই)।

আরও পড়ুন: 


 চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট শ্রমিক

বাবা-মাকে ঘরে আটকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ফাঁস, সুইসাইড নোট উদ্ধার

আপা নেই, কে ধমক দেবে?

আজ গ্যাস নেই যেসব এলাকায়


বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীমের আদালতে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান এ প্রতিবেদন দাখিল করেন।

এর আগে ডিভোর্স না দিয়ে অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানার বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।

গত ৩১ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসীমের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিল করেনি। এ জন্য বিচারক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তামিমার প্রথম স্বামী মো. রাকিব হাসান বাদী হয়ে এ মামলা করেন। ওই দিনই আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। এরপর শুনানি শেষে সেদিন বিকেলে আদালত মামলার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

সাকিব-মুস্তাফিজকে রাখলো না কলকাতা ও রাজস্থান

অনলাইন ডেস্ক

সাকিব-মুস্তাফিজকে রাখলো না কলকাতা ও রাজস্থান

ফাইল ছবি

আইপিএল মানেই চার-ছক্কার ছড়াছড়ি। যেখানে বিশ্বের সব বাঘা বাঘা খেলোয়াররা অংশ নেয়। কিছুদিন আগেই শেষ হয়েছে আইপিএলের ১৪তম আসর। এখন প্রস্তুতি শুরু হয়েছে ১৫তম আসর নিয়ে। তবে ১৫তম আসর কিছুটা ব্যতিক্রম। কারণ এই আসরে অংশ নেবে ১০টি দল।

এদিকে ১৫তম আসর নিয়ে তোরজোড় শুরু করেছে দলগুলো। এরইমধ্যে বর্তমানের ৮টি দল তাদের ধরে রাখা খেলোয়াড়ের তালিকা ভারতের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের (বিসিসিআই) কাছে জমা দিয়েছে।

গত আসরে আইপিএলে বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের দল কলকাতা নাইট রাইডার্সে (কেকেআর) ছিলেন দেশ সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তবে আগামী আসরে তাকে রাখেনি কেকেআর। তাই নিলামের মাধ্যমে নির্ধারণ হবে ১৫তম আসরে খেলছেন কিনা সাকিব।

এদিকে কাটার মাস্টার মুস্তাফিজকেও রাখেনি রাজস্থান রয়্যালস। তাই ফিজেরও আইপিএল ভাগ্য নিলামের উপর। গত আসরে রাজস্থানের হয়ে চমক দেখিয়েছিলেন মিস্টার ফিজ।

এক নজরে চলুন দেখে নেওয়া যাক দলগুলো কাকে ধরে রেখেছে, কাকে ছেড়ে দিয়েছে।

চেন্নাই সুপার কিংস

বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা ৪২ কোটি রুপি দিয়ে ধরে রেখেছে চারজনকে। তারা হলেন-রবীন্দ্র জাদেজা (১৬ কোটি রূপি), মাহেন্দ্র সিং ধোনি (১২ কোটি), ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (৮ কোটি) ও মঈন আলী (৬ কোটি)।

কলকাতা নাইট রাইডার্স

খেলোয়াড় ধরে রাখতে কেকেআর খরচ করেছে মাত্র ৩৪ কোটি রুপি। তার মধ্যে আন্দ্রে রাসেলকে ১২ কোটি রুপিতে, বরুণ চক্রবর্তীকে ৮ কোটিতে, ভেঙ্কটেশ আয়ারকে ৮ কোটিতে ও সুনীল নারিনকে ৬ কোটিতে রেখে দিয়েছে।

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স

চেন্নাইর মতো মুম্বাইও একই পরিমাণ খরচ করে ধরে রেখেছে চারজন। তারা হলেন-রোহিত শর্মা (১৬ কোটি), জাসপ্রিত বুমরাহ (১২ কোটি), সূর্যকুমার যাদব (৮ কোটি) ও কিরেন পোলার্ড (৬ কোটি)।

দিল্লি ক্যাপিটালস

৩৯ কোটি রুপি খরচ করে দিল্লিও ধরে রেখেছে যথারীতি ৪ জনকে। তারা হলেন-ঋষভ পন্ত (১৬ কোটি), অক্ষর প্যাটেল (৯ কোটি), পৃথ্বি শ (৭.৫ কোটি) ও আনরিক নরকিয়া (৬.৫ কোটি)।

রাজস্থান রয়্যালস

রাজস্থান অবশ্য ধরে রেখেছে মাত্র ৩ জনকে। তাদের পেছনে খরচ হয়েছে মাত্র ২৮ কোটি রুপি। তার মধ্যে সঞ্জু স্যামসন ১৪ কোটিতে, জস বাটলার ১০ কোটিতে ও যশস্বী জয়সালকে ৪ কোটিতে রেখে দিয়েছে।

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু

বেঙ্গালুরুও মাত্র ৩ জনকে ধরে রেখেছে। তারা হলেন-বিরাট কোহলি (১৫ কোটি), গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১১ কোটি) ও মোহাম্মদ সিরাজ (৭ কোটি)।

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ

মাত্র ২২ কোটি রুপি খচর করে হায়দরাবাদ ধরে রেখেছে তিনজনকে। তাদের মধ্যে আছেন কেন উইলিয়ামসন (১৪ কোটি), আব্দুল সামাদ (৪ কোটি) ও উমরান মালিক (৪ কোটি)।

পাঞ্জাব কিংস

তারা মাত্র ১৮ কোটি রুপি খরচ করে ধরে রেখেছে মাত্র ২ জনকে। তারা হলেন-মায়াঙ্ক আগারওয়াল (১৪ কোটি) ও অর্শ্বদীপ সিং (৪ কোটি)।

নতুন দুই দল লক্ষনৌ ও আহমেদাবাদ ১ ডিসেম্বর থেকে পরবর্তী ২৫ দিনের মধ্যে ৩৩ কোটি রুপি খরচ করে তিনজন খেলোয়াড় দলে নিতে পারবে অকশনের আগে। তার মধ্যে দুইজন দেশি ও একজন বিদেশি নিতে পারবে।

আরও পড়ুন


ফের সড়কে ট্রাক চাপায় প্রাণ গেল দুই কলেজছাত্রের

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ঢাকা টেস্টে ফিরলেন সাকিব-তাসকিন

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা টেস্টে ফিরলেন সাকিব-তাসকিন

সাকিব আল হাসান এবং তাসকিন আহমেদ

ঢাকা টেস্টের জন্য ২০ সদস্যের যে দল ঘোষণা করা হয়েছে তাতে সাকিব আল হাসান এবং তাসকিন আহমেদকে যোগ করা হয়েছে। দুজনেই ইনজুরির কারণে চট্টগ্রাম টেস্টে খেলতে পারেননি।

প্রথমবারের মতো টেস্ট দলে ডাক পেয়েছেন মোহাম্মদ নাঈম। আগামী ৪ ডিসেম্বর মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে।

বিস্তারিত আসছে...

পরবর্তী খবর

প্রথম টেস্টে হারের কারণ খুঁজে পেয়েছেন মুমিনুল

অনলাইন ডেস্ক

প্রথম টেস্টে হারের কারণ খুঁজে পেয়েছেন মুমিনুল

মুমিনুল ইসলাম

চট্টগ্রামে সিরিজের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশকে হেসেখেলে হারিয়ে দিল পাকিস্তান। বাংলাদেশের দেয়া ২০২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় পাকিস্তান। ফলে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল পাকিস্তান।

ম্যাচ শেষে কথা বলেছেন বাংলাদেশের টেস্ট দলের অধিনায়ক মুমিনুল হক। চট্টগ্রাম টেস্টে বোলারদের ব্যর্থতাকেই হারের কারণ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক। 

তিনি বলেন, ‘প্রথম ইনিংসের প্রথম ঘন্টায় ব্যাকফুটে থাকলেও, লিটন ও মুশফিকের দারুণ ব্যাটিংয়ে দল ভালো সংগ্রহ পায়। তবে নতুন বলে আমাদের ব্যাটাররা কিছুটা সংগ্রাম করেছে, তারপরও পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে বোলাররা তেমন সুবিধা করতে পারেনি। কেননা তাদের দুই ওপেনার শফিক ও আবিদ আলী ম্যাচ উইনিং ব্যাটিং করেছে। এ ম্যাচের ভুল শুধরে ঢাকা টেস্টে ইতিবাচক ক্রিকেট খেলবে দল আশা করছি।’

মুমিনুল আরও বলেন, 'আমার মতে, দুই ইনিংসেই প্রথম ঘণ্টায় আমরা ম্যাচটি হেরে গেছি। প্রথম ইনিংসে মুশফিক ও লিটন খুব ভালো খেলেছে। তারা দারুণ জুটি গড়েছে। দ্বিতীয় ইনিংসে... আমার মতে প্রথম চার ব্যাটারকে এগিয়ে আসতে হবে।'

নিজেদের দুর্বল জায়গাটা খুজে পেয়েছেন বলে জানান তিনি। পরের ম্যাচে সব ভুল শুধরে দ্বিতীয় টেস্টে ঘুরে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। 

আরও পড়ুন:

পদত্যাগের এক সপ্তাহের মধ্যেই পুনঃনির্বাচিত সুইডিশ প্রধানমন্ত্রী


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশকে হেসেখেলে হারালো পাকিস্তান

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশকে হেসেখেলে হারালো পাকিস্তান

চট্টগ্রাম টেস্টে জয় পেলো পাকিস্তান

পাকিস্তানের বিপক্ষে সাগরিকা টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানে লিড নিয়েও ৮ উইকেটের ব্যবধানে হারলো বাংলাদেশ। ৯৬ ওভার হাতে থাকলেও মাত্র ১৬ ওভারেই আনুষ্ঠানিকতা সেরেছে পাকিস্তান। 

প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান আবিদ আলি দ্বিতীয় ইনিংসে আউট হন ৯১ রানে। অভিষিক্ত আব্দুল্লাহ শফিক প্রথম ইনিংস ফিফটির পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ৭৩ রান। বাংলাদেশের হয়ে উইকেট দুটি নেন মিরাজ আর তাইজুল।

প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানের লিড পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। লিটন দাসের ৫৯ রানের সুবাদে ১৫৭ পর্যন্ত যায় দলীয় সংগ্রহ। শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন ৫ উইকেট। পাকিস্তানের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২০২ রানের। ব্যাটিংয়ে নেমে হেসেখেলে লক্ষে পৌঁছে যায় সফরকারীরা।

দুই ওপেনার আবিদ আলি ও আব্দুল্লাহ শফিকের উদ্বোধনী জুটিতেই তারা পেয়েছিল ১৫১ রান। এরপর বাকি পথ নির্বিঘ্নেই পাড়ি দেন অভিজ্ঞ আজহার আলি ও অধিনায়ক বাবর আজম। অবিচ্ছিন্ন ৩২ রানের জুটিতে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তারা। আজহার ২৪ ও বাবর ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন দুই ইনিংস মিলে ২২২ রান করা আবিদ আলি।া বংহেসেখেলে হারালো

পাকিস্তানের বিপক্ষে সাগরিকা টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানে লিড নিয়েও ৮ উইকেটের ব্যবধানে হারলো বাংলাদেশ। ৯৬ ওভার হাতে থাকলেও মাত্র ১৬ ওভারেই আনুষ্ঠানিকতা সেরেছে পাকিস্তান। 

প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান আবিদ আলি দ্বিতীয় ইনিংসে আউট হন ৯১ রানে। অভিষিক্ত আব্দুল্লাহ শফিক প্রথম ইনিংস ফিফটির পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ৭৩ রান। বাংলাদেশের হয়ে উইকেট দুটি নেন মিরাজ আর তাইজুল।


আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনায়েত উল্লাহ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত


প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানের লিড পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। লিটন দাসের ৫৯ রানের সুবাদে ১৫৭ পর্যন্ত যায় দলীয় সংগ্রহ। শাহিন শাহ আফ্রিদি নেন ৫ উইকেট। পাকিস্তানের সামনে জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২০২ রানের। ব্যাটিংয়ে নেমে হেসেখেলে লক্ষে পৌঁছে যায় সফরকারীরা।

দুই ওপেনার আবিদ আলি ও আব্দুল্লাহ শফিকের উদ্বোধনী জুটিতেই তারা পেয়েছিল ১৫১ রান। এরপর বাকি পথ নির্বিঘ্নেই পাড়ি দেন অভিজ্ঞ আজহার আলি ও অধিনায়ক বাবর আজম। অবিচ্ছিন্ন ৩২ রানের জুটিতে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তারা। আজহার ২৪ ও বাবর ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন দুই ইনিংস মিলে ২২২ রান করা আবিদ আলি।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম টেস্ট: এখনও জয়ের সুযোগ দেখছেন ডমিঙ্গো

অনলাইন ডেস্ক


চট্টগ্রাম টেস্ট: এখনও জয়ের সুযোগ দেখছেন ডমিঙ্গো

পাকিস্তানের দিকে হেলে আছে চট্টগ্রাম টেস্ট

চট্টগ্রাম টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে চালকের আসনে সফরকারীরা। জয়ের জন্য পঞ্চম ও শেষদিনে তাদের প্রয়োজন মাত্র ৯৩ রান। হাতে আছে ১০ উইকেট। দুই ওপেনার আবিদ আলি ৫৬ আর আব্দুল্লাহ শফিক ৫৩ রানে অপরাজিত আছেন। 

বাংলাদেশের দেওয়া ২০২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় চতুর্থ ইনিংসে পাকিস্তান বিনা উইকেটে তুলেছে ১০৯ রান। এর আগে প্রথম ইনিংসে ৪৪ রানের লিড পাওয়া বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে গুটিয়ে যায় মাত্র ১৫৭ রানে। 

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) ম্যাচের চতুর্থ দিন ৩৩ ওভার বল করেও প্রতিপক্ষের কোনো উইকেট নিতে পারেনি বাংলাদেশ।

চট্টগ্রাম টেস্টে পাকিস্তানের দিকে হেলে থাকলেও এখনও জয়ের সুযোগ দেখছেন বাংলাদেশ দলের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো।


আরও পড়ুন:

দেশে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সবাই পুরুষ

খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিন: সরকারকে রিজভী

ফাঁকিবাজ সরকার বলেই সত্য বললেও মানুষ বিশ্বাস করেনা: মান্না


চতুর্থ দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে ডমিঙ্গো বলেন, ‘প্রথম সেশনে উইকেট পড়ছে। যেভাবে ছেলেরা লড়াই করছে তাতে আমি গর্বিত। পাকিস্তান ম্যাচে এগিয়ে আছে। তাদের ৯৩ রান প্রয়োজন, আমাদের জিততে হলে বিশেষ কিছু করতে হবে। টেস্ট ক্রিকেটে যেকোনো কিছুই সম্ভব। আমাদের জয়ের সুযোগ আছে এটা বিশ্বাস করেই কাল মাঠে নামতে হবে। প্রথম আধা ঘণ্টায় এক-দুটি উইকেট তুলে নিতে পারলে যেকোনো কিছুই সম্ভব।’

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর