ই-কমার্সে হাওয়া গ্রাহকের অন্তত তিন হাজার কোটি টাকা, দায় নিচ্ছে না কেউ

ই-কমার্সে হাওয়া গ্রাহকের অন্তত তিন হাজার কোটি টাকা, দায় নিচ্ছে না কেউ

Other

ই-কমার্স খাতে আটকে আছে লাখ লাখ গ্রাহক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের তিন হাজার কোটি টাকা। আর এই টাকার দায় এখন কে নেবে এমনি প্রশ্ন তাদের। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এর দায় সরকার কোন ভাবেই এড়াতে পারেনা। এদিকে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন এসব লোভনীয় অফারে গ্রাহকদের প্রলুব্ধ হতে নিরুৎসাহিত করছেন।

 

মিরপুরের একটি দোকান মালিক সুমন সরদার। ব্যবসার কাজে মাস সাতেক আগে ই-ভ্যালিতে দুটি মোটর সাইকেল অর্ডার করেন তিনি। এরপর সময়মত পণ্য না পেলে রিফান্ডের চেক নেন। কিন্তু সেই চেক আর ক্যাশ করতে পারেননি তিনি। ধরা খান সাড়ে তিন লাখ টাকারও বেশি। এখন প্রশ্ন কে দেবেন তার টাকা?

আরও পড়ুন


গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়রকে আ.লীগের শোকজ

কুষ্টিয়ার খোকসায় প্রতিমা ভাঙচুর

আদালত চত্ত্বরে বোমা হামলা: বোমা মিজানের মৃত্যুদণ্ড, জাবেদের যাবজ্জীবন

মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা


বিশষজ্ঞরা বলছেন, ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, ধামাকা, নিরাপদ ডটকমসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে দেশের কয়েক লাখ গ্রাহকের প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা আটকে আছে।

এর মধ্যে ইভ্যালির কাছে রয়েছে এক হাজার কোটি এবং ই-অরেঞ্জের কাছে ১১শ কোটি টাকা। আর এই টাকা পাওয়া নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। তবে তারা বলছেন, এসবের দায় নিতে হবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ভোক্তা অধিকার, ইক্যাবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলোকে।

টাকা ফেরতের দায় এড়িয়ে ইক্যাব এসব খাতে বিনিয়োগে সতর্ক হতে বলছে গ্রাহকদের।

ইক্যাবের তথ্য মতে, দেশে বর্তমানে ৩০ হাজার ই-কমার্স বা অনলাইনে কেনাবেচার প্রতিষ্ঠান আছে। আর করোনা মহামারির সময় ই-কমার্সের বিশাল উত্থান হয়েছে। এ খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৫০-১০০ শতাংশ। কিন্তু ইভ্যালি, ই- অরেঞ্জ, ধামার মতো কয়েকটির কারণে ই-কমার্স খাত বর্তমানে প্রায় ৫০ শতাংশ বাজার হারিয়েছে।

news24bd.tv/ কামরুল