তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন আরও কঠোর করার সুপারিশ

অনলাইন ডেস্ক

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন আরও কঠোর করার সুপারিশ

দেশে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের মাধ্যমে বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনটি আরও কঠোর করার সুপারিশ করেছে 
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন। সংগঠনটি তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের মাধ্যমে ই-সিগারেটসহ সকল তামাক পণ্য উৎপাদন, আমদানি-রফতানি, প্রচারণা-বিজ্ঞাপন, বিপণন ও সেবন নিষিদ্ধকরণের সুপারিশ করে। 

সোমবার (৪ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর সংগঠনটি পরিচালিত ই-সিগারেট ব্যবহার বিষয়ক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠান থেকে এসব সুপারিশ করা হয়।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ বিভাগের সিনিয়র লেকচারার অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হায়াতুন নবী গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করে বলেন,  সাধারণত ই-সিগারেট ওপেন সিস্টেম (রিফিল ট্যাংকযুক্ত) এবং ক্লোজ সিস্টেমে (ডিসপোজেবল কার্টিজযুক্ত) হয়ে থাকে। জরিপে দেখা গেছে, ই-লিকুইড ফ্লেভারের ভিন্নতা এবং ধোঁয়া নিয়ে বেশি কারুকাজ করার সুযোগ থাকে বিধায় বেশিরভাগ ব্যবহারকারী ওপেন সিস্টেম (রিফিল ট্যাংকযুক্ত) পছন্দ করেন।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, বেশিরভাগ অংশগ্রহণকারী (৬৫ শতাংশ) স্বাদের কারণে ই-সিগারেট ব্যবহার করার চেষ্টা করেছেন৷ স্টাইলের কারণে অনেকে ই-সিগারেট ব্যবহার করছেন বলেও জানা যায়। আবার অনেক অংশগ্রহণকারী ই-সিগারেট তাদের প্রচলিত সিগারেট ছাড়তে সাহায্য করতে পারে ভেবে এটা নিচ্ছেন বলে জানান। অংশগ্রহণকারীরা ই-সিগারেটকে প্রচলিত সিগারেটের তুলনায় স্বাস্থ্যের জন্য কম ক্ষতিকর বলে মনে করেন। 

বাংলাদেশে ই-সিগারেটের প্রকৃত চিত্র সম্পর্কে ধারণা পেতে ঢাকা আহছানিয়া মিশন ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডসের কারিগরি সহায়তায় শহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর ই-সিগারেটে ব্যবহার বিষয়ক একটি গবেষণা পরিচালনা করে৷ ২০২০ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে এই গবেষণা জরিপের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ২৩ ছাত্রদের মধ্যে তিনটি ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশন পরিচালিত হয়। এতে যে শিক্ষার্থীরা বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র এবং শেষ ৩০ দিনে নিয়মিত ই-সিগারেট ব্যবহার করছেন তারা অংশ নেন।

আরও পড়ুন:


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইপিএল নিয়ে জুয়া, ৩ জনের সাজা

চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় বোমা হামলা মামলার রায় আজ

টুইটার অ্যাকাউন্ট ফিরে পেতে আদালতে ট্রাম্প

যুবলীগ নেতার সঙ্গে ভিডিও ফাঁস! মামলা তুলে নিতে নারীকে হুমকি


অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. আবদুল আজিজ, ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডসের লিড পলিসি অ্যাডভাইজর মোস্তাফিজুর রহমান, মানসের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডা. অরূপ রতন চৌধুরী প্রমুখ৷

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

সন্তানদের অত্যাচারে পালিয়ে বেড়াচ্ছে ৮০ বছরের বৃদ্ধ বাবা!

অনলাইন ডেস্ক

সন্তানদের অত্যাচারে পালিয়ে বেড়াচ্ছে  ৮০ বছরের বৃদ্ধ বাবা!

