রিমান্ডে পিয়াসা, ফেঁসে যাচ্ছেন নুসরাত

অনলাইন ডেস্ক

রিমান্ডে পিয়াসা, ফেঁসে যাচ্ছেন নুসরাত

মুনিয়ার মৃত্যু নিয়ে করা মামলা নাটকীয় মোড় নিতে শুরু করেছে। আজ রবিবার (৩ অক্টোবর) পিবিআই দুই দিনের রিমান্ড চেয়েছে পিয়াসার। আদালত সেই রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। পিয়াসাকে রিমান্ডে আনার ফলে এই মামলার নাটকীয় মোড় নিতে যাচ্ছে বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে।  

পিয়াসাকে মাদক ব্যবসা এবং অবৈধ নানা কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। ইতিমধ্যে তিনি দুটি মামলায় জামিন পেয়েছেন।

বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে, পিয়াসার বাসায় রাতের যে আসর বসতো, সেই আসরে যে সমস্ত নারীদের আনা হতো তাদের মধ্যে মুনিয়া ছিল অন্যতম। পিয়াসার কল রেকর্ড অনুসন্ধান করে নুসরাতের সঙ্গে পিয়াসার একাধিক কথোপকথনের তথ্য পাওয়া গেছে। এই সূত্র ধরেই পিবিআই পিয়াসার রিমান্ড চেয়েছে।

আরও পড়ুন


গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়রকে আ.লীগের শোকজ

কুষ্টিয়ার খোকসায় প্রতিমা ভাঙচুর

আদালত চত্ত্বরে বোমা হামলা: বোমা মিজানের মৃত্যুদণ্ড, জাবেদের যাবজ্জীবন

মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা


পিয়াসার বাসায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এই সময়ে তদন্ত করে জানা যায়, পিয়াসার বাসায় অনেক ধনাঢ্য ব্যক্তি আসতেন এবং সেখানে সারারাত পার্টি হতো। নারীদের সেখানে উপভোগের সামগ্রী হিসেবে নিয়ে আসা হতো এবং তাদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হতো। এটিই ছিল পিয়াসার উপার্জনের অন্যতম পথ। যে সমস্ত নারীরা পিয়াসাদের রাতের আসরে যেতেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে তাদের মধ্যে মুনিয়া অন্যতম। তবে পিয়াসার সঙ্গে নুসরাতের যোগাযোগ হতো বলে অনেকে মনে করেন। আর এই যোগাযোগ হতো মুনিয়াকে কেন্দ্র করেই।

উল্লেখ্য, পিয়াসা ব্যবসায়ীদের ব্ল্যাকমেইল করার জন্য উঠতি বয়সী নারীদের ব্যবহার করতেন। বিভিন্ন উৎস থেকে নারীদের নিয়ে আনা হতো। শুধু শোবিজের তারকা নয়, সাধারণ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার এবং উঠতি বয়সী তরুণীদেরও পিয়াসার আসরে আনা হতো। মুনিয়া ছিল নুসরাতের অর্থ উপার্জনের অন্যতম হাতিয়ার। ধারণা করা হচ্ছে, মুনিয়াকে নুসরাত পিয়াসার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন অর্থ উপার্জনের জন্যই।  

এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, মুনিয়াকে ব্যবহার করেই নুসরাত আর্থিকভাবে লাভবান হতেন এবং বিভিন্ন মহলে তাকে ব্যবহার করতেন। পরে যেসব ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের কাছে মুনিয়া যেতেন তাদেরকে নুসরাত ব্ল্যাকমেইল করতেন। তদন্তকারীরা বুঝতে চেষ্টা করছেন, পিয়াসার সঙ্গে মুনিয়ার সম্পর্ক কী ছিল। মুনিয়া কেন পিয়াসাদের রাতের আসরে যেতেন? একই সঙ্গে এই ঘটনায় নুসরাতের যোগসূত্র কোথায়?

বিভিন্ন সূত্র বলছে, নুসরাতই মুনিয়াকে এই ধরনের কাজে ব্যবহার করতেন। পিয়াসাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এই সম্পর্কে ঘটনার আদ্যোপান্ত বেরিয়ে আসবে বলে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র মনে করছে। পিয়াসাই এই মামলার নুসরাতের সংশ্লিষ্টতার একটি বড় প্রমাণ হতে পারে বলেও একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র মনে করছে।

উল্লেখ্য, গত ২৬ এপ্রিল গুলশানে একটি ফ্ল্যাটে মুনিয়া মারা যায়। মৃত্যুর পর তার বোন নুসরাত আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা দায়ের করেছিলেন। পুলিশ তিন মাস তদন্ত করার পর এই মামলাটি নাকচ করে দেন এবং আত্মহত্যার কোন প্ররোচনা হয়নি বলে পুলিশ তার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে মন্তব্য করেন। এই চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করার পর নুসরাত নারাজি দরখাস্ত দেন। পরবর্তীতে তিনি একটি নতুন মামলা দায়ের করেন। সেখানে তিনি হত্যা এবং ধর্ষণের অভিযোগ উত্থাপন করেন। সেই মামলার জট খুলতেই এখন পিয়াসাকে রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

news24bd.tv/ তৌহিদ 

পরবর্তী খবর

হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হলেন ৯ জন

অনলাইন ডেস্ক

হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হলেন ৯ জন

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে ৯ জন অতিরিক্ত বিচারপতিকে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সোমবার (১৮ অক্টোবর) আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বরত সচিব মো. গোলাম সারওয়ারের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগ দেওয়া হয়।

স্থায়ী হওয়া বিচারপতিরা হলেন- বিচারপতি মুহম্মদ মাহবুব-উল ইসলাম, বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিন, বিচারপতি মো. জাকির হোসেন, বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামান, বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদার, বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেন, বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার, বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হক ও বিচারপতি কাজী জিনাত হক।

বিস্তারিত আসছে...

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

কিউকমের আরজে নিরব ও রিপন মিয়া ফের রিমান্ডে

অনলাইন ডেস্ক

কিউকমের আরজে নিরব ও রিপন মিয়া ফের রিমান্ডে

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান কিউকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রিপন মিয়ার দুইদিন ও হেড অব সেলস (কমিউনিকেশন অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন) অফিসার হুমায়ুন কবির ওরফে আরজে নিরবের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে শুনানি শেষে এই রিমান্ডের আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ উর রশিদের আদালত।

আরও পড়ুন:


ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!

ডিএমপি কমিশনার ও র‍্যাব ডিজি’র পদোন্নতি


বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লালবাগ থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই হেলাল উদ্দিন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

১৩ বছর পর হত্যা মামলার রায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক

১৩ বছর পর হত্যা মামলার রায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড

কিশোরগঞ্জে কৃষক বাচ্চু মিয়া হত্যা মামলায় জসিম উদ্দিন (৩৫) নামের একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত চারজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।

আজ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নার্গিস ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। 

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জসিম উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার কর্শা কড়িয়াইল ইউনিয়নের মনাকর্শা গ্রামের আবদুল মজিদের ছেলে।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, মনাকর্শা গ্রামের জসিম উদ্দিনের সঙ্গে পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে বিরোধ ছিল একই এলাকার কৃষক বাচ্চু মিয়ার। ২০০৮ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বিকালে  বাচ্চু মিয়া স্থানীয় বাজারে ধান বিক্রি করতে যাচ্ছিলেন। এ সময় জসিম উদ্দিন ও তার ভাইয়েরা রাস্তায় বাচ্চু মিয়াকে কুপিয়ে হত্যা করেন।

আরও পড়ুন:


ইভ্যালিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব: বিচারপতি মানিক

করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্ত

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলো তরুণী!

ডিএমপি কমিশনার ও র‍্যাব ডিজি’র পদোন্নতি


এ ঘটনায় ঐদিন রাতেই বাচ্চু মিয়ার বড় ভাই হারুনুর রশীদ বাদী হয়ে ছয়জনকে আসামি করে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। দীর্ঘ ১৩ বছর পর এ রায় দেন বিচারক। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ফতুল্লায় সুজন ফকির হত্যাকাণ্ডে দুই ঘাতক গ্রেপ্তার

দিলীপ মন্ডল, নারায়ণগঞ্জ

ফতুল্লায় সুজন ফকির হত্যাকাণ্ডে দুই ঘাতক গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় চাঞ্চল্যকর ক্লু-লেস ও নৃশংস সুজন ফকির হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মো. আব্দুল মজিদ এবং হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশগ্রহণকারী মো. মজজেম হোসেনকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে নাটোরের বাগাতিপাড়া থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব ১১।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজীনগরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাব ১১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল তানভীর মাহমুদ পাশা।

আরও পড়ুন:


টাকা না দেওয়ায় নানাকে হত্যা করে ঘরেই পুঁতে রাখে নাতি

আমরা আরও বেশি সতর্ক: ওবায়দুল কাদের


১৬ অক্টোবর সকালে ফতুল্লা থানাধীন নয়াবাজার এলাকায় সুজনকে হত্যা করা হয়।

ঘটনার খবর পাওয়ার পরই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সজিব ফকির (২২) নামক এক ব্যক্তি গলাকাটা ও রক্তাক্ত লাশটি দেখে লাশটি তার বাবা সুজন ফকির (৪৫) বলে শনাক্ত করেন।

নিহতের ছেলে বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। হত্যাকাণ্ডের একটি সিসিটিভি ফুটেজ এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

১৮ অক্টোবর র‌্যাব-১১ ও র‌্যাব-৫ এর একটি দল নাটোরের বাগাতিপাড়ায় যৌথ অভিযান চালিয়ে সুজন ফকির হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী নাটোরের বাগাতিপাড়ার আফাজের ছেলে আব্দুল মজিদ (৩৭) ও হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশগ্রহণকারী মহাকাতের ছেলে মজজেম হোসেনকে (২৮) গ্রেপ্তর করতে সক্ষম হয়।

প্রাথমিক অনুসন্ধান ও আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আব্দুল মজিদের স্ত্রীর সঙ্গে নিহত সুজন ফকিররের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল।

এর কারণে সমসাময়িককালে মজিদ ও তার স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এরই ধারাবাহিকতায় ০৫ অক্টোবর আব্দুল মজিদের স্ত্রী কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুজির পর স্ত্রীকে না পেয়ে আব্দুল মজিদের মনে সন্দেহ হয় যে, তার স্ত্রী সুজন ফকিরের হেফাজতে রয়েছে। তখন থেকেই সে তার ভাতিজা মজজেম হোসেনকে নিয়ে সুজন ফকিরকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

মজজেম নাটোর থেকে নারায়ণগঞ্জ যাওয়ার সময় তার খালাতো ভাই মো. হাসান (২২) কে সঙ্গে নিয়ে আসে। হত্যাকাণ্ডের আগের রাতে মজজেম ও হাসান নারায়গঞ্জে আসে এবং আব্দুল মজিদের পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা ঘটনার দিন সকালে সুজন ফকিরের বর্তমান ঠিকানায় যায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী আব্দুল মজিদ মোবাইল ফোনে ভিকটিম সুজনকে মজজেমের সঙ্গে দেখা করতে বলে। ভিকটিম সুজন ফকির মজজেমের সঙ্গে দেখা করতে এলে, মজজেম কথা আছে বলে অটোরিক্সায় তুলে নেয়।

যাওয়ার পথে সকালে নয়াবাজার এলাকায় চলন্ত অটোরিক্সার বসা সুজন ফকিরের গলায় পেছন থেকে ছুরিকাঘাত করে থেকে পালিয়ে যায় মজজেম।

উক্ত হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া অপর সদস্য হাসান (২২) গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

news24bd.tv/তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে ধর্ষণ, আ.লীগ নেতা গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক

ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে ধর্ষণ, আ.লীগ নেতা গ্রেফতার

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় গামছা দিয়ে চোখ-মুখ বেঁধে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষণের অভিযোগে রোববার রাতে রাঙ্গাবালী থানায় একটি মামলা করা হয়। রাতেই ওই মামলায় প্রধান অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা হাসান মৃধাকে (৪২) উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের কোড়ালিয়া বাজার থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতার হাসান মৃধা ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। সোমবার সকালে তাকে গলাচিপা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। 

এর আগে শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের ছোটবাইশদিয়া গ্রামে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গ্রেফতার হাসান মৃধা অজ্ঞাতনামা একজন আসামি নিয়ে গৃহবধূর স্বামীর ঘরে ঢুকে তার চোখ ও মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে ফেলে। গরম বস্তু দিয়ে গৃহবধূর বাম হাতে এবং বাম কোমরে ছেকা দেয়। একপর্যায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি গৃহবধূর দুই হাত চেপে ধরে রাখে। আর হাসান মৃধা তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। 

আরও পড়ুন


বঙ্গবন্ধু যেতেই গুলি বন্ধ করল বিডিআর

মানুষের সঙ্গে যেভাবে কথা বলতেন বিশ্বনবী

সূরা বাকারা: আয়াত ১২৮-১৩৩, আল্লাহর নির্দেশ ও হয়রত ইব্রাহিম (আ.)

কলকাতা প্রেস ক্লাবে ‘বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার’


রাঙ্গাবালী থানার ওসি দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর