সুন্দর ব্যবহারের অনেক ফজিলত
সুন্দর ব্যবহারের অনেক ফজিলত

সুন্দর ব্যবহারের অনেক ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক

মানবজীবনে সুন্দর ব্যবহারের গুরুত্ব অপরিসীম। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা’আলা মানুষকে সুন্দর ও উত্তম কথা বলার নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহপাক বলেন, ‘তোমরা মানুষের সঙ্গে উত্তম ও সুন্দর কথা বলো। ’ (সূরা বাকারা : ৮৩)।

মহান আল্লাহ্ আরও বলেন, তোমরা তোমাদের পিতা-মাতা, নিকটাত্মীয়, এতিম, দরিদ্র, প্রতিবেশী, সঙ্গী-সাথী, পথিক এবং যারা তোমাদের অধিকারে এসেছে, সবার সাথে সুন্দর আচরণ কর। (সূরা নিসা : ৩৬)।  

বিশ্ব নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে যার আচার-ব্যবহার সুন্দর, সে আমার সবচেয়ে বেশি প্রিয় এবং আমার সবচেয়ে কাছে থাকবে। ’ (সুনানে তিরমিজি)।

রাসূল (সা) বলেন, মুমিন হয় উত্তম চরিত্রের অধিকারী। অর্থাৎ সে বদমেজাজি, বিদ্বেষভাবাপন্ন ও মানুষের সাথে রুক্ষ আচরণকারী হয় না। এটা মুমিনের শান নয়। মুসলমান তো অন্যের সাথে নম্র আচরণ করবে, রুক্ষ আচরণ করবে না। রাসুল (সা:) বলেছেন, ‘সুন্দর আচরণই নেক আমল। ’ (সহিহ মুসলিম)।

মধুর চরিত্রের অধিকারী ও মিষ্টভাষীদের জন্য জান্নাতের সুখবর রয়েছে পবিত্র হাদিসে। এ বিষয়ে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে কথাটি প্রকৃতই মিথ্যা এবং অসঙ্গত, যে ব্যক্তি তা বলা এবং আলোচনা করা পরিত্যাগ করে- তার জন্য জান্নাতের কিনারায় স্থাপনা নির্মিত হয়। যে ব্যক্তি সঙ্গত কারণ থাকা সত্ত্বেও ঝগড়া-বিবাদ পরিত্যাগ করে, তার জন্য জান্নাতের মধ্যে বাসস্থান নির্মিত হয়। যে ব্যক্তি বাক সংযম, মিষ্টভাষণ এবং সত্য কথা প্রভৃতি গুণ দ্বারা নিজের চরিত্র সৌন্দর্যমন্ডিত করে, তার জন্য জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে বাসস্থান নির্মিত হয়। ’ –মিশকাত

news24bd.tv নাজিম