চার বছর ধরে নিঘের বাড়ি ফেলে পলাতক হয়ে আছেন পাঁচ পুত্রের বাবা মোহাম্মদ মুছা। সম্পত্তির লোভে সন্তানদের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে বাবা ঘরছাড়া হয়েছেন। অত্যচার করে বাবাকে কাবু করতে না পেরে বাবাকে ঘায়েল করতে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপবাদ ও মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছে জন্মদাতা বাবাকে সেই সন্তানরা।

এমন নির্মম ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায়। ছেলেদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হতভাগা বৃদ্ধ বাবা মোহাম্মদ মুছা (৮০) বৃহস্পতিবার স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে ছেলেদের নির্মমতার বর্ণনা দেন। উপজেলার দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আফজলেরপাড়া এলাকায় ওই বৃদ্ধের বাড়ি।

বৃদ্ধ মোহাম্মদ মুছা বলেন,  পাঁচ পুত্র, দুই কন্যা ও এক স্ত্রী নিয়ে সুখেই কাটছিলো আমার জীবন। ২০১৭ সালের ১৪ জুলাই হঠাৎ আমার স্ত্রী মজুমা খাতুন মারা যান। এর মধ্যে দুই মেয়েকে বিয়ে দিই। আমার স্ত্রী  পৈতৃক সূত্রে কিছু জায়গা পায়। ওই সম্পত্তি ছাড়াও আমার নিজের দশ শতক বাড়িভিটাসহ চার কানি জায়গা ছিল। আমার স্ত্রী মারা যাওয়ার আগে আমার তৃতীয় ছেলে শহীদুল ইসলাম ও চতুর্থ ছেলে মাসুদ পারভেজ পরিবারের সবার অজান্তে সুকৌশলে আমার স্ত্রী মজুমার কাছ থেকে হেবা দলিলে কিছু জায়গা লিখে নেয়।

বিষয়টি পরে আমি জানতে পেরে প্রতিবাদ করলে তারা আমাকে মারধর করে। আমার দুই ছেলের স্ত্রীকে ঘর থেকে বের করে দেয়। তাদের স্বামীরা তখন বিদেশে অবস্থান করছিল।

২০১৭ সালের শেষের দিকে আমাকে ঘরেবন্দি রেখে ভয়ভীতি দেখিয়ে আমার ছেলে শহীদুল ও পারভেজের সহযোগিতায় দ্বিতীয় ছেলে সিরাজুল ইসলাম বাড়িভিটাসহ কিছু সম্পত্তি হেবা দলিলে লিখে নেয়। পরের বছরের মাঝামাঝি সময় অন্য ছেলে শহীদুল ইসলাম জোর করে আরও কিছু সম্পত্তি লিখে নেয়। 

আমি বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য লোক ও প্রশাসনকে জানালে তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে।

তাদের ভয়ে অবশেষে ঘর থেকে বের হয়ে যাই। বর্তমানে আমি মরিয়মনগর ইউনিয়নের পূর্ব সৈয়দবাড়ি আমার বড় ও পঞ্চম ছেলের ভাড়া বাসায় আছি। 

আরও পড়ুন:


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইপিএল নিয়ে জুয়া, ৩ জনের সাজা

চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় বোমা হামলা মামলার রায় আজ

টুইটার অ্যাকাউন্ট ফিরে পেতে আদালতে ট্রাম্প

যুবলীগ নেতার সঙ্গে ভিডিও ফাঁস! মামলা তুলে নিতে নারীকে হুমকি


 

প্রায় ৪ বছর ঘর ছেড়ে পালিয়ে থাকার পরও তারা ক্ষান্ত হয়নি। তারা আমাকে ঘায়েল করতে আমার বিরুদ্ধে পুলিশ কর্মকর্তার কাছে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা অপবাদ ও অভিযোগ করছে। 

২০১৩ সালে জায়গার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে আমাকে মারধর করলে আমি থানায় মামলা করার পর আমার ছেলে শহীদুল ও পারভেজকে পুলিশ গ্রেফতার করে কারাগারে নিয়ে যায়।

শেষ বয়সে স্বাভাবিক জীবনযাপন করার জন্য আমি ঊর্ধ্বতন প্রশাসনের কাছে তাদের বিচার দাবি করছি। দৃষ্টান্তমূলক এমন বিচার কামনা করছি; যাতে অন্য কোনো বাবা আমার মতো ছেলের নির্মমতার শিকার না হয়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

সাত পায়ের গরুর বাছুর!

অনলাইন ডেস্ক

সাত পায়ের গরুর বাছুর!

বুধবার বিকেলে একজন কৃষকের একটি গাভি সাত পা বিশিষ্ট একটি গরুর বাছুরের জন্ম দেয়। খবরটি দ্রুত সময়ে গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যা থেকেই প্রতিবেশী থেকে শুরু করে আশপাশের শিশু-কিশোরসহ সব ধরনের লোকজন ভিড় জমাতে থাকে।

ফেনীর দাগনভূঁঞা উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়নের চন্দ্রপুর মধ্যপাড়ার বক্স আলী ভূঁঞা বাড়ির রূপধন মিয়া গাভিটির মালিক। গত প্রায় ১০ বছর থেকে তিনি গাভিটি লালন পালন করে আসছিলেন। এর আগেও গাভিটি তিনটি বাছুর জন্ম দেয়। এটি চতুর্থ বাছুর। 

বাছুরটি জন্মের পর দেখা যায় চারটি স্বাভাবিক পা থাকা সত্ত্বেও পিঠের ওপরের অংশে আরও ছোট ছোট তিনটি পা রয়েছে। 

আরও পড়ুন:


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইপিএল নিয়ে জুয়া, ৩ জনের সাজা

চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় বোমা হামলা মামলার রায় আজ

টুইটার অ্যাকাউন্ট ফিরে পেতে আদালতে ট্রাম্প

যুবলীগ নেতার সঙ্গে ভিডিও ফাঁস! মামলা তুলে নিতে নারীকে হুমকি


গাভির মালিক রূপধন মিয়া জানান, বাছুরটি জন্মের পর দুধ পান করছে না। তবে ফিডারের মাধ্যমে দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

উপজেলা ভেটেনারি সার্জন মো. তারেক মাহমুদ জানিয়েছে, এটি বিরল আকৃতির একটি বাছুর। প্রাণিসম্পদ বিভাগের একজন মাঠকর্মী ওই কৃষকের বাড়িতে গিয়ে বাছুরটি সরেজমিনে দেখেন ও খোঁজখবর নেন। তার মাধ্যমে বিষয়টি তিনি অবহিত হয়েছেন। এটি একটি জন্মগত ত্রুটি।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

কিস্তির ১৬০০ টাকার জন্য দিনমজুরের আত্মহত্যা

অনলাইন ডেস্ক

কিস্তির ১৬০০ টাকার জন্য দিনমজুরের আত্মহত্যা

দিনমজুর আবুল হোসেনের বয়স ষাট। বিভিন্ন এনজিওর থেকে ঋণ নিয়েছিলেন তিনি। আজ  তার একটি এনজিওর ১৬০০ টাকা কিস্তি দেওয়ার কথা ছিলো তার। কিন্তু সেই কিস্তির টাকা জোগাড় করতে না পেরে অপমানে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি।

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে  এই ঘটনা ঘটেছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে তেলিগাতী ইউনিয়নের চোমরা গ্রামের সৈয়দ আলী শেখের বাগান থেকে উদ্ধার করা হয় আবুলয়াল শেখের ঝুলন্ত মরদেহ। 

বিভিন্ন এনজিওর কিস্তর টাকা জোগাড় করতে না পেরে সে আত্মহত্যা করেছে বলে অনেকে দাবি করেছেন। আবুল হোসেনকে আশা, ব্র্যাক ও গ্রামীন ব্যাংককে প্রতি সপ্তাহে সাড়ে ৩ হাজার টাকা কিস্তি দিতে হতো। আজ বৃহস্পতিবারও তার একটি এনজিওর ১৬০০ টাকা কিস্তি দেওয়ার কথা ছিলো তার।

জানা গেছে, গতকাল বুধাবর (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ হন ৪ সন্তানের জনক আবুয়াল হোসেন। রাত ১০টার দিকে স্ত্রী, সন্তান ও প্রতিবেশীরা তার খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। রাত ১টার দিকে পাশের বাড়ির বাগানে গাছের সাথে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাকে দেখতে পাওয়া যায়। 

আরও পড়ুন:


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইপিএল নিয়ে জুয়া, ৩ জনের সাজা

চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় বোমা হামলা মামলার রায় আজ

টুইটার অ্যাকাউন্ট ফিরে পেতে আদালতে ট্রাম্প

যুবলীগ নেতার সঙ্গে ভিডিও ফাঁস! মামলা তুলে নিতে নারীকে হুমকি


 

খবর পেয়ে সকাল ৭টার দিকে পুলিশ স্থানীয়দের সহযোগিতায় আবুল হোসেনের ঝুলন্ত মরদেহ গাছ থেকে নামায়। 

মোরেলগঞ্জ থানার ওসি মো. ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, কারো কোনও সন্দেহ ও অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

বাবাকে লাথি মারলো শিক্ষক ছেলে, অবশেষে গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক

বাবাকে লাথি মারলো শিক্ষক ছেলে, অবশেষে গ্রেফতার

সোমবার সকালে বাবা আতাউর রহমানের চাকরিস্থল মহেলা ডাকঘরে যান মজনুর রহমান। ডাকঘরে ঢুকে বাবাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন  তার শিক্ষক ছেলে মো. মজনুর রহমান। একপর্যায়ে অফিসের কাগজপত্র তছনছ করে ডাকঘরের মোবাইল ফোনটি বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেন। পরে মোবাইল ফোন নিয়ে মোটরসাইকেলে উঠতে চাইলে বাধা দেন বাবা। বাধা দেওয়ায় বাবাকে লাথি মারেন তিনি। এ সময় বাবার সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি ও ধস্তাধস্তিও করেন। পরে আশপাশের লোকজন এসে মজনুরকে তাড়িয়ে দেন।

পাবনার চাটমোহরে বাবাকে লাথি মারাসহ লাঞ্ছিত করার ঘটনায় এই ঘটনা ঘটে। গত সোমবার সকালের ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে মামলা করেন ভুক্তভোগী আতাউর রহমান। বাবার করা মামলায় শিক্ষক ছেলে মো. মজনুর রহমানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ঘটনার পর আতাউর রহমানকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। 

গ্রেফতার মো. মজনুর রহমান চাটমোহর সরকারি আরসিএন অ্যান্ড বিএসএন মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শাখার ট্রেড ইন্সট্রাক্টর।

আরও পড়ুন:


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইপিএল নিয়ে জুয়া, ৩ জনের সাজা

চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় বোমা হামলা মামলার রায় আজ

টুইটার অ্যাকাউন্ট ফিরে পেতে আদালতে ট্রাম্প

যুবলীগ নেতার সঙ্গে ভিডিও ফাঁস! মামলা তুলে নিতে নারীকে হুমকি


চাটমোহর সরকারি আরসিএন অ্যান্ড বিএসএন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুস ছালাম বলেন, বিষয়টি খুবই লজ্জার ও দুঃখজনক। একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এমন আচরণ কাম্য নয়। বিষয়টি ইউএনও স্যারকে জানিয়েছি।

চাটমোহর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, ছেলের বিরুদ্ধে বাবা মামলা করেছেন। ইতোমধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

হেলিকপ্টারে দ্বিতীয় বিয়ে করতে গেলেন ৫৬ বছরের মুফতি

অনলাইন ডেস্ক

হেলিকপ্টারে  দ্বিতীয় বিয়ে করতে গেলেন ৫৬ বছরের মুফতি

৫৬ বছর বয়সী মুফতি লুৎফর রহমান ফারুকী তার পাশের উপজেলায় ৩৩ বছরের নারীকে বিয়ে করতে হেলিকপ্টার নিয়ে যান। তাদের এই বিয়ে আয়োজন নিয়ে এলাকায় মানুষের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে আলোচনা ও কৌতূহল। হেলিকপ্টারে বিয়ে করতে আসায় বর দেখতে ভিড় জমায় অসংখ্য মানুষ।

বর মুফতি লুৎফর রহমান ফারুকীর প্রথম স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।  কনেরও আগের ঘরের দুইটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

সোমবার (১১ অক্টোবর) বেলা পৌনে ৩টার দিকে যশোরের অভয়নগর উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়নের দিঘিরপাড় গ্রামে বিয়ে করতে যান তিনি।

মুফতি লুৎফর রহমান ফারুকী যশোর জামেয়া ইসলামীয়া মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা, মহাপরিচালক এবং আল ফারুকী প্রপার্টিজের চেয়ারম্যান।  তাদের এ বিয়ের মধ্যস্থতা করেছেন অভয়নগরের পুড়াখালি মহিলা মাদরাসার সুপার আশেক এলাহী।

আরও পড়ুন:


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইপিএল নিয়ে জুয়া, ৩ জনের সাজা

চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় বোমা হামলা মামলার রায় আজ

টুইটার অ্যাকাউন্ট ফিরে পেতে আদালতে ট্রাম্প

যুবলীগ নেতার সঙ্গে ভিডিও ফাঁস! মামলা তুলে নিতে নারীকে হুমকি


 

মুফতি লুৎফর রহমান ফারুকী বলেন, আমার প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে দ্বিতীয় বিয়ে করেছি। সোমবার অভয়নগরের দিঘিরপাড় গ্রামের আব্দুল মান্নানের মেয়ে খাদিজা পারভীন লিপির সঙ্গে বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে। আমি খুবই ব্যস্ত মানুষ। সময় বাঁচাতে হেলিকপ্টারে করে গিয়েছি। পারিবারিক সমস্যার কারণে দ্বিতীয় বিয়ে করেছি।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